১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া - ০৪

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

১০.
মাদ্রাসার শিক্কা শেস করি আমি একন আদুনিক শিক্কা নেওয়ার জইন্য কম্ফিউটার এর উফর এখটা ডিফ্লমা কোস কইত্তেচি। নাস্তেকরা আমাদের মত মাদ্রাসার সাত্রদের লিয়ে হাসি তামসা করে। কয়, আমরা হুজুররা নিকি ইউটুব আর পেচবুক সারা কিসুই জানি না। তাই আমি নাস্তেকদের চেলেঞ্জ হিসেবে রাইতে কম্ফিটার এর উপর ডিফ্লমা করি নাস্তেক দের মুকে সুনকালি দিব। দিনে মাদ্রেসায় সাত্র পরাইব, আর রাইতে নাস্তেকদের সাতে কম্ফিটার এর জ্ঞান লই টক্কর দিব। কম্ফিটার এর উফর ডিফ্লমা কইত্তে যায়া আমার জিবহা ভাইর হইয়া যাইতেচে। কুন শালায় যে এওত কডিন জিনিস বানাইছে। সার রা ফরা দিলে আমি মুতার কতা কই বাগা মারি দেই। হুম ওয়াক না কি যানি এখটা আছে না, অইটা হইল আমার দুই সুকের দুসমন। হুম অয়াক এর কারনে আইজ কাইল ইসলামি মেহফিলেও ঠিম মত তাইকতে ফারি না। এই কম্ফিটার হইল এখটা নাস্তেকি যন্ত্র। আমাদের নবির আমলই বালো সিল, পেচবুক নাই ইউটুব নাই কিসুই নাই। কালি উটে সরে ঘুরো আর হেরেমে নতুন নতুন বিবি আনো।

১১.
"ছবাই কেন গাইতে গেলে ফ্রেমের গানই গায়?
আমি অন্য কিসু গাইব আজ অন্য সুরে গাইব।"

একানে "অন্য কিসু" বলতে অন্য কিসু বুঝানু হয় নি।
একানে "অন্য কিসু" বলতে আল্লা ও তার দোস্তের দীনের গানকে বুজানু হয়েছে।

১২.
সুটু বেলায় ফ্রায় বিস বসর বয়চ ফইয্যন্ত আমার মুকে বুকে বগলে নিম্নাংগে (হিন্দি সুল) কুতাও সুল গজাইতে সিল না। আমার মুক সিল জেনানা দের মত কুমল। ফারা ফ্রতিবেসি বন্দু বান্দব সবাই মোরে লই আসায়াসি কইত্ত। আমার ফরিবার সবাই সিন্তায় ফরি যায়। কি কইরবে কি কইরবে সবাই জকন বাইবতে সিল, এমুন সুময় ফাসের ফ্রামের লেংড়া কবির আসি কয় সফি হুজুরের কাসে যাইতে। সে নিকি সফি হুজুরের কাস তেকে একটা ফু নিয়েসিল, তার ফর তার ফাও বালা হই যায়। আল্লার উফর বরসা করি মোর বাপ মায় মোরে সফি হুজুরের দারে লই গেল। হুজুর মোরে দেকি দুয়া ফরি এক্কান ফু দিলেন। তারফর তেকে আজিয়া আমার নিচে উফ্রে এত সুল। মুকে গনো দারি । সবাই আমার মুকের সুন্দর দারি দেকি ইনবকচে কালি জিগায় হুজুর আফনার এত সুন্দর দারির রহসসো কি? তাই আজিয়া বলি দিলাম। আল্লামা সফি হুজুরের ফু তে ই আজিয়া আমার মুকে বুকে এত সুন্ধর সুল (হিন্দিতে ফইরবেন না)।

বিতর্কক্লান্ত আস্তিক

ইসলামের নবী ও ইসলামে শাদী মোবারক

লিখেছেন পুতুল হক

'কবুল' বললেই বিয়ে হয়ে যায় আর 'তালাক' বললেই বিয়ে ভেঙে যায়। ইসলামে বিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ যদি হয়, তাহলে এই সম্পর্কে একটাও আয়াত নেই কেন? কোনোমতে "কবুল" বলেই মেয়েদের নিয়ে বিছানাতে যাওয়া ইসলামী পদ্ধতিতে বিয়ের উদ্দেশ্য। তাই মন্ত্র-ফন্ত্র পড়ে সময় নষ্ট করার কথা মোহাম্মদ ভাবেনি। ঘর থেকে পুরোন একটা জড় পদার্থ বের করে ফেলে দিতে যতোটা সময় লাগে, মুসলমান পুরুষের ক্ষেত্রে তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ততটুকু সময়ও লাগে না ধর্মীয় বিধান মতে।

আমাদের দেশে বিয়ে নিয়ে যে সমস্ত অনুষ্ঠানাদি হয়, তা সবই ইসলাম-পূর্ব যুগের ধর্ম বা সামাজিক প্রথা থেকে নেয়া। বিয়েকে কেন্দ্র করে ইসলাম ধর্মে আনন্দ করার সুযোগ নেই। যেখানে-সেখানে যখন তখন কবুল বলেই বিয়ে হয়ে যায়। শুধু প্রয়োজন দু'জন পুরুষ সাক্ষী বা একজন পুরুষ ও দু'জন নারী সাক্ষী। হরদম যেহেতু বিয়ে করা চলতেই থাকে, তাই বিয়ে করা জীবনের কোনো বিশেষ ঘটনা নয়। ইসলামী মতে, নারী-অঙ্গ পুরুষের কাছে বিক্রি করে দেয়াটাই বিয়ে। তাও আবার মূল্য নির্ভর করে ক্রেতার সামর্থ্যের ওপর। বিক্রয়ের এই চুক্তিটি যখন সম্পন্ন হয়, তখন ক্রেতার সুবিধা-অসুবিধার দিকটি একমাত্র বিবেচনার বিষয়।

সমমনা হওয়া, বা মনের মিল হওয়া বা ভালোবাসা, প্রেম এসবের কোনোই প্রয়োজন নেই। বিয়ের উদ্দেশ্য - যৌনতা আর সন্তান পয়দা করা। যয়নবকে বিয়ে করার পর মোহাম্মদের বিয়ের গাড়ি থামেনি, আয়েশাকে বিয়ে করার পরও নয়। ৬৩ বছরে পৃথিবী থেকে বিদায় না নিয়ে যদি ৮৩ বছর পর্যন্ত সে বেঁচে থাকতো, তাহলে পৃথিবীর যে কী হাল হতো, তা কল্পনাও করা যায় না। আরও এক কুড়ি বিবি আর শতাধিক দাসী অবশ্যই তার প্রয়োজন হতো। তার সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য জিবরাইল ৪০০ পুরুষের শক্তিসম্পন্ন আরক নিয়ে হাজির হতো।

মহানবীর একটি হাদিসে আছে: "যখন কোনো বান্দা বিবাহ করলো, তখন যে তার অর্ধেক ঈমান পূর্ণ করল। আর বাকী অর্ধেকের জন্য সে যেন তাকওয়া অবলম্বন করে" - বায়হাকী। খাদিজার মৃত্যুর পর যখন সে বিপুল বিক্রমে একের পর এক বিয়ে করা শুরু করলো, তখন কি তাঁর ঈমান ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়েছিল? বারবার বিয়ে করেও ক্ষয় পূরণ হচ্ছিলো না তাই।

কোরআনে আছে, "তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে..." [সূরা আর-রোম, আয়াত-২১]।

এখন আল্লা সবকিছু সৃষ্টিরও পূর্বে তার নূর দিয়ে মোহাম্মদকে সৃষ্টি করেছে। মোহাম্মদের থেকে তার বিবিরা সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে মোহাম্মদের বিবিরাও কি আল্লার নূরের সৃষ্টি? "এলেন করা" কাকে বলে, জানি আমরা? বিয়ের সময় কনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। বিয়ের পর ঘোষণা করে বা অন্য যে কোনো পন্থায় সামাজিকভাবে তা জানিয়ে দিতে হবে, যাকে "এলান করা" বলা হয়।

আরও একটি হাদিস দেখুন: "আয়িশা (রাঃ) একবার নবীজী (সাঃ) কে প্রশ্ন করেছিলেন, একজন যুবতী নারীর ক্ষেত্রে যখন তাকে তার পিতা-মাতা বিবাহ দেয়,তার অনুমতি নেয়া উচিত কি? রাসূল (সাঃ) উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই তাকে (কনেকে) তার (নিজের) মতামত দিতে হবে; আয়িশা (রাঃ) আবার প্রশ্ন করলেন, কিন্তু একজন কুমারী তো লাজুক থাকে, হে আল্লাহর রাসূল? রাসূল (সাঃ) উত্তর দিলেন, তার নীরবতাই সম্মতি বলে বিবেচিত হবে।"  - বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।

মোহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করে, তখন কি সে সম্মতি দেয়ার মত পরিণত হয়েছিল? তাহলে মোহাম্মদের সাথে আয়েশার বিয়ে বৈধ হয় কীভাবে?

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৭৪

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নিমো হুজুরের খুতবা - ২৭

লিখেছেন নীল নিমো

আজকে শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে বয়ান দিচ্ছিলাম। বিষয় ছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) এর মক্কা বিজয়। বয়ান দিচ্ছিলাম এইভাবে:
- ... বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক স্মরণীয় ঘটনা। ১৪০০ বছর পার হয়ে গেল, পৃথিবীর কোনো সেনাপতি আজ পর্যন্ত পারে নাই এবং পারবে না বিনা রক্তপাতে শত্রুকে পরাস্ত করতে। দ্বীনের নবী হজরত মোস্তফা (সঃ) একমাত্র সেনাপতি, যিনি এই কাজ করতে পেরেছিলেন...

বয়ান শান্তিমত শেষ করতে পারলাম না, একটা ছিনতাইকারী সামনের কাতারে বসা ছিল। হলুদ দাঁত কেলিয়ে খিলখিল করে জোরে জোরে হাসতেছিল। আমার মেজাজ প্রচণ্ড খারাপ হয়ে গেল। প্রশ্ন করলাম:
- ওরে জাহান্নামি ছিনতাইকারী, তুই কবে জেল থেকে ছাড়া পেলি? এইভাবে হাসতেছিস কেন?

ছিনতাইকারী হাসতে হাসতে উত্তর দিল:
- হুজুর, নবীজির স্ট্র্যাটেজি দুনিয়ার কোনো সেনাপতি না বুঝলেও আমি, এই অধম ছিনতাইকারী, বুঝতে পারি এবং অনুসরণ করি।

আমি আনন্দে গদগদ হয়ে বললাম:
- মাশাল্লাহ। তা তুই কীভাবে কাজটা করিস, দাঁড়িয়ে সবাইকে বল।

ছিনতাইকারী মসজিদে দাড়িয়ে বলল:
- খুবই সিম্পল ব্যাপার। ভোঁতা ছুরি, চাপাতি দিয়ে বিনা রক্তপাতে ছিনতাই করা যায় না। ভোঁতা জিনিষ দেখলে লোকজন ভয় পায় না। বরং উল্টো ছিনতাইকারীকে অ্যাটাক করে। এতে করে মারামারি হয়, রক্তপাত হয়। তাই আমি নবীজির স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করে সবসময় সাথে ধারালো চকচকে চাপাতি, ছুরি রাখি। ধারালো ছুরি দেখলে লোকজন সহজে ভয় পেয়ে দ্রুত সবকিছু দিয়ে দেয়। একেবারে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয়ের মত। নবীজি ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে মক্কা আক্রমণ করেছিল। উনি ভোঁতা ছুরি, মানে ১০ জন লোক নিয়া মক্কা আক্রমণ করে নাই। এভাবে ভিক্টিমের মনে আতংক সৃষ্টি করে বিনা রক্তপাতে সহজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানে ছিনতাই করতে হয়।

ছিনতাইকারীর কথা শুনে উত্তেজনার ঠেলায় আমার বায়ু বের হয়ে গেল। আমি ওযু করতে দৌড় দিলাম।

হুজুরের দোয়া ব্যর্থ হয় না

বিশ্বাসের দরজায় করাঘাত!: পর্ব ১৫ – (প্রমাণ করুন মদপান হারাম!)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ

বড় চাচার বন্ধু ডাকলেন একদিন, জামাতের বড় মাপের আলেম তিনি; ডেকেই প্রশ্ন করলেন, "বাবা, তুমি নাকি তোমার চাচারে বলেছো, কোরান অনুসারে মদপান হারাম না! নিয়ম মেনে মাতাল না হয়ে ২/৩ পেগ খাওয়া যায়! এসব কী কথা তোমার?!"

আমি বললাম, "চাচা, ইসলামে তো কোরানই শেষ কথা, আল্লার নবী তো নিজেই হাদীস লিখে রাখতে মানা করেছিলেন; এবং আপনারাই বলেন, কোরানের কোনো কথার বিপরীতে যদি হাদীসের বক্তব্য চলে আসে, তবে সে হাদীস মানা যাবে না। যদি তা-ই হয়, তবে মদ হারাম বিষয়ে হাদীসের বক্তব্য কোরানের পুরোপুরি বিপরীত, এবং সত্যিই কোরান অনুসারে মদপান হারাম নয়!"

চাচা বললেন, "আমাকে বিস্তারিত বুঝাইয়া দাও!"

গরুপূজারি গাধাগুলো - ১৭৯

১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

থাবার থাবড়া (দ্বিতীয় সংস্করণ): কুফরী কিতাব

স্টিকি পোস্ট

ঠিক চার বছর আগে এই দিনে ইছলামের মহানবীর মহান বীর কিছু অনুসারী অশেষ ছওয়াব হাছিলপূর্বক তাদের বেহেশতগমন নিশ্চিত করে ফেলেছে থাবা বাবার মতো এক বেদ্বীন, কাফের, মুশরিক, নাস্তিককে হত্যা করার মতো ফরজ ও সুন্নত কর্মটি সাধন করে। এবং দেশের বিপুল সংখ্যক মুছলিম এই হত্যাকাণ্ডে উচ্চকণ্ঠ বা নীরব সমর্থন জানিয়ে প্রকাশ্য করেছে তাদের মনে পুষে রাখা বর্বরতা। অবশ্য "লেখার কারণে মানুষহত্যা যায়েজ" - এমন শিক্ষায় তাদের দীক্ষিত করেছে ইছলাম ধর্ম। নবীজি নিজেই তার জীবনে এমন উদাহরণ স্থাপন করে গেছে কয়েকটি।

"থাবা বাবা" ছদ্মনামের আড়ালে সরল কিন্তু স্পষ্টবক্তা, সরস কিন্তু প্রয়োজনে শ্লেষাত্মক এবং বিচিত্র বিষয়ে ঈর্ষণীয় জ্ঞানের অধিকারী কিন্তু নিরহংকারী এই মানুষটিকে তাঁর পরিচিত গণ্ডির অনেকে খুব পছন্দ করতো, তবে বাকিদের চক্ষুশূল ছিলেন তিনি তাঁর অকপট স্পষ্টবাদিতার কারণে। 

চার বছর ধরে থাবা বাবা নেই, তবে তাঁর লেখাগুলো থেকে যাবে চিরকালই। "থাবার থাবড়া" নামে একটি ইবুক প্রকাশ করা হয়েছিল তিন বছর আগে। তবে বর্তমান সংস্করণটি কিছুটা পরিবর্ধিত তো বটেই এবং তা সাজানোও হয়েছে ভিন্ন ধরনে। ধর্মকারীতে প্রকাশিত থাবা বাবার সমস্ত লেখা (প্রবন্ধ, গল্প, ছড়া, রম্য রচনা), তাঁর বানানো ও অনূদিত সব পোস্টার ও কার্টুন সংকলিত হয়েছে এখানে।

এই ইবুকের পরিকল্পনা, বিন্যাস ও নির্মাণ নরসুন্দর মানুষ-এর। প্রচ্ছদ বানিয়েছেন কবি

ফরম্যাট: পিডিএফ (সম্পূর্ণভাবে মোবাইলবান্ধব)
সাইজ: ২.৫ মেগাবাইট মাত্র

ডাউনলোড লিংক (গুগল ড্রাইভ): https://goo.gl/2YD6RG
ডাউনলোড লিংক (ড্রপবক্স): https://goo.gl/ubyQZc

(অনলাইনে লভ্য সমস্ত বাংলা কুফরী কিতাব এক জায়গায়, এই ঠিকানায়)

নিচে অনলাইনে পাঠযোগ্য ভার্শন:

উম হানি ও মুহাম্মদ: ইসলামের মহানবীর প্রথম ভালবাসা (শেষ পর্ব)

লিখেছেন আবুল কাশেম


উপসংহার

এই রচনা পড়ে আমরা নিম্নের কয়েকটি সিদ্ধান্ত দিতে পারি।

১) নবী মুহাম্মদ তাঁর চাচাত বোন উম হানিকে বাল্য এবং কৈশোর থেকেই ভালবাসতেন। নবী তাঁর এই প্রথম প্রেম কোনদিনই ভোলেননি।

২) আবু তালেব যখন যুবক মুহাম্মদ কর্তৃক উম হানিকে বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন মুহাম্মদ অতিশয় নিরাশ এবং অপমানিত বোধ করেন। এই অপমানের জ্বালা মুহাম্মদ কখনই ভোলেননি। হয়ত প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবণতাও তাঁর মধ্যে ছিল। মুহাম্মদ নবূয়ত লাভের পর এই প্রতিশোধ গ্রহণের আকাঙ্ক্ষা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অনুমান করা যায়, নবীর আগ্রাসন এবং প্রতিহিংসাপরায়ণতার অন্যতম কারণ উম হানির সাথে নবীর ব্যর্থ প্রেমেই নিহিত আছে। এটা বলা অতিশয় হবে না যে, আবু তালেব উম হানিকে (হিন্দকে) ভেড়ার পালের রাখাল, নিরক্ষর, বেকার মুহাম্মদের হাতে তুলে দিলে ইসলামের জন্ম হত না।

৩) খাদিজাকে বিবাহের পরেও নবী উম হানির সাথে যোগাযোগ রাখতেন, যদিও অনুমান করা যায় যে, ধনকুবের খদিজার বিবাহের অন্যতম শর্ত ছিল যে, তাঁর জীবদ্দশায় মুহাম্মদ অন্য স্ত্রী নিতে পারবেন না। খাদিজা হয়ত মুহাম্মদের পরকীয়া প্রেমের ব্যাপারে অবহিত ছিলেন না। নবী অতি কৌশলে তাঁর পরকীয়া প্রেম খাদিজার কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন।

৪) মুহাম্মদ উম হানির স্বামী হুবায়রাকে মনে-প্রাণে ঘৃণা করতেন, এবং চিরজীবন তাকে পথের কাঁটা হিসাবে ভেবেছেন।

৫) উম হানির স্বামী হুবায়রা কোনোদিনই মুহাম্মদের বশ্যতা স্বীকার করেননি, ইসলাম গ্রহণ করেননি। নির্বাসন, একাকীত্ব বেছে নিয়েছেন—কিন্তু মুহাম্মদের কাছে আত্মসমর্পণ করেননি।

৬) উম হানির স্বামী সর্বদাই ইসলামের বিরুদ্ধে ছিলেন। বিভিন্ন যুদ্ধে যোগদান করেছেন, মুসলিম সৈন্য হত্যা করেছেন এবং নিজেও আহত হয়েছেন।

৭) উম হানি এবং মুহাম্মদের সাক্ষাত ছিল খুবই ঘন ঘন—বিশেষত্ব হুবায়রার অবর্তমানে। এর কারণ এই হতে পারে যে, কাবার যেখানে মুহাম্মদ নামায পড়তেন অথবা কোরান আবৃত্তি করতেন, তা ছিল উম হানির গৃহের অতি নিকটে—শ্রুতির দূরত্বের মাঝে।

৮) মুহাম্মদ শত চেষ্টা করে—এমনকি আল্লাহর কাছ থকে বার্তা আনিয়েও পারেননি উম হানিকে মদিনায় নিয়ে গিয়ে তাঁর হেরেমে ঢোকাতে। উম হানি তাঁর স্বামী থেকে দূরে থাকলেও কখনই তাঁর স্বামী হুবায়রাকে ছাড়েননি।

৯) হুবায়রার পরিবার পরিজনের প্রতি উম হানির যথেষ্ট দরদ ছিল। তার প্রমাণ দেখা যায় যখন উম হানি আশ্রয় দিলেন তাঁর দুই দেবরকে। আলী চেয়েছিলেন এই দুই দেবরকে হত্যা করতে।

১০) নবীর জীবনে যদি কোনো ব্যর্থতা থেকে থাকে তা হবে - উম হানিকে উনি তাঁর অগুণতি স্ত্রীর মধ্যে একজন বানাতে পারেননি। উম হানি কখনও চাননি, অন্য সতীনদের সাথে মুহাম্মদের সংসারে ঢুকতে।

তথ্যসূত্র:

শান্তি প্রচারের প্রাথমিক শিক্ষা

১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নাস্তিক হবার অনুভূতি

চিকিৎসায় দোয়ার ভূমিকা

(পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে)

কুদরতিক্রিয়া - ০৩

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৭.
হিজরত করি ডাকা সহর আসার ফরে আমাগের শেক হাসিনা বুর ইচলামের প্রতি বালবাসা দেকি আঁই তব্দা কাই জাই। দেসের সবসেয়ে বরো ইন্টানেসনাল এয়ারফুটের নামকরন তিনি করেসেন একজন জায়নামাজ বিগগানির নামে। জায়নামাজ বিগগানি হয়রত শাহজালাল (রাঃ) বাবা হিজরত কালে সিলেডের সুরমা নদি জায়নামাজে করি ফারি দিয়েসিলেন। এই গডনা লিয়ে একডা গান আচে - "বাবায় সুরমা নদি ফারি দিলো জায়নামাজে চড়ি।" তিনিই একমাত্র বিগগানি, যিনি বিনা ইঞ্জিলে জায়নামাজরে বাতাসে বাসাই সুরমা নদি ফারি দিয়াসিলেন। 

আজকে এই যে আকাসে এত এত বিমান, হেলিকফটার, ডুরন ঊড়ে, সবই ত বাবা জায়নামাজ বিগগানির অবদান। তার বাতাসে উড়া নকল করিই ত আজিয়া সবাই আকাসে উড়ে। আমাগের ইচলাম-বান্দব সরকার এত বরো একজন বিগনানির অবদানকে সিক্রিতি দেওয়ায় আমরা মুচল্মানরা দন্য। সারা বিশস আজ আমাগের বিগগানি বাবার অবদান জাইনতে ফারবে। পিতিবিতে আমাগের এই মুচলমান জায়নামাজ বিগগানি চাড়া আর কেউ কি ফেরেসিল ইঞ্জিল চাড়া জায়নামাজ আকাসে উড়াইতে? বলেন আফনারা? 

৮.
নাস্তেক জুতা-চুর মজিদ মিয়ায় আমারে এডাম টিজিং করেছে। আমারে হুনাইয়া হুনাইয়া কয়, "হুজুরের দাড়ি আর আমার ছাগলের দাড়ি সেইম।"
এহন আই কি কইত্তাম? ছাগলের দাড়ি শেইভ করি ফালাই দিয়ুম? নাকি আমার দাড়ি শেইভ করি দিয়ুম?

৯.
জাবেদ সাসারে লই আর ফারি না। লেকাপরা কিসু জানে না, অতস তাবিজের দুকান কুলি রাকসে। কুরানের একটা সুরারে ফডুকপি কইরা সাসায় ১০০০ কপি বানায়। হেরপর এই একহাজার কপিরে এক হাজার তাবিজের বাক্সের বিত্রে বইরা এক হাজার তাবিজ বানায়। এইডা মুচল্মানদের জন্য। আবার হিন্দুদের জইন্য গিতা ফডুকপি করে। একন এক কাস্টমারে তাবিজ নিয়া রেজাল না ফাইয়া সাসার কাসে আইয়া সাদারে দউরানি দিসে। 

একন আফনারাই বলেন সুরা ফডুকপি কইল্লে কি তাবিজে কাম দিব? কুন সুরার অর্ত কি, কুন সুরার নাম কি - সাসায় কিসুই জানে না। কালি কুরান সরিফ ফডুকপি করে। এইরম ফডুকপি তাবিজে যুদি কাম কইত্ত, তাইলে ত আমিও কবিরাজ হই যাইতাম।

বোরখা ও দৃঢ় ঈমান

১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

ওয়াদি আল-কুরা হামলা - কে ছিল আক্রমণকারী?: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৫৯): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত তেত্রিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর মৃত্যুকালে যে সুবিশাল অংকের সম্পদ রেখে গিয়েছিলেন, তার সর্ব প্রথম স্বত্বভোগী ছিলেন তাঁর কোন দুই বিশিষ্ট অনুসারী; অতঃপর পরবর্তী তিন শত বছর যাবত কারা তাঁর সেই বিশাল সম্পদের স্বত্বভোগ করেছিলেন; অন্যদিকে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সহায়তায় "ইসলাম" নামের যে বিষবৃক্ষের গোড়াপত্তন করেছেন, কারা হলেন সেই বিষবৃক্ষের ভুক্তভোগী; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

খায়বার ও ফাদাক আগ্রাসন শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের পূর্বেই মুহাম্মদ আরও এক জনপদের ওপর তাঁর আগ্রাসী আক্রমণ চালান। সেই জনপদের নাম 'ওয়াদি আল-কুরা'। আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা সেই ঘটনার প্রাণবন্ত বর্ণনা লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন।

আল-ওয়াকিদির (৭৪৮-৮২২ খ্রিষ্টাব্দ) বিস্তারিত বর্ণনার: [1]

‘আনাস হইতে বর্ণিত: খায়বার থেকে ফিরে আসার জন্য আমরা আল্লাহর নবীর সাথে রওনা হই, তিনি ওয়াদি আল-কুরা (Wadi al-Qurā) যাবার জন্য মনস্থির করেন। [এরপর সিরাতে 'পথিমধ্যে মুহাম্মদের সাফিয়া-কে বিবাহ, বিবাহ বাসর ও তাঁর হত্যা আশংকায় আবু আইয়ুবের সারারাত জেগে তাঁকে পাহারা দেয়ার বর্ণনা (পর্ব-১৪৪)]'।------আল্লাহর নবী আল-সাহবা নামক স্থানে আসেন ও বিরমার পাশ দিয়ে ওয়াদি আল-কুরা পর্যন্ত গমন করেন ও সেখানে যে-ইহুদিরা থাকে, তিনি তাদের সন্ধান করেন। 

আবু হুরাইরা হইতে বর্ণিত: আমরা আল্লাহর নবীর সঙ্গে খায়বার থেকে ওয়াদি আল-কুরা অভিমুখে রওনা হই। রিফা বিন যায়েদ বিন ওয়াহাব আল-জুধামি আল্লাহর নবীকে মিদাম নামের এক কালো ক্রীতদাস উপহার স্বরূপ প্রদান করে, যেন সে আল্লাহর নবীর ঘোড়ার জিনটি ঠিকঠাক করে দেয়। তারা ওয়াদি আল-কুরায় অবতরণ করে ও অবশেষে আমরা সেখানকার ইহুদিদের কাছে এসে পৌঁছাই, যাদের কাছে এসে আশ্রয় নিয়েছিল বেদুইনরা। যখন মিদাম আল্লাহর নবীর দেখাশুনা করছিলো, আমাদের ঘাঁটির স্থানটিতে ইহুদিরা তাদের বল্লম নিয়ে আমাদের মুখোমুখি হয়। তাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না ও তারা তাদের দুর্গগুলোর মধ্যে চিৎকার করছিলো। একটা তীর এসে মিদাম-কে বিদ্ধ করে ও তার মৃত্যু হয়। লোকজন বলাবলি করে: তুমি বেহেশতে পরমানন্দে কাটাবে। আল্লাহর নবী বলেন, "না। যার হাতে আমার জীবন তার কসম, খায়বার যুদ্ধের সময় সে যে আলখাল্লাটি লুটের মালগুলো থেকে হস্তগত করেছিল, তা যেভাবে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ার দরকার ছিল, তা সে করেনি, এখন তা তাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বালাচ্ছে।" যখন লোকেরা তা শুনতে পায়, একজন লোক একটি বা দু'টি জুতার ফিতা নিয়ে লোকদের কাছে আসে। আল্লাহর নবী বলেন যে, জুতার এই ফিতাগুলো ছিল তাকে আগুনে জ্বালানোর রসদ।

আল্লাহর নবী তাঁর অনুসারীদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেন। তিনি তাদেরকে সারিবদ্ধ করেন ও একটি ফ্ল্যাগ দেন সা'দ বিন উবাদা-কে, একটি ব্যানার দেন আল-হুবাব বিন আল-মুনধির-কে, অন্য একটি দেন সাহল বিন হুনায়েফ-কে ও তা ছাড়াও আর একটি দেন আব্বাদ বিন বিশর-কে। অতঃপর আল্লাহর নবী ইহুদিদেরকে ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি তাদের অবহিত করান যে, যদি তারা ইসলামে দীক্ষিত হয়, তবে তারা তাদের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে পারবে, আর আল্লাহ তাদের কর্ম অনুযায়ী তাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি দ্বন্দ্ব যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ জানায় ও আল-যুবায়ের বিন আল-আওয়াম [পর্ব-১৪১] তা গ্রহণ করে ও তাকে হত্যা করে। অতঃপর আর একজন চ্যালেঞ্জ জানায়, আল-যুবায়ের তা গ্রহণ করে ও তাকেও সে হত্যা করে। তারপর আর একজন চ্যালেঞ্জ জানায়, আলী তা গ্রহণ করে ও তাকে সে হত্যা করে। তারপর অন্য একজন  দ্বন্দ্ব যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ জানায়, আবু দুজানা তার কাছে গমন করে ও তাকে সে হত্যা করে। অতঃপর আর একজন দ্বন্দ্ব যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ জানায়, আবু দুজানা তাকেও হত্যা করে, যতক্ষণে না আল্লাহর নবী তাদের এগারোজন লোককে হত্যা করে।  যখনই একজন লোককে হত্যা করা হতো, তিনি তাদের অবশিষ্ট লোকদের ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানাতেন। বস্তুত সেই সময় নামাজ আদায় করা হয়েছিল। সেই সময় আল্লাহর নবী তাঁর অনুসারীদের সাথে নামাজ আদায় করেন। অতঃপর  তিনি প্রত্যাবর্তন করেন ও তাদেরকে আল্লাহ ও তার নবীর দলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

মিথ্যার রকমফের

আল্লাহর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ – ০৯

আল্লাহর অস্তিত্বের শত-সহস্র অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বেতমিজ নাস্তিকেরা তাতে ঈমান আনতে চায় না। অথচ তারা নাকি যুক্তিবাদী! বর্তমান সিরিজে তাদের উদ্দেশে একের পর এক প্রমাণ হাজির করা হবে। দেখা যাক, এবার তারা কী বলে।

প্রমাণ ৪১.
নাস্তিকেরা বলে, তারা আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না। আসলে নাস্তিকতা একটা ফ্যাশন এবং তাই তারা শুধু ভাব মারার জন্যেই এ কথাটা বলে থাকে। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ৪২.
আমাদের পাড়ার খলিল শেখকে জ্বিনে ধরেছিল। অতএব স্বীকার করতেই হবে যে, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ৪৩.
আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ আমার কাছে আছে। কিন্তু আমি সেটা প্রকাশ করবো না। কারণ আপনারা, নাস্তিকেরা, সেটা শুনে যুক্তি দিয়ে নাকচ করে দেবেন। অতএব আমার প্রমাণ যেহেতু অটুট রয়েছে, তার মানে, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ৪৪.
নাস্তিকেরা আধ্যাত্মিকতা বোঝে না। অতএব আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ৪৫.
ব্যক্তিগত একটি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমি জানি, আল্লাহ আছে। সেই অভিজ্ঞতার কথা শুনলে আপনি আমাকে পাগল মনে করবেন। কিন্তু আমাকে কি পাগল মনে হয়? হয় না। এর থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

(বিদেশী রচনার ছায়া অবলম্বনে)

আমার বোরখা-ফেটিশ – ২০৭

ভ্যালেন্টাইন দিবসে সবচেয়ে ছহীহ উপহার

১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

পল্টিবাজ কোরান - ০২

নিমো হুজুরের খুতবা - ২৬

লিখেছেন নীল নিমো

আজকে এক মুরিদ প্রশ্ন করিলো:
- হুজুর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত মানে কী? কীভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে?

আমি উত্তর দিলাম:
- খুবই সিম্পল জিনিস। কানাকে কানা, লুলাকে লুলা বললে অনুভূতিতে আঘাত লাগবেই।

মুরিদ প্রশ্ন করল:
- হুজুর, ইকটু খোলাসা করে বলেন।

আমি উত্তর দিলাম:
- একবার আমার সাথে, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি বিল গেটসের দেখা হইছিল। তাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম, "ফক্কিন্নির বাচ্চা, কেমন আছো?" বিল গেটস হাসতে হাসতে আমাকে বলেছিল, "'আরে মি. নীল নিমো কেমন আছেন? আসেন, একসাথে বসে বিয়ার খাই।" এর কিছুদিন পরে, বাংলাদেশের ফার্মগেটে এক ভিক্ষুককে দেখে, আমি জিজ্ঞাস করেছিলাম, "ফক্কিন্নির বাচ্চা, কেমন আছো?" ভিক্ষুক সাহেব লাঠি নিয়ে আমাকে পিটাইতে আসিয়াছিল। কয়েক মাস আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে দেখা হয়ে গেল। আমি তাকে বলেছি, "'একটা মশা মারার ক্ষমতা তোর নাই, তোর লজ্জা হওয়া উচিত।" ওবামা হাসতে হাসতে আমাকে বলিল, "আরে মি. নীল নিমো সাহেব, কেমন আছেন? আপনার সাথে কথা বলে বেশ ভাল লাগছে।" গতরাতে, ঘুমের ভিতর স্বপ্নে, আল্লাহ ও তার নবীর সাথে দেখা হয়ে গেল। আমি তাদের বলেছি, "একটা মশা মারার ক্ষমতা তোদের নাই, তোদের লজ্জা হওয়া উচিত।" আল্লাহ ও তার নবী উত্তর দিল, "হালার পুত, তোরে কুপাইয়া কল্লা ফালাইয়া দিমু। তারপর দোজগের আগুনে অনন্তকাল দহন করবো। সুরা লাহাব পড়ে দেখছ নাই? আবু লাহাবের মত তোরেও টর্চার করমু।"

আমার উত্তর শুনে মুরিদ তব্দা খাইয়া বলিলো:
- তওবা, তওবা। হুজুর, এখন থেকে শিশুকামীকে শিশুকামী বলিবো না, ডাকাতকে ডাকাত বলিবো না।

আমি বলিলাম:
- মাসাল্লাহ, এই না হলে আমার মুরিদ!

অধিকারবলে

১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

ছাগুবান্ধব পিপীলিকা

গুগল, বিং ও ইয়াহু তো বটেই, এমনকি Lycos, Gigablast-এর মতো বিজাতীয় সার্চ এঞ্জিনে বাংলা বা ইংরেজিতে 'ধর্মকারী' ভুল বানানে (ধর্মকারি, dhormokari, dharmokery ইত্যাদি) লিখে খোঁজ লাগালেও একেবারে শুরুতেই ধর্মকারীর লিংক দেখায়। অথচ বাংলাদেশের প্রথম এবং পূর্ণাঙ্গ সার্চ এঞ্জিন হিসেবে কথিত 'পিপীলিকা'র চোখে বাংলা ব্লগ ধর্মকারী ধরা পড়ে না। 

পিপীলিকা চালু হবার পরপরই কৌতূহলবশে 'ধর্মকারী' লিখে খোঁজ লাগিয়ে হতাশ হয়েছিলাম। বিভিন্ন ব্লগে-পত্রিকায় ধর্মকারীর নাম উল্লেখের লিংক তাতে পেছিলাম বটে, তবে ধর্মকারীর কোনও লিংক ছিলো না। "সবে চালু করেছে এঞ্জিনটি, এখনও হয়তো সব সাইট ইনডেক্সভুক্ত করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি" ভেবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলাম একটা বছর। না, ধর্মকারীর নাম ওখানে ঢোকেনি এখনও। খুঁজলাম 'চুতরাপাতা' ও 'ধর্মলিকস' নামের আরও দু'টি ধর্মবিরোধী ব্লগ। না, সেগুলোও নেই। 

তবে 'সবুজ বাংলা' আর 'সদালাপ'-এর মতো ছাগুবান্ধব ব্লগগুলোর লিংক পিপীলিকা পিলপিল করে সরবরাহ করছে। মনে হচ্ছে, পিপীলিকা একটি ছাগুবান্ধব ছহীহ ছার্চ এঞ্জিন।

পিপীলিকা নিজেকে পূর্ণাঙ্গ বলে দাবি করলেও সার্চ এঞ্জিনের জন্য সবচেয়ে জরুরি অঙ্গ চোখেই তার সমস্যা। সে স্পষ্টতই একচোখা। তবে তার ঈমানদণ্ড মমিনদেরটার মতোই স্পর্শকাতর বলেই বোধ হয়।

এ থেকে আমরা কী বুঝবো? পিপীলিকারও কি ধর্মানুভূতি আছে?

* ২০১৪ সালে প্রকাশিত। অবস্থার পরিবর্তন হয়নি গত তিন বছরেও্। তবে সুখের কথা এই যে, পিপীলিকার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া ছাড়া আর কেউ এই সার্চ এঞ্জিন ব্যবহার করে বলে মনে হয় না।

বেদ্বীনবাণী - ৮৪

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৯৩

৩১০.
- নারীধর্ষণের ক্ষেত্রে চারজন পুরুষ সাক্ষীর রীতি চালু করা হয়েছে কেন?
- কারণ সেই যুগে পর্ন দেখার আর কোনও উপায় ছিলো না।

৩১১.
স্রেফ বিশ্বাসের কারণে মানুষদের স্টেরিওটাইপিং করা ভালো ব্যাপার নয় একেবারেই। হোক সে খ্রিষ্টান, ইহুদি, হিন্দু, বৌদ্ধ বা টেররিস্ট।

৩১২.
- দুনিয়ার সবচেয়ে স্লো এবং অকার্যকর সার্চ ইঞ্জিন কোনটা?
- কোরআন। এখানে দুনিয়ার আদি থেকে অন্ত সব ইনডেক্সড (লিপিবদ্ধ) করা আছে। কিন্তু সেসব খুঁজে পাওয়া যায় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর।
(বানিয়েছেন সাইফুল ইসলাম)

৩১৩.
- আস্তিকেরা কোরান থেকে শান্তিকামী আয়াত উদ্ধৃত করলে নাস্তিকদের কী জবাব দেয়া উচিত?
- "আয়াতটা প্রসঙ্গ-বহির্ভূতভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। আপনাকে প্রেক্ষাপট জানতে হবে এবং পড়তে হবে আগের ও পরের আয়াতগুলো।"

৩১৪.
নাস্তিকে ও আস্তিকে একটি মিল আছে: এদের কেউই পরকাল নিয়ে চিন্তিত নয়। আস্তিক জানে, সে জানে যাবে বেহেশতে। আর নাস্তিক পরকালে বিশ্বাসই করে না।
টেনশনে থাকে শুধু অজ্ঞেয়বাদীরা।