১৬ এপ্রিল, ২০১৪

পাছে হুজুর পাছা ডলে

ক্ষমতাসীন মদীনা সরকারের শিক্ষাবিভাগের ইছলামীকরণ প্রকল্পে নাস্তিকেরা অবদান রেখেই চলেছে। 'কাজলা দিদি'-কে হিজাব পরিয়ে 'সালমা বহিন' বানানোর পর এবারে মাদ্রাসার উপযোগী করে লেখা হয়েছে কামিনী রায়ের 'পাছে লোকে কিছু বলে'।

লিখেছেন কওমি রহমান

পাছে হুজুর পাছা ডলে 

পড়িতে না পারি নামাজ
সদা ভয় সদা লাজ 
সংশয়ে পাছা সদা টলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

আড়ালে আড়ালে থাকি
নিরবে মলম মাখি
পিছনে হুজুর-দণ্ড চলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

পাছায় বুদবুদ মত
উঠে শুভ্র মাল কত
মিশে যায় হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

কাঁদে প্রাণ সবে আঁখি
পাছাটা শুষ্ক রাখি
নির্মল হুজুরের মালে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

একটি মলম তথা
প্রশমিতে পারে ব্যথা
চলে যাই হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

আল্লা দিয়াছে পাছা
খুলেছে হুজুর কাছা
শক্ত মারা হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

(ডিউক আকিতা-র তৈরি)

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৫৭



লুক্স লিখিত সুসমাচার - ৪১

লিখেছেন লুক্স

৩৭৬.
''আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ না করেই ব্লগে ও ফেসবুকে ধর্ম প্রচার করায় ডিবি পুলিশ ভুলে ভরা কোরানসহ গ্রেপ্তার করেছে দেশের চার জন অনলাইন ধর্মপ্রচারককে;'' - ছবিসহ এ রকম খবর একদিন দেশের সব বড় বড় পত্রিকায় আসবে। গ্রেপ্তার এড়াতে আর মান সম্মান বাঁচাতে ছুপা ধার্মিকরা সেদিন নিজেদেরকে গণহারে নাস্তিক ঘোষণা করে সোস্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দেবে। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। দেশের মানুষ একদিন সত্যিকার অর্থেই শিক্ষিত হয়ে প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনস্ক, সৎ ও মানবতাবাদী হবে - এ আশা এখনো ছাড়িনি।

৩৭৭.
ইসলাম সমগ্র মানবজাতিকে মুসলিম আর অমুসলিম - এই দুই ভাগে ভাগ করেছে। স্পষ্টতই ইসলাম হল এক ধরনের ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং অমুসলিমরা সবাই তাদের কাছে অন্ত্যজ!

৩৭৮.
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে ঈমান। প্রাণ গেলে যাক, কিন্তু ঈমান হারানো যাবে না। আর এই ঈমান হারানোর ভয়ে মুসলমানরা পড়াশোনা করে না। কারণ, ঈমান নষ্ট হলে তার অতীতের সারা জীবনের ইবাদত অর্থহীন ছিল বলে প্রমাণিত হবে। সুশিক্ষা, জ্ঞান আর আলোকিত জীবনের চেয়েও দামী হলো তাদের ঈমান। ঈমান হচ্ছে - শিক্ষা, জ্ঞান আর যুক্তির জিরো পয়েন্ট। তাই যতোদিন মুসলমানদের মধ্যে ঈমান টিকে আছে, ততোদিন তাদের কাছে ভালো কিছু আশা করাই বৃথা।

৩৭৯.
ইসলামে নারীর অধিকার , মর্যাদা আর স্বাধীনতা নিয়ে বড় বড় কথা না বলাই ভালো।

৩৮০.
দেশ মদিনার দিকে পেছালেও দেশের মানুষ ও মানবাধিকার এগিয়ে গেল এক লাফে হিমালয় সমান।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাজধানীতে প্রকাশ্যে প্রথমবারের মতো শোভাযাত্রা করেছে সমকামীদের একটি দল। 'রূপবান' নামে একটি ফেসবুক ফ্যান পেইজ এ শোভাযাত্রা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। 
সভ্য পৃথিবীতে যে কোনো দেশের, যে কোনো ধর্মের, যে কোনো লিঙ্গের দু'জন মানুষ পরস্পরকে ভালোবাসবে, আমাদের তাতে অসুবিধা কোথায়?

ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে (ছবি, পোস্টার)

পাঠিয়েছেন তরী



কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৩৩): বদর যুদ্ধ-৪: খুন ও নৃশংসতা অতঃপর ঘোষণা "আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন": ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – ছয়

লিখেছেন গোলাপ
ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষটি সংঘটিত হয় বদর প্রান্তে। এই যুদ্ধের কারণ ও প্রেক্ষাপট, অধিকাংশ কুরাইশ গোত্র ও নেতৃবৃন্দের আক্রমণাত্মক সংঘর্ষে অনীহা ও তার কারণ এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও কুরাইশরা আবু-জেহেলের পীড়াপীড়িতে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের নাখালায় তাঁদের নিরীহ বাণিজ্য কাফেলায় হামলা, মালামাল লুণ্ঠন, আরোহীকে খুন ও বন্দীর প্রতিবাদে পরিশেষে কীরূপে এই যুদ্ধে জড়িত হয়েছিলেন, তার আলোচনা আগের চারটি পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদের নেতৃত্বে সেদিন তাঁর অনুসারীরা তাঁদেরই নিকট-আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব ও পাড়া-প্রতিবেশীদের পানিবঞ্চিত তৃষ্ণার্ত-পিপাসিত অবস্থায় প্রচণ্ড নিষ্ঠুরতায় কীরূপে খুন করেছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনাও আগের পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদ ও তাঁর সহচরদের সেদিনের সেই নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিলেন ১৪০ জন কুরাইশ। ৭০ জন কুরাইশকে নৃশংসভাবে করা হয় খুন ও ৭০ জনকে বন্দী। [1]

কুরাইশদের খুন করার পর তাঁদের মৃতদেহগুলো মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা প্রচণ্ড অবমাননা ও অশ্রদ্ধায় একে একে বদরের এক নোংরা শুকনো গর্তে নিক্ষেপ করেন

আদি ও বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা সেই সকল ঘটনার বর্ণনা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। কিছু উদাহরণ:

উমাইয়া বিন খালাফের লাশ:

‘ইয়াজিদ বিন রুমান < উরওয়া বিন আল-জুবায়ের < আয়েশা হইতে বর্ণিত, শেষ উক্ত জন আমাকে (মুহাম্মদ ইবনে ইশাক) বলেছেন:

যখন আল্লাহর নবী লাশগুলো গর্তে ফেলে দেয়ার আদেশ জারি করেছিলেন, উমাইয়া বিন খালাফের লাশ ছাড়া আর সবার লাশই গর্তে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। বর্মের ভিতরে তার লাশটি ফুলে এমনভাবে ভর্তি হয়ে গিয়েছিল যে নড়া চড়া করার সময় তাঁর বিভিন্ন অংশ খসে পড়ছিল। তাই তাঁর লাশটি যেখানে ছিল, সেখানেই রেখে তাঁরা মাটি ও পাথর চাপা দিয়েছিলেন। যখন লাশ গুলো গর্তে ফেলা হচ্ছিল তখন আল্লাহর নবী দাঁড়িয়ে যান এবং বলেন, "হে গর্ত-বাসী, আল্লাহর হুমকি যে সত্য, তা কি তোমরা উপলব্ধি করছো? কারণ আমি উপলব্ধি করছি যে, আমার আল্লাহ যা প্রতিজ্ঞা করেছে, তা সত্য।" তাঁর অনুসারীরা জিজ্ঞাসা করেন, "আপনি কি মরা মানুষের সাথে কথা বলছেন?" তিনি জবাবে বলেন, তারা জানে যে, আল্লাহর প্রতিজ্ঞা সত্য। ---মুসলমানেরা জিজ্ঞেস করে, "হে আল্লাহর নবী, আপনি কি গলিত লাশদের সম্বোধন করছেন?" তিনি বলেন, "তোমাদের শ্রবণ শক্তি তাদের [গলিত লাশের] শ্রবণ শক্তির চেয়ে উত্তম নয়; কিন্তু তারা আমার কথার জবাব দিতে পারে না।"

ওতবা বিন রাবিয়ার লাশ:

‘যখন আল্লাহর নবী লাশগুলো গর্তে ফেলে দেয়ার আদেশ জারি করলেন, [আবু হুদেইফার পিতা] ওতবা বিন রাবেয়ার লাশ গর্তে টেনে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমাকে [ইবনে ইশাক] বলা হয়েছে যে, আল্লাহর নবী ওতবার ছেলে আবু হুদেইফা বিন ওতবার মুখের দিকে দৃষ্টিপাত করেন, ছেলেটির মুখটি ছিল বিমর্ষ ও ছলছলে।

তিনি [নবী] বলেন, "আবু হুদেইফা, তোমার আব্বার এই অবস্থাদৃষ্টে সম্ভবতঃ তুমি কিছুটা  বিষণ্ণতা অনুভব করছো", অথবা এ জাতীয় কোন বাক্য। তিনি [আবু হুদাইফা] বলেন, "না। আমার আব্বার ব্যাপারে আমার কোনো সংশয় নাই, সে মৃত। আমি জানতাম যে, আমার আব্বা ছিলেন একজন জ্ঞানী, সুশিক্ষিত ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি, তাই আমি আশা করেছিলাম যে, তিনি ইসলামে দীক্ষিত হবেন। তাঁর এই পরিণতি এবং অবিশ্বাসী অবস্থায় তাঁর মৃত্যুবরণ হওয়ায় আমি মনঃক্ষুণ্ণ।" আল্লাহর নবী তাঁকে আশীর্বাদ করেন এবং তাঁর সাথে সদয় ভাবে কথা বলেন’। [2] [3] [4]

>>> পাঠক, এই সেই ওতবা বিন রাবিয়ার ছেলে আবু হুদেইফা বিন ওতবা, যিনি বদর যুদ্ধে শুধু তাঁর পিতাকেই হারাননি, হারিয়েছেন তাঁর চাচা সেইবা বিন রাবিয়া এবং ভাই আল-ওয়ালিদ বিন ওতবাকেও। এই সেই ওতবা বিন রাবিয়ার ছেলে আবু হুদেইফা যিনি মুহাম্মদের পক্ষপাতদুষ্ট আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চারণ করেছিলেন, "আমাদেরকে খুন করতে হবে আমাদের পিতাকে, পুত্রকে, ভাইকে এবং পরিবার-পরিজনদেরকে, কিন্তু আব্বাসকে দিতে হবে ছেড়ে?” --- পরিণতিতে উমর ইবনে খাত্তাব আবু হুদেইফাকে খুন করার হুমকি দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "আমি তার গর্দান নেব!" এই ঘটনার পর আবু হুদেইফা এতই ভীত সন্ত্রস্ত থাকতেন যে, তিনি প্রায়ই বলতেন, সেদিনের সেই উক্তির পর তিনি নিজেকে কখনোই নিরাপদ বোধ করতেন না! [পর্ব ৩১-৩২)]  সুতরাং, এমত পরিস্থিতিতে আবু হুদেইফা একই দিনে নিজের বাবা, চাচা ও ভাইয়ের নৃশংস খুন হবার পর যতই বিষণ্ণ হোন না কেন, তাঁদের করুণ মৃত্যুতে যত মনঃকষ্টই পান না কেন,  তা  প্রকাশ করে আবার ও মৃত্যু-ঝুঁকির বলি হতে যে চাইবেন না, তা বলাই বাহুল্য।

সহি বুখারি: ভলিউম ৫, বই ৫৯, নং ৩১৪

‘আবু তালহা হইতে বর্ণিত:
বদর যুদ্ধের দিন আল্লাহর নবী চব্বিশ জন কুরাইশ নেতৃবৃন্দের লাশ বদরের এক নোংরা শুকনো গর্তে নিক্ষেপ করার আদেশ জারী করেন’।---- [5]

১৫ এপ্রিল, ২০১৪

হা-হা-হাদিস – ৮৯

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
এই দুনিয়ায় সূর্য কখনওই অস্ত যায় না - এই কথা আল্যাফাকে তো জানতোই না, জানতো না ইছলামের মহামূর্খ মহানবীও। তারে যখন প্রশ্ন করা হইলো, সূর্যাস্তের পর সূর্য কোথায় যায়, সে বিয়াফক গ্যানীর ভাব নিয়া উত্তর দিসিলো, অস্ত যাওনের পর সূর্য আরশের নিচে গিয়া সেজদা দিতে থাকে (ভাইলোগ, একটু কল্পনা করেন, সূর্য সেজদা দিতেসে)... তারপর সকালে সে আবার উদিত হওয়ার অনুমতি চায়।

বোকচোদ নবীর কাছে এর চেয়ে ভালো উত্তর অবশ্য আশা করা যায় না। তবে এই উত্তর আরও একটা কথা প্রমাণ করে, পৃথিবী যে গোলাকার, সেই ধারণা আছিলো না আল্যা-নবীর।

এ প্রসঙ্গে দাঁড়িপাল্লা-র বানানো একখান মোক্ষম পোস্টার:


এবারে মূল হাদিস:
মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল(সাঃ)ই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনঃ উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যে, সিজদা করবে তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু অনুমতি দেওয়া হবে না। তাকে বলা হবে যে পথে এসেছ, সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হবে–এটাই মর্ম হল আল্লাহ তাআলার বাণীঃ আর সূর্য গমন করে তার নির্দিষ্ট গন্ত্যব্যের দিকে, এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। (৩৬:৩৮)
সহীহ বুখারি, অধ্যায়: সৃষ্টির সূচনা, হাদিস নাম্বার: ২৯৭২

চিত্রপঞ্চক - ৫৮

পূর্ণাকারে দেখতে ছবিগুলোর ওপরে ক্লিক করতে হবে।

শুধুই কি তাই? 

ইতালীয় ভাষায় dio অর্থ 'ঈশ্বর', আর io অর্থ 'আমি'

তবে শিশুবালকদের 'স্বাগতম' 

মুখ ফসকে সত্যি কথা? 

হ, শিট হ্যাপেনজ

এবং একটি বোনাস ছবি। একটু ইয়ে টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা  

নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ১০

লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ১৯:
কোরানের ২১:৩২ আয়াতে বলা হয়েছে, 'আমি আকাশ মন্ডলীকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি, অথচ তারা আমার আকাশস্থ নির্দেশাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।' অথচ আকাশ বলতে কিছুর অস্তিত্ব বিজ্ঞান স্বীকার করে না। তাহলে কোরআন কীভাবে বিজ্ঞানময় কিতাব হয়?

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, এখানে আকাশ বলতে প্রতীকী ভাবে ওজোন স্তরের কথা বলা হয়েছে। আপনার জানেন ওজোন স্তরের মাধ্যমে আমরা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে পারি। আধুনিক বিজ্ঞান এই বিষয়ে সম্প্রতি জানতে পারলেও কোরানে আল্লাহ ১৪০০ বছর আগেই এই কথা বলে দিয়েছেন।


কটূক্তি ২০:
কিন্তু কোরানের ৬৭:৫ আয়াতে বলা আছে, 'আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা (তারকামন্ডলী) দ্বারা সাজিয়েছি;' আকাশ বলতে যদি ওজোন স্তর বোঝায় তাহলে কি বলতে হবে, ওজোন স্তরের ভিতরেই তারা অবস্থিত...? 

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, বিজ্ঞান আকাশের অস্তিত্ব স্বীকার না করলেই যে আকাশ নেই, তা কিন্তু নয়। বিজ্ঞানীরা তো মহাবিশ্বের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যায়নি। মানুষের জানার বাইরে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ আছে। তাই বলা যায়, আকাশও আছে। আর প্রথম আকাশের অভ্যন্তরেই নক্ষত্রমন্ডলী সহ আমাদের মহাবিশ্ব, পৃথিবী অবস্থিত...

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

শিশুশিকারী ধর্মযাজকেরা



পাঁচ ফোড়ন - ০৬

লিখেছেন সাদিয়া সুমি

২৬.
যত কথাই তারা বলুক না কেন, দিনশেষে তারা সবাই মুসলমান ও আমরা তাদের শত্রু। ধর্মবিরোধী কথা বললেই তাদের সুশীলতার মুখোশ খুলে গিয়ে তাদের আসল হিংস্র রুপটি বের হয়ে আসে।

তাজরিন, রানা প্লাজা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, এই ইস্যুগুলোর কোনোটিই বাঙালিকে একতাবদ্ধ করতে পারেনি। এমনকি শাহবাগ আন্দোলনও বহুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।

একমাত্র একটি শ্রেণীর বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি ঐক্যবদ্ধ। সেটি হলো ইন্টারনেটে বিদ্যমান সকল নাস্তিক, যারা বাংলাভাষায় লেখালেখি করে - ধর্মের বিরুদ্ধে, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, প্রগতির পক্ষে।

২৭.
আইন পাশ করিয়ে পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে তবেই ধর্মকে রক্ষা করতে হয়। কেন, ধর্ম তার নিজের যুক্তি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না? কই, বিজ্ঞানকে রক্ষা করার জন্য আইন বা পুলিশ কোনটিরই দরকার তো পড়ে না!

২৮.
মুহাম্মদ নাকি প্রায়ই ঘুমের ঘোরে 'কিয়ামত কিয়ামত . . .' বলে চিৎকার করে ধড়ফড় করে উঠে বসতেন। তার ছিল মৃগিরোগের ব্যামো। এটা, সম্ভবত, সেটারই লক্ষণ। তার লেখা কোরানে এজন্যই প্রতিটি পাতায় কিয়ামতের ভয়াবহতার কাল্পনিক বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অথচ তার মৃত্যুর চোদ্দশ বছর পরেও পৃথিবী অক্ষত আছে। এবং বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামি কয়েক কোটি বছরেও পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হবে না।

২৯.
প্রচলিত সব ধর্মই মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতবর্ষে আবির্ভুত হয়েছে। কেন? আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে কি মানুষ বসবাস করত না? নাকি ঈশ্বর এদের সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন না?

৩০.
আমার পরিচিত একজন বুয়েট শিক্ষক নতুন বিয়ে করেছেন। বাবা ছেলের বউ দেখেননি। কারণ আর কিছুই না। ইসলামী পর্দা। আমি টাশকি খাইয়া গেলাম। 

আমাদের পাশের অ্যাপার্টমেন্টে মেডিকেল কলেজের এক অধ্যাপক থাকেন। ভদ্রলোকের দুই ছেলে এক মেয়ে। তিনি সবক'টিকে মাদ্রাসায় পড়িয়েছেন। চৌদ্দ বছরের কিউট মেয়েটাকে বিয়ে দিয়েছেন এক জুব্বা হুজুরের কাছে। আমি এতো বিরক্ত যে, দেখা হলে তার সাথে কথাও পর্যন্ত বলি না।

শিক্ষিত লোকদের মধ্যে ধর্মান্ধতা বেশি ছড়াচ্ছে। এটা সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিরাট অন্তরায়।

বিবর্তনবাদ অভ্রান্ত

২০০৪ সালে প্রকাশিত বিশদ নিবন্ধ
এ বিষয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর বানানো ডকুমেন্টারি: প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় খণ্ড


১৪ এপ্রিল, ২০১৪

দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ০৮

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

২২.
৯৭% মুসলমানের একটা ইসলামিক দেশের রাষ্ট্রভাষা কিনা হিন্দুয়ানী বাংলাভাষা! এইডা কিছু হইলো? 
দুই-চাইরটা কইরা হিন্দুয়ানী বাংলা শব্দের আগা কাইটা মুসলমানি না করাইয়া একেবারে উর্দু বা আরবিরে রাষ্ট্রভাষা কইরা দিলেই তো হয়। পাকি মিয়া আর সৌদি শেখের বীর্যজাতরা এই ব্যাপারে চুপ কেন?

২৩.
খবর: বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মানের ঘোষণা দিয়েছে বিজেপি।
প্রতিক্রিয়া: মুসলমানদের ধর্মানুনুভোদা ফাক ফাক কাট কাট।

খবর: লালমনিরহাটের পাটগ্রামে উপজেলা নির্বাচনে হারের প্রতিশোধ হিসেবে পুরাতন কালীমন্দির ভেঙ্গে মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা।
প্রতিক্রিয়া: আলিফ লাম মিম...

খবর: কুয়াকাটায় সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্য রাখাইন পুরাকীর্তি শয়নরত বুদ্ধমূর্তিসহ ঠাকুরবাড়ি ও মন্দির এলাকার অর্ধেক জমি দখল করে বাড়িঘর করা হয়েছে। বাকি জমি দখল করতে গাছপালা কাটা হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া: আলিফ লাম মিম...

২৪.
আইন সবার জন্য সমান হইলে সেই আইন মাইনা নিতে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা না। আল্যার কসম, ব্লাসফেমি আইন মাইন নিতে আমারও নাই আপত্তি নাই। কিন্তু "লা ইলাহা ইল্যাল্যাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্যা" - এই কথাটার চাইতে আর কোনো বড় ধর্মবিদ্বেষী কথা আছে বইলা আমার জানা নাই। আইন সমান হইলে এই কথাটার সবার আগে বিচার হওয়া উচিত। 

তারপর আজ পর্যন্ত এই ভারতবর্ষ থিকা শুরু কইরা এই বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ বা ক্ষমতাবানরা অন্য ধর্মের যত উপাসনালয় ধ্বংস করছে, এমনকি এখনো করে যাচ্ছে - সেগুলার বিচারসহ প্রতিনিয়ত অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে যত কথা বলা হইতেছে সেগুলারও বিচার হইয়া আসতে হবে। অন্যথায় বরাবরের মতই ধর্মের মায়রে ধর্মকারী...

দুষ্টু যাজিকারা - ০৭



কাফের-এর রাগের কারণ

লিখেছেন কাফের নাস্তিক

ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপকভাবে জানার পর মাঝে মাঝে মনে কয়েক ধরনের রাগ মনে জন্মে। 

প্রথমেই রাগ হয় মুহম্মদের ওপর। ভাবি, এই লম্পট, বর্বর, জংলী লোকটা কী করে এমন একটা জংলী আদর্শ মুসলমানদের দিয়ে যেতে পারলো, যা কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তাদের মানতেই হবে। না মানলে পতিতাপল্লীর মতো বেহেশত তারা পাবে না। আর এজন্য পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু নির্বোধ লোক তা মেনে চলবেই আর পৃথিবীতে অশান্তি বাড়াবেই। এটা নিয়ে তেমন কিছু করাও যাবে না।

দ্বিতীয়ত, রাগ হয় মুহম্মদের তথাকথিত লম্পট, অমানবিক ও রক্ত পিপাসু আল্লার ওপর। যার নিজের ভোগ করার সামর্থ্য নেই (হিজড়া টাইপের একটা জন্তু); যাবতীয় ভোগ সে করছে মুহম্মদের মাধ্যমে। প্রকৃতপক্ষে আল্লা হচ্ছে মুহম্মদের পক্ষের বেশ্যার দালাল। যে মুহম্মদের সকল লাম্পট্যের সহায়ক ও রক্ষাকর্তা।

তৃতীয়ত,  রাগ হয় তখনকার বর্বর আরবদের প্রতি। ওরা দেখে-শুনে কীভাবে এমন একজন নীতিহীন, পাগল, মাগিবাজ লোককে নবী হিসেবে স্বীকার করে তার শক্তিকে বৃদ্ধি করতে পারলো? যার ফলে ইসলাম নামক একটি দানব আজ পৃথিবীবাসীর ওপর চেপে বসতে পেরেছে। এবং এই দানব ধ্বংস হওয়ারও কোনো লক্ষণ নেই। কারণ মূর্খ ও নির্বোধ টাইপের লোকগুলোকে এই দানব সাপোর্ট দেয় বলে দিন দিন এর দল ভারী হয়েই চলেছে।

চতুর্থত, যে রাগটি হয় তা হচ্ছে, এখনকার মুসলমানেদর ওপর। এরা কীভাবে এখনও সেই বর্বর সিস্টেমকে মুখ বুঁজে মেনে নিচ্ছে? আরও যন্ত্রণার বিষয় হচ্ছে, এই সব কথা আবার খোলামেলা আলোচনা করা যায় না। আলোচনায় কথা উঠলেও প্রায় সময় তা মিথ্যা জেনে-বুঝেও মেনে নিতে হচ্ছে।

মেজাজ বিগড়ে যায়ম যখন দেখি একজন লম্পট, নীতিহীন, চরিত্রহীন লোককে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ বলে মাথায় তুলে নাচা হছে।

খুব কষ্ট হয়, যখন সবকিছু দেখে শুনেও কিছু বলতে পারি না।

আল্যা, তুমি কার?


কাসুন্দিমন্থন - ১১

(ধর্মকারীর নতুন পাঠকদের কথা ভেবে নির্বাচিত কিছু পুরনো পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করা হবে এই সিরিজে)


১. দ্য র‌্যাশনাল অ্যানথেম

অতীব মনোলোভা সুর আর প্রশ্ন-জাগানিয়া কথার এই গানটি দেখুন, মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে। গানটির নাম Why Don't Bees Go to Heaven? (man created god)। ভালো না লাগলে পয়সা ফেরত  

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/e9bMi4s_yOE


লিরিকস

it seems to me the species Homo sapiens,
carries the chutzpah gene
to think they are the purpose of the universe
when they only just arrived on the scene

whats even worse, they bear a curse
of believing theyre the only form of life
to never die, and go on living
somewhere high up in the sky

so why dont bees go to heaven?
and trees go to heaven?
amoeba, krill and fleas go to heaven?
its not surprisin that theyre not arisin
cause man created god

this grain of sand upon an infinite beach
had been supporting life for trillions of spins
then along came humans, who started assumin
that this was where it begins
so profoundly naïve, they began to believe
these primates were the only ones
to never die, and go on living
somewhere high up in the sky

so why dont worms go to heaven?
and germs go to heaven?
spiders, snakes and sperms go to heaven?
its quite expected that theyre not resurrected
cause man created god

if man created Zeus, and the god of The Sun
if man created Shiva, and the god of Abraham
from all of life, why should the only one saved
be the species worst behaved?

well, thats because
that same species, Homo sapiens
carries the chutzpah gene
to think they are the purpose of the universe
when they only just arrived on the scene

whats even worse, they bear a curse
of believing theyre the only form of life
to never die, and go on living
somewhere high up in the sky

so why dont whales go to heaven?
and snails go to heaven?
orang-utans and quail go to heaven?
they dont think twice about paradise
because man created god

so why dont bees go to heaven? (etc.)

প্রথম প্রকাশ: ০৩.০১.১০

২. নিদ্রা অপেক্ষা নামাজ উত্তম... থুক্কু! ... ধর্ম অপেক্ষা বিয়ার উত্তম

ধর্ম অপেক্ষা বিয়ার উত্তম

কারণ:

১. বিয়ার না খাওয়ার কারণে কেউ কাউকে হত্যা করে না।

২. কীভাবে সেক্স করা উচিত, বিয়ার সে নির্দেশনা দেয় না।

৩. বিয়ারের কারণে কখনও কোথাও যুদ্ধ হয়নি।

৪. যাদের চিন্তাক্ষমতা কম, তাদের ওপরে বিয়ার চাপিয়ে দেয়া হয় না।

৫. বিশেষ ব্র্যান্ডের বিয়ার খাবার কারণে কাউকে অন্য ব্র্যান্ডের ভক্তরা মেরে ফেলে না, ফাঁসিতে ঝোলায় না, ক্রুশে চড়ায় না, পাথর ছুঁড়ে হত্যা করে না।

৬. বিয়ারের বোতল বা ক্যানের গায়ে প্রকৃত তথ্য উল্লেখ করার আইন আছে।

৭. বিয়ারের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য উদ্ভট কল্পনার আশ্রয় নিতে হয় না।

৮. সম্পূর্ণভাবে বিয়ারাসক্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসা ও নিরাময়ের ব্যবস্থা আছে।

৯. বিয়ার বলেছে বলে কেউ কখনও আস্ত প্লেন নিয়ে ঢুকে পড়ে না আকাশচুম্বী অট্টালিকায়।

১০. বিয়ার বাস্তব।

১১. বিয়ার পানের পর সবাইকে বন্ধু মনে হয়। ধর্ম-মদ পানের প্রতিক্রিয়া এর ঠিক উল্টো।

১২. বিয়ারপান-প্রতিক্রিয়া সহজেই দূর হয়। ধর্মের হ্যাংওভার কাটে না।

১৩. অন্য ব্র্যান্ডের বিয়ার পান করলে নিজস্ব প্রিয় ব্র্যান্ডের বিয়ার কাউকে নরকে যাবার অভিশাপ দেয় না।

১৪. ধর্ম পান করা যায় না।

১৫. বিয়ার পান করে মৃত্যুর অগেই স্বর্গসুখ লাভ করা সম্ভব।

১৬. সমস্যা ভুলতে সাহায্য করে বিয়ার। আর ধর্ম তো তো করেই না, বরং সৃষ্টি করে নিত্যনতুন সমস্যার।

১৭. বিয়ারের বিজ্ঞাপন বড়োজোর এক মিনিট দীর্ঘ হয়। আর ধর্ম বিষয়ক অনুষ্ঠান...

১৮. বিয়ার আর পিৎসা - দারুণ এক কম্বিনেশন। কিন্তু ধর্ম আর পিৎসা?

১৯. বিয়ার পান করে পার্টি জমানো সম্ভব। একবার শুধু কল্পনা করুন, পার্টিতে ধর্মালোচনা চলছে...

প্রথম প্রকাশ: ১৩.০১.১০

আলাদা টয়লেট অভিন্ন বিষ্ঠা



১৩ এপ্রিল, ২০১৪

ঈশ্বরদের জন্মকথা: ধর্মকারী প্রকাশিত শিশুতোষ কুফরী কিতাব

শিশুদের মগজ ধোলাই করে তা অপ্রমাণিত, ভিত্তিহীন ও ভূয়া তথ্য তথা আবর্জনায় পূর্ণ করতে "ছোটদের ধর্মশিক্ষা", "ছোটদের মহানবী" ধাঁচের উৎকট রূপকথা ও কুৎসিত মিথ্যাকণ্টকিত বইয়ের সংখ্যা অগণ্য। 

কিন্তু আল্লাহ-ধর্ম সম্পর্কে বাস্তব ও স্পষ্ট ধারণা দিয়ে শিশুকে চিন্তা-স্বাবলম্বী করে তোলার ও তার মুক্তচিন্তা বিকাশের পথ খুলে দিতে সহায়তা করার জন্য বাংলা ভাষায় প্রকাশিত বই, খুব সম্ভব, নেই। বা থাকলেও একেবারেই অঙ্গুলিমেয়। 

ওয়ালিদ আল হুসেইনি নামের এক প্যালেস্টাইনী ব্লগারের লেখা সচিত্র বই All Gods Came From One Place বইটি ঠিক সেই ধাঁচের। সেটাকে 'ঈশ্বরদের জন্মকথা' নাম দিয়ে বাংলায় রূপান্তর করেছেন অহম। পিডিএফ-নির্মাণও তাঁরই। এক কথায় - ওয়ান ম্যান শো।

অত্যন্ত সরল ভাষায় রচিত অতীব সুখপাঠ্য এই বইটি শিশুতোষ হলেও প্রাপ্তবয়স্করাও চিন্তার অনেক খোরাক খুঁজে পাবেন তাতে। অতএব নিজে পড়ুন, আশেপাশের সমস্ত শিশুকে পড়তে দিন বা পড়ে শোনান। প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও নিঃশর্ত বিশ্বাস যেন শিশুদের গ্রাস না করে।

ফরম্যাট: পিডিএফ
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ২৮
সাইজ: ৪.৯ মেগাবাইট
(প্রক্সি ব্যবহারকারীরা নিচের লিংক কপি করে আলাদা ট্যাবে বা উইন্ডোতে পেস্ট করে বইটা ডাউনলোড করতে পারবেন: https://drive.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4bkxOTHQ5OXVPRTA/edit?usp=sharing)

আদম-হাওয়া ও প্রথম বোরখা



সালমা বহিন (মানে আগে যেটা 'কাজলা দিদি' ছিল)

লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ

ছাগুদের দ্বারা কোনো ক্রিয়েটিভ কিছু হওয়া অসম্ভব। তাই বাংলাস্তানের স্কুল বুক লিখতেও আমার মত বেকুবকেই হাত লাগাতে হয়। 

খেজুর গাছের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই
আম্মু আমার নামাজ পড়া সালমা বহিন কই?
মসজিদের অই কুয়ার ধারে
হুজুর বুড়ো ওয়াজ পড়ে
সেই আওয়াজে ঘুম আসে না একলা জেগে রই।
আম্মু আমার ক্কোলের কাছে সালমা বহিন কই?

সেদিন হতে আম্মু কেন সালমা নাহি ডাকো
তার কথাতে হিজাব দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
নাস্তা খেতে আসি যখন
বহিন বলে ডাকি যখন
ও-ঘর থেকে আম্মু কেন বহিন আসে নাকো?
আমি ডাকি, তুমি কেন খামোশ হয়ে থাকো?

বল না বহিন কোথায় গেছে, আসবে আবার কবে?
কাল যে হুজুর বুড়োর সাথে আমার বিয়ে হবে
হুজুর বুড়োর কোলে চড়ে
যাব যখন শ্বশুরঘরে
তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে?
মোল্লাসাবের সাথেই তখন তোমার নিকা হবে।

ঝরা ফুলে ভরিয়ে গেছে খেজুর তলা খানি
মাড়াস নে তুই আম্মু যখন আনতে যাবি পানি
খেজুর পাতার ফাঁকে ফাঁকে
বুলবুলিটা লুকিয়ে থাকে
ডাল ধরে তাই তুই যেন না করিস টানাটানি
বহিন এসে শুনতে পেলে কি বলবে কি জানি!

খেজুর গাছের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই
এমন সময় আম্মু আমার সালমা বহিন কই?
আসতে যেতে কুয়োর পাড়ে
বুড়ো হুজুর তাকায় আড়ে
মনের ধন্দে ঘুম আসে না তাইতো জেগে রই—
রাত্রি হোলো, আম্মু আমার সালমা বহিন কই?

বর্ণবৈচিত্র্যময় ইছলামী সন্ত্রাসীরা


ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৫৭

১৬৩.
- আব্বু, যুক্তি কী?
- জানি না, বাবা। কারণ আমরা মুসলিম।

১৬৪.
চার্চে উপস্থিত সকলের কাছে নতুন একটি চার্চ নির্মাণের জন্য অর্থসাহায্য চাইলো ধর্মযাজক। সবার আগে এগিয়ে এলেন এক যৌনকর্মী, বললেন:
- এই নিন দু'হাজার ডলার।
- যদিও টাকা আমাদের খুবই প্রয়োজন, - বললো ধর্মযাজক, - তবে নোংরা পথে অর্জিত এই টাকা আমি গ্রহণ করতে পারছি না। 
উপস্থিত কয়েকজন সেই সময় চিৎকার করে বললো:
- নিয়ে নিন, ফাদার। ওগুলো আমাদেরই টাকা।

১৬৫.
- উপাসনালয়ে ও ক্যাসিনোয় প্রার্থনার মধ্যে কোনও তফাত আছে কি?
- আছে। ক্যাসিনোয় করা প্রার্থনা অনেক বেশি আন্তরিক।

কোরানপাঠের ফজিলত


১২ এপ্রিল, ২০১৪

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ০৪

লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৯. 
নাস্তিকতাকে সরাসরি অপরাধের তালিকায় ফেলতে না পেরে মডারেটগণ 'ইসলামবিদ্বেষী' শব্দটা জুড়ে দেন। কিন্তু ইসলামবিদ্বেষ কেন অপরাধ হবে? ইসলাম তো জীবন্ত কিছু নয়; একটা ধর্ম বা মতবাদ। একজন মানুষ যেমন এই মতবাদকে পছন্দ করার অধিকার রাখে, এই মতবাদের সপক্ষে প্রচার করার অধিকার রাখে; তেমনি একজন মানুষ অপছন্দ করারও অধিকার রাখে, বিপক্ষে কথা বলারও অধিকার রাখে।

১০.
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন এখন অতিসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পথে হাঁটছে।
'নারায়ে তকবীর' বলে
পিছু হটো...

১১.
স্বাধীনতার পর দেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল মোট জনসংখ্যার ১৩.৫ ভাগ। তাই ভোটের রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ সাজার প্রয়োজন ছিল।
মেরে, ধর্মান্তরিত করে, পিটিয়ে দেশছাড়া করে এখন হিন্দু জনগোষ্ঠীর হার ৮.৫ ভাগ। তাই ধর্মনিরপেক্ষ সাজার চেয়ে টুপি মাথায় দিয়ে মদীনা সনদের বুলি আওড়ালেই ভোটের রাজনীতিতে ফায়দা বেশি।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৯০