২০ আগস্ট, ২০১৪

(স্টিকি পোস্ট) কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৬): আবু আফাককে খুন - তিনি ছিলেন অতি বৃদ্ধ! ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – উনিশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫

বদর যুদ্ধে (পর্ব-৩০-৪৩) অপ্রত্যাশিত সাফল্যের পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আরও বেশী বেপরোয়া ও নৃশংস হয়ে ওঠেন। এই যুদ্ধের পর তিনি পর পর বেশ কয়েকটি মানুষকে খুনের আদেশ জারি করেন। মুহাম্মদের আদেশে তাঁর অনুসারীরা সেই লোকগুলোকে রাতের অন্ধকারে নৃশংসভাবে করে খুন। যাদেরকে খুন করা হয় তাঁদের কেউই মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের কোনোরূপ শারীরিক আঘাত করেননি।

তাঁদের অপরাধ এই যে তাঁরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের আগ্রাসী নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের "মৌখিক প্রতিবাদ ও সমালোচনা" করেছিলেন।

১২০ বছর বয়সী অতি-বৃদ্ধ মানুষ থেকে শুরু করে দুগ্ধপোষ্য সন্তান-জননীকেও তিনি রেহায় দেননি। বদর যুদ্ধের আনুমানিক মাস দেড়েক পরে, মুহাম্মদের আদেশে তাঁর এক অনুসারী নৃশংসভাবে খুন করেন ১২০ বছর বয়সী অতি বৃদ্ধ ইহুদী কবি আবু আফাককে।

কী তাঁর অপরাধ?

তাঁর অপরাধ এই যে, মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা আল-হারিথ বিন সুয়া'দ বিন সামিত নামক এক ব্যক্তিকে খুন করার পর তিনি সেই খুনের প্রতিবাদে মুহাম্মদের কর্মকাণ্ডের কটাক্ষ ও সমালোচনা করে "একটি কবিতা" লিখেছিলেন। আদি ও বিশিষ্ট মুসলিম স্কলার মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ও মুহাম্মদ ইবনে সা'দ-এর বর্ণনায় ঘটনাটি ছিল নিম্নরূপ:

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনা:

আবু আফাক কে খুন করার জন্য সেলিম বিন উমায়েরের অভিযান:

‘আবু আফাক ছিলেন বানু উবেয়দাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বানু আমর গোত্রের। আল্লাহর নবী আল-হারিথ বিন সুয়া'দ বিন সামিতকে খুন করার পর তিনি আল্লাহর নবীকে অপছন্দ করা শুরু করেন এবং কবিতা লেখেন:
বেঁচে আছি আমি বহুদিন তবু দেখি নাই কভু
এমন সমাবেশ অথবা জনগোষ্ঠী, যারা
সমবেত কেইলার বংশধরদের চেয়েও বেশি বিশ্বস্ত
তাদের উদ্যোগ ও জোটের প্রতি,
ভূপাতিত করেছিল যারা পর্বতসমূহ ও কভু করেনি বশ্যতা কারও।[1]এক আরোহী এসে বিভক্ত করেছে তাদের দু'ভাগে
সমস্ত প্রকার জিনিসকে "অনুমোদিত", "নিষিদ্ধ" (এই বলে)।
মানোনি হার তোমরা তুব্বার যশ ও রাজশক্তির কাছে
করোনি শির নত তোমরা তার কাছে। [2]
আল্লাহর নবী বলেন, "কে আছ তোমরা যে এই বদমায়েশ টার ব্যবস্থা করতে পারবে?"

যার ফলশ্রুতিতে সালিম বিন উমায়ের নামের ভাড়াটে শোককারীদের একজন, বানু আমর বিন আউফ গোত্রের এক ভাই, তাঁকে খুন করেন।

এ বিষয়ে উমামা বিন মুজেরিয়া [এক মুহাম্মদ অনুসারী] কবিতা লেখেন:
আল্লাহর ধর্ম ও আহমদ (মুহাম্মদ) ওপর দিয়েছিস মিথ্যা আরোপ!
কসম তোর পিতার, যে দিয়েছে জন্ম অসৎ পুত্রের!
এক "হানিফ" দিয়েছে ধাক্কা তোকে এক রাতে
"এই নাও আবু আফাক তোর বয়স সত্ত্বেও" এই বলে!
যদিও আমি জেনেছি সে ছিল মানুষ অথবা জ্বিন
যে তাকে করেছে খুন গভীর রাতে। [3] [4]
মুহাম্মদ ইবনে সা'দ (৭৮৪-৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দ) এর বর্ণনা:

সেলিম বিন উমায়েরের অভিযান:

‘তারপর আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক, হিজরতের ২০তম মাস শওয়াল মাসের প্রথমার্ধে ইহুদি আবু আফাকের বিরুদ্ধে সালিম ইবনে উমায়ের আল আমরির অভিযানটি সংঘটিত হয়।

আবু আফাক ছিলেন বানু আমর ইবনে আউফ গোত্রের। তিনি ছিলেন বৃদ্ধ, ১২০ বছর বয়সী এক ইহুদি। তিনি আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক, বিরুদ্ধে মানুষদের প্ররোচিত করতেন ও কবিতা (বিদ্রূপাত্মক) লিখতেন।

সালিম ইবনে উমায়ের ছিলেন অন্যতম ভাড়াটে শোককারীদের একজন এবং তিনি বদর যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, বলেন: "আমি এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করি যে, হয় আমি আবু আফাককে খুন করবো অথবা তার আগেই মরবো।"

তিনি [সালিম ইবনে উমায়ের] সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন যতদিন না গরম রাত্রির আগমন ঘটেছিল এবং আবু আফাক বাহিরে ঘুমিয়েছিলেন। সালিম ইবনে উমায়ের তা জানতেন, তাই তিনি তাঁর তলোয়ার তার কলিজার মধ্যে ঢুকিয়ে চাপ দিতে থাকেন যতক্ষণ না তা তার বিছানা অবধি পৌঁছে।

নিরাময়াতীত নির্বোধ, সুযোগসন্ধানী সুবিধাবাদী ও গ্যাঞ্জামবাদী জ্ঞানপাপীদের উদ্দেশে

উচ্চকণ্ঠ ও সরব নাস্তিকদেরকে 'উগ্র' আখ্যা দিয়ে যারা ধর্মীয় উগ্রবাদীদের কাতারভুক্ত করে বা করতে চায়, সেইসব নিরাময়াতীত নির্বোধ, সুযোগসন্ধানী সুবিধাবাদী ও গ্যাঞ্জামবাদী জ্ঞানপাপীদের উদ্দেশে:

২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনের সময় ফেসবুকে প্রকাশিত

Oh My God - নাস্তিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে একটি রিভিউ

লিখেছেন ভীতুর ডিম

Oh My God” – একটি জনপ্রিয় হিন্দি মুভি। উমেশ শুক্লা নির্দেশিত এবং অক্ষয় কুমার ও পরেশ রাওয়াল প্রযোজিত ফিল্মটি বেশ দ্বন্দ্বমূলক। মুভিটি অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ম “The Man Who Sued God” থেকে প্রভাবিত। দ্বন্দ্বমুলক এই কারণে বললাম, কারন ফিল্মটা রিলিজ করার পর জলন্ধর মহিলা কংগ্রেস-এর প্রেসিডেন্ট নিমিসা মেহতা অক্ষয় কুমার এবং পরেশ রাওয়ালের ওপর অভিযোগ জানান এই বলে যে, ফিল্মটাতে হিন্দুধর্মের বিশ্বাসের ওপর আঘাত হানা হয়েছে। আর এই কারণে সেই সময় অক্ষয়কুমারের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়, যাতে তার কোনো বিপদ না হয়। বেশ কিছু মুসলিম দেশে ফিল্মটি ব্যান করা হয়। কয়েকদিন আগে ১২ ই জুলাই ২০১৪ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট নোটিশ দিয়েছে, এতে নাকি হিন্দুবিশ্বাসের উপর আঘাত হানা হয়েছে। হায়রে হিন্দু … হায়রে মুসলিম... কবে তোরা মানুষ হবি !

আমাদের আলোচনার বিষয় এই মুভিতে কে কেমন অভিনয় করেছে, তা নয়; কত টাকার ব্যবসা করেছে, তা-ও নয়; আলোচনার বিষয় হবে এর বিষয়বস্তু। এবং মুভিটি আমাদের কী মেসেজ দিতে চেয়েছে, তা নিয়ে।

তাহলে এগোন যাক! আমার বন্ধুদের অনেকেই হয়ত মুভিটি দেখেছেন! যদি না দেখে থাকেন, তাহলে অবশ্যই দেখুন। তাই আমরা আগে এর বিষয়বস্তটা জেনে নিই, তাতে আমাদের আলোচনা করতে সুবিধা হবে।

কাঞ্জিলাল এক মূর্তি ব্যবসায়ী। তিনি নাস্তিক। সব সময় ঈশ্বরকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেন। একটা ভূমিকম্পে তার একমাত্র দোকান ভেঙে পড়ে। তখন সকলে তাকে বলতে থাকে, ঈশ্বরকে নিয়ে মস্করা করার জন্য এটা ঘটেছে। তিনি বীমা দাবী করেন, কিন্তু বীমা কোম্পানি ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে না বলে দেয়, কারণ হিসেবে জানায়, ঈশ্বরের দ্বারা কোনো ক্ষতি হলে সেই ক্ষতিপুরণ দেওয়ার কোন দায় নেই। যেহেতু ভুমিকম্প, সুনামি, ঝড় এসবের পেছনে মানুষের কোনো হাত নেই, তাই তারা এর দায় নিতে নারাজ। কাঞ্জিলালের দোকানও বিক্রি হয় না, কারন সেটাতে নাকি অভিশাপ আছে। এই সময় তার মাথায় খেয়াল আসে, তিনি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কেস করবেন। কিন্তু কোনো উকিল এই কেস নিতে রাজি হয় না। অবশেষে হানিফ কুরেসি নামে এক উকিলের সাহায্যে তিনজন বড় ধর্ম-পুরোহিতকে নোটিশ পাঠান, কারণ তারা ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলে নিজেদের দাবি করেন। এবং নিজেই নিজের কেস লড়েন।

কাঞ্জিলালের যেহেতু অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে, তাই কোর্ট এই কেসকে গ্রহণ করে। কাঞ্জিলাল এই সময় কিছু ধর্মান্ধ মানুষের খপ্পরে পরেন এবং তাকে বাঁচায় কৃষ্ণ বাসুদেব নামে এক রিয়াল এস্টেট এজেন্ট, যিনি নিজেকে ভগবান বলেন।

তিনি কাঞ্জিলালের ঘর কিনে নেন, এবং তাকে তাঁর ঘরে থাকার অনুমতি দেন। ভগবান কৃষ্ণের পরামর্শে কাঞ্জি মিডিয়ার সামনে আসেন। এবং সুন্দর যুক্তি দিয়ে ধর্মব্যবসায়ীদের ভণ্ডামো সকলের সামনে খুলে দেন। এই সময় আরও বেশ কিছু পরিবার, যারা এই ধরনের ঈশ্বর বা আল্লাহ বা গডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, তারা সকলে অনুরোধ করলে তাদের সকলের কেস লড়ার জন্য রাজি হন।

কিন্তু কোর্ট এইসব কেস গ্রহণ করলেও এক মাস সময় দেওয়া হয় লিখিত প্রমাণ হাজির করার জন্য যে, ভুমিকম্প, সুনামি, ঝড় এই ধরনের ঘটনাগুলো ঈশ্বর বা আল্লাহর ইচ্ছাতে হয়!

কাঞ্জিলাল চিন্তায় পড়ে যান, কোথা থেকে তিনি প্রমাণ হাজির করবেন! এই সময় কৃষ্ণ তাঁকে উদ্ধার করেন। তিনি কাঞ্জিকে গীতা, বাইবেল ও কোরান পড়তে বলেন। কাঞ্জি সেগুলো পড়েন। এবং শুনানির দিন তিনি এইসব ধর্মগ্রন্থ থেকে প্রমাণ হাজির করেন - সবকিছু ঈশ্বর বা আল্লাহ বা গডের ইচ্ছাতে হয়। এবং তিনি ঈশ্বরের নামে উল্টোপাল্টা কথা বলতে থাকেন, ঈশ্বর নেই এটা বলেন। কৃষ্ণর ইচ্ছাতে তিনি প্যারালাইজড হয়ে যান।

ভগবান কৃষ্ণই তাঁকে সুস্থ করেন, এবং বলেন কাঞ্জি এক মাস ধরে হসপিটালে ভর্তি আছেন ও এটাও বলেন, তাঁকে ধর্মীয় পুরোহিতরা ভগবান বানিয়ে তাঁর মন্দির বানিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে। এবং তারাই তাঁর মৃত্যুদিন ঘোষণা করেছে। কাঞ্জি কৃষ্ণের সাহায্যে তার তৈরি হওয়া মন্দিরে যান। এবং নিজেই নিজের মন্দির ভাঙতে শুরু করেন ও জনগণকে বোঝান: এটা হল ভগবানকে নিয়ে ব্যবসা করা। এই সময় জনগণ উত্তেজিত হয়ে ধর্মীয় পুরোহিত যাঁরা কাঞ্জিকে নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন, তাঁদের মারতে উদ্যত হলে কাঞ্জি তাদের শান্ত করেন, এবং ধর্মীয় পাণ্ডাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।

ভগবান কৃষ্ণ সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর কাঞ্জি কৃষ্ণের ব্যবহৃত চাবির রিংটা মাটি থেকে কুড়িয়ে নিজের পকেটে রাখতে গেলে তিনি কৃষ্ণের আওয়াজ শুনতে পান... ভগবান বলেন যে, মাদুলি বানিয়ে কোনো জিনিস গলায় ঝুলিয়ে রাখার বিরুদ্ধে যে-লড়াই করেছে এতদিন, সেটাই সে করতে যাচ্ছে। তখন কাঞ্জি সেই রিং আকাশের দিকে ছুঁড়ে দেন ও রিংটা আকাশে মিলিয়ে যায়।

এই হল মূল গল্প। একজন নাস্তিকের কাছে এই মুভিটা একটা বোগাস। কারণ মুভিটাতে এত অলৌকিক ব্যাপার আছে যে, এটাকে এক ধাক্কায় কাল্পনিক বলা যায়। আক্ষরিক অর্থে ফিল্মটি সত্যিই অবাস্তব - কৃষ্ণের অস্তিত্ব, ভগবান কৃষ্ণের সাথে কাঞ্জির কথোপকথন, কাঞ্জিকে উপদেশ দেওয়া, কাঞ্জিকে বাঁচানো, কাঞ্জিকে প্যারালাইজড করা, আবার তাকে ঠিক করা... সব কাল্পনিক।

আর একটা বিষয় মুভিতে দেখা যায়, সেটা হল হিন্দু, মুসলিম এবং খ্রিষ্টান ধর্মের সমন্বয়। সত্যি, এটা হল ঘোড়ার ডিমের মত ব্যাপার (আপনারা ভীতুর ডিমও বলতে পারেন); মানে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। সত্যি, আপনি চাইলেও কোনো দুটো ধর্মকে এক করতে পারবেন না। কারণ প্রতিটি ধর্মের মধ্যে এত অমিল যে, একটা যায় পূর্ব দিকে তো আর একটা পশ্চিম দিকে। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক।

এই মুভিটাকে কখনও একজন প্রকৃত মুসলিম সত্য বলে মেনে নিতে পারবে না। কেন? কেন পারবে না? কারণটা হল, মুসলিম ধর্মের বিশ্বাস - আল্লাহর কোনো রূপ নেই। তিনি নিরাকার। তাই কৃষ্ণরূপে যে-ভগবানকে এখানে দেখানো হয়েছে, তা কখনো একজন মুসলিম সত্য বলে মেনে নিতে পারবে না। হিন্দুধর্মের মতে, আমরা যা কিছু দেখি, সব কিছুই ঈশ্বর! কিন্তু মুসলিম ধর্ম অনুসারে, আমরা যা কিছু দেখি, সব হল আল্লাহর সৃষ্টি, কিন্তু কোনো কিছুই আল্লাহ নয়। আল্লাহ হল নিরাকার, তিনি সব কিছু থেকে আলাদা। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এক ধর্মকে স্বীকার করলে আর একটা ধর্মকে অস্বীকার করতে হয়। যদি কৃষ্ণকে স্বীকার করলে মুসলিম ধর্ম অস্বীকার করতে হবে। আর মুসলিম ধর্ম স্বীকার করলে কৃষ্ণকে।

তাহলে আজকাল যাঁরা ইদ ও পূজা দুটোতেই মেতে উঠছেন, তাঁরা কি সমন্বয় করছেন না? হ্যাঁ, সত্যি তাঁরা তাপি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। দুটো ভাঙ্গা কাচকে কি পুরোপুরি জোড়া লাগানো যায়। না, কখনই যায় না! সেটা তখনই এক হবে, যখন দুটো কাচকে গলিয়ে ফেলা হবে। অর্থাৎ দুটো ধর্ম তখনই এক হতে পারে, যখন দুটো ধর্ম বিলুপ্ত হবে তার আগে নয়।

একটা প্রচলিত ধারণা আছে, সেটা হল, নাস্তিকতা কেউ চিরকাল ধরে রাখতে পারে না। বয়স বেড়ে গেলে তারা আস্তিক হয়ে যায়। কারো কারো ক্ষেত্রে কথাটা সত্য হতে পারে বটে, তবে সময়ের সঙ্গে নাস্তিকের সংখ্যা বাড়ছে। নাস্তিকতা নিয়ে শুরু হয়েছে লেখালেখি, সাহিত্য এমনকি সিনেমা। কিন্ত বেশিরভাগ জায়গাতেই নাস্তিককে নাস্তিক রাখা হয় না। তাকে আস্তিক করে দেওয়া হয়। “Oh My God” মুভিটাও আলাদা নয়। এখানে কাঞ্জিলালকে নাস্তিক দেখালেও শেষ পর্যন্ত আস্তিক করে ছেড়েছে। 

কিন্ত বাস্তবে কিন্ত তা নয়। আমি অনেক মানুষকে দেখেছি, যারা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেদের আদর্শে ঠিক ছিল। তারা নাস্তিক হয়েছে, এবং নাস্তিকই থেকে গেছে। তাই সমাজে এই ধারণাটা পাল্টাতে হবে। নাস্তিকতা গরম রক্তের প্রকাশ নয়। তা যুক্তিশীলতার প্রকাশ। কাঞ্জিলালকে যখন "ঈশ্বর বা আল্লাহর ইচ্ছাতে হচ্ছে সবকিছু" তার লিখিত প্রমাণ আনতে বলা হল, তখন তিনি চিন্তায় পড়ে গেলেন। কিন্ত বাস্তবে কিন্ত এটা হওয়া উচিত নয়।

প্রয়োজনের খাতিরে একজন নাস্তিককে অনেক সময় ধর্মগ্রন্থ নিয়ে অনেক পড়তে হয়। কিন্তু একজন আস্তিক কিছু না পড়েই ঈশ্বরের নাম গান করে যায়। কারণ একজন আস্তিক ধর্মগ্রন্থের একরত্তি না জেনেও আস্তিক হতে পারে। তবে যারা ভগবানের কাছে কিছু না পেয়ে নাস্তিক হয়েছে, তাদের নাস্তিকতা বেশিদিন টেকে না, তারা আসলে নাস্তিক নয়।

হায় লেনিন, হায় স্তালিন

রাশিয়ার ছবি পাঠিয়েছেন মোকাম্মেল

চেয়ে চেয়ে দেখলাম... 

 ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশালে

 লেনিন বলে ওদিক যেতে, যিশু বলে এদিক

রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান গেনাদি জ্যুগানভ (বাম থেকে দ্বিতীয়) 

যিশুর সামনে সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত কমিউনিস্ট পার্টির শিশু সংগঠনের কুচকাওয়াজ

নাস্তেকদের নিয়ে আমার কিসু বেফারে সন্দেহ

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

নাস্তেকদের নিয়ে আমার কিসু বেফারে সন্দেহ লাগে। অর্থাত নাস্তিক হই অ, কেনো তারা আজও আস্তিকদের রিতিনিতি, কালসার পালন করি থাকে !

আমার সন্দেহগুলা নিয়া কতা বলা জাক।

- কেনো নাস্তেকরা এখনো ইসলামি তরিকায় বিবাহ করে?

আমার সন্দেহ: উফায় নাই। অফলাইনে অপ্রকাইশ্যমান-নাস্তিকগন বিয়েসাদিতে এসব জানাজানি করাইলে এই বংগিয় মুসলমান সমাজ বেবোস্তায় তাদেরকে নিগৃহীত হইতে হবে।

নাস্তেকরা হয়ত মুনে করে না, একবার কালিমা ফড়লে বা ঈদের নামাজ পড়ি ফেললেই বা দুই একটা রুজা চিপায় পড়ি রাখি ফেইল্লে তার নাস্তিক্যবাদ এর ঈমান ধ্বংশ হই যাবে। বরঞ্চ এইটা হয়ত তাদের ফরিস্থিতি, সময় ও অবস্তানের সহিত খাপ খাওয়ানির কৌশল! ভন্ডামি না।

উদ্দিপ্ত ফুরুষ তার নারীকে ফাইতে যেখানে তার ভিটে মাটি লিখি দিতে উদগ্রীব, সেখানে আস্তিক্যবাদ নাস্তিক্যবাদের কামরাকামরি তুচ্ছ জ্ঞান করিয়া, নিজেকে হিফাজতে রাখিয়া গোলযোগহিন বিবাহকর্ম পতিষ্ঠা কোইত্তে কালিমা পাঠ করাই ত বুদ্দিমান ফ্রানির কাম্য।

- আইচ্ছা, যুদি আমার মতন কুনো মুসলিম, নাস্তেকদের উদ্দিশ্যে শাহাদাত আংগুল তুলি বিদ্রুপাত্মক বাক্য ছুঁড়ি দেয়, কি হে নাস্তেক তোমাগের কবর কেনো আমাগের মইধ্য যুগিয় কায়দায় সারা হয়, যে মইধ্য যুগ সমাজ বেবোস্তার অন্দকার থিকা ফরিত্রান ফাইতে আলো হাতে আঁধারের যাত্রি হইতে সাও? 

আমার সন্দেহ: নাস্তেকরা বলবে যে, এইটার সাথে আস্তিকতার নাস্তিকতার সম্পর্ক নাইগা। বিশ্বাস অবিশ্বাসের কিসুর উফরও এটা নির্ভরশিল নহে। বরং একটা ফরিত্যক্ত মানবদেহকে সহজ সামাজিক ফ্রথায় বেবস্থা নেয়া হতে ফারে যাতে করি ফরিবেশ দুষনের হাত থিকা সকলেই বাঁসতে ফারে। আর জনগুশঠির ইচ্ছানুযায়ী জানাজা ফড়লে বা না ফড়লে মৃত দেহের কুনো কামে আসে না। সুতরাং যে কুনো বেবোস্থা মইধ্য দিয়া উদারতা ফ্রকাশ এর মাইধ্যমে জিন্দারা মহানুভব চরিত্রের অধিকারি হইতে ফারেন। এবং ঐ অঞ্চলের জিন্দা মানবেরা কেমুন তা চিনা যায় তাদের এসব কর্মের মইধ্য দিয়া। অর্থাত, নাস্তিকের লাশ কুত্তাকে দিয়ে খাওয়ালে, খাওয়াইন্যাআলারা নিজেদেরকে কুত্তাশ্রেনিয় আচরনের অধিকারী বলি চেনাবে, নয়ত মানবিয় বৈশিষ্ট দ্বারা মানবপ্রেমিক হিসাবে নিজেদিগকে চিনাবে।

- তুমরা অপ্রকাশ্যমান কেনো ওহে নাস্তিক?

- মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলামের সন্দেহ হয় যে, এমন ফশ্নের জবাবে, নাস্তেকরা ক্ষোভের সাথে বোইলবে, তোমাদের লজ্জা ফাওয়া উসিত হে আস্তিকসমাজ! কেননা, তুমাগের নিয়ম প্রথা দ্বারা যুদি কারো স্বাভাবিক চিন্তা ও তার বহিঃপ্রকাশ অবরুদ্ধ করি রাখা হয়, তবে তোমরা ত নিজেদেরকে 'আশরফুল মাখকুকাত' বলি দাবী করতে ফারো না। নাস্তেকরা আরো বোইলতে ফারে যে, তাদের এই ছদ্দ ফরিসয় ধারন নিয়া আমাগের মুসলিম মানসে যে পুলক জাগে, সে ত ফাশবিক। কেননা, হত্যা বা নিগ্রহ বা এসবের ইন্দন যুগানো ত কুনো সভ্য মানুশের আচরন নয়।

- কুনো এক মুসলিম জিকগেস করতে ফারে, আইচ্ছা যুদি আল্লাহ না থাকে তবে এই দুনিয়া, আকাশ, সমুদ্র বানাইল কে?


- মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম সন্দেহ করে, নাস্তিকরা এ বেফারে কইতে ফারে যে, "আচ্ছা এই যে তাওয়া ধর্মে, প্যাগান ধর্মে বা হিন্দুরা যে দাবী করে তাদের দেবতারা এই বিশ্ব ভ্রমান্ড সৃস্টি করেছে, সেটাতে কি আপনি বিশ্বাস আনেন? প্রমানের অভাবে আপনি যেমন তাদের দাবী মানেন না, তেমনি ইসলামের দাবীটাও অপ্রমানিত।" এবং নাস্তেকরা আরো বোইলবে, সৃস্টি রহস্য যেহেতু অফ্রমানিত সেহেতু তারা অজ্ঞতা থেকে আমাগের মুসলিমদের মত আন্দাজে বলি দিতে ফারে না - সৃস্টি রহস্য বা সব কিসুর সৃস্টিকর্তা "আল্লাহ"!!কারন এটা ১৪ শ বসর আগে আরব দেশের এক লুকের দাবী। 

যিশুশিক্ষা

ছবিগুলোয় ক্লিক করে পূর্ণাকারে দেখুন


আল্লাহর আইন চাই

লিখেছেন Elijah Neo

'আল্লাহর আইন চাই' - এটা যুদ্ধাপরাধী জামা'ত-শিবিরের রাজনৈতিক স্লোগান।

তাহলে আল্লাহর আইনে জামা'তের বিচার কেমন হতো, আসুন, দেখি। মুহাম্মদ (সাঃ) তার নবী জীবনে অনেক যুদ্ধ করেছেন। যেসব যুদ্ধ তিনি জিততেন, সে সব যুদ্ধে অপর পক্ষের যোদ্ধাদের, তাদের পরিবার পরিজনদের বন্দী করা হতো। এরাই হতো যুদ্ধাপরাধী।

এসব যুদ্ধাপরাধীদেরকে প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদ করা হতো। অনেকের ছিন্ন মস্তক এনে নবীর পায়ের কাছে নিবেদন করা হতো। এদের পরিবার-পরিজনদের মধ্যে নারী ও শিশুকে বিক্রি করে দেয়া হতো। যুবতী নারীদের ধর্ষণ করা হতো (কখনও সখনও "খণ্ডকালীন বিয়ে" নাম দেয়া হতো, যার মেয়াদ হতো কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক মাস); এদের মালামাল ক্রোক করা হতো। এমনকি এদের বাড়িঘরে আল্লাহর নামে ডাকাতি করার পর আগুন লাগিয়ে দেয়া হতো।

এই হলো আল্লাহর আইন।

অতএব আল্লাহর আইন চাই!

হ্যাঁ, অন্তত একবার হলেও আল্লাহর আইন চাই। সে আইনে বিচার করা হবে জামা'তিসহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের।

বাঙালী একবার হলেও বুঝুক, আল্লাহর আইন কত জঘন্য, কত অমানুষিক, কত নির্মম, কত বর্বর।

একবারই যথেষ্ট হবে।

বাঙালী আর কোনোদিন আল্লাহর আইন চাইবে না।

ইনশাআল্লাহ!

১৯ আগস্ট, ২০১৪

নির্বীর্য ভগবানেশ্বরাল্যারা - ১

আরবি ভাষায় কোরানের বাণী বা আল্যাস্তুতিমূলক বাক্য লিখে রাখলেও বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন হরদম দুর্ঘটনায় প'ড়ে অক্ষম আল্যার নির্বীর্যতাই প্রমাণ করে শুধু। অতএব আল্যা পুরাই আকাইম্মা, এটা প্রমাণিত। 

এখন দেখা যাক গড/জেসাস-এর কী হাল। 




নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ১০১

লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৫০১.
বিদ্যাসাগর হিন্দু পুরুষদের বহুবিবাহ বন্ধ করার জন্য ও হিন্দু বিধবা মেয়েদের পুনঃবিবাহ করার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বহু কষ্টে জীবন বাজি রেখে আইন পাশ করিয়েছিলেন। মেয়েদের পড়াশোনার জন্য অনেকগুলি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলে, এমনকি গ্রামে-গঞ্জেও। 

অপরদিকে কৃষ্ণ নামের এক লোক হিন্দু মেয়েরা গায়ের কাপড়চোপড় খুলে পুকুরে গোসল করতে নামলে তাদের কাপড় লুকিয়ে রেখে গাছের মগডাল থেকে স্নানরত নগ্নপ্রায় মেয়েদের দেখে দেখে তার লাম্পট্য চরিতার্থ করতো। মেয়েরা কাপড় ফেরত চাইলে তার লাম্পট্য আরও কয়েকগুণ বেড়ে যেতো তাতে। সে ফেরত দিতো না কিছুতেই। আজ হিন্দু রমণীরা তাদের সম্ভ্রম হরণকারী কৃষ্ণের পূজা করে। আর যাঁর কারণে তারা আজ শত সতীনের জ্বালা থেকে মুক্ত, যাঁর জন্য তারা বিধবা হবার পরেও চাইলে বিয়ে করতে পারছে, পড়ালেখা করতে পারছে, মানুষের মতো জীবনযাপন করতে পারছে; সেই মহান মানুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে আজ ক'জন হিন্দু রমণী চেনে?

৫০২.
প্রত্যেক পিতামাতাই তাদের সন্তানকে ভালোবাসে। একেকজনের ভালোবাসা একেক রকমের। যেমন, গৌতম তার ছেলেকে ভালোবাসতো মলমূত্রের মতন। তাই সে নিজের ছেলেকে মলমূত্রের মতন ত্যাগ করেছিল। ইব্রাহিম তার ছেলেকে ভালোবাসতো পাঁঠা বা শূকরের মতন। এজন্য সে তার ছেলেকে পাঁঠা বা শূকরের মতন জবাই করতে নিয়েছিল।

৫০৩. 
য়াল্যা যখন মাটি দিয়ে আদমকে বানিয়েছিল তখন আদমের বয়েস যেন কত ছিল? য়াল্যার নিজের বয়েস কত ছিল? তার বর্তমান বয়েস কত?

৫০৪.
খাদিজা বিবি নবীজিকে ডাকলেন, কইরে মুহাম্মদ ভাতিজা? নবীজি জবাব দিলেন, এইতো আইতাছি ফুপুআম্মা খাদিজা।

৫০৫.
সিজিওফ্রেনিয়ার রোগীরা নাকি পশুপাখিদের কথাবার্তা বুঝতে পারে ব'লে দাবী ক'রে থাকে। অনেক পয়গম্বর অবতার দাবি করেছিল, তারা পশুপাখিদের কথাবার্তা বুঝতে পারে এবং তাদের সাথে কথোপকথনও চালিয়ে থাকে। তারা কি এই রোগে আক্রান্ত ছিল? আমার মনে হয়, তারা কেউ সিজিওফ্রেনিয়ার রোগী ছিল না। ছিল প্রচণ্ড রকমের মিথ্যুক ভণ্ড প্রতারক। নিজেদেরকে প্রেরিত পুরুষ প্রমাণিত করার জন্য তারা মানুষকে ওসব রূপকথার গল্প শোনাত। তাদেরকে পশুপাখিদের সাথে কথোপকথনরত অবস্থায় কোনো মানুষ কিন্তু দেখেনি কোনোদিন।

দ্বীনবানের দীন বাণী - ০৪


কাসুন্দিমন্থন - ৩২

১. আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ – ০৫

প্রমাণ ২১.
আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসেন, অথচ তুমি তাঁকে বিশ্বাস করো না তুমি হৃদয়হীন বলে। অতএব দেখতেই পাচ্ছো, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ২২.
ওই দ্যাখো, মসজিদের মেঝেয় বসে কয়েকজন মুসল্লি অবিরাম জিকির করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছে। আল্লাহ না থাকলে ওভাবে কেউ জিকির করতে পারতো? এর থেকেই প্রমাণিত হয়, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ২৩.
তোমার মতো নাস্তিকেরা কীভাবে দোজখের আগুনে পুড়বে, তা আল্লাহ আমাকে দেখতে দেবে ভেবেই আমার আনন্দ হচ্ছে। আল্লাহ না থাকলে এই আনন্দ আমার হতো? সুতরাং স্পষ্ট প্রতীয়মান যে, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ২৪.
আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। তুমি কি সর্বত্র ঘুরে দেখেছো যে, আল্লাহ নেই? তাই তোমাকে স্বীকার করতেই হবে, আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

প্রমাণ ২৫.
কোরান সত্য। এর অর্থ - কোরানে উল্লেখিত সবকিছুই প্রকৃত ঐতিহাসিক ঘটনা। আর কোরানে তো আল্লাহর অস্তিত্বের কথা বলা আছেই। অর্থাৎ আল্লাহর অস্তিত্ব আছে।

(বিদেশী রচনার ছায়া অবলম্বনে)

প্রথম প্রকাশ: ০৮.০৫. ২০১০

২. সৃষ্টিবাদের গুষ্টি বাদ

সৃষ্টিবাদ (creationism) বিষয়ে রিচার্ড ডকিন্সের স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট এই বক্তব্যের শেষে তিনি যুক্তি গ্রহণে অনিচ্ছুক মস্তিষ্ককে তিনি বলেছিলেন a disgrace to the human species.


ভিডিও লিংক: http://youtu.be/bDkmY-97B6I

প্রথম প্রকাশ: ১০.০৫. ২০১০


হা-হা-হাদিস – ৯৯

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ২৬

লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৭৬.
কতটা খারাপ হলে কেউ নাস্তিক হয়?
যতটা খারাপ হলে কেউ বর্ণবৈষম্য, লিঙ্গবৈষম্য, শ্রেণীবৈষম্য অস্বীকার করে।

৭৭.
মুসলিমরা কখনোই গণতন্ত্রপ্রেমী নয়। সারা বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশগুলোতেই গণতন্ত্র নেই। যে কয়েকটিতে আছে, তাও নড়বড়ে। বাঙালি ছাগু এবং ছাগমুসলিমরাও গণতন্ত্র পছন্দ করে না। এদের পছন্দের নেতা সাদ্দাম, গাদ্দাফি, মাহাথির মুহাম্মদের মতো একনায়কগণ। এরা সবসময় বাংলাদেশে এরকম একজন একনায়কের শাসন কামনা করে।

তবে বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গে এরা তাৎক্ষণিক পল্টি দিয়ে গণতন্ত্রকামী হয়ে যায়; গণতন্ত্রের জন্য এদের চোখে কুমিরের অশ্রু ঝরে; ১৫ অগাস্টের হত্যাকাণ্ডকে এরা একনায়কের হাত থেকে গণতন্ত্রের মুক্তি বলে দাবি করে।

৭৮.
ইসলাম ধর্মে সঙ্গীত হারাম, নৃত্য হারাম, চিত্রকলা হারাম। সিংহভাগ মুসলিমই এসব থেকে দূরে থাকে।

তবে পর্ণো, চটি এসব হারাম হলেও এসবে আসক্তিতে মুসলিমরাই শীর্ষে।

মানুষকে শিল্প, সংস্কৃতি, সাহিত্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখলে তাদের রুচি অশ্লীলতার দিকেই ধাবিত হয়। আল্লাহ, জাহান্নাম, হারাম কোনো কিছুর দোহাই দিয়ে সরানো যায় না।

১৮ আগস্ট, ২০১৪

টোপ ও বোকা মাছগুলো


ইসলাম এবং পশু-ছহবত

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

বিষয়টা নিয়ে স্পষ্ট দুইটা হাদিস আছে। আর একাধিক থাকা মানেই ইসলামের সেই বিখ্যাত পরস্পরবিরোধিতা। দেখা যাক: 

দাউদ , বই -৩৮, হাদিস নং-৪৪৪৯
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণিত - নবি বললেন , যে কেউ কোন পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করবে তাকে ও সেই পশুকে হত্যা কর। আমি বললাম , আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম , পশুর প্রতি কি অপরাধ আরোপিত হবে ? তিনি উত্তর দিলেন - আমি মনে করি , নবী সেই পশুর মাংস খাওয়ার ব্যাপারে নিষেধ করেছিলেন।
তার মানে কেউ পশুর সাথে সেক্স করলে সেই লোক এবং পশুকে হত্যা করতে হবে, এবং সেই পশুর মাংস খাওয়া যাবে না।

ঠিক পরের হাদিসেই আবার ডিগবাজি:

দাউদ , বই -৩৮, হাদিস নং-৪৪৫০
আব্দুল্লা ইবনে আব্বাস বর্ণিত - পশুদের সাথে কেউ যৌন সঙ্গম করলে তার জন্য কোন নির্ধারিত শাস্তি নেই।
শাস্তি নাই মানে পশু সেক্স নিষিদ্ধ না।

ইসলামে এরকম ব্যাপার, মানে কোনো কিছুতে স্ববিরোধিতা থাকলেই তখন দরকার হয় মোল্লাদের ফতোয়া। এইখানে ফতোয়া নিয়া আগাই আইছিলেন মোল্লা খোমেনি। তিনি ফরমাইছিলেন:
মুসলমানরা গরু-ছাগল হাঁস-মুরগি কেঁচো-অজগর গোলাপি-লইট্টা-ফিস বাঘ-ভাল্লুক উট-ভেড়া ইত্যাদি পশুপক্ষীর সাথে ছহবত করতেই পারে। [তয় ঘরের মধ্যে কুত্তা ঢোকা কেন নিষিদ্ধ এবং কুত্তা দেখলেই কেন মাইরের উপর রাখতে বলা হইছে, সেই ব্যাপারটা অন্ধকার, ঠিক যেমন অন্ধকারে রাখা হইছে নবীর জন্মের পর থেকে আবার তাকে কাছে পাওয়ার আগের কয়েকটা বছর নবীর আম্মাজানের গতিবিধি।] তবে কাম শেষ হইলে উক্ত পশুপক্ষীটারে হত্যা করতে হবে। আর তার মাংস নিজ গ্রামবাসীদের কাছে বিক্রি করা যাবে না, তবে পাশের গ্রামে বিক্রি করলে সমস্যা নাই। 
(সূত্র)
এইবার "এসো নিজে করি" পর্ব।

ইন্টারেস্টিং মনে হইলে "US ARMY Camera Catches Afghans gang banging a goat" দিয়ে গুগল করতে পারেন।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১১২



আমাদের আত্মীয়েরা – ৭২

'কোকো' নামের এক মেয়ে-গরিলা ২০০০ ইংরেজি শব্দ এবং আমেরিকান সাইন ল্যাংগোয়েজ-এর ১০০০ টি সাইন বুঝতে পারে বলে দাবি করা হয়। নিচের ছোট্ট ভিডিওটি দেখে এই দাবি বিশ্বাসযোগ্য বলেই মনে হয়। 

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/SNuZ4OE6vCk

কোকোকে নিয়ে ১৯৭৮ সালে বানানো একটি ডকুমেন্টারি ছাড়াও অজস্র ছোট ছোট ভিডিও আছে ইউটিউবে। দেখতে শুরু করলে নেশা ধরে যায়।

প্রয়াত অভিনেতা রবিন উইলিয়াস একবার দেখা করেছিলেন কোকোর সঙ্গে। তাঁদের সাক্ষাতের ভিডিওটি দেখে আমি মুগ্ধ ও আবেগাপ্লুত হয়েছি। লিংক পাঠিয়েছেন সুনন্দ পাত্র

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/GorgFtCqPEs

চিন্তা-প্রতিচিন্তা - ০৮

লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

২২.
আমাগো দেশের মুমিনেরা চান্দা তুইলা মুফতি মাওলানা ডাইকা ওয়াজ করাইয়া ধর্ম সম্পর্কে হালকা পাতলা জ্ঞান নেয়।

কিন্তু হাতের কাছে থাকা বাংলা কুরান খুইলা এরা ধর্ম সম্পর্কে পুরা জ্ঞান নিতে চায় না।

এর কারণ কী, মুমিন?

২৩.
আর আমরা তো অবশ্যই কুরানকে উপদেশ গ্রহনের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
(সূরা কামার - ১৭, ২২, ৩২, ৪০)

যেখানে আল্লায় নিজেই এক সূরায় ৪ বার কইছে, সে কুরানরে সহজবোধ্য কইরা দিছে আমাগো বোঝার জইন্যে, সেইখানে তাফসিরকারকেরা কেমনে সাহস পাইলো আল্লার কথার অবাধ্য হইয়া তাফসিরে কুরানের ব্যাখ্যা দেয়ার? আর আল্লায় কি কোরানের এক জাগাতেও কইছে, কোরান বুঝতে তাফসির আর হাদিস লাগবে? তারা কি তাফসির আর হাদিস বানায়া কুরানেরে মিথ্যা বানাইলো না?

২৪.
বেশির ভাগ আস্তিকে আমাকে একটা প্রশ্ন করে থাকে, যে প্রশ্ন টা হয়তো আপনাদেরও অনেক শুনতে হয়েছে: "মানুষ কি একটা মানুষ বানাতে পারে?" বা "বিজ্ঞানীরা কি মানুষ তৈরি করতে পারে?"

উত্তর: আচ্ছা, মানুষ তাইলে কারা বানায়? আমি তো জানি, মানুষেই মানুষ বানায়।

মাঝে মাঝে এইসব প্রশ্ন শুনলে মনে হয়, শুধু মানুষ খালি মানুষই বানায় না, ছাগলও বানায়। আর সেই ছাগলগুলাই এইসব ছাগ্লামি প্রশ্ন করে।

একটি তালিকা ও নুনুর সাইজ



১৭ আগস্ট, ২০১৪

আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ১৩

হুমায়ুন আজাদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৫৯.
তিনি (ঈশ্বর) কেনো শুধু এক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেন? তিনি কেনো একজনের কাছে বাণী পাঠান? তিনি কেনো শুধু প্রাচীন কালেই দেখা দিতেন? কেনো তিনি দেখা দিচ্ছেন না আধুনিক কালে? আধুনিক কাল নিয়ে তাঁর বা তাঁদের কোনো উদ্বেগ নেই? কেনো তিনি একদলকে গরু খেতে নিষেধ করেন, আরেক দলকে খেতে বলেন; কেনো তিনি তিনি একদলের জন্যে নিষিদ্ধ করেন মদ্য, এবং সিদ্ধ করেন আরেক দলের জন্যে? কেনো তিনি সর্বশক্তিমান হয়েও শক্তির প্রকাশ ঘটান না? তাঁর ক্রিয়াকলাপ কেনো এতো বিস্ময়কর, অস্বাভাবিক, এবং সম্পূর্ণরূপে অবিশ্বাস্য?

৬০.
কোনো পরম সত্তা যদি থাকতেন, এবং যদি তিনি পৃথিবীতে ধর্মের প্রয়োজন বোধ করতেন (সম্ভবত বোধ করতেন না, তুচ্ছ মানুষের তুচ্ছতর স্তব তাঁর ভালো লাগতো না), তাহলে একটি ধর্মই পাঠাতেন তিনি।

৬১.
ধর্মগুলো বাতিল করে দেয় একটি অন্যটিকে; একই সময়ে সবগুলো ধর্ম সত্য হ'তে পারে না।

৬২.
বিভিন্ন প্রতিযোগী তত্ত্বের মধ্যে মাত্র একটিই ঠিক হ'তে পারে, বা ভুল হতে পারে সবগুলোই। ধর্মগুলোর বিশ্বসৃষ্টি, মানবসমাজ ও মানুষের পরিণতি সম্পর্কে প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রতিযোগী তত্ত্ব পরস্পরবিরোধী ও ভুল। এজন্যেই বহু সরল প্রশ্নের উত্তর এগুলো দিতে পারে না; সাধারণত নিষেধ করে প্রশ্ন করতে। এগুলো কথা বলে এমনভাবে, যা প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা যায় না। যা প্রমাণ ও অপ্রমাণ করা যায় না, তা অবৈজ্ঞানিক।

নাস্তিক্যবাদের প্রথম পাঠ


সচিত্র শ্রীকৃষ্ণ লীলা (১৮ +)

"শ্রীকৃষ্ণ লীলা কীর্তন" থেকে সংগ্রহ করেছেন নিলয় নীল


স্নান করিতে রাধা কলস তুলিয়া,
যমুনার কূলে যায় হেলিয়া দুলিয়া,
কোলেতে কলসখানা ধরিয়া রাখে,
কানু দেখে চুপেচুপে বসিয়া শাখে।

কলস রাখিয়া রাধা জলে নামিল,
শাড়িখানা টানিয়া হাঁটুত তুলিল,
ছলাৎ ছলাৎ করি চরণ দুটি দিয়া,
জলেত তুলিল ঢেউ ঘোলা করিয়া।

জলেতে নামি রাধা এদিক ওদিক চায়,
তারপর ডুব দিল ভরা যমুনায়,
ভিজাইল সারা তনু করিল স্নান,
যমুনারে দিল রাধা সর্বাঙ্গ দান।

ইহার মাঝে কানু আসি লুকাইয়া,
ঘাটেতে আসি নিল কাপড় তুলিয়া,
অতঃপর উঠি পড়ি গাছের শাখে,
রাধা না জানিল তাহা দেখেনি আঁখে।

ঘাটেতে আসি রাধা ভেজা শাড়িত,
কাপড় না পাই খুঁজি হইল চকিত,
কি করিবে তাহা বুঝিয়া না পায়,
কলসি লইয়া শেষে যমুনায় যায়।


কানু বসি দেখে রাধার সিক্ত যৈবন,
লেপ্টিয়া রয় তব সর্বাঙ্গ মোটন,
উপুর হইয়া রাধা কলসে ভরে জল,
যৈবন পড়িল উথলি কাঁপাইয়া ভূতল।

ভেজা শাড়িত সিক্ত যৈবন দেখিয়া,
কানাই না পারে গাছেত থাকিয়া,
ভেজা অঙ্গে রাধা হেলিয়া দুলিয়া,
কলসি কাঁখে যায় বাটীত চলিয়া।

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫৫



ডারউইনের বুলডগ

লিখেছেন অ্যাডমিনযুক্তি

চার্লস ডারউইনের সুহৃদ টমাহ হেনরি হাক্সলি। যাকে অনেকে একসময় ঠাট্টা করে ডারউইনের বুলডগ বলে সম্বোধন করতো। কারণ ডারউইনের সময়কালে বিবর্তনকে জনপ্রিয় করতে এবং মানুষের জনচেতনায় বিবর্তনকে নিয়ে আসতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন টি এইচ হাক্সলি।

লোকমুখে শোনা যায় যে ডা্রউইনের 'অরিজিন অব স্পিসিজ' বইটি প্রকাশের পরের বছর, ১৮৬০ ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে একটি জমজমাট বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। একে বর্তমানে 'অক্সফোর্ড বিতর্ক' বলে থাকেন অনেকে। ডারউইনের দাওয়াত থাকলেও তিনি এই বিতর্কে অংশ নেননি। ডারউইনের বদলে হাজির হন টমাস হাক্সলি। আর বিপরীত পক্ষে উপস্থিত হন চার্চ অব ইংল্যান্ডের বিশপ স্যামুয়েল উইলবারফোর্স। বিতর্ক চলাকালীন উইলবারফোর্স হাক্সলিকে কুপোকাত করার জন্য নানাভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন। তিনি ডারউইনের বিবর্তনীয় অনুসিদ্ধান্ত সমর্থন করার কারণে হাক্সলিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছিলেন। স্ল্যাং করে বলেছিলেন, হাক্সলির মা না বাবা কোন পক্ষের লোকজন বানর থেকে উদ্ভূত হয়েছে, জানতে পারি কি?

জবাবে হাক্সলি খুবই ঠাণ্ডা স্বরে বলেছিলেন:
He was not ashamed to have a monkey for his ancestor; but he would be ashamed to be connected with a man who used great gifts to obscure the truth.
বাংলায় সুন্দর করে বললে এর মানে দাঁড়ায়:
যে ব্যক্তি তার মেধা, বুদ্ধিবৃত্তিক অর্জন ও বাগ্নিতাকে অন্ধ কুসংস্কার ও মিথ্যার পদতলে বলি দিয়ে বৌদ্ধিক বেশ্যাবৃত্তি করে, তার উত্তরসূরী না হয়ে আমি বরং সেইসব নিরীহ প্রাণীদের উত্তরসূরী হতে চাইবো, যারা গাছে গাছে বাস করে, যারা কিচিরমিচির করে ডাল থেকে ডালে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ায়।
হাক্সলির বক্তব্যে সাথে সাথে গোটা হলরুম জুড়ে হৈচৈ শুরু হয়ে যায়। চিৎকার আর চেঁচামেচিতে ভরে যায়। একজন মহিলা এ সময় চিৎকার করে বলে ওঠেন, "হায় ঈশ্বর! দয়া কর প্রভু! ডারউইনের বক্তব্য (মানুষের উৎপক্তি সংক্রান্ত) যেন মিথ্যা প্রমাণিত হয়! আর যদি কখনো সত্যি হয়, তবে দয়া করে এমন ব্যবস্থা করো, মানুষ যেন এই তথ্য কখনো জানতে না পারে!"

আজকের যুগে এসে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, সেই নাম না-জানা ভদ্রমহিলার প্রার্থনা ঈশ্বর শোনেননি! ঈশ্বর অনেক নিষ্ঠুর! তিনি তার ভক্তদের প্রার্থনাও শুনতে পান না বা রাখতে পারেন না। মনে হয়, তার সেই ক্ষমতা আজ আর নেই। তথাপি বলতে পারি, অনেক চেষ্টা হয়েছিল, অনেক চোখ রাঙানো হয়েছিল, অনেক বিকৃতি ঘটানো চেষ্টা হয়েছে জীববিবর্তনকে নিয়ে। কিন্তু ডারউইনীয় বিবর্তন তত্ত্বকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। এটা এখন সূর্যের আলোর মতোই দীপ্তোজ্জ্বল বিজ্ঞানের প্রমাণিত তত্ত্ব।

এক হাতে মোর কোরান শরীফ, আর হাতে ... - ১

কবি নজরুল লিখেছিলেন: "এক হাতে মোর বিষের বাঁশরী / আর হাতে রণতূর্য।" কী ভেবে তিনি তা লিখেছিলেন, আমার জানা নেই, তবে কেন অনেক মুসলমানের এক হাতে থাকে কোরান, আরেক হাতে অস্ত্র (যেন একটি অপরটির পরিপূরক), সেটি বেশ বুঝতে পারি। 

কোরানে যতো সহিংস, উস্কানিমূলক ও জঙ্গিবাদী আয়াত আছে (একটি পুরনো তবে খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত), তাতে কোরানের পাশে অস্ত্রের সহাবস্থান একেবারেই বেমানান তো নয়ই, বরং বলা চলে: কোরান ও অস্ত্র - মানিকজোড়, মেইড ফর ইচ আদার, এক দুজেকে লিয়ে...






(চলবে)