৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

হা-হা-হাদিস – ১০২

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

আহারে আবু লাহাব!

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

আল্লাহপাক পবিত্র কুরানে আবু লাহাবকে “সূরা লাহাব”-এ কি ই না মন্দ ভাষায় গালিগালাজ কারাসেন। অতসো, এই লাহাবই নিকি আনন্দে আত্মহারা হই আমাগের প্রানের সেয়ে প্রিয় নবীজির জন্ম সংবাদ ফাওয়ার পর একজন কৃতদাসীকে মুক্তি দিয়ে দিয়েসিলো। ঐ কৃতদাসী ‘সুয়াইবা’ কি এমুন কাজ কারাসে যে তাকে মুক্ত করি দিতে হল! সে ত শুদু ভাতিজা মোহাম্মদের জন্মের সংবাদ কাকা লাহাবের কাসে পৌঁছাইল।

কত বড় হৃদয়ের মানুষ আবু লাহাব যে, সাম্রাজ্য অধিফতির মতন সুখবর বহনকারী একজন সংবাদবাহিকাকে মুক্ত করি দেয় !

আর আল্লাহ কিনা নবীজির ভালোবাসার শ্রদ্ধার কাকা’-কে পবিত্র কুরানে গালিগালাজ করে, অবমাননা করে!
আরে নবীজির কাকা’কে অবমাননা মানে ত নবীজিকে অবমাননা। নাকি?

দাসী ‘সুয়াইবা’ কিন্তুক নবীজির সংবাদ বহন করি ক্ষান্ত হয় নাই। সুয়াইবা এক সপ্তাহ দুগ্ধ পান করিয়েসিলো শিশু মোহাম্মদ’কে!

আর আমরা জানি নবীজির দুগ্ধ মাতা ‘হালিমা'।

কেবল ‘সুয়াইবা’ এবং ‘হালিমা’ যে শিশু মোহাম্মদকে দুগ্ধ পান করিয়েসে তা অ ত না।

যে অমুসলিমদের সাথে আল্লাহ বলেসেন বন্ধুত্ব না করতে, সে অমুসলিম খেশটান মেয়ে ‘আইমান’ ই ত সিলো নবীজির সর্ব প্রথম ‘দুধমা’; খৃস্টান তরুনী ‘আইমান’ নবীজিকে গর্ভে ধারন করেন নাই ঠিক, কিন্তুক মাতৃস্নেহে দুগ্ধ ত পান করিয়েসেন। আর সব কিসুর নিয়ন্ত্রণকর্তা আল্লাহ্‌ নিকি এই ‘মা’কে বিবাহ দিয়েসেন নবীজির পূত্র যায়েদের সাথে। অর্থাৎ শিশু মোহাম্মদ যে মহিলার দুগ্ধ পান করেসে, সে মহিলাকে বিয়ে দেয়া হয় পরিণত নবী মোহাম্মদ এর পালক পূত্রের সাথে! 

তাহলে এটা কবে হইসিলো? নবীজি ‘যায়েদ’কে যখন দত্তক নিলেন, তখন ত নবীজির বয়স অনেক। আর ঐ বয়সে সে তরুণীটির বয়স কততে গিয়া পৌঁছাইল, যে তরুণীটি একদা শিশু নবীকে দুধ খাওয়েসিলো?

খৃস্টান তরুনী ‘আইমান’ এর পর ‘থুয়াইবা’ শিশু মোহাম্মদ এর দুগ্ধমাতা হন এবং থুয়াইবার পর নবীজির দুগ্ধ মাতা দন ‘হালিমা’।

এ কি অবিসার! আমরা দুগ্ধ মাতা হিসাবে শুদু হালিমার নাম নিই, কিন্তুক পূর্বের দু'জনের নামই লই না !আবার এক সপ্তাহ টেম্পরারিলি দুগ্ধ পান করানো দাসী ‘সুয়াইবা’র অবদানও আমরা ভুলি গেসি!

হায় রে আমরা এমনই গাফেল !

আল্লাহপাকের কান্ড দেখো তমরা। উনি কি কারাসেন! নবীজি যাকে ‘কাকা’ বলি ডাকতেন, সে কাক্কু আবু লাহাবকে নবীজির ‘বেয়াই’ বানিয়ে দিয়েসেন আল্লাহপাক! হাঁ, তো বলছি কি! কাকা আবু লাহাবের দুই পূত্র ‘উৎবা’ ও ‘উতাইবা’র সাথে নবীজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় কন্যা রুকাইয়া ও কুলসুম এর বিয়ে হয়। আর কে না জানে, ফেয়সালা ত হয় আসমানে, জমিনে না।

সব কিসুর নিয়ন্ত্রণ কর্তা আল্লাহ্‌ কেনো চাচা ভাতিজাকে ‘বেয়াই’ বানাবেন! কেনো দুগ্ধমা হিসাবে হালিমা ছাড়া বাকিরা স্বীকৃতি ফাবে না! কেন কেন কেন!

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

মোহাকালী

বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম


নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ১০৪

লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৫১৬.
ময়লা ফেলার বস্তা ও মমিনাদের বন্দী করার বস্তার ডিজাইনার কি একই ব্যক্তি?

৫১৭.
হিন্দুদের এক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ষোল হাজার শয্যাসঙ্গিনী ছিল। আর মুছলমানদের রছুল মহাবদ নবীর মাত্র চৌদ্দখানা বিবি ও অগণিত দাসী ও গনিমত ছিল। সব মিলিয়ে কয়েক শত হতে পারে বড় জোর। স্রষ্টার এ কেমন পক্ষপাতমূলক অবিচার? এক ধর্মপ্রধানের জন্য ষোল হাজার শয্যারমণী, আরেক ধর্মপ্রধানের জন্য সর্বসাকুল্যে এক হাজারও নয়?

৫১‌৮.
য়াল্যা ছূরা ফাতেহার চার নাম্বার আয়াতে বলেছেন, আমরা তোমারই ইবাদত করি ও তোমারই সাহায্য প্রার্থী।
- আল্যা কি নিজেই নিজের ইবাদত করেন? এবং নিজেই নিজের সাহায্য প্রার্থনা করেন?

৫১৯.
হিন্দু নারীরা বিয়ের পরে তাদের সিঁথিতে সিঁদুর পরে, হাতে শাঁখা পরে। এটা হচ্ছে তাদের বিবাহের চিহ্ন। তাদেরকে দেখলেই যেন লোকে বুঝতে পারে তারা বিবাহিত। কিন্তু কোনো হিন্দু বিবাহিত পুরুষকে কখনও সিঁথিতে সিঁদুর বা হাতে শাঁখা পরতে বা বিবাহের অন্য কোনো চিহ্ন ধারণ বা বহন করতে দেখিনি। বিয়ে হয় দু'জন মানুষের মধ্যে। তাদের একজনকে যদি বিবাহ ও বিবাহিতের চিহ্ন ধারণ ও বহন করতে হয়, অপরজনকে কেন তবে নয়? চিহ্ন ধারণ ও বহন করতে হলে দু'জনেরই করা উচিত। অথবা না করলে একজনেরও না। নাকি হিন্দু পুরুষদিগের বিবাহ হইলেও তাহারা হয় না বিবাহিত?

৫২০.
আবদুল্লাহ নবীজির বেহাই (জামাতা আলির জ্যেঠা, সেই সূত্রে)। 
আমিনা নবীজির বেহান (জামাতা আলির জ্যেঠি, সেই সূত্রে)।

এক হাতে মোর কোরান শরীফ, আর হাতে ... - ৩

কবি নজরুল লিখেছিলেন: "এক হাতে মোর বিষের বাঁশরী / আর হাতে রণতূর্য।" কী ভেবে তিনি তা লিখেছিলেন, আমার জানা নেই, তবে কেন অনেক মুসলমানের এক হাতে থাকে কোরান, আরেক হাতে অস্ত্র (যেন একটি অপরটির পরিপূরক), সেটি বেশ বুঝতে পারি। 

কোরানে যতো সহিংস, উস্কানিমূলক ও জঙ্গিবাদী আয়াত আছে (একটি পুরনো তবে খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত), তাতে কোরানের পাশে অস্ত্রের সহাবস্থান একেবারেই বেমানান তো নয়ই, বরং বলা চলে: কোরান ও অস্ত্র - মানিকজোড়, মেইড ফর ইচ আদার, এক দুজেকে লিয়ে...

পর্ব ১ > পর্ব ২






বিকল্পহীন ইসলাম?

লিখেছেন Secular Friday

ইদানীং অনেককেই বলতে শোনা যায়, ইসলামের কোনো বিকল্প নেই। 

তাঁদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই যে, "ইসলামের বিকল্প" কথাটাই আসলে হাস্যকর, ইসলামের জন্যও অবমাননার। 

বিকল্পটা কোন ক্ষেত্রের জন্য খোঁজা হচ্ছে? ইহজাগতিক না পারলৌকিক?

ইহজাগতিক এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে ইসলামপন্থীরা অদক্ষ হাতে আধখেঁচড়াভাবে নাক গলায়নি। কিন্তু সক্রিয় কোনো সমাধান দিতে সক্ষম হয়নি। খিলাফতের রক্তাক্ত ইতিহাস থেকে শুরু করে আধুনিক বিশ্বে ইসলামের আলোকে রাষ্ট্র চালানোর ধারণাটি ব্যর্থ হয়েছে বলেই আজ ৬৫ টি মুসলিম দেশের কোথাও মানুষ শান্তিতে নেই। শান্তিতে নেই ওআইসি ভুক্ত দেশগুলোও। ১৯টি মুসলিম দেশ পৃথিবীর সবচাইতে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে পড়ে আছে।

রাষ্ট্রের প্রকৃতি নির্ধারণের চেষ্টায় তার মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলো: যেমন এর আইনী ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও নির্বাহী ব্যবস্থাকে স্বীয় সংকীর্ণ স্বার্থে ব্যবহার করে ইসলামপন্থীরা তৈরি করেছে অমানবিক, বর্বর সব আইন; বৈধতা দিয়েছে সম্পদের অসম বণ্টনকে; ন্যায্যতা দিয়েছে অগণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে। আবার সেই অগণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য আশ্রয় নিচ্ছে জিহাদের নামে বিশ্বব্যাপী সহিংসতার।

পারলৌকিক ক্ষেত্রটি চিরকাল ছেলেভুলানো রূপকথার জগৎ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে। ইসলামসহ অন্য সকল ধর্মকে ব্যবহার করে ধর্মজীবী ব্যবসায়ীরা জন্ম দিয়েছে ধর্মীয় অন্ধত্বের, জাতিকে আচ্ছন্ন করেছে কুসংস্কারের বৃত্তে। ধর্মাচারকে করে তুলেছে প্রগতির প্রতিবন্ধকতার সমার্থক।

কোনো মতাদর্শ নয়, বরং অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন ও শক্তিশালীভাবে গড়ে তুলতে পারাটাই মুখ্য। রাষ্ট্রের প্রয়োজন কল্যাণকামী হয়ে ওঠা। তার নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। প্রয়োজন জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, শারীরিক সক্ষমতা, আর্থ-সামাজিক অবস্থান ও রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনভাবে একজন নাগরিককে কেবলমাত্র একজন নাগরিক হিসেবে দেখতে পারার সক্ষমতা অর্জন করা। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একই আইনী কাঠামো ও অধিকার নিশ্চিত করা।

একই সাথে প্রয়োজন হল সর্বোচ্চ দ্রুততার সাথে শিক্ষাক্রমকে আধুনিক করে তোলার মাধ্যমে একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতিতে পরিণত হওয়া, মানবিক আচরণগুলোর চর্চাকে উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে মানুষ হয়ে গড়ে ওঠা।

বদ্ধমস্তিষ্ক জ্ঞানবিমুখেরা



১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ২৮

লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৮২.
- আপনি শুধু আমার ধর্মের বিরুদ্ধে বলেন কেন? আরো তো ধর্ম আছে; সেসবের বিরুদ্ধেও বলেন।
- কেন, অন্য ধর্মের সমালোচনা করলে কি আপনার ধর্মের সমালোচনাগুলো মেনে নেবেন?

৮৩.
নাতনীর বয়সী মেয়ের প্রতি কামভাব থাকা সুন্নত...

৮৪.
অফিসে তিনজন মোল্লা আসলো ব্যবসায়িক কাজে। তৎক্ষণাৎ অফিসের একমাত্র নারী কলিগ ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে ফেললেন। উল্লেখ্য, কলিগ নিয়মিত নামাজ পড়লেও অন্য সময় আমাদের বা ক্লায়েন্টদের সামনে কখনো ওড়না ওঠাননি। এই প্রথম তাকে এই কাজ করতে দেখলাম।

ধার্মিকদের যুক্তি - ওড়না পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে নিরাপত্তা দেয়। তাহলে কি কলিগ প্রবল ধর্মাচারী মোল্লাদের দৃষ্টির সামনে অনিরাপদ বোধ করছিলেন?

যিশুশিক্ষা


বাইবেলে উল্লেখিত একটি কাহিনীর অংশ থেকে উদ্ধৃত করা এই বাক্যটি ছাড়াও পুরো কাহিনীই চটিবান্ধব। বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে বেশ চতুরতার সঙ্গে, যথাসাধ্য মোলায়েম করে। যেমন, ইংরেজি lust শব্দের অনুবাদ করা হয়েছে 'কলুষিত করা/হওয়া' বা 'মিথ্যা প্রেম'। 

আরও কিছু বাক্য: 
তারা মিশরে যৌবন কালেই বেশ্যা হয়ে উঠল। মিশরেই প্রথম তারা প্রেম করল ও পুরুষদের দিয়ে তাদের চুচুক টেপাত ও স্তন ধরতে দিত।...
মিশরেই ছিল সেই প্রথম প্রেমিক যে তার যৌবনের স্তন স্পর্শ করেছিল। মিশর তার প্রতি তার মিথ্যা প্রেম ঢেলে দিয়েছিল (poured out their lust on her)।...
তুমি তোমার যৌবন কালের স্বপ্ন দেখলে, যে সময় তোমার প্রেমিকরা তোমার স্তনের বোঁটা স্পর্শ করত ও যৌবনের স্তন ধরত।...
তারপর সেই পাত্র ছুঁড়ে ফেলে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করবে আর কষ্টে তোমার স্তন ছিঁড়ে ফেলবে।
এই হচ্ছে ঐশী কিতাব! পুরো কাহিনী পড়তে আগ্রহীরা এখানে টিপুন... থুক্কু, ক্লিক করুন। ইংরেজি ভার্শন

জিহাদ যখন সেক্সি

লিখেছেন নিলয় নীল

একবারও কি ভেবেছেন, যারা জিহাদি তারাও মানুষ, তাদেরও নুনুভুতি আছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য তারা তাদের পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে কোনো না কোনো ইসলামিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠায় অনবরত কাজ করে যায়। অতীতে সাধু-সন্ন্যাসীরা নারীসঙ্গ বর্জন করে জঙ্গলে ঈশ্বরসাধনা করলেও তাদের সুযোগ ছিলো হস্তের দ্বারস্থ হয়ে রেতঃপাত করার। কিন্তু ইসলামে হস্তের দ্বারস্থ হওয়াও মারাত্মক গুনাহ, একজন প্রকৃত মুসলমান কখনোই হস্তের দ্বারস্থ হতে পারে না। তাহলে আল কায়দা, আইএস এর জিহাদি যারা বছরের পর বছর সব কিছু ছেড়ে জিহাদে থাকে, তাদের নুনুভুতির কী হবে? 

সম্প্রতি এর সমাধান নিয়ে এসেছেন এক ওয়াহাবি মৌলবী। ইসলামে ইহাকে বলে জিহাদ আল নিকাহ যার বাংলা অর্থ বৈবাহিক জিহাদ। নাস্তিকেরা সমালোচনা করে বলে, যৌন জিহাদ। জিহাদ আল নিকাহ অনুযায়ী যেসব জিহাদি জিহাদ করবে, জিহাদের মাঠে তাদের যৌনচাহিদা মেটাবে একদল নারী জিহাদি। তবে এক্ষেত্রেও বিবাহ করতে হবে, কারণ ইসলাম কখনোই বিবাহ-বহির্ভূত যৌনতা স্বীকার করে না। 


সম্প্রতি ৩ জন সুন্নি মুসলমান নারী মালয়েশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে গেছে আইএস যোদ্ধাদের যৌনতৃপ্তি দিতে। গত জুন মাসে এই জিহাদ আল নিকার ডাক দেওয়া হয়েছিল আইএস-এর তরফ থেকে। খবরটা মালয়েশিয়ার ইনসাইডার নিউজ পোর্টালের। তারা আবার খবরটা পায় মালয়েশীয় গুপ্তচর বিভাগের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে। আইএস জঙ্গি গোষ্ঠী মুসলমান পরিবারবর্গের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল, তাদের কুমারী কন্যাদের বৈবাহিক জিহাদের জন্য তাদের কাছে পাঠাতে।

শুধু মালয়েশিয়া থেকেই নয়, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেন থেকেও একাধিক সুন্নি পরিবারের মহিলারা এভাবে মধ্যপ্রাচ্য যাত্রা করেছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশীয় গুপ্তচর বিভাগের কর্মকর্তাটি। ব্রিটেনের যে ৬০০ নাগরিক আইএস যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে, তাদের সকলে ‘ফ্রন্ট লাইনে' নেই: কিছু মুসলমান মহিলা পুরুষ যোদ্ধাদের যৌনসঙ্গ দিচ্ছে বলে কর্মকর্তাটি জানান।

রিজিকের মালিক আল্লাহ


কোরান কুইজ – ৩৮

নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৪৮: বদরের যুদ্ধে নবীকে সাহায্য করেছিল ক'জন ফেরেশতা?

১. তিন হাজার
২. এক হাজার
৩. একজনও না

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১১৫



৩১ আগস্ট, ২০১৪

আবু জাহেলীয় তালিম সমগ্র - ১৬

লিখেছেন আবু জাহেল (Version 2)

৮৬.
রোগ, শোক আর মৃত্যু যন্ত্রণা দিয়ে বান্দার ঈমান পরীক্ষা করা আর কাউকে গুলি করার পর মারা যাওয়ার পূর্বে জিজ্ঞেস করা "তুই কি আমাকে এখনো ভালবাসিস?" একই কথা!

৮৭.
আল্লাহ ওরফে মহাবদ হইলো একটা মিথ্যুক!  সুরা লোকমানে হেতে কইছে কোথায় কখন বৃষ্টি হইবো, মায়ের গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ কী হইবো, হেতে ছাড়া আর কেউ জানে না!  অথচ বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন মানুষ জানে কোথায় কখন বৃষ্টি হবে, এমনকি মানুষ কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঘটাতেও পারছে! ভবিষ্যতে দেখা যাবে মানুষই নির্ধারণ করবে কোথায় কখন বৃষ্টি হবে! আর এখন তো মানুষ জন্মের আগেই জানে সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে! ভবিষ্যতে হয়তো মানুষই তার সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করবে!

কুরআন মিথ্যা - বহু আগেই প্রমাণিত হয়েছে। তবে মুমিনরা তাতে সন্দেহ করতে পারবে না! কারণ কুরআনের শুরুতেই বলা আছে কুরআন এমন একখান কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই! এতএব কুরআন মিথ্যা হওয়া অসম্ভব!

(রেফারেন্স: সুরা লোকমান, আয়াত ৩৪)

৮৮.
কতিপয় মুমিন আমাকে বলে, "আবু জাহেল" মানে মূর্খের পিতা, আর এজন্য আমি নাকি মূর্খের মতো কথা বলি!

মুহাম্মকের সবচেয়ে পেয়ারা দোস্ত ছিল আবু বকর! মানে গরুর আব্বা!! আমি তো অন্তত মানুষের পিতা হতে পেরেছি! কিন্তু তারা তো গরুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ!

৮৯.
ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের পর কতিপয় মুমিন তাদের প্রোফাইল ফটো পরিবর্তন করেছিল, অনেক ফটো আপলোড করেছিল, অনেক মায়াকান্না কেঁদেছিলো!

কিন্তু সিরিয়ায় ৭শ জন হত্যার পরেও কারো কোনো অনুভূতিই দেখতে পেলাম না! মনে হয় কেউ শুনেই নাই!! 

৯০.
পৃথিবীতে যতোদিন ধর্ম বিলীন না হচ্ছে, ততোদিন সংঘাত, রক্তপাত থাকবেই!

নামাজরঙ্গ - ২৯

ইতালির ভেনিসে কোনও মসজিদ নেই। তাই স্থানীয় মুসলিমদের রাস্তায় নামাজ সেরে নেবার অনুমতি দিয়েছে ইতালীয় সরকার।


ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকলেও তার সাথে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের কোনো সম্পর্ক নেই

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

সূরা কামারের ৪টা আয়াত। হুবহু এক। মনে হচ্ছে কোন মাতাল বা পাগলের প্রলাপ, একই কথা বার বার বিড়বিড় করছে।
আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ১৭] 
আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার ৫৪ : ২২] 
আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ৩২]
আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ৪০]
অনেকে তর্কের খাতিরে বলেন, যেসব আয়াত বার বার বলা হয়েছে সেগুলার উপর নাকি বাড়তি জোর দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, আমরা এখানে বাড়তি জোর দিলাম এবং তাতে বুঝলাম, কোরান খুব সহজ সরল ভাবেই নাজিল হয়েছে এবং এসব নিয়ে অযথা না বোঝার বা বাড়তি চিন্তার কিছু নাই।

এই আয়াতের আরেকটা বাংলা অনুবাদ দেখি:
বুঝার ও মনে রাখার জন্য কুর-আনকে আমি অবশ্যই সহজ করেছি (৫১৪৩)। এরপরে এমন কেউ আছ কি যে উপদেশ গ্রহণ করবে ?
[সূরা কামার, ৫৪ : ১৭] 
কোনো সন্দেহ নাই, আল্লায় নিজেই বুঝার ও মনে রাখার জন্য কোরানকে সহজ করে দিয়েছে। এরপর অন্যের কাছ থেকে উপদেশ বা পাঠ নিয়ে এটা আলাদা ভাবে বোঝার কিছু নাই, অর্থাৎ অক্ষর জ্ঞান থাকলে নিজে পড়লেই কোরান বুঝতে পারার কথা।

তারপরও আসেন, এই আয়াতের একটা তাফসির দেখি: 
৫১৪৩) মানুষের জীবন দর্শন ও আধ্যাত্মিক জীবনের এক সুস্পষ্ট চিত্র আল্‌ - কোরাণ। যে জীবন বিধান মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনকে সমৃদ্ধির পথে ইহকালে ও পরকালে শান্তির পথে পরিচালিত করবে, কোরাণে তা সমৃদ্ধ ভাষাতে সহজ সরল ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেন সাধারণ মানুষের তা বোধগম্য হয়। আধ্যাত্মিক শান্তি ও প্রশান্তি লাভের উপায় বর্ণনা করা হয়েছে কোরাণের পাতায় পাতায়। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌র এ এক অসীম করুণা সাধারণ মানুষের জন্য। না হলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পথের দিশা অন্বেষণ করে ফিরতো অন্ধের মত। এর পরেও কোরাণ থেকে পথের দিশা সন্ধান করে না কোন মূর্খ ?
মন্তব্য: আরবীতে কোরাণ পাঠের সাথে সাথে মাতৃভাষাতে কোরাণ পাঠ প্রয়োজন যেনো আল্লাহ্‌র দেয়া পথ নির্দ্দেশকে হৃদয়ের মাঝে বুঝতে পারে ও অনুসরণ করতে পারে।
[এখানে একটা ব্যাপার লক্ষনীয়, কোরানকে যে জীবনবিধান বলা হয়েছে, সেটা আসলে "দর্শন ও আধ্যাত্মিক" জীবনের সুস্পষ্ট চিত্র। এই কথাটা মানতে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো আপত্তি নাই। অর্থাৎ কেউ কোরানকে দর্শন এবং আধ্যাত্মিকভাবে নিলে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এখানের দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা একান্তই ব্যক্তিগত উপলব্ধির বিষয়। অর্থাৎ কোরান বা ধর্ম মানেই ব্যক্তিগত বিষয়। এসবকে আক্ষরিক অর্থে নিয়ে সেই মতে জীবনবিধান সাজালেই সমস্যা। এবং বাস্তবে তাই হচ্ছে। যেমন, কোথাও বলা আছে- জিহাদ করো বা বিধর্মীদের কোতল করো - এটাকে দর্শন বা আধ্যাত্মিক ভাবে না নিয়ে আক্ষরিক অর্থে নিয়ে বিধর্মীদের কোতল করার জন্য তাদের উপর হামলে পড়ছে বলেই দুনিয়ায় ইসলাম আজ অশান্তির ধর্ম।
যা হোক, দর্শনগতভাবে এটা ভিন্ন আলোচনা।]

প্রসঙ্গে আসি। আয়াতে বলা হয়েছে বোঝার এবং মনে রাখার সুবিধার্থে আল্লায় নিজেই কোরান সহজভাবে নাজিল করেছে এবং সেটা বুঝতে অন্য কারো সাহায্য বা উপদেশ নেয়ার দরকার নাই।

এবার দেখি:
আলিফ লাম মীম।
[সূরা বাকারা, ২:১]
আলিফ্‌ লাম্‌ মিম্‌ - এই তিনটি অক্ষর সূরা বাকারা এবং আরও ৩, ২৯, ৩০, ৩১ এবং ৩২ এই সূরাগুলির (মোট সংখ্যা ৬) প্রারম্ভে স্থাপন করা হয়েছে।

এবং, 
আলিফ-লাম-রা।
[ সূরা ইব্রাহীম, ১৪:১]
এই আয়াতগুলোর প্রকৃত অর্থ কেউ বুঝে না। এর মানে জানেন একমাত্র আল্লা। অর্থাৎ আল্লার আগের জোর দিয়ে বলা কথাগুলা এখানে মিথ্যা হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ আল্লায় স্ববিরোধী কথা বলছে কোরানে। একবার বলছে কোরান বোঝা সহজ, আবার আরেক জায়গায় এমন কঠিন করা হয়েছে যে, দুনিয়া কোন মানুষ আজ অবধি এর মানে বুঝতে পারেনি।

কোরানের বর্ণিত আল্লা যদি সত্যই "ঈশ্বর" হয়ে থাকত, তাহলে তার এরকম ভুল হওয়ার কথা নয়। এ থেকে বোঝা যায়, কোরান মানুষের লেখা। আর মানুষ মাত্রই ভুল হয়।

আল্লা/ঈশ্বর আছে কি নাই, সেই তর্কে যাচ্ছি না, এবং এই তর্কটাই অবান্তর। তবে এটা স্পষ্ট যে ধর্মগ্রন্থগুলা কোনো ঈশ্বরের লেখা নয়, এগুলা মানুষেরই তৈরি এবং আসলেই ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকলেও তার সাথে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের কোনো সম্পর্ক নেই।

বলে অক্ষম দেবতা > "তোমায় কীভাবে দেবো তা?"


চিন্তা-প্রতিচিন্তা - ১১

লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

৩১.
হে আল্যাপাক, আপনার অস্তিত্ব প্রমাণে কি শুধু গাছের পাতায়, গরুর পাছায় নিজের নাম লিখাইলেই হইবো? পারলে আমারে দুই ঘন্টার ভিত্রে খতম কইরা দেখান যে, আপনে বাস্তবে আছেন। 

এতে কইরা আপনার অস্তিত্বেরও প্রমাণ হইলো, আপনার একটা শত্রুও ধংস হইলো। এবং বোনাস হিসাবে আপনার দলে আরো গুটিকয়েক বেধর্মি ছাগলও জুটলো। এক ঢিলে তিন পাখি।

এমন চান্স ফেরাউনেও হয়তো আপনারে দেয় নাই। এমন চান্স মিস কইরেন না। অফার কিন্তু সীমিত সময়ের জন্য।

৩২.
আস্তিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন:

আপনারা বলেন যে, আল্লার হুকুম ছাড়া গাছের একটা পাতাও নড়ে না, কিন্তু একটা নিরীহ মেয়ে যখন ধর্ষিতা হয়, তখন সে কার হুকুমে ধর্ষিতা হয়? যখন একটা মানুষকে খুন করা হয়, তখন না হয় শয়তান সেই খুনিদের প্ররোচনা দেয়, কিন্তু সেই মানুষটার জান কবজ করতে আজরাইলকে কে হুকুম দেয়? হয়তো চোর-ডাকাতেরা শয়তানের প্ররোচনায় চুরি করে, কিন্তু সেই চোর ডাকাতের রুটি-রুজি নির্ধারণ করে রেখেছিলো কে?

এইগুলা সব যদি আল্লার হুকুমেই হয়ে থাকে, তাহলে চোর/ডাকাত/খুনি/ধর্ষক/শয়তানের অপরাধ কী? এরা তো আল্লাহর হুকুম আর আদেশ পালন করেছে মাত্র!

৩৩.
যেদিন সারা বিশ্ব বস্তাপচা সব ধর্ম ঝেঁটিয়ে মুক্তচিন্তার বাসিন্দা হবে; সেইদিনও কিছু মুমিন গলা খিচ্চা বলবে:
পৃথিবীর সব বড় বড় নাস্তিকেরা মুসলমান ছিলো!

৩০ আগস্ট, ২০১৪

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫৮



ধর্মবিদ্রূপানন্দ - ০৯

লিখেছেন Mosammot Rinee Khatun

২৫.
পড়! (পতিত হও, fall down, not to study or not to say one's lessons) তোমার প্রভুর নামে, 
অতল, অন্ধকার বিশ্বাসের গহ্বরে!

২৬.
যারা নিজেদের মডারেট মুসলমান পরিচয় দেয়, তারা মুনাফিক। ইসলামের মূল ভিত্তি কোরআন, যা ১৪০০ বৎসর আদি ও অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। নিজেদের মডারেট পরিচয় দেয়ার আগে বলেন, কবে, কোথায়, কখন ও কার দ্বারা কোরআন মডারেট করা হয়েছে। নিজেদের মডারেট বলা যাবে কি না - এ সম্পর্কিত হাদিস-কোরআনের রেফারেন্স দেখাতে পারবেন? 

পারবেন না, কারণ কোরানে স্পষ্ট বলা আছে: 
তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? যারা এরূপ করে পার্থিব জীবনে দূগর্তি ছাড়া তাদের আর কোনই পথ নেই। কিয়ামতের দিন তাদের কঠোরতম শাস্তির দিকে পৌঁছে দেয়া হবে।
( সূরা বাকারা: ৮৫-৮৬)
অতএব যা-ই তালেবানী ইসলাম, সহিহ ইসলাম।

২৭.
ঘুম পারানি খালা ফুফু মোদের বাড়ি যেও
বোরকা ভরে খেজুর দেব অজু করে খেও

ইছলাম প্রলোভনের ধর্ম

এটা স্রেফ কার্টুন নয়; ইছলামীরা শিশুদের বহুবার ব্যবহার করেছে আত্মঘাতী বোমারু হিসেবে

বেহেশতের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা!


জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে দশ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ছেচল্লিশ হাজার তিনশো কোটি কিলোমিটার দীর্ঘ একটি অতিকায় অ্যালকোহল-মেঘের সন্ধান পেয়েছেন, যাতে রয়েছে সেই পরিমাণ অ্যালকোহল, যা চারশো ট্রিুলয়ন ট্রিলিয়ন পাইন্ট বিয়ারে ব্যবহার করা যাবে!

অর্থাৎ

এই অ্যালকোহল-ভাণ্ড ব্যবহার করে আগামী এক বিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীর প্রতিটি বাসিন্দাকে প্রতিদিন তিন লক্ষ পাইন্ট বিয়ার সরবরাহ করা যাবে! (কপাল চাপড়ানোর ইমো এবং এক পর্যায়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার ইমো!)

খুব চমৎকারভাবে নির্মিত ভিডিওতে বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।


ওপরের পোস্টার ও ভিডিওর সন্ধান পাওয়া গেছে Secular Friday-র সৌজন্যে, যিনি মন্তব্য করেছেন:
আহ!! কি মধুর সুসংবাদ, এটাই কি তবে ধর্মগ্রন্থে প্রচারিত বেহেশতের ঠিকানা?
অবস্থাদৃষ্টে সেটাই মনে হচ্ছে। হয়তো এই সেই সুরার নহর, যার বর্ণনা আছে কোরানে। এখন আমরা অপেক্ষা করবো, কবে বিজ্ঞানীরা হুরিদের সন্ধান পাবেন। 

অফটপিক

হঠাৎ করেই মনে পড়লো অনেক আগে শোনা একটি গানের কথা, যাতে ব্যবহার করা হয়েছিল Ten Thousand Lightyears Away বাক্যটি। 

গানটি খুঁজে বের করতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, গানটির নাম Future World, সেটি গেয়েছিল ৭০-৮০ দশকে সাড়া জাগানো গ্রুপ Boney M এবং তাদের সেই অ্যালবামের নামই ছিলো: Ten Thousand Lightyears.

গানটি শুনতে আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করুন। এবং লিরিকস এখানে

প্রচারে বিঘ্ন অথবা ধর্মপ্রচারক ও ধর্মপচারকেরা – ৩৮



কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৭): আসমা বিনতে মারওয়ান কে খুন - তাঁর সন্তানকে স্তন্যপান অবস্থায়! ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – বিশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হুকুম ও অনুমোদনক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর এক অনুসারী কী ভাবে ১২০ বছর বয়েসি ইহুদি কবি আবু আফাক-কে সন্ত্রাসী কায়দায় রাতের অন্ধকারে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলেন, তার বর্ণনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

এই খুনের পর মুহাম্মদ আসমা-বিনতে মারওয়ান নামক এক পাঁচ সন্তানের জননীকে খুন করার আদেশ জারি করেন। এক মুহাম্মদ অনুসারী রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত নিরস্ত্র এই জননীকে নৃশংসভাবে খুন করেন। ঘাতক যখন এই জননীকে খুন করেন, তখন এই হতভাগ্য মা তাঁর এক সন্তানকে বুকের দুধ পান করাচ্ছিলেন।

খুন করার পর প্রত্যুষে এই খুনি তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর সাথে সকালের নামাজ (ফজর) আদায় করেন এবং নবীকে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা পেশ করেন। প্রিয় অনুসারীর সাফল্যে মুহাম্মদ আনন্দিত হন। তিনি তাঁকে সাহায্য করার জন্য এই ঘাতকের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর এই কর্ম দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে “বসির (চক্ষুস্মান) নামক উপাধি” প্রদানে সম্মানিত করেন।

আদি বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিক মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ সাল) ও মুহাম্মদ ইবনে সা'দের (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ) বর্ণনায় ঘটনা টি ছিল নিম্নরূপ:

পাঁচ সন্তানের মা আসমা-বিনতে মারওয়ান কে খুন

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বর্ণনা:

'তিনি [আসমা-বিনতে মারওয়ান] ছিলেন বানু উমাইয়া বিন জায়েদ গোত্রের। আবু আফাক-কে হত্যার পর তিনি তাঁর বিদ্বেষ প্রকাশ করেন।

আবদুল্লাহ বিন হারিথ বিন আল-ফাদায়েল < তাঁর পিতা বলেছেন যে, তিনি বানু খাতমা গোত্রের ইয়াজিদ বিন জায়েদ নামক এক ব্যক্তিকে বিবাহ করেন। ইসলাম ও তার অনুসারীদের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেছেন:
আমি ঘৃণা করি বানু মালিক ও নাবিত
এবং আউফ ও বানু খাজরায গোত্রদের।
তোমারা মান্য করো এক বিদেশীকে কেউ নয় যে তোমাদের
নয় সে কেউ মুরাদ বা মাধহিজের। [1]
কি ভালো আশা কর তোমরা তার কাছে যে করে নেতাদের খুন
ক্ষুধার্ত মানবের অপেক্ষা রাঁধুনির মাংসের ঝোলে যেমন?
নাই কি কোনও গর্বিত জন যে পারে করতে তারে আক্রমণ অতর্কিতে
ছিন্ন করতে আশা তাদের যারা করে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা সেই জন হতে?
আল্লাহর নবী যখন তাঁর কথাগুলো জানতে পান, তখন তিনি বলেন, "কে পারে. যে আমাকে মারওয়ান কন্যার হাত থেকে পরিত্রাণ দেবে?"

উমায়ের বিন আদি আল-খাতমি তাঁর সাথেই ছিলেন এবং এই কথাটি শোনেন। সেই একই রাত্রে তিনি তার বাড়িতে যান এবং তাকে হত্যা করেন। পরের দিন সকালে তিনি আল্লাহর নবীর কাছে আসেন এবং তিনি কী করেছেন তা তাঁকে খুলে বলেন।

তিনি [মুহাম্মদ] বলেন, "হে উমায়ের, তুমি আল্লাহ ও তার নবীকে সাহায্য করেছ!" 

যখন তিনি [উমায়ের] জানতে চান যে, এই কর্মের ফলে তার কোনো অমঙ্গলের সম্ভাবনা আছে কি না, আল্লাহর নবী বলেন,

"তার জন্য কোনো ছাগলও ঢুসান করবে না [‘two goats won't butt their heads about her’]"।

অতঃপর উমায়ের তাঁর লোকজনদের কাছে প্রত্যাবর্তন করেন।

মারওয়ান কন্যার খুনের ঘটনায় সেইদিন বানু খাতমা গোত্রের লোকজনদের মধ্যে বিশাল মানসিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর ছিল পাঁচটি পুত্র সন্তান। উমায়ের আল্লাহর নবীর কাছ থেকে ফিরে তাদের কাছে যান এবং বলেন, "হে খাতমার বংশধর, আমি মারওয়ান কন্যাকে খুন করেছি। তোমরা পারলে আমাকে ঠেকাও; আমাকে অপেক্ষায় রেখো না।"

ঐ দিনটিই ছিল প্রথম যেদিন বানু খাতমা গোত্রের লোকদের মধ্যে ইসলাম ক্ষমতাবান হয়েছিল; তার আগে যারা মুসলমান হয়েছিলেন, তাঁরা তাদের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতেন। তাদের মধ্যে প্রথম যাঁরা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁরা হলেন উমায়ের বিন আদি যাকে বলা হতো "পাঠক", এবং আবদুল্লাহ বিন আউস ও খুজেইমা বিন থাবিত।

মারওয়ান পুত্রী খুন হওয়ার পরের দিন বানু খাতমা গোত্রের লোকেরা মুসলামানিত্ব বরণ করেন কারণ তাঁরা ইসলামের ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।’ [2]  

>>> ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার পিছনে "তরবারির গুরুত্ব যে কত বিশাল" তার সাক্ষ্য হয়ে আছে কুরান, সিরাত ও হাদিসের এ সকল প্রাণবন্ত বর্ণনা!

মুহাম্মদ বিন সা'দের বর্ণনা:

‘তারপর (সংঘটিত হয়) আসমা বিনতে মারওয়ানের ওপর উমায়ের ইবনে আদি ইবনে খারাশাহ আল-খাতমির হামলা (Sariyyah); সেটি ছিল আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হউক, হিজরতের ১৯তম মাসের প্রারম্ভে যখন রমজান মাসের পাঁচ রাত্রি অবশিষ্ট।

আসমা ছিল ইয়াজিদ ইবনে জায়েদ ইবনে হিসন আল-খাতমির স্ত্রী। সে ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর কটূক্তি করতো, নবীকে পীড়া দিত এবং (লোকজনদের) নবীর বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতো। সে কবিতা লিখেছিল।

উমায়ের বিন আদি এক রাতে তার কাছে আসেন এবং তার বাড়িতে ঢুকে পড়েন। তার সন্তানরা তার আশেপাশেই ঘুমচ্ছিল। সে তার সন্তানের একজনকে স্তন পান করাচ্ছিল। তিনি [উমায়ের] ছিলেন অন্ধ তাই তাঁর হাত দিয়ে তিনি তাকে খোঁজেন এবং তার সন্তানদের তার কাছ থেকে আলাদা করেন। তিনি তাঁর তরবারি তার বুকের মধ্যে জোরে ঢুকিয়ে দেন যতক্ষণ না তা তার পিঠ পর্যন্ত পৌঁছে। 

তারপর তিনি আল্লাহর নবীর, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, সাথে মদিনায় সকালের নামাজ আদায় করেন।

আল্লাহর নবী, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, তাঁকে বলেন, "তুমি কি মারওয়ান পুত্রীকে হত্যা করেছ?"

তিনি বলেন, "হ্যাঁ। আমার আরও কিছু কি করতে হবে?"

তিনি বলেন, "না। তার জন্যে দুটো ছাগল গুঁতা মারবে (No. Two goats will butt together about her) না।" এই বাক্যটি আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হউক, কাছ থেকে প্রথম শোনা যায়।

আল্লাহর নবী, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, উমায়ের কে “বসির (চক্ষুস্মান)” নামে অভিহিত করেন। [3]

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে মূল ইংরেজি অনুবাদের অংশটিও সংযুক্ত করছি – অনুবাদ, লেখক।]

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৮৪

বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম