২২ জানুয়ারী, ২০১৭

জুম্মাবারে কুফরী কিতাব: জঙ্গিনামা - ৩

স্টিকি পোস্ট

প্রত্যেক মুছলিমের জন্য ফরজ করা হয়েছে জিহাদ নামের ইছলামী বর্বরতা। অনেক ভণ্ড মুছলিম জিহাদকে কোমল ও সুমিষ্ট মোড়কে উপস্থাপন করতে চাইলেও বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। সেই মুছলিমদের প্রতারণার জাঙ্গিয়া-নামানো জবাব দেয়া হয়েছে জঙ্গিনামা নামের অভিনব এই ইবুকে।

➜ জিহাদ দ্বারা কিভাবে ফিৎনা ফ্যাসাদ নির্মূল করা সম্ভব অথচ জিহাদ করতে গেলে তো ব্যাপক রক্তপাত হয়, অসংখ্য মানুষের প্রাণনাশ ঘটে?
➜ মুসলমানদের উপর জিহাদের হুকুম কী? অনেকেই তো জিহাদ পছন্দ করে না, বা জিহাদ করতে চায় না।
➜ কোন কোন লোকদের সাথে আমাদের জিহাদ করতে হবে?
➜ কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের জিহাদ আমাদেরকে কতদিন পর্যন্ত চালিয়ে যাতে হবে?
➜ আমরা তো দেখি যে, কাফির-মুশরিকরাই ধন-দৌলতের প্রাচুর্যের মধ্যে আরামে আছে। আর আমাদেরকে আল্লাহ্‌ তা'আলা যদি সত্যিই ভালোবাসেন, তাহলে কাফির-মুশরিকদের মতো আমাদের এতো ধন-দৌলত নেই কেন?
➜ আমাদেরকে সর্বদা এ ধরনের প্রস্তুত হয়ে থাকতে হবে কেন? আর কেনই বা সর্বদা সাথে অস্ত্র রাখতে হবে?
➜ যদি নিজেদের বাপ, ভাইদের মধ্য থেকে কেউ কাফের হয় বা ঈমানের তুলনায় কুফরকে বেশি পছন্দ করে, তাহলে তাদেরকেও কি অভিভাবক রূপে গ্রহণ করা যাবে না?
➜ জিহাদ ছাড়ার কারণে আমাদের উপর যেই শাস্তি আসবে, তার ধরনটা কী রকম হবে? তা কি শুধু আখিরাতেই আসবে, নাকি দুনিয়াতেও আসবে?
➜ জিহাদ না করলে আমরা কি জান্নাতেও যেতে পারবো না?
➜ জিহাদের কথা বললে তো অনেকেই অব্যাহতি চায়, বিভিন্ন ওজর দেখায়, যারা এ ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত, তাদের ঈমান কোন পর্যায়ের?

এমন ১০০টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে শুধু কোরানের আয়াত উদ্ধৃত করে। এ বিষয়ে নিচের কথাগুলো বলেছেন বইটির সংকলক, অনুবাদক, প্রচ্ছদশিল্পী ও নির্মাণকারী নরসুন্দর মানুষ

এই ইবুক সিরিজটির প্রথম খণ্ড পাঠের পর যেসব মুসলিমদের রেফারেন্স-রেফারেন্স (তথ্যসূত্র-তথ্যসূত্র) বলে চিৎকার ছিলো, তাদের মাথায় ঠাণ্ডা পানি ঢালতেই প্রথম খণ্ডের তাফসীর (ব্যাখ্যা) হিসেবে দ্বিতীয় খণ্ডের জন্ম দেয়া হয়! 

কিন্তু অতি সম্প্রতি পৃথিবীতে কিছু নতুন জাতের মুসলিম জন্মেছে, যাদের বলা হয় 'কোরান অনলি' (শুধু কোরান মানি) মুসলিম। এই উদ্ভট ধরনের মুসলিমদের প্রশ্নের জবাব দিতে; এই খণ্ডে সরাসরি কোরানকেই তাদের মুখোমুখি বসিয়ে দেওয়া হলো; যেহেতু এটি 'কোরান' ও 'শুধু কোরান মানি' মুসলিমের মধ্যে একটি কথোপকথনমূলক ইবুক, তাই পাঠক কোরানের ভাষাতেই পেয়ে যাবেন ইসলামে জিহাদের প্রয়োজনীয়তা এবং ইসলাম ধর্মের আসল চরিত্রের দিক-নির্দেশনা!

এই খণ্ডটিকে আমরা জঙ্গিবাদের তুরুপের তাস বলে বিবেচনা করছি!

(আরও ৮২ টি বাংলা কুফরী কিতাব পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়)

ফরম্যাট: পিডিএফ (সম্পূর্ণভাবে মোবাইলবান্ধব)
সাইজ: ৯৯০ কিলোবাইট মাত্র
ডাউনলোড লিংক (গুগল ড্রাইভ): https://goo.gl/hiUhW2
ডাউনলোড লিংক (ড্রপবক্স): https://goo.gl/ZmZyox

নিচে অনলাইনে পাঠযোগ্য ভার্শন:

হিজাবী হুরি যতো - ১

পাঠিয়েছেন আক্কাস আলী

২১ জানুয়ারী, ২০১৭

ধর্ম ও নৈতিকতা: আত্মীয়তার সম্পর্কহীন দু'টি ধারণা

লিখেছেন Amber Ainen

“নৈতিকতার জন্ম দেয় মানবতা এবং ধর্ম তা চুরি করে নিজের কাজে লাগায়।” 
- ক্রিস্টোফার হিচেন্স।

ধর্ম এবং নৈতিকতার সম্পর্ক নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বহু তর্ক হয়েছে। জগতে পরম ভালো-খারাপ বলতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। মানুষ তার জীবনকে নিরাপত্তা দিতে, সমাজে বাসের জন্য কিছু কাজকে ভালো বা নৈতিক এবং কিছু কাজকে খারাপ বা অনৈতিক চিহ্নিত করেছে। ধার্মিকদের কাছে ধর্মই নৈতিকতার প্রধান বাহন হলেও প্রকৃতপক্ষে তাকে নৈতিকতা বলা যাবে না। আবার নৈতিক গুণাবলী অর্জনের জন্য ধর্ম প্রয়োজনীয় নয়। 

প্রতিটি ধর্মগ্রন্থেই কিছু নির্দিষ্ট কাজকে স্বীকৃতি আর কিছু কাজকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ধার্মিকরা ঠিকই চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, জোচ্চোরি চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্ম মানুষকে তার প্রবৃত্তি থেকে ঠেকাতে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা পালন করে বলে মনে হয় না। 

আসলে এসব কাজে মানুষ ছাড়া কাউকে দায়ী করা যাবে না – স্বার্থরক্ষার তাগিদের পেছনে পরকালের শাস্তি খুব একটা বড় বিষয় নয়।

আর তারা যদি পাপ হতে বিরত থাকেও বা, তাও পরকালে “ছ্যাঁকা” খাওয়ার ভয়ে। খারাপ কাজ করলে ওপরওয়ালা নাখোশ হবেন, গুনাহ দেবেন – তাই ওটা করা যাবে না। অনেকটা বাচ্চারা যেভাবে স্যারের মারের ভয়ে হোমওয়ার্ক করে থাকে – ব্যাপারটা সেরকম।

আবার দেখা যায়, ধর্মের কিছু নিষেধ যৌক্তিক বিচারে অত্যন্ত হাস্যকর এবং অপ্রয়োজনীয়। ইসলামে শূকরের মাংস না খাওয়া, হিন্দু ধর্মে গোমাংস না খাওয়া প্রভৃতি।

এজন্য আমি বলি, ধর্ম যে শুধু অনৈতিকতা ঠেকাতে পারছে না, তা-ই নয়, বরং মানুষকে নৈতিকতা শেখাতেই পারছে না। উল্টো সৃষ্টি করছে মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ আর সাম্প্রদায়িকতা। উগ্রতা ছাড়া কোনো ধর্মের অস্তিত্ব নেই।

আমরা নৈতিকতা শিখি সমাজকে, পরিবারকে লক্ষ্য করার মাধ্যমে, তাদের আচরণ অনুশীলনের মাধ্যমে। তারপর নিজের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা ও সময়ের বিবর্তন সব মিলিয়ে আমরা এ ব্যাপারে নিজস্ব একটা তত্ত্ব দাঁড় করাই। এ কারণে দেখা যাবে, অনেক সময়ই ভালো-খারাপের সার্বজনীন সংজ্ঞা দেওয়া যায় না।

তবে এখানে ধর্মের স্থানটি কোথায়? মানুষের স্বভাব হলো ঝামেলা দূরীকরণ। কারো কষ্ট, দুর্দশা সমাজের স্বাভাবিক গতি রোধ করে – তাই আমরা খারাপ কাজের বদলে ভালো কাজটি করতে চাই – অন্তত যা আমাদের দৃষ্টিতে ভালো। খুনোখুনির বদলে একটু মিলেমিশে থাকলে সেটা সবার জন্যই মঙ্গলদায়ক, সেটা বুঝি। আমরা অন্যের দুঃখকে উপলব্ধি করতে পারি, we can feel empathy।

এটাই নৈতিকতা। এজন্যই নাস্তিকের মরালিটি থাকে, আস্তিকেরও মরালিটি থাকে। আর সেই নৈতিকতা কোনো যুক্তিতেই ধর্মজাত নয়। 

দ্বীনবানের দীন বাণী - ৫৩

নিমো হুজুরের খুতবা - ২০

লিখেছেন নীল নিমো

আজকে একজন মুরিদকে নিয়ে ডেনমার্কের নরেপোর্ট মেট্রো স্ট্রেশনে মেট্রো ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। মেট্রো স্টেশনে দাড়িয়ে ডেনমার্কে টিনেজ কাপলরা একজনকে আরকজন জড়িয়ে ধরে প্রকাশ্যে চুমো খায়, এটা-সেটা করে। এইটা খুবই সাধারন ঘটনা। তো, আজকে আমাদের পাশে দাড়িয়ে একটি আরব মুসলিম কাপল ফ্রেন্স কিসিং খাচ্ছিল।

মুসলিম কাপলের ফ্রেন্স কিসিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে মুরিদ জিজ্ঞাস করিল:
- হুজুর, এই মুসলমানদের পথভ্রষ্টের জন্য দায়ী কে? আল্লাহ, শয়তান, নাকি ওরা নিজে?

আমি জানি যে, পথভ্রষ্ট মুসলামানদেরকে দোজখের ভয় দেখালেই সহজে লাইনে আনা যাবে। এদের ব্রেনওয়াশ করা তেমন কঠিন না। তাই আমি শয়তানের উপর দোষ চাপিয়ে বলিলাম:
- শয়তান এদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে। মুসলামানদের কোনো দোষ নাই। এই সম্পর্কে আল্লাহপাক ১১৪ নম্বর সুরার ৫ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন: "যে (শয়তান) কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে"

কিছুক্ষন পর আরেকটি খ্রিষ্টান কাপলের ফ্রেন্স কিসিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে মুরিদ জিজ্ঞাস করিল:
- হুজুর, খ্রিষ্টান কাপলদের পথভ্রষ্টের জন্য দায়ী কে? আল্লাহ, শয়তান, নাকি ওরা নিজে?

আমি বুঝতে পারলাম, খ্রিষ্টান হলেও লাইনে আনা একেবারে অসম্ভব না। ব্রেনওয়াশ করা সহজেই সম্ভব। তাই ওদের উপর দোষ চাপিয়ে বলিলাম:
- এরা নিজেরা নিজেদেরকে পথভ্রষ্ট করে রেখেছে। এদেরকে টাইট দিলে লাইনে আনা যাবে। এই সম্পর্কে আল্লাহপাক ৩০ নম্বর সুরার ৯ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন: "…কিন্তু (মানুষ) তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।…"

এর কিছুক্ষন পর একটি নাস্তিক কাপলের ফ্রেন্স কিসিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে মুরিদ জিজ্ঞাস করিল:
- হুজুর, নাস্তিক কাপলদের পথ ভ্রষ্টের জন্য দায়ী কে? আল্লাহ, শয়তান, নাকি ওরা নিজে?

আমি জানি যে, নাস্তিকরা ফালতু যুক্তি সহজে মানতে চায় না। নাস্তিকদের ব্রেনওয়াশ করা সহজ না। এদেরকে লাইনে আনা অসম্ভব। তাই বলে তো, সবকিছুর নিয়ন্ত্রণকর্তা আল্লাহকে দোষ দেওয়া যায় না। আল্লাহপাকের দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত করিয়া বলিলাম:
- আল্লাহপাক ইচ্ছা করেই নাস্তিকদের পথভ্রষ্ট করে রেখেছে। এইসম্পর্কে আল্লাহপাক ৩৫ নম্বর সুরার ৮ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন: "….নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন।….”

আল্লাহপাকের কাছে হাজার শুকরিয়া, কোরান ব্যবহার করে নিজের ইচ্ছামত যে কারোর উপর দোষ চাপানো যায়।

টোকাবিদ্যা বড়ো বিদ্যা

২০ জানুয়ারী, ২০১৭

হা-হা-হাদিস – ১৮৩

কতো রসময় কথা গুপ্ত আছে হাদিসে!

Abu Huraira reported that Moses was a modest person. He was never seen naked and Banu Isra'il said: (He was afraid to expose his private part) because he had been suffering from scrotal hernia. He (one day) took bath in water and placed his garments upon a stone. The stone began to move on quickly. He followed that and struck it with the help of a stone (saying): O stone, my garment; O stone, my garments, O stone; until it stopped near the big gathering of Isra'il, and this verse was revealed (pertaining to the incident): "O you who believe, be not like those who maligned Moses, but Allah cleared him of what they said, and he was worthy of regard with Allah" (xxxiii. 69).

কলা-কুশলীর কীর্তি

১৯ জানুয়ারী, ২০১৭

সাইমুম (উপন্যাস: পর্ব ২৬)

লিখেছেন উজান কৌরাগ


এখন অনেক রাত, চারপাশ ঝিমিয়ে পড়েছে। কম্পিউটার চালিয়ে সবে ব্লগে ঢুকেছি শাশ্বতীদির লেখাটার শেষ পর্ব পড়ার উদ্দেশ্যে, তখনই কারেন্ট চ'লে গেল। আমার ইউপিএস ব্যাকআপ দিচ্ছে না, সম্ভবত ব্যাটারি বদলাতে হবে। বারান্দার চেয়ারে এসে ব'সে আছি। হঠাৎ সন্ধ্যায় দেখা বাসের লোকটির কথা মনে পড়লো। সন্ধ্যার পর আবির আর আমি বান্দরবান ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ আর টুকিটাকি জিনিসপত্র কিনে গিয়েছিলাম শাশ্বতীদির বাসায় ভ্রমণ নিয়ে শলাপরামর্শ করতে। তো যাবার সময় আমার পাশের সিটে এক বৃদ্ধ বসেছিল, বাস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হলো তার জিকির। লোকটা মাথা দুলিয়ে জিকির করছিল আর মাঝে মাঝে আমার দিকে তাকাচ্ছিল, তার মুখের পান-সুপারি-জর্দা পচা গন্ধে গুলিয়ে উঠছিল আমার পেট। একবার চোখে-মুখে বিরক্তি নিয়ে তাকালাম তার দিকে, অমনি তার জিকিরের শব্দ এবং গতি আরো বেড়ে গেল। মুখের দুর্গন্ধে টিকতে না পেরে বাধ্য হয়ে এক পর্যায়ে নিজেই উঠে দূরে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। পাবলিক বাস যে জিকির করার জায়গা নয়, সেটা বোঝাতে গেলেই হয়তো বাসের অধিকাংশ যাত্রী আমার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যেতো, ফলে আমি নিজেই স'রে গেলাম। এটাও সংখ্যালঘুর প্রতি সংখ্যাগুরুর এক ধরনের নিপীড়ন।

কারেন্ট এসে গেছে। ঘরে গিয়ে কম্পিউটার চালিয়ে পুনরায় ব্লগ ওপেন ক'রে শাশ্বতীদির ওয়ালে গিয়ে লেখা পড়তে শুরু করলাম -

গরুপূজারি গাধাগুলো - ১৭৫

উম হানি ও মুহাম্মদ: ইসলামের মহানবীর প্রথম ভালবাসা (পর্ব ৬)

লিখেছেন আবুল কাশেম


উম হানি ও তাঁর মাতার ইসলাম গ্রহণ

মার্টিন লিঙ্গস্‌ মনে করেন, আবু তালেবের মৃত্যুর পর অথবা তার আগেই আবু তালেবের স্ত্রী ফাতেমা ইসলাম গ্রহণ করেন। তবে এই ব্যাপারে অনেকেই সন্দেহ করেন। অনেকেই মনে করেন, আবু তালেবের স্ত্রী কখনই ইসলাম গ্রহণ করেননি। আর আমরা ওপরে একটা তিরমিজি হাদিসে দেখেছি যে, উম হানি ছিলেন একজন তুলাকা—যার অর্থ হচ্ছে যে উম হানি মুহাম্মদের মক্কা বিজয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেন। মার্টিন লিঙ্গস ছিলেন একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম। তিনি ক্যাথলিক থেকে ইসলামে দীক্ষিত হন। তাঁর ইসলামী নাম হল আবু বকর সিরাজ আদ উদীন। মার্টিন লিঙ্গস্‌ যে ইসলামের গুণগান গাইবেন এবং মুহাম্মদকে উচ্চাসনে বসাবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। সে জন্য তাঁর লেখা মুহম্মদের জীবনী, যা তিনি দাবী করেন যে, সবচাইতে প্রাচীন উৎস থেকে নেয়া তথ্য থেকে লেখা, তা সমগ্র ইসলামী জগতে অত্যন্ত কদরের সাথে গ্রহণ করা হয়। এখন তাঁর বই থেকে কিছু উদ্ধৃতি দেখা যাক (লিঙ্গস্‌ পৃঃ ১০১)।
আবু তালেবের বিধবা স্ত্রী ফাতেমা ইসলামে দীক্ষিত হলেন। এটা হয়েছিল আবু তালেবের মৃত্যুর আগেই অথবা পরে। তাঁর কন্যা উম হানি যিনি ছিলেন আলী এবং জাফরের ভগিনী সেই সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। কিন্তু উম হানির স্বামী হুবায়রা সর্বদায় একেশ্বরবাদের প্রতি বিরূপ ছিলেন। তা সত্যেও যখনই নবী তাঁর গৃহে আসতেন হুবায়রা নবীকে স্বাগতম জানাতেন। যদি তখন নামাযের সময় হত তখন গৃহের সব মুসলিমরা এক সাথে নামাজ পড়তেন।
ঐতিহাসিক তাবারি তাঁর ‘তারিখ আল তাবারি’ গ্রন্থে লিখেছেন (খণ্ড ৮, পৃঃ ১৮৬):
হুবায়রা বিন আবি ওহব এক অবিশ্বাসীই রয়ে গেলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে তার স্ত্রী উম হানি বিন্‌ত আবি তালেব (যার নিজস্ব নাম ছিল হিন্দ) মুসলিম হয়ে গেছেন তখন তিনি বললেন:
হিন্দ কি তোমাকে আর আকাঙ্ক্ষা করে? অথবা সে কি তোমার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে? এই-ই দূরে থাকা—তার বন্ধন, (তারপর) তার চলে যাওয়া। 
পূর্বেই ইবনে ইসহাকের উদ্ধৃতিতেও এই প্রসঙ্গে হুবায়রার একটি কবিতা দেওয়া হয়েছে।

এখানে বলা প্রয়োজন যে, তাবারি এই ঘটনার উল্লেখ করেছেন মুহাম্মদের মক্কা বিজয়ের সময়। অর্থাৎ মুহাম্মদের মক্কা বিজয়ের পরই উম হানি ইসলাম গ্রহণ করেন—কিন্তু তাঁর স্বামী হুবায়রা ইসলাম গ্রহণ করেননি, বরং চিরজীবন অমুসলিম থেকে যান। উম হানির ইসলাম গ্রহণে হুবায়রা অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছিলেন এবং উম হানিকে ছেড়ে নির্বাসনে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। কারণ মুহাম্মদ নিয়ন্ত্রিত মক্কায় মুসলিম অমুসলিম দম্পতির একত্রে বসবাস নিষিদ্ধ ছিল। আগেই লিখা হয়েছে যে, মুহাম্মদ হুবায়রাকে মনে প্রাণে ঘৃণা করতেন। কাজেই মুহাম্মদ নিয়ন্ত্রিত মক্কায় পৌত্তলিক হুবায়রার ভাগ্যে কী ছিল, তা সহজেই অনুমেয়।

দেখা যায়, তাবারি এবং ইবনে ইসহাক একই কথা লিখেছেন—উম হানি ইসলাম গ্রহণ করেন মুহাম্মদের মক্কা বিজয়ের পর, তার আগে নয়। মার্টিন লিঙ্গস কতটুকু সত্য লিখেছেন, তা ভাবার বিষয়।

তবে এই বিভ্রান্তির একটা ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে এইভাবে: এমন হয়ত হয়েছিল যে, উম হানি মুহাম্মদকে খুশি করার জন্য গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। হুবায়রাকে বিবাহের পর উম হানি ইসলাম ত্যাগ করে পৌত্তলিকতায় ফিরে গেলেন। আর মুহাম্মদ বিবাহ করেন খাদিজাকে। আল্লাহ যখন মুহাম্মদকে নবী বানালেন, তখন হয়ত মুহাম্মদ যখন কাবায় আসতেন, তখন উম হানির সাথে কিছু সময় কাটাতেন। আমরা আগেই দেখেছি যে, উম হানির গৃহ এবং কাবা একেবারে পাশাপাশি ছিল। নবীও তখন পরকীয়া প্রেম চালাতেন আর তাতে উম হানিরও সায় ছিল। তাই উম হানি তখন নবীর অবস্থানে এক গোপন মুসলিম হিসাবে থাকতে চাইতেন।

যাই হোক, এই সবই অনুমান। এই সব ঘটনার ইসলামি উৎস এতই বিপরীত তথ্য, তালগোল পাকানো এবং বিশৃঙ্খল যে, সত্য বের করা দুরূহ।

এতদসত্ত্বেও এটা পরিষ্কার যে নবী মুহাম্মদ উম হানিকে মনঃপ্রাণ দিয়ে ভালবাসতেন—যদিও তার জন্য দরকার ছিল পরকীয়া প্রেমের। মনে হয়, নবী উম হানিকে (হিন্দ) যে পরিমাণে ভালবাসতেন, সেই পরিমাণে অন্য কোনো নারীকেই সেই ভাবে ভালবাসেননি—এমনকি তাঁর অগুনতি স্ত্রী ও উপপত্নীদের কাউকেও না।

(চলবে)

ধর্ম ত্যাগ করার অনুভূতিটি যেমন

১৮ জানুয়ারী, ২০১৭

কোরআন যেভাবে অবতীর্ণ: মক্কা - তৃতীয় অধ্যায়: না ঘরকা না ঘাটকা (পর্ব ২৪)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


{আবু জেহেলের নেতৃত্বে আবু তালেব-কে জানানো হলো মুহাম্মদকে কুরাইশদের দায়িত্বে দিয়ে দেওয়া হোক, তারা মুহাম্মদের ভণ্ডামির যথাযথ বিচার করবেন! চাচা আবু তালেব মুহাম্মদের জটিলতা বুঝতে পারলেন, তিনি তার অধীনস্থ হাশিম গোত্র এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন ১০টি উপগোত্রের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলেন; আর যাই হোক, মুহাম্মদকে নিরাপত্তা প্রদানে তারা পিছপা হবে না; এটি এখন ব্যক্তি মুহাম্মদের বদলে গোত্রের সম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

গত পর্বে প্রশ্ন রাখা হয়েছিলো: মুহাম্মদ কীভাবে উত্তরের সন্ধান পেলেন! 

ঘটনাটি এমন: 
৭ থেকে ১০ দিন অতিবাহিত হবার পর কুরাইশরা যখন মুহাম্মদের ভণ্ডামি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গেলেন, প্রশ্নের উত্তর নিয়ে সেসময় থেকেই আলোচনা শুরু হয় কুরাইশ মহলে; আর মদিনা থেকে জেনে আসা আরও একাধিক গল্প নিয়ে বিশ্লেষণ হতে থাকে দারুন নদওয়া-তে; মক্কাবাসীদের আগ্রহের কারনে এ বিষয়ের চর্চা চলে যায় মাঠ পর্যন্ত! মুহাম্মদ এসব সূত্র থেকে পেয়ে যান উত্তর! বলে রাখা ভালো, মুহাম্মদের জীবন ইতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করলে কুরাইশদের মধ্যে থেকে কখনও মুসলিম না হওয়া ঘরের শত্রু বিভীষণ ধাঁচের একাধিক চরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়; সেসব নিয়ে ভবিষ্যতে বলার ইচ্ছা রইল! তবে একথাও নিশ্চিত বলা যায়, ৯৭ নং প্রকাশের বোনাস গল্পদুটো মুহাম্মদের ভণ্ডামি ধরতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছিলো! কীভাবে? ভাবতে থাকুন আবারও!

আবু জেহেলে ও দারুন নদওয়ার কমিটি আবু তালিবের সিদ্ধান্ত জানার পর চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হলেন, এবং তারা পৃথিবীর সবচেয়ে ভদ্র শাস্তি-প্রক্রিয়া অবলম্বন করলেন; আর তা হলো - মুহাম্মদ সহ হাশিম গোত্র ও তার সহযোগী ১০ টি উপগোত্রের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করা। চূড়ান্তভাবে বয়কট করা হলো তাদের! কেউ তাদের সাথে ওঠা-বসা, পানহার-খাবার বন্টন, ব্যবসা, বিবাহ-বন্ধুত্ব, ক্রয়-বিক্রয় সহ কোনো প্রকার সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না; এবং তাদের বসত এলাকা ছাড়া কাবা এবং মক্কার দেড় কিলোমিটারের অন্যান্য অঞ্চলে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবে না!

বেশির ভাগ গবেষক বলে থাকেন, মুহাম্মদ এবং হাশিম গোত্রকে মক্কা থেকে বের করে দিয়ে শিয়াবে আবু তালেব (আবু তালিবের পাহাড়/উপত্যকা)-এ নির্বাসিত করা হয়! এটি একটি চূড়ান্ত মিথ্যাচার অথবা বোঝার অজ্ঞতা! মুহাম্মদ এবং হাশিম গোত্র মক্কাতেই ছিলেন; কেবল তাদের বাসস্থানের পাশেই সমাবেত হবার একটি নতুন স্থান যুক্ত হয়েছিলো; যার নাম শিয়াবে আবু তালেব

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে

সংযুক্ত ছবিটির স্থানকে শিয়াবে আবু তালেব বলা হয়; ছবিটির বাম পাশের ওপরের দিকে মক্কা টাওয়ার/ক্লক টাওয়ার দেখা যাচ্ছে; এই ছবি প্রমাণ করে শিয়াবে আবু তালেব ছিলো মক্কার দেড় কিলোমিটার সীমারেখার সাথে গায়ে-গায়ে লাগানো! আরও সহজ করে বললে, এই অংশ ছিলো আবু তালেবের নিয়ন্ত্রণাধীন মক্কার এলাকা সংলগ্ন (পর্ব ০৬ দেখুন)! হাশিম গোত্র এটিকে বয়কট চলাকালীন নিজস্ব সমাবেশ স্থান হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন!

এই পর্বের ৯৯ তম প্রকাশের সময়কাল থেকে বয়কট শুরু হবার লক্ষণ পাওয়া যায়; এবং পরবর্তী প্রায় তিন বছর চলে মুহাম্মদের না ঘরকা না ঘাটকা অবস্থা! এ সময়কালে মুহাম্মদ ও তার সাহাবীরা একটি অলৌকিক ঘটনা/মুজেজা দেখার জন্য কাতর হয়ে ওঠেন; এবং সত্যি সত্যি মুহাম্মদের সামনে চলে আসে ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে আলোচিত অলৌকিক ঘটনা/মুজেজা দেখানোর সুযোগ! তার জন্য অবশ্য আগামী পর্ব পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের! তবে চলচ্চিত্র মুক্তির আগে তার কিছু অংশ এই পর্বের শেষে দেখে নিতে পারেন অবশ্যই!

কোরআন অবতীর্ণ হবার ধারাবাহিকতা অনুসারে প্রকাশের আজ ২৪ তম পর্ব; এই পর্বে থাকছে মক্কা - তৃতীয় অধ্যায়: না ঘরকা না ঘাটকার ২য় চার অংশঅনুবাদের ভাষা একাধিক বাংলা/ইংরেজি অনুবাদ অনুসারে নিজস্ব।}

ইছলামের পুশিতল শায়াতলে লিন্ডসে লোহান!

হলিউড তারকা লিন্ডসে লোহান ইছলামের পুশিতল শায়াতলে এসেছেন বলে একটি খবর প্রচারিত হচ্ছে। খবরটি সত্য হলে বলতেই হয়, ধর্মকারী ২০১১ সালেই এ বিষয়ে একটি আভাস দিয়েছিল:


বানিয়েছেন কৌস্তুভ

নিমো হুজুরের খুতবা - ১৯

লিখেছেন নীল নিমো

আজকে এক নাস্তিক আমাকে জিজ্ঞাস করিল:
- হুজুর, ইসলামপূর্ব আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের আরবরা বেশি সভ্য ছিল, নাকি বর্তমানের আরব মুসলমানরা বেশি সভ্য?

আমি নাস্তিককে পাল্টা প্রশ্ন করিলাম:
- আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগে হজরত মুহাম্মাদ (সঃ) যখন সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে চিৎকার করে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত দিলেন, তখন আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের আরবরা নবীজির সাথে কেমন ব্যবহার করেছিল?

নাস্তিক উত্তর দিল:
- আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের আরবরা নবীজিকে গালাগালি করেছিল, নবীজিকে উপহাস করেছিল। নবীজিকে ব্যথা দিয়েছিল।

আমি নাস্তিককে আবারো প্রশ্ন করিলাম:
- বর্তমান ইসলামের শান্তির যুগে আপনি যদি সৌদি আবরে গিয়ে বায়তুল হারাম কিংবা সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে চিৎকার করে প্রকাশ্যে নতুন কোনো ধর্মের দাওয়াত দেন, তাহলে বর্তমানের মুসলমান আরবরা আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করবে?

সৌদি আরবের কথা বাদ দেন। ধরেন, আপনি বাংলাদেশের ফার্মগেটে দাঁড়িয়ে নতুন কোনো ধর্ম বা নাস্তিকতার দাওয়াত দিলে, বাংলাদেশের মুসলমানরা আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করবে?

নাস্তিক উত্তর দিল:
- বর্তমানের অসভ্য মুসলমানেরা চাপাতি দিয়া কোপাইয়া আমার শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলবে।

আমি এইবার জিজ্ঞাস করলাম:
- এইবার আপনি নিজেই বলেন, কারা বেশি সভ্য?

নাস্তিক উত্তর দিল:
- হুজুর, আমার কোপ খাওয়ার ইচ্ছা নাই। শুধু মনে একটা কষ্ট, নবীজি যদি বর্তমান সময়ে জন্ম নিতেন, তাহলে তিনি গালাগালির পরিবর্তে চাপাতির কোপ খাইতেন।

আমি উত্তর দিলাম:
- মাসাল্লাহ। নবীজি অনেক ভাগ্যবান।

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৭০

১৭ জানুয়ারী, ২০১৭

কোলাজ-লজ্জাহীন

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৯১

৩০০.
- পৃথিবীর প্রথম মাদারফাকার কে?
- হাবিল অথবা কাবিল।

৩০১.
আরশে পাছা স্থাপন করে আয়েশ করে বসে আল্যা ভাবছে, "একটি অলৌকিক ঘটনা ঘটাতে ইচ্ছে করছে...
১. দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত সব ব্যক্তিকে সুস্থ করে তুলবো?
২. আফ্রিকাসহ পৃথিবীর সব অনাহারী মানুষের খাদ্যসংস্থান করবো?
...
না, তারচে' বরং ঝিনাইদহের মকবুল শেখের কেনা গরুর মাংসে নিজের নাম আরবিতে খোদাই করে দিই।"

৩০২.
- ঈশ্বর কি কোনও পদার্থ?
- আমরা জানি, যার আকার-আয়তন আছে, তাকেই পদার্থ বলে। যেহেতু কিছু ধর্মবিশ্বাসীর মতে ঈশ্বরের আকার (স্বরূপ) নেই, তাই ঈশ্বর একটি অপদার্থ।
(পাঠিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)

৩০৩.
- মুছলিমদের স্ববিরোধিতার একটি উদাহরণ দাও।
- তারা মহানন্দে গরুর নাড়ি-ভুঁড়ি খায়, তবে শূকরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
(পাঠিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)

৩০৪.
- হাওয়াকে সৃষ্টির সিদ্ধান্ত আল্যা নিয়েছিল কেন?
- কারণ সে একদিন আদমকে হস্তমৈথুনরত অবস্থায় দেখে ফেলেছিল।

সূরা নূরাসিস


নাজিল হয়েছে তুয়াম লুকিলাম-এর ওপরে

আয়াত সংখ্যা ২৪, বেথেলহামে অবতীর্ণ, পবিত্র লুকিলাম টেস্টামেন্ট

১. নূহের নৌকা পাহাড়তলী যায় ও সানিবাঈ, নূহের নৌকা রাঙ্গামাটি যায়।

২. কল্কির পাছায় কষিয়া এক টান মারিবার পর নাকে মুখে ধোঁয়া ছাড়িতে ছাড়িতে ভগবান শিব নুরা পাগলাকে (নূহ নবী) বলিলেন,

৩. নিশ্চই আমি সংহারের দেবতা আর আসন্ন সেই মহাপ্লাবন যার ব্যাপারে সদাপ্রভু সতর্ক করেছেন।

৪. হে নুরা, ফিরে যাও তোমার কওমের নিকট এবং ভীতিপ্রদর্শন কর আসন্ন মহাপ্লাবনের বিষয়ে।

৫. আর তৈরি কর একখান নৌকা, যাতে তুমি আর তোমার পরিবার-পরিজন ভেসে থাকতে পার।

৬. কিস্তিতে আরোহণ করিবার পূর্বে নিয়ে নাও সকল প্রাণীর জোড়া আর তোমার জন্য পিপে ভর্তি সান্ডার তেল।

৭. নূরা পাগলা আরজ করিল, ওস্তাদ, নৌকা কীরূপে তৈয়ার করিতে হয়?

৮. তখন ভগবান শিব স্বীয় সহধর্মিণীকে অন্তপুর হইতে বাহির হইবার নির্দেশ প্রদান করিলেন।

৯. শিব গিন্নী তথায় উপনীত হইলে ভগবান স্বীয় গিন্নির সায়া উত্তলোনপূর্বক নূরা পাগলাকে বিশ্বরূপ দেখিয়ে দিলেন।

১০. মহামতি নূরা অতিশয় প্রীত হইয়া সহাস্যবদনে তথাস্তু বলিয়া প্রস্থান করিল।

১১. অনন্তর নূরা পাগলা (নূহ নবী) তার কওমের নিকট প্রত্যবর্তন করে লোকদিগকে বলিতে লাগিল, "মহাপ্লাবণ আসিতেছে।"

১২. জনগণ ভাবিল, মহাপ্লাবণ হয়তো কোনো নতুন নাটকের নাম, আর তারা অপেক্ষা করিতে লাগিল বাৎসরিক মেলার।

১৩. নুরা পাগলা শিবানীর সায়াতলে দর্শিত বিশ্বরূপের আদলে এক অতিকায় কিস্তি নির্মাণ করিলেন এবং পৃথিবীর যাবতীয় তিমি হাতি গণ্ডার অজগরসহ সকল প্রাণী উহার মধ্যে ভরিলেন।

১৪. নিশ্চই নুরা পাগলা ভগবানের নির্দেশ অমান্য করে পশুকূলের মধ্য থেকে শুধু মাদি জাতকেই নৌকায় তুলিয়াছিল। 

১৫. আর তুলিয়াছিল চল্লিশটি পিপে ভর্তি সান্ডার তৈল।

১৬. আর প্রয়োজনীয় খাবার ও তার স্ত্রী পুত্রদের।

১৭. অতপর পূর্বনির্ধারিত দিবসে ভগবান শিব তার অতিকায় ঈমাণদণ্ড স্থাপনপূর্বক মুতিয়া দিলেন জমিনে।

১৮. ভাসিয়া গেল নূহের কওমসহ সৃষ্টিকূল।

১৯. আর ছেঁড়া গেল সদাপ্রভু লুকিলামের হিন্দি চুল।

২০. চল্লিশ দিন চল্লিশ রাত একটানা মূত্রবিসর্জন দিয়া ভগবান শিব ওহুদ পাহাড়টি বাম হস্তে ধারণ করিয়া কুলুখ সারিলেন।

২১. মূত্রের বিষক্রিয়ায় জগতের সমস্ত জলজ প্রাণী মরিয়া ভাসিয়া উঠিল।

২২. আর কিস্তির খোলের ভিতর নুরা পাগলা ও তার পুত্ররা মিলিয়া সব নারীকূল চতুষ্পদী প্রাণীকূল পক্ষীকূল ও মৎসকূলকে শিবদন্ডের বরকতে ক্রোমোজোমের ভিন্নতা সত্ত্বেও গর্ভবতী করিলেন।

২৩. অতপর মূত্র নামিয়া গেলে (নামিয়া কোথায় গেল, কইতারি না) উহারা জমিনে ও জলে গমন করিয়া প্রসব করিল।

২৪. পৃথিবীর সমস্ত প্রাণকে এইরূপে রক্ষা করিলেন মহামতি নুরা পাগলা।

ইছলামী যুক্তি

১৬ জানুয়ারী, ২০১৭

ফাদাক - ৩: গণিমতের উত্তরাধিকার - যুক্তি ও প্রমাণ প্রত্যাখ্যান!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৫৫): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত ঊনত্রিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)


"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর অব্যবহিত পরেই তাঁর প্রিয় অনুসারী আবু বকর ইবনে কুহাফা কী অজুহাতে তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে নবী কন্যা ফাতিমা ও তাঁর অন্যান্য পরিবার সদস্যদের বঞ্চিত করেছিলেন; কী কারণে আলী ইবনে আবু তালিব মুহাম্মদের মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে ফাতিমার মৃত্যুকাল পর্যন্ত আবু বকরের বশ্যতা স্বীকার করেননি; ফাতিমার মৃত্যুর পর কীভাবে তিনি তার মৃত স্ত্রীর নামাজে জানাজা ও দাফনকার্য সম্পন্ন করেছিলেন; কী পরিস্থিতিতে তিনি আবু বকরের বশ্যতা স্বীকার করেছিলেন; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে (পর্ব-১৫৪) করা হয়েছে।

ইসলামের ইতিহাসে মুহাম্মদ ইবনে সা'দ (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ) এক অত্যন্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২ খৃষ্টাব্দ) ও আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ) ছাড়াও মুহাম্মদের মৃত্যু পরবর্তী ২৯০ বছরের মধ্যে আর যে বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিক মুহাম্মদের পূর্ণাঙ্গ 'সিরাত ও মাগাজি' গ্রন্থ রচনা করেছেন, তিনি ছিলেন এই মুহাম্মদ ইবনে সা'দ (Muhammad Ibn Sa’d)। মুহাম্মদের রেখে যাওয়া লুটের মালের (গণিমত) উত্তরাধিকার প্রশ্নে ফাতিমা ও আবু বকরের বিরোধ প্রসঙ্গে তিনি যে অতিরিক্ত তথ্যটি বর্ণনা করেছেন, তা হলো এই:

মুহাম্মদ ইবনে সা'দের (৭৮৪-৮৪৫ সাল) অতিরিক্ত বর্ণনা: [1]

আফফান ইবনে মুসলিম আমাদেরকে জানিয়েছেন (তিনি বলেছেন): হামমাদ ইবনে সালামাহ আমাদের অবগত করিয়েছেন (তিনি বলেছেন): উম্মে হানির [মুহাম্মদের চাচাতো বোন, আবু তালিবের কন্যা] কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আল কালবি আমাকে যা বলেছেন, তা হলো:

'নিশ্চিতই আবু বকরকে ফাতিমা জিজ্ঞাসা করেছিল, "আপনি যখন মৃত্যুবরণ করবেন, কারা আপনার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে?" জবাবে তিনি বলেন, "আমার সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনরা?"

সে বলে, "নবীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে আমাদের বঞ্চিত করার ব্যাপারে আপনার যৌক্তিকতা কী?" তিনি জবাবে বলেন, "হে আল্লাহর নবীর কন্যা! আমি তোমার পিতার জমি, সোনা, রূপা, দাস-দাসী বা সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করিনি।"

সে বলে, "আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত আল্লাহর অংশ (খুমুস, অর্থাৎ এক-পঞ্চমাংশ [কুরান-৮:৪১]) ও আমাদের একান্ত অংশ আপনার কব্জায় আছে।" তৎক্ষণাৎ তিনি জবাবে বলেন, "আমি আল্লাহর নবীকে (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি, "যা আল্লাহ আমাকে খাওয়ান, তা হলো খাদ্য। যখন আমার মৃত্যু হবে, এগুলো মুসলমানদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।"'------

মুহাম্মদ ইবনে উমর আমাদের জানিয়েছেন: নিজ পিতার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যায়েদ ইবনে আসলাম হইতে বর্ণিত তথ্যের ভিত্তিতে হিশাম ইবনে সা'দ আমাকে যা অবহিত করিয়েছেন, তা হলো:

'আমি উমরকে বলতে শুনেছি, "যেদিন আল্লাহর নবী (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) মৃত্যুবরণ করেন, আবু বকরের প্রতি আনুগত্যের শপথ ('bayah') প্রদান করা হয়। তার পরদিন আলী-কে সঙ্গে নিয়ে ফাতিমা আবু বকরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সে বলে, "আমার পিতা আল্লাহর নবীর (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) সম্পত্তির হিস্যা উত্তরাধিকার সূত্রে আমার প্রাপ্য।" 

আবু বকর জিজ্ঞাসা করেন, "গৃহস্থালি জিনিসপত্র, নাকি ভূ-সম্পত্তি?" সে বলে, "আমি তাঁর ফাদাক, খায়বার ও মদিনার সাদাকা সম্পত্তির উত্তরাধিকারী, যেমন করে আপনার মৃত্যুর পর আপনার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেন আপনার কন্যারা।"  

আবু বকর বলেন, "আল্লাহর কসম! তোমার পিতা আমার চেয়ে ও তুমি আমার কন্যাদের চেয়ে উত্তম, কিন্তু আল্লাহর নবী বলেছেন: আমরা কোনো উত্তরাধিকারী রেখে যাই না, যা আমরা রেখে যাই, তা হলো সাদাকা", অর্থাৎ, এই মহা মূল্যবান সম্পত্তি (precious property) যার সম্বন্ধে তুমি জানো। যদি তুমি বলো যে, এটি তোমার পিতা তোমাকে প্রদান করেছেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমার সে কথা মেনে নেবো ও তোমার কথাকে সত্য বলে নিশ্চিত করবো।"

সে বলে, "উম্মে আয়মান (Umm Ayman) আমার কাছে এসে আমাকে অবগত করিয়েছে যে তিনি 'ফাদাক' আমাকে দান করেছেন।"

তিনি জিজ্ঞাসা করেন, "তুমি কি তাঁকে (নবীর) তা বলতে শুনেছো, 'এটি তোমার জন্য?' আমি তোমাকে বিশ্বাস করবো ও তোমার বিবৃতি গ্রহণ করবো।" সে বলে, "আমার যা (প্রমাণ), তা আমি আপনাকে অবগত করিয়েছি।" ---

ধারণার ধরন

আলু-শশা, এ কী দশা!

১.
পাছার ফুটোয় আলু আটকে যাওয়া অবস্থায় এক খ্রিষ্টান ধর্মযাজক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নার্সকে সে বলেছে, জানালায় পর্দা ঝোলানোর সময় সে হঠাৎ করে পড়ে যায় রান্নাঘরের টেবিলে রাখা একটি আলুর ওপরে এবং সেটি সেঁধিয়ে যায় তার পশ্চাদ্দেশে। আরও একটি জরুরি তথ্য সে জানায়: ঘটনার সময় সে ছিলো নগ্ন।

সেই নার্স পরে বলেছেন, ধর্মযাজকের বর্ণিত কাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা তাঁর দায়িত্বের ভেতরে পড়ে না। তবে তিনি যৌনক্রীড়াসক্ত সকলকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন, এমন খেলায় মগ্ন হবার আগে আরও ভালো করে ভেবে দেখা উচিত।

২.
তুরস্কের এক ইমামকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। কারণ রক্তপাত হচ্ছিলো তার মলদ্বার দিয়ে। পরীক্ষা করে তার পাছার ফুটোর ভেতরে শশা খুঁজে পায় ডাক্তাররা। দুঃখের বিষয়, এ বিষয়ে ইমাম কোনও কৈফিয়ত দাখিল করেছিল কি না, জানা যায়নি।

প্রতিশোধ

১৫ জানুয়ারী, ২০১৭

একটি বিশেষ আমন্ত্রণ

(পাঁচ বছর আগে প্রকাশিত এই লেখাটি আজও প্রাসঙ্গিক)

লিখেছেন মালা আলম

একটি বিশেষ আমন্ত্রণ: সুবর্ণ সু্যোগ (সীমিত সময়ের জন্য)

আপনি কি….

১. লালায়িত? হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান বা অন্য কোনো অমুসলিম ব্যক্তির (আরবীতে এক কথায় কাফির) সম্পত্তি (জায়গা/জমি, বাড়ি/গাড়ি বা যেকোন স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি) আপনার চাই? কিন্তু তার জন্য পয়সা খরচ করতে চান না?

২. ধ্বংসকামী? ভাঙতে পছন্দ করেন? জানতে চান গাড়ি বাড়ি ভাঙতে, বা আগুন লাগাতে কেমন লাগে?

৩. বিকৃতকামী? ধর্ষণ বা গণধর্ষণ করতে চান? অথবা আরও কিছু বেশি? যেমন দুই বোনকে ধর্ষণ, মা এবং মেয়েকে ধর্ষণ, স্বামীর সামনে স্ত্রীকে, বাবার সামনে মেয়েকে, ভাইয়ের সামনে বোনকে ধর্ষণ...অথবা ধর্ষণের পর হত্যা?

৪. পাশবিক? মানুষ মেরে দেখতে চান কেমন লাগে? মানুষ জবাই করতে চান? পিটিয়ে মারতে চান? ছেলের সামনে বাবাকে, বাবার সামনে শিশুকে? জীবন্ত মানুষের পশ্চাৎদেশ দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে দেখতে চান? আছড়ে মেরে দেখতে চান এক মাসের বাচ্চা কত দ্রুত মরে? পুরো পরিবারকে জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ করতে চান?

কিন্তু আইনের ভয়ে কিছু করতে পারেন না???

তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগ দিন! আমরা ওপরে উল্লেখিত সব কিছুই করতে পারি এবং আমরা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আমরা আইনের ঊর্ধ্বে। আমাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু করে না। কারণ আমরা উগ্রপন্থী মুসলমান।

ভাবছেন কীভাবে? একেবারে সহজ। আমরা বিশ্বের যে কোনো দেশের ইসলাম, মুসলিম, আল্লাহ, নবী বা কোরান বিষয়ক সমালোচনা, অপমান, বিদ্রূপ, কৌতুক ইত্যাদির খবর অথবা কাল্পনিক খবরকে ব্যবহার করি। অতিরিক্ত সাবধানতা স্বরূপ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ কোরান এবং হাদিসের ব্যাখ্যা ব্যবহার করে আমাদের কার্যক্রমের যুক্তি উত্থাপন করি, যাতে করে যে কোনো সন্দিহান মুসলমানও আমাদের কাজকে সহজে অসমর্থন করতে পারে না। যার ফলে ৯৯% মুসলমান আমাদের বিপক্ষে কিছু বলে বা করে না। বাকী ০.৯৯% হালকা সমালোচনা করে যা আপনি সহজেই অগ্রাহ্য করতে পারেন। বাকী ০.০১% হয়তো একটু সক্রিয় প্রতিবাদ করার চেষ্টা করে, কিন্তু আমরা তাদেরকে পাল্টা মুরতাদ ঘোষণা করি। আর কাফিরদের কথা শোনা তো সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়! (কোরবানীর সময় গরুর মতামত শোনার প্রয়োজন আছে কি?)

ভাবছেন, কীভাবে যোগ দেবেন? একদম সহজ। আমাদের একমাত্র শর্ত - আপনাকে মুসলমান হতে হবে। ইসলামের সবকিছু পালন করতে হবে এমন কথা নেই, শুধু নামই যথেষ্ট।

ভাবছেন কোথায় যোগ দেবেন? আমরা তো আপনার পাশেই আছি! আমাদের সম্বন্ধে যে কোনো নিকটবর্তী মসজিদে খবর নিন। ইদানীং প্রতি শুক্রবার বাদ জুম্মা আমরা মিছিল মিটিংয়ের আয়োজন করছি। কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই যোগ দিন। আমরা আপনার মনের বাসনা পূরণে সর্বাত্মক সহায়তা করবো।

এ সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য!!

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এ সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য!! দেশের কাফির সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে কাফির সংখ্যা শুন্যের কোঠায় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আমাদের পরিসংখ্যা দপ্তর। কাজেই আপনার মনের বাসনা পূরণ করার এখনই সুবর্ণ সু্যোগ! আসুন, আমরা আপনার অপেক্ষায় আছি!