৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শুভ্র বচন - ৩

লিখেছেন শুভ্র আহমেদ

৭.
চেনা বামুনের পৈতা লাগে না। কোন ধর্মের লোকেরই কইতে হয় না: I am not a terrorist.
কিন্তু একখান বিশেষ ধর্মের লোকদের জপমালা নিয়ে জপতে হয়: I'm not a terrorist

৮.
ইসলামি নৈতিকতা:
১. ডাকাতি করা হালাল (বদর যুদ্ধের ইতিহাস দ্রষ্টব্য), কিন্তু ব্যাংকে টাকা রেখে বৈধ ইন্টারেস্ট খাওয়া হারাম।
২. ৬ বছরের মেয়েশিশুকে বিয়ে করা হালাল, কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ের ভালোবেসে চুমু খাওয়া হারাম।
৩. দাসীর সাথে সেক্স করা হালাল, কিন্তু হস্তমৈথুন করা হারাম।
৪. চার বিয়ে হালাল, কিন্তু প্রেম করা হারাম।
৫. বিধর্মী নারী বিয়ে করা হারাম, কিন্তু বিধর্মী নারীদের যৌনদাসী বানানো হালাল।
৬. যুদ্ধ করা হালাল, কিন্তু সংস্কৃতিচর্চা (নাচ-গান, অভিনয়) হারাম।
৭. বাল্যবিয়ে হালাল, কিন্তু সমকামিতা হারাম।
৮. মিথ্যাচার ও প্রতারণা (ইহুদি কবি কা'ব ইবনে আশরাফ এর হত্যাকাহিনী দ্রষ্টব্য) হালাল, কিন্তু ইসলামের কোনো ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা হারাম।
৯. দলবেঁধে হৈ-হুল্লোড় করে রক্ত প্রবাহিত করা (কোরবানির ঈদ) হালাল, কিন্তু নববর্ষ পালন হারাম।
১০. ইহুদি-নাসারাদের সাথে বন্ধুত্ব হারাম, কিন্তু আগবাড়িয়ে তাদের দেশে হামলা করা হালাল।
৯.
লেখার জবাব মুসলিমরা কেন লেখা দিয়ে দেবে? কিংবা কীভাবে দেবে?

মুসলিম দেশগুলাতে শিক্ষার হার সবচে কম। এই অশিক্ষিত ধর্মীয় গোষ্ঠীটি লেখার জবাব লেখা দিয়ে দিবে সেই আশা বাতুলতা। এই আশা ছেড়ে দিয়েই লিখে যেতে হবে।

লেখার জবাবে চাপাতিই আসবে - এইটা মেনে নিয়েই, এই আশংকা সামনে রেখেই পথ চলতে হবে।

অশিক্ষিত মুসলিমদের কাছে কলমের জবাবে কলম আশা করা আর মরুভুমিতে পানির ঝর্ণা আশা করা একই কথা।

দ্বীনবানের দীন বাণী - ৪৭

ভিডিওসূত্র: https://youtu.be/-e34y6O45Bc

ন্যাংটা নবী

বা দিগম্বর পয়গম্বর


আমার বোরখা-ফেটিশ – ১৯৫


২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

পুতুলের হক কথা - ২২

লিখেছেন পুতুল হক

৮৬.
বেশ কয়েকবছর আগে বাংলায় কোরআন পড়েছিলাম। কেমন খাপছাড়া কথা, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথা বারবার করে বলা, এই ধমকাচ্ছে, এই ভয় দেখাচ্ছে, এই অভিশাপ দিচ্ছে, এই লোভ দেখাচ্ছে, এই আবার নিজের মহিমার কথা নিজেই বলছে, কখনো ফার্স্ট পারসন কখনো বা থার্ড পারসন, মাথামুণ্ডু ধরতে পারি না। ছন্দ বা সুর কোথায়, সেটাও খুঁজে পাইনি। হয়তো অনুবাদের কারণে, হয়তো আমার মোটামাথার কারণে, কে জানে বাপু!

৮৭.
ইহুদিরা ষড়যন্ত্র করে আল-কোরআন নামের একটা বই লেখে। সেই বইয়ের প্রচারের জন্য তারা মোহাম্মদ নামের এক জঙ্গি তৈরি করে।
সব দোষ ইহুদি-নাসারার।

৮৮.
অনেক মুসলিমকে বলতে শুনেছি, তারা ভূত বিশ্বাস করে না। তাদের ভাষায় - ভুত বলে পৃথিবীতে কিছু নেই, এসবই মানুষের কল্পনা, কুসংস্কার। কিন্তু তারা জ্বীন আর ফেরেস্তা আছে বিশ্বাস করে। দু'দুটো ফেরেস্তা মানুষের কাঁধে খাতা-কলম নিয়ে বসে আছে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার সময়, ভালোবাসার সময়, চুরি-ডাকাতি করার সময়, প্রতিটি মুহূর্তে তারা মানুষের কাঁধে বসে থেকে শুধু লিখতে থাকে। আর জ্বীনদের নাকি আলাদা দেশ আছে, তারা ঘর-সংসার করে, তাদের বাচ্চা হয়। 
ভূত দেখেনি বলে ভূত বিশ্বাস করে না, কিন্তু না দেখেও জ্বীন আর ফেরেস্তার কথা প্রবলভাবে বিশ্বাস করে।

৮৯.
কল্পনার স্বর্গ-নরক না থাকলে দুনিয়াতে অনেক লোক বেকার হয়ে পড়বে।

৯০.
নানুমণি বুরখা পরতেন না। বাইরে যাবার সময় একটা ওড়না জড়িয়ে নিতেন। অনেক বাল্কি ছিলেন, তার ওপর অসুস্থ। খুব কষ্ট হত তাঁর। ঘেমে অস্থির হয়ে বলেছিলেন, "মেয়েদেরকে ঢেকে রাখার জন্য ছেলেদের কেন যে এতো ইচ্ছা?" আমি বলেছিলাম, "আল্লাহর ইচ্ছা।" নানুমণি বলেছিলেন, "রাখো তোমার আল্লাহর ইচ্ছা, সব পুরুষের বুদ্ধি!"

গরুজাতির মোল্লা-পুরুতবিদ্বেষ

উপমহাদেশের গরুগুলো, খুব সম্ভব, জানে, মুছলিম মোল্লা ও হিন্দু পুরুত তাদের বড়ো শত্রু, যেহেতু কোরবানি ও বলির কাজটি তারাই করে থাকে। আর সে কারণেই এই প্রজাতির ওপরে নিরীহ গরুজাতির এতো রাগ বলে মনে হয়! নিচের ছোট্ট ভিডিও দুটোয় প্রমাণ দেখুন:



প্লেবয়ে মুছলিম জেনানাদের ছবি

প্লেবয়ের অক্টোবর সংখ্যার জন্য মডেল হয়েছে এক মুছলিম জেনানা। শুনে পুরুষদের উৎফুল্ল হবার কোনও কারণ নেই। কারণ ছবিগুলো অতি বেশরিয়তী নয়। মোটামুটিভাবে ছহীহ লেবাছ তার পরনে। এবং হিজাবসহ। একটি নমুনা:


তবে আশাহতদের জন্য সান্ত্বনা পুরস্কার: জার্মানিবাসী তুরস্কীয় বংশোদ্ভুত মুছলিম অভিনেত্রী সিলা সাহিন প্লেবয়ের জার্মান সংস্করণের জন্য দুঃসাহসী ফটো-সেশনে অংশ নিয়েছিলেন সেই ২০১১ সালে!


সেই সময়ের নয়টি ছবির লিংক (ছবিগুলো বড়োদের। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা!  )
একদুইতিনচারপাঁচছয়সাতআটনয় (প্রথমটি ছাড়া প্রতিটি ছবিই অতিকায় আকারের বলে লিংকে যাবার পর ছবিগুলোর ওপরে আবার ক্লিক করতে হতে পারে)

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৫৫

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শেখ'স শপ - ১৩

লিখেছেন শেখ মিলন

৩৭.
আদালতে আসামীকে প্রশ্ন করা হচ্ছে:
- তুমি মিছিলের ওপর চাপাতি হামলা করেছিলে কেন? 
- ওরা চিল্লাপাল্লা করে অশান্তি সৃষ্টি করছিলো, তাই আমি ওদের কল্লা ফালায়ে দিছি... ইসলাম শান্তির ধর্ম, অশান্তি পছন্দ করে না।

৩৮.
বহু জন্ম আগে,
আমি আদম, তুমি ইভ...
জন্মান্তরে,
তুমি পার্বতী, আমি শিব...

৩৯.
কেউ উপাসনালয়ের ভেতরে বসে ভিক্ষা করে পরকালে সুখে থাকার জন্য,
আবার কেউ উপাসনালয়ের সম্মুখে বসে ভিক্ষা করে দিনে দু'বেলা দু'মুঠো খাবারের জন্য।
আমি উপাসনালয়ের বাইরের ঐ ভিক্ষুকগুলোর কথা বলি...
কারণ তারাই বাস্তববাদী, আর ভেতরের ভিক্ষুকেরা তো কল্পনাবিলাসী।

দুর্বিষহ দুর্গন্ধযুক্ত দু'টি কিতাবের তুলনা

সূরা ৮.১৭ মিনিট

(জিব্রাইল পর্ন-মশগুল থাকায়) বিলম্বে নাজিল হয়েছে এক পর্ন লেখক উগ্র নাস্তেক ইত্তিলা ইতু-র ওপরে


সূরা ৮ মিনিট, 
আয়াত ১৭ সেকেন্ড
স্লোভাকিয়ায় অবতীর্ণ

১. তোমরা যাহারা ৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ড লইয়া উত্তেজিত হইয়াছ ও হইতেছ, তাহারা কেহই পর্ন জগৎ সম্পর্কে অজ্ঞাত নহো, তা আমি জানি আমার অসীম ক্ষমতার গুণে।

كنت متحمس، خائفا في أولئك الذين أخذوا 8 دقائق و 17 ثانية، وأيا منهم لا يدركون العالم الاباحية، لكني أعول أمي قوة لانهائية.

২. প্রতি রাতে তোমরা কে কত মিনিট উম্মে সানির পেছনে ব্যয় কর, তাহাও আমার নজরের বাহিরে নহে।

وقالت المبلغ الذي تنفقه كل ليلة دقائق مشمس، ولا حتى لي للخروج من الطريق.

৩. তোমরা কি বেহেশতের ৭২ হুরীর জন্য অপেক্ষা করিতে রাজি নহো, যাহার প্রতিশ্রুতি আমি তোমাদের দিয়াছি? নিশ্চয়ই আমি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করি না।

ما أنت على استعداد لانتظار السماء النعيم القابضة للاستثمارات سبعين هور، الذي قد أعطيت لك الالتزام؟ أنا لا نعد استثناء.

৪. আর তাহারাই নিক্ষিপ্ত হইবে জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনে, যাহারা বিশ্বাস রাখে না আমার প্রতিশ্রুতিতে।

وسوف يلقى في نار جهنم، وأنا لا أعتقد أن تلك الوعود.

৫. এবং নিয়মিত উপভোগ করে ৮ মিনিট জাতীয় উত্তেজক ভিডিও, যাহা আমি সম্পূর্ণ হারাম করিয়াছি তোমাদিগের জন্য।

وتتمتع بانتظام مثيرة الفيديو ثماني دقائق، وهو ما حرم لاستكمال لكم.

৬. এবং এ সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রাখিয়াছি পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

وضعت في نص واضح في الكتب السابقة.

৭. নিশ্চয়ই আমি মহান, করুণাময়, অসীম দয়ালু।

أنا بالتأكيد عظيم، الرحيم، الرحمن الرحيم.

সত্যাসত্য ভগবানেশ্বরাল্যারা

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সাইমুম (উপন্যাস: পর্ব - ৫)

লিখেছেন উজান কৌরাগ


সংগ্রামে ভরা জীবন শাশ্বতীদির। সত্য এবং নিজের বিশ্বাসে অটল থেকে সমাজ আর পরিবারের সঙ্গে ক্রমাগত লড়াই ক’রে মাথা তুলে দাঁড়ানোর এক আদর্শ চরিত্র। ঘুম যেহেতু আসছেই না, লেখাটা পড়েই ফেলি। ক্লিক ক’রে ওর ব্লগে ঢুকে পড়তে শুরু করলাম।

জন্মান্তর (পর্ব - এক)

রতিক্লান্ত দেহে আমার বর এখন বেঘোরে ঘুমোচ্ছে তার ভাঁজ করা ডান হাত আমার বুকের ওপর দিয়ে বাঁ-কাঁধের কাছে আর দ আকৃতির ডান পা দুই ঊরুর ওপর রেখে; তার নিশ্বাস পড়ছে আমার গলার ডানদিকে, গালেও। আমরা দু’জনই নগ্ন! এই যে আমার বর নগ্ন হ’য়ে তার ডান হাত আর ডান পায়ের ভর রেখেছে আমার শরীরের ওপর, আমার শরীরের সাথে লেপটে সে দিব্যি ঘুমোচ্ছে, এই অভিজ্ঞতা আমার আজই প্রথম নয়; অনেক রাত আমরা এভাবে পার করেছি। তবু আমার মনে হচ্ছে আজই প্রথম, আজই প্রথম আমি বরের স্পর্শ সুখ পেলাম; আজই প্রথম আমার জীবন পূর্ণতা পেল, নারীজীবন! কী যে সুখ অনুভূত হচ্ছে, কী যে ভাল লাগছে, কী যে আনন্দের হড়কা বান বইছে আমার হৃদ চরাচরে, সেই অনুভূতি কখনোই আমি শব্দে শব্দে লিখে বা মুখে ব’লে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারবো না কারো কাছে; এমনকি আমার বরের কাছেও নয়। এই সুখ, ভাললাগা, আনন্দের অনুভূতি অব্যক্ত; সকলের সঙ্গে ভাগ ক’রে নেবার পরও হৃদয়ের কোটরে কিছু গোপন থেকেই যায়, যা কারো কাছে ব্যক্ত করা যায় না, এই অনুভূতির কোনো শরিক হয় না। কোনো শব্দেই গাঁথা যায় না এই সুখানুভূতির মালা, কোনো উপমায়ই স্পর্শ করা যায় না এই সুখানুভূতির নিগূঢ় নিগদ, কোনো ভাষায়ই অনুবাদ করা যায় না এই সুখানুভূতির পংক্তিমালা; এ এক অপার সুখের অলিখিত বিমূর্ত মহাকাব্য, যার রসাস্বাদন কেবল নিজেই করা যায়, তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করা যায়! এই অতুল আনন্দে, বিপুল সুখে ঘুম আসছে না আমার! এখন রাত কতো? দুটো তো হবেই। ঝমঝম ক’রে বৃষ্টি নামছে, আষাঢ়ে বৃষ্টি। মহল্লায় কোনো সাড়াশব্দ নেই, সারা মহল্লার মানুষ এখন ঘুমোচ্ছে; আমিই কেবল জেগে জেগে হাবুডুবু খাচ্ছি সুখের ভাবালুতায়। মনে হচ্ছে রাত দীর্ঘ হোক, এমনি ক’রে অঝোর ধারায় কামুক বৃষ্টি নেমে ভেজাক মাটির জরায়ু, যাতে আমি দীর্ঘ সময়ব্যাপী একা একা এই সুখ উদযাপন করতে পারি!

ক্যাপশন কী হতে পারে?

পাঠিয়েছেন অর্নব আহমেদ

নিমো হুজুরের খুতবা - ১

লিখেছেন নীল নিমো

(কোরবানিরই রেশ নিয়ে যাই চলে...)

১.
আজকে এক মুরিদ প্রশ্ন করিল, "হুজুর, নবী ইব্রাহীমের পর এতগুলো নবী-রাসুল আসল, কেউই কুপাকুপি কইরা ঈদ বা আনন্দ পাইলো না। স্বয়ং ইব্রাহিমও কোনোদিন ঈদুল আজহা পালন করে নাই। তাহলে নবী মুহাম্মদ নিরীহ পুশুপাখি কুপাকুপি করে আনন্দ উল্লাস করতে আদেশ দিল কেন? এই লন লিস্ট: Adam, Idris (Enoch), Nuh (Noah), Hud (Heber), Salih (Methusaleh), Lut (Lot), Ibrahim (Abraham), Ismail (Ishmael), Ishaq (Isaac), Yaqub (Jacob), Yusuf (Joseph), Shu’aib (Jethro), Ayyub (Job), Dhulkifl (Ezekiel), Musa (Moses), Harun (Aaron), Dawud (David), Sulayman (Solomon), Ilias (Elias), Alyasa (Elisha), Yunus (Jonah), Zakariya (Zachariah), Yahya (John the Baptist), Isa (Jesus), Muhammad"

আমি উত্তর দিলাম, "ধুর বোকা, আমাদের প্রীয় নবী মুহাম্মদ কুপাকুপি শিক্ষা না দিলে কি নবী আসা বন্দ হইত? মুহাম্মদ হলেন শেষ নবী, এরপরে অন্য কোনো নবী আসলেই তার ঘাড়ে কোপ পড়বে। নবী মুহাম্মদ ও তার উম্মতদের ভয়ে আল্লাপাক পৃথিবীতে আর কোনো নবী পাঠাচ্ছে না। আল্লাপাক যখন কোনো নবী পাঠাচ্ছেন না, তখন আর কী করা? আসুন, পশুপাখির উপর কুপাকুপি প্যাক্টিস করে আনন্দ করি।"

২.
আমার কিছু পাকিস্থানি ঈমানদ্বার মুরিদ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেছে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা ঈদুল আজহাতে পশুপাখি কুপাকুপির পরিবর্তে গাছ কুপাকুপি করে আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ স্বীকার করবে।


হে মুমিন, তুমি ভেজেটেরিয়ান হইছো তো কী হয়েছে? তুমি ভুলে যেও না তুমি মুসলমান... কুপাকুপি তোমাকে করতেই হবে। এইটাই আল্লাহর হুকুম। সব ধরনের কুপাকুপিই আল্লাহপাক পছন্দ করে।

৩.
একটি দুঃসংবাদ। ফ্রি গরুর মাংশ খাইয়া আজকে দুপর থেকেই আমার কোষ্টকাঠিন্য শুরু হইয়াছে। কোষ্টকাঠিন্য মানেই হল টয়লেটে গিয়া জিহাদ করা। আজকে বিকালে টয়লেটে গিয়ে জিহাদ করার সময় "আল্লাহু আকবর" বলে জোরে জোরে তাকবির দিচ্ছিলাম। আমার চিৎকার শুনে আমার ড্যানিশ প্রতিবেশি টেরোরিষ্ট হামলা মনে করে ভয় পাইয়া পুলিশ ডাকছে। আমি এখন ড্যানিশ পুলিশের হেফাজতে আছি। আমার জন্য দোয়া করবেন।

শান্তিকামী (peace fucker) ইছলাম

লিখেছেন জুলিয়াস সিজার

জর্ডানের লেখক নাহেদ সাত্তার; ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার দিয়েছিলেন, যেখানে দেখানো হচ্ছিলো, এক দাড়িওয়ালা লোক কল্পিত বেহেশতে বিছানায় নারীদের নিয়ে শুয়ে খোদাকে মদ ও বাদাম পাঠাতে বলছেন।

অনুবাদ করেছেন মাওলানা দূরের পাখি

এই ছবি দেখে জর্ডানের মুসলমানদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে। তারা ইসলাম অবমাননার দায়ে ওই লেখকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আজ ওই মামলার জন্য আদালতে হাজিরা দিতে গেলে লেখক নাহেদ সাত্তারকে এক ইসলামী জিহাদি গুলি করে হত্যা করে।

বাংলাদেশে ধর্মানুভূতির কারণে একের পর এক ব্লগার হত্যা, প্রকাশক হত্যা, সমকামীদের নিয়ে ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা হত্যা, এমনকি ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেবার ছুঁতোয় নিরীহ দর্জিকে পর্যন্ত কুপিয়ে হত্যা।

প্যারিসে কার্টুন দেখে হত্যা, ডেনমার্কে মুভির পরিচালককে হত্যা, পাকিস্তানে সেক্যুলার ব্লগারকে গুলি করে হত্যা, আমেরিকাতে সমকামীদের ক্লাবে হত্যা - পৃথিবীর সবখানেই শান্তির ধর্মের অনুসারীরা রক্তের ফিনকি ছুটিয়ে চলছে।

এমনকি খোদ ভারতে, যেখানে শান্তির নেক বান্দারা সংখ্যালঘু, সেখানেও এক মৌলবাদী তৃণমূল মুসলিম নেতার অভিযোগে তারক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারক বিশ্বাস হিন্দুধর্মের সমালোচনা করেছেন অনেকবার, তাতে কারও ধর্মানুভূতিতে লাগেনি। ভারতে 'পিকে', 'ওহ মাই গড' নির্মাণ করে কাউকে খুন হতে হয়নি। 'হেরা ফেরি' মুভিতে "রামলাল গলি কা কুত্তা" বলার পরেও পরিচালক কিংবা অভিনেতা কেউই জেলেও যাননি, খুনও হননি।

কিন্তু ইসলাম নিয়ে একটা লেখা লিখাতে তারক বিশ্বাসকে জেলে যেতে হয়েছে। জেল থেকে বের হবার পর হয়তো কুপিয়ে খুনও করা হবে জর্ডানের লেখক নাহেদ সাত্তারের মতো।

বাংলাদেশ থেকে ভারত, পাকিস্তান, জর্ডান, ইউরোপ, আমেরিকা - কোথাও থেকে নেই শান্তির (!) ধর্মের অনুসারীদের শান্তি প্রতিষ্ঠার দাপটে। এই শান্তি এমনই শান্তি! শান্তির ধর্মের অনুসারীদের 'ধর্মানুভূতি' ইউনিভার্সাল। কোথাও একটুও পার্থক্য নেই।

এমন এক অসাধারণ শান্তির বীজ পৃথিবীতে রোপনের জন্য মোহাম্মদকে শান্তিতে মরণোত্তর নোবেল দেওয়া উচিত।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

খায়বার যুদ্ধ - ১২: কিনানা বিন আল-রাবিকে নির্যাতন ও খুন!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৪১): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত পনের

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।" 

মানব ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ ও দুঃখজনক ইতিহাসের একটি হলো ক্রীতদাস-দাসী প্রথার প্রচলন ও প্রসার! এই প্রথায় একজন মুক্ত মানুষ বংশ বংশানুক্রমে পরিণত হতেন অন্য একজন মানুষের "ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে", অন্যান্য গৃহপালিত গবাদি পশুর মতোই। একবার এই অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার পর, সেই মানুষটির স্বাধীন সত্তা হতো পুরোপুরি রহিত। তিনি তখন মুক্ত মানুষ থেকে রূপান্তরিত হতেন তাঁর মালিকের ইচ্ছার বাহন। যে প্রক্রিয়ায় একজন মানুষ এই দুঃসহ অবস্থার শিকার হতেন, তার আদি উৎস “মাত্র একটি!" আর তা হলো, আদি-তে এই মানুষগুলো কিংবা তাঁদের পূর্বপুরুষদের কোনো এক বা একাধিক মুক্ত মানুষকে কোনো এক 'শক্তিধর মানুষ' তার উন্মুক্ত শক্তি প্রয়োগে জোরপূর্বক বন্দী করে অথবা তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি, অর্থবল বা প্রতারণার মাধ্যমে (পর্ব: ৭৯) রূপান্তরিত করেছেন এই দুঃসহ জীবনে। অতঃপর তারা তাঁদেরকে রেখেছেন নিজেদের সম্পত্তিরূপে, অথবা তাঁদের বিক্রি বা দান করেছেন অন্যের কাছে। অতঃপর, তাঁদের আমৃত্যু পরিণতি এক মনিব থেকে অন্য মনিবের কাছে একই প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর ও দুঃসহ জীবন! বংশ বংশানুক্রমে! আদি উৎসে মুলতঃ এই শক্তিধর মানুষরাই ছিলেন 'ক্রীতদাস-দাসী" প্রথার মূল জোগানদার (Supplier) ও চালিকাশক্তি। মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা ছিলেন এই দলেরই প্রতিনিধিত্বকারী! উন্মুক্ত শক্তিবলে অমানুষিক নৃশংসতায় স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তাঁর অনুসারীরা কীভাবে মুক্ত মানুষদের বন্দী করে তাঁদেরকে এই দুঃসহ জীবনের অন্তর্ভুক্ত ও বাজারজাত (Marketing) করে দাসপ্রথার প্রসার ঘটিয়েছিলেন, তা আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় অত্যন্ত স্পষ্ট - যার আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। “দাসপ্রথার” ওপর মুহাম্মদ ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইসলামের অবদানকে যদি এক বাক্যে প্রকাশ করা হয়, তবে তা হবে এই:

"অবিশ্বাসী জনপদের মুক্ত মানুষদের জোরপূর্বক বন্দী করে ধরে নিয়ে এসে তাঁদেরকে দাস-দাসী রূপে রূপান্তর, সরবরাহ ও বাজারজাত করার মাধ্যমে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ দাসপ্রথার উন্নতি ও প্রসারে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছিলেন।"

মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দ), আল-তাবারী (৮৩৯ -৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ), আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রমুখ আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা 'খায়বার যুদ্ধ' উপাখ্যানের পরবর্তী ঘটনা প্রবাহের যে প্রাণবন্ত বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেছেন, তা মুহাম্মদের মদিনা জীবনের অসংখ্য নৃশংসতার আর একটি উদাহরণ হিসাবে ইসলামের ইতিহাসেই পাতায় সাক্ষ্য হয়ে আছে। এই অমানুষিক নৃশংস ঘটনার সবচেয়ে বিস্তারিত বর্ণনা (পর্ব-১৩৪) লিপিবদ্ধ করছেন আল-ওয়াকিদি, তাঁর “কিতাব আল-মাগাজি' গ্রন্থে।

আল-ওয়াকিদির (৭৪৮-৮২২ খ্রিষ্টাব্দ) অব্যাহত বর্ণনার পুনরারম্ভ: [1] [2] [3]
পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ১৪০) পর:

'কিনানা ইহুদিদের মধ্যে থেকে শামাখ নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে আল্লাহর নবীর কাছে যে-বার্তা পাঠায়, তা হলো, "আমি কি তোমার কাছে আসতে পারি ও কথা বলতে পারি?" যখন শামাখ আসে, মুসলমানরা তাকে আল্লাহর নবীর কাছে নিয়ে আসে ও সে তাঁকে অভিবাদন জানায় ও তাঁকে কিনানার বার্তাটি শোনায়, তিনি তার প্রতি ছিলেন সদয়। একদল ইহুদির সঙ্গে কিনানা আসে ও আল্লাহর নবীর সঙ্গে তাঁর চুক্তি মোতাবেক ও তাঁর শর্ত অনুযায়ী শান্তি স্থাপন করে। ইবরাহিম যা বলেছে, তা হলো, ধনুক ও যুদ্ধাস্ত্রগুলোর মালিক ছিল আবু আল-হুকায়েকের পরিবারের ও তারা এগুলো বাইরের আরবদের কাছে ভাড়া দিয়েছিলো। তারা তাদের অলংকারগুলোও বাইরে আরবদের কাছে ভাড়া দিয়েছিলো। তারা ছিলো মদিনার সবচেয়ে খারাপ ইহুদি।----- ইবনে আবি আল-হুকায়েক সেখানে আসে ও আল্লাহর নবীর সাথে যে-চুক্তিটি করে তা হলো,

আমাদের আত্মীয়েরা – ৯৯

আমরা বানরেরই বংশধর, হাওয়ার পোলা নই।


ইছলাম ত্যাগের কারণসমূহ - ৪১

ব্রিটেনের কাউন্সিল অভ এক্স-মুসলিম নামের সংগঠনের উদ্যোগে #ExMuslimBecause নামে টুইটারে একটি প্রচারণা অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। প্রাক্তন মুছলিমরা উপস্থাপন করছে ইছলাম ত্যাগের বিবিধ কারণ। অতি দীর্ঘ ও ক্রমবর্ধমান এই কারণ-তালিকা থেকে কিছু সরস ও সিরিয়াস কারণ অনুবাদ করে প্রকাশ করা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। এতে যুক্ত করা হচ্ছে/হবে ধর্মকারীর ঠিকানায় পাঠানো লেখা/ছবি/ভিডিওও।

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ > পর্ব ৪০

Ahmed Shoueiry: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ লিঙ্গভিত্তিক পৃথকীকরণ (sex segregation) ব্যাপারটা অপ্রাকৃতিক ও অস্বাস্থ্যকর। এর ফলে পুরুষেরা তাদের কৌমার্য হারায় যৌনকর্মীদের কাছে, আর নারীরা তাদের সতিচ্ছদ পর্দা অটুট রাখতে আশ্রয় নেয় পায়ুকামের।

Soulaymane Elmiri: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ রমজান মাসে যখনই আমি খেতে বের হই, আমার জীবন পড়ে বিপদের ঝুঁকিতে। এছাড়া আমার ছয় মাসের জেল ও জরিমানাও হতে পারে।

AgnosticAlias: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ কোরান-ভর্তি অসঙ্গতি আর যৌনবৈষম্য, তবু এটা নাকি "নিখুঁত কিতাব"! যতো দ্রুত সম্ভব কোরানের হালনাগাদ করুন।

Rehana Harrison: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ আমাকে সব সময় আতঙ্কের ভেতরে বাস করতে হতো - না জানি কখন নিজের অজান্তে গুনাহ্ করে ফেলি!

Arsheen Rabbani: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ আমার প্রয়োজন নেই ১৫০০ বছরের পুরনো এক কিতাবের (যেটার প্রামাণ্য সম্পর্কে আমি রীতিমতো সন্দিহান), যেটা আমাকে বলে দেবে - গান শোনা আমার উচিত কি না।

Siguchi: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ অগণিত বৈজ্ঞানিক ভ্রান্তি!

Sarah imanuel: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ ইছলাম সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে বলে আল্লাহকে এবং তার পরে মুছলিম উম্মাহকে। এভাবে মর্যাদাহানি করা হয় বাকি মানবজাতির।

F. Jeffery (F.J.): আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ ইছলাম দাসপ্রথা বিলোপ করেনি। কাফেররা করেছে। বেশ কয়েকটি মুছলিমপ্রধান দেশে আজও দাসপ্রথার প্রচলন আছে।

Ahmed Shoueiry: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ ইছলাম সৃজনশীলতার বিরোধী। যে এ কথা মানে না, তাকে দমন (হত্যা/পঙ্গু/কুপিয়ে আহত) করা হবে।

Reda Alouani: আমি প্রাক্তন মুছলিম, কারণ এমন কোনও উড়ন্ত ঘোড়া নেই, যা পৃথিবীর বাইরে গিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে এবং উড়তে পারে আলোর চেয়ে দ্রুততর গতিতে।

মুছলিমদের সুখ-অসুখ

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

কোরআন যেভাবে অবতীর্ণ মক্কা - দ্বিতীয় অধ্যায়: দেড় কিলোমিটারে সাত বছর (পর্ব ১৩)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


{নবী মুহাম্মদ চরিত্রের অন্ধকার দিক হচ্ছে, তিনি সমালোচনা মেনে নিতে পারতেন না; মক্কার কুরাইশগন যখন তাকে পাগল/কবি/পুরাণ-কথক/গণক/জাদুকর বলে সমালোচনা করতে থাকলো; একই সাথে মৃত্যু-পরবর্তী জীবন, শেষ-বিচার/দোযখ/বেহেস্ত আর আল্লাহর একত্বের ধারণাকে উপহাস করেতে থাকলো; মুহাম্মদ এবং তার অবচেতনের আল্লাহ-জ্রিবাইলও ক্রমশ ক্ষেপে উঠলো; শুরু হলো কুরাইশদের সমালোচনা, উপহাস, শাস্তি প্রদানের আয়াত প্রকাশ; আর নবাগত মুসলিমদের উৎসাহিত করার জন্য মদ/নারী/দাসীর লোভ তো থাকছেই; একটু সচেতনভাবে আজকের পর্বের ৬ টি প্রকাশ পড়লে বুঝতে বাকি থাকে না, কীভাবে মুহাম্মদের আল্লাহ আর জ্রিবাইল মহাবিশ্বের অসীম চিন্তা বাদ দিয়ে মক্কার গুটিকয়েক (১৫০০-২০০০) মানুষের কথায় পুতুল নাচের বাঘের মত ক্ষেপে উঠতো!

একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, মুহাম্মদ যখন মানসিকভাবে বেশি চাপে থাকতেন, তখন সূরায় আয়াতের সংখ্যা লম্বা হয়ে যেত; আর ক্রমশ ভয় ও লোভ প্রদর্শনের মাত্রা বাড়ত! আমি একটি হিসাব করে দেখেছি, তিন-চার মাস পর পর মুহাম্মদ হঠাৎ হঠাৎ ক্ষেপে উঠতেন, এবং মনের সকল রাগ-ক্ষোভ লম্বা সূরায় প্রকাশ করতেন! আগামী পর্বে তার নমুনা আবার দেখা যাবে!

এই পর্বের ৬ টি প্রকাশে একটি বিষয় হয়ত পাঠকের চোখে পড়বে - মুহাম্মদ তার নারী সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির সমসাময়িক অবস্থার কিছুটা প্রকাশ করেছেন; আজ এটুকুই থাক, আরবের নারী নিয়ে আগামী পর্বে আরও জেনে নেওয়া যাবে! চলুন, আপনাকে আজ মক্কার পতিতালয় থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি! 

মক্কা, সহজ কথায় একাধিক দেশের বাণিজ্য-যাত্রার মধ্যপথের সরাইখানা, বেদুঈন আর আরব গোত্রের বিনোদন আর মূর্তিপূজার কেন্দ্র। মোটামুটি ৪ ধরনের পতিতালয় ছিল মক্কায়, (ক) বাড়ির সামনে সাদা পতাকা ওড়ানো গণ-পতিতালয়, (খ) স্বাধীন নারী নিজ বাসায় শরীর বিক্রি করতেন, (গ) কোনো কোনো কুরাইশ তাদের দাসীদের দিয়ে বছরের নির্দিষ্ট সময় পতিতাবৃত্তি করাতেন, (ঘ) সামান্য কিছু কুরাইশ তার একাধিক স্ত্রী কতৃক দেহব্যবসা করাতেন!

বিস্তারিত ক্রমশ প্রকাশ্য। শুধু একটা প্রশ্ন রেখে যাই, যেহেতু হিজাজের (মক্কা, মদিনা, তায়েফ) কোনো সরকার ব্যবস্থা ছিলো না, তবে তাদের কোনো মুদ্রা থাকারও কথা নয়; তাহলে হিজাজের জনগণ, ইথিওপিয়া, ইয়েমেন, তায়েফ, মক্কা, ইয়াসরিব, সিরিয়া, মিশর এবং ইরানে কেনাকাটা করতো কী দিয়ে? আর মক্কার পতিতালয়ে শরীর ক্রয়-বিক্রয় হত কি ঘোড়ার ডিম দিয়ে! ভাবতে থাকুন, উত্তর পেলে জানাতে পারেন; না পেলে অপেক্ষা করতে থাকুন।

কোরআন অবতীর্ণ হবার ধারাবাহিকতা অনুসারে প্রকাশের আজ ১৩ তম পর্ব; এই পর্বে থাকছে মক্কা - দ্বিতীয় অধ্যায়: দেড় কিলোমিটারে সাত বছরের ৬ষ্ঠ ছয় অংশঅনুবাদের ভাষা একাধিক বাংলা/ইংরেজি অনুবাদ অনুসারে নিজস্ব।}

আকালের কালে

জান্নাত ও জাহান্নাম: একটি হিসেব

লিখেছেন কেপলার টুটুবি

জান্নাত আর জাহান্নাম লাভের একটা ক্যালকুলেশন করি, চলুন। হিসাব মেলাই।

স্টেপ১:

বর্তমান পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৭০০ কোটি। এর মধ্যে মুসলিম আছে ২৩% অর্থাৎ ১৬০কোটি; আর বাকি ধর্মাবলম্বী মানুষ আছে ৭৭% অর্থাৎ ৫৪০ কোটি মানুষ। আল্লার কথা মতো - এখান থেকে জান্নাতে যাবে ১৬০ কোটি মানুষ। বাকি ৭৭% মানুষ জাহান্নামে।

স্টেপ ২:

১৬০ কোটি মুসলিমের মধ্যে নামেমাত্র মুসলিম (সুদখোর, ঘুষখোর, টিভি-সিনেমা-নাচ-গান-বাজনামগ্ন , চোর, প্রতারক, বিধর্মী চাল চলনে অভ্যস্ত) আছে ৯০% অর্থাৎ ১৪৪কোটি। আর সহিহ মুমিন নামাযী, আল্লার খাস বান্দা পাওয়া যাবে মাত্র ১০% মানে ১৬ কোটি। শুধু এরাই জান্নাতে যাবে। 

স্টেপ ৩:

এখন আসি এই ১৬ কোটি সহিহ মুমিন মুসলিমদের নিয়ে, যাদের মধ্য আবার গ্রুপিং আছে। ১. শিয়া মুসলিম, ২. সুন্নী মুসলিম, ৩. ওহাবি বা মওদুদি মুসলিম। এরা সবাই একে অপরকে গালাগাল দেয়। যেমন - শিয়ারা বলে, সুন্নীরা হইলো বেদাতী, মাজার পূজারী, মুশরিক। সুন্নীরা বলে, শিয়া আর ওহাবিদের আকীদা (মানে গোড়াতেই) ভুল। এরা জান্নাত পাবে না। ওহাবীরা আরো ইন্টারেস্টিং। ওরা বলে, আমরাই একমাত্র আল্লাভক্ত। নবী-টবী কিছু না। অনলি আল্লাহ। তোরা জাহান্নামী।

এই তিন গ্রুপেই আছে নবী নিয়ে টানাটানি। এরপর মারামারি, বোমা ফাটানো, শিয়ার মুসজিদ সুন্নিরা উড়ায় দেয়। সুন্নীরা ওহাবিদের। হা হা হা। আবার এরদে ভেতরেও ছোট ছোট গ্রুপিং আছে, যা বর্ণনা করতে গেলে উপন্যাস লিখতে হবে। তাই বাদ দিলাম। 

এখন এদের মধ্যে যে কোনো এক গ্রুপকে আমি সহিহ ধরে নিলাম, যাদের আকিদা সঠিক। যারা আল্লারে খুশি করবে। যারা জান্নাতে যাবে। তাইলে ১৬ কোটিকে তিনভাগ দিলে হয় ৫ কোটি ৩০ লাখ।

স্টেপ ৪:

এবার আসি ৫ কোটি ৩০ লাখদের নিয়ে। এরা সহিহ মুসলিম হলেও এদের মধ্যেও রয়েছে কিছু সমস্যা। যেমন, জীবনে ১ ওয়াক্ত নামায কাযা কেউ করেনি, এরকম কেউ বলতে পারবে না। আর ১ ওয়াক্ত নামায কাযা করার শাস্তি হলো ২ হাজার কোটি বছর জাহান্নামের আগুনে পোড়া। আরো আছে। যেমন: নামায ভুল, আযান না শোনা, মিথ্যা বলা, হারাম জিনিস খেয়ে ফেলা, কবিরা গুনা (যে গুনা ক্ষমা করা হয় নাহ) করে ফেলা ইত্যাদি ইত্যাদি। 

অর্থাৎ সহিহ মুসলিম হলেও এদের মধ্যে থেকে সবাই জান্নাতে যাবে না। ফিল্টার হয়ে এদের থেকে জান্নাতে যাবে ৫ কোটি ৩০ লাখের ১% মানে ৫ লাখ ৩০ হাজার মানুষ।

সুতরাং পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মধ্যে জান্নাতে যাচ্ছে মাত্র ০.০০৭% অর্থাৎ ৫ লক্ষ ৩০ হাজার জন। আর জাহান্নামে যাবে ৯৯.৯৯৩% অর্থাৎ ৬৯৯ কোটি ৯৪ লক্ষ মানুষ। 

আমার মন্তব্য: আল্লাহ পরম করুণাময় আর অসীম দয়ালু, যিনি পৃথিবীর ৯৯% মানুষকে জাহান্নামে ফেলে ভাজি করবেন অনন্তকাল ধরে।

হায়াত-মউত

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

দু'টি ইছলামী বিনুদুন


ইরানে মানবাকৃতির রোবট তৈরি করা হয়েছে। তার নাম রাখা হয়েছে প্রাচীন এক যোদ্ধার নামে: Surena 2. রোবটটির উদ্বোধন করেছেন প্রেসিডেন্ট স্বয়ং।

আশা করেছিলাম, ইরানের রোবট হবে সাচ্চা মুসলিম চেহারার: দাড়িওয়ালা, টুপি পরা! দেখে হতাশ হলাম।

এই রোবট তৈরির লক্ষ্য কী, তা এখনও জানানো হয়নি। তবে আসুন, আমরা কল্পনা করি, এই রোবটটি ইরানে কী কী কাজে আসতে পারে:

১. আত্মঘাতী বোমা হামলায় (কিন্তু সুরেনা পরকালে ৭২টি কুমারী পাবে কি?),

২. মেয়েদের পাথর ছুঁড়ে হত্যা করার কাজটি "মানবিক" (বা রোবটিক) করার লক্ষ্যে,

৩. তসবিহ গণনা স্বয়ংক্রিয়করণে,

৪. ...

#


একটি ক্ষেত্রে তোতাপাখির সঙ্গে অধিকাংশ মুসলিমের কোনও তফাত নেই। তোতা যা বলে, না বুঝেই বলে। নামাজ পড়ার সময় সুরা উচ্চারণ করা বা কোরান মুখস্থ বলা মুসলিমরাও কাজটি করে কিন্তু না বুঝেই।

সে-কারণেই কি না, জানি না, তবে আরব দেশে কোরানের আয়াত জানা ও মোনাজাত করতে পারা তোতাপাখির বিপুল চাহিদা! একটি মাওলানা-তোতাপাখির মূল্য সর্বোচ্চ সাড়ে দশ হাজার ডলারেরও বেশি হতে পারে!

লতা মুঙ্গেশকর মুসলিম হলে এবং হামদ-নাত গেয়ে অভ্যস্ত হলে তাঁর গাওয়া একটি গানের কলির একটি শব্দ বদলে দিয়ে গাইতে পারতেন: "হতাম যদি তোতাপাখি, তোমায় কোরান শোনাতাম..."

(ধর্মকারীর আর্কাইভ থেকে)