২১ ডিসেম্বর, ২০১৪

ওহুদ যুদ্ধ - ৮: আক্রান্ত মুহাম্মদ!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৬১): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – চৌত্রিশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ওহুদ যুদ্ধে কী রূপে গুরুতর আহত হয়েছিলেন তার আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে। ওহুদ যুদ্ধের আগে কোনো মক্কাবাসী কুরাইশ মুহাম্মদকে কখনো কোনো গুরুতর শারীরিক আঘাত করেছেন এমন ইতিহাস আদি মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না (পর্ব-৬০)।

আক্রান্ত মুহাম্মদ তাঁর অনুসারীদের কাছে তাঁর জীবন রক্ষার আবেদন করেন। বেহেশতের প্রলোভন দিয়ে তিনি তাদের এই বলে আহ্বান করেন, কেউ তার "জীবন বিক্রি" করতে রাজী আছে কি না!

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনা:

‘পণ্ডিত মুহাম্মদ বিন আমর হইতে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে আল-হুসাইন বিন আবদুল রহমান বিন আমর বিন সা'দ বিন মুয়াদ আমাকে [মুহাম্মদ ইবনে ইশাক] জানিয়েছেন:

যখন শত্রুরা তাঁকে পরিবেষ্টিত করে, আল্লাহর নবী বলেন,

"আমাদের জন্য কে তার জীবন বিক্রি করবে?

যিয়াদ বিন আল-সাকান ও তার সাথে আরও পাঁচ জন আনসার (আদি মদিনা-বাসী মুহাম্মদ অনুসারী) উঠে দাঁড়ান। (অন্যান্যরা বলে যে, তিনি ছিলেন উমারা বিন ইয়াজিদ বিন আল-সাকান।)

আল্লাহর নবীকে রক্ষার জন্য তারা একের পর এক যুদ্ধ করতে থাকেন, যতক্ষণ না একমাত্র যিয়াদ (অথবা উমারা) ছাড়া সকলেই নিহত হন এবং তিনি হন বিকলাঙ্গ।

সেই মুহূর্তে কিছু সংখ্যক মুসলমান পুনরাগমন করেন এবং তাঁর কাছ থেকে শত্রুদের দূরে তাড়িয়ে দেন। আল্লাহর নবী তাকে [যিয়াদ অথবা উমারা] তাঁর কাছে নিয়ে আসার হুকুম জারি করেন ও তার মাথাটি তাঁর পায়ের ওপর হেলনা দিয়ে ধরে রাখেন। আল্লাহর নবীর পায়ের ওপরেই তার মৃত্যু ঘটে।  

আল্লাহর নবীকে রক্ষার জন্য আবু দুযানা তার শরীর ঢাল স্বরূপ ব্যবহার করেন। তিনি আল্লাহর নবীর শরীরের ওপর ঝুঁকে থাকেন ও অনেকগুলো তীর তার পিঠে বিদ্ধ হয়। 

আল্লাহর নবীকে রক্ষার জন্য সা'দ বিন আবু ওয়াকাস তার তীর নিক্ষেপ করতে থাকেন।

তিনি বলেছেন, "আমি দেখেছিলাম যে তিনি [মুহাম্মদ] আমার হাতে তীরগুলো এগিয়ে দিচ্ছেন এবং বলছেন, 'নিক্ষেপ করো, আশা করি আমার বাবা ও আমার মা যেন হয় তোমার বন্দিত্বমোচনের বাহন (Shoot, may my father and my mother be your ransom); এমনকি তিনি আমাকে 'এটা নিক্ষেপ করো' বলে এমন একটি তীর হাতে দেন যার কোন মাথা ছিল না।"

আসিম বিন উমর বিন কাতাদা বলেন যে, আল্লাহর নবী তাঁর ধনুকের তলা ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তীর নিক্ষেপ করতে থাকেন।

কাতাদা বিন আল-নুমান তা নিয়ে রেখে দেন। ঐ দিন তার (কাতাদা) চোখ এতই জখম হয়েছিল যে, তা বের হয়ে এসেছিল তার গালের উপর। আসিম আমাকে বলেছেন যে আল্লাহর নবী তাঁর হাত দিয়ে সেই চোখ আবার যথাস্থানে পুনঃস্থাপন করেন এবং তারপর থেকে সেটি হয় সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন চোখ। [1] [2]

আল্লাহর নবীকে রক্ষার জন্য মুসাব বিন উমায়ের যুদ্ধ চালিয়ে যান যতক্ষণে তাকে হত্যা করা হয়। যে ব্যক্তিটি তাকে হত্যা করে তার নাম ইবনে কামিয়া আল-লেইথি, যে মনে করেছিল যে সেই [মুসাব] ছিল আল্লাহর নবী। তাই সে কুরাইশদের কাছে ফিরে আসে ও বলে, "আমি মুহাম্মদকে হত্যা করেছি।"

মুসাব খুন হওয়ার পর, আল্লাহর নবী যুদ্ধের ঝণ্ডাটি আলীর হাতে দেন। আলী ও অন্যান্য মুসলমানেরা যুদ্ধ চালিয়ে যায়। [3]

>>> মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের এই বর্ণনায় আমরা জানতে পারছি যে বিপন্ন মুহাম্মদ তাঁর নিজের জীবন রক্ষার প্রয়োজনে তাঁর অনুসারীদের "বেহেশতের প্রলোভনে" উজ্জীবিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। আর তাঁর অনুসারীরা তাদের নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে নবীকে করেছিলেন রক্ষা।

মুহাম্মদের ব্যক্তিমানস জীবন-ইতিহাসের (Psychobiography) এই পর্যায়ে একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সংক্ষিপ্ত আলোচনার (বিস্তারিত 'হিজরত' পর্বে) বিশেষ প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আর তা হলো:

“মক্কা থেকে পালিয়ে আসার সময় (স্বেচ্ছানির্বাসন - পর্ব: ৪১-৪২) মুহাম্মদ তাঁর নিজের জীবন রক্ষার প্রয়োজনে তাঁর চাচাত ভাই আলী ইবনে আবু তালিবকে কী রূপে মৃত্যুর মুখে স্থাপন করে চুপি চুপি রাতের অন্ধকারে পালিয়ে এসেছিলেন!”

মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ সাল), আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ সাল) ও মুহাম্মদ ইবনে সা'দের ((৭৮৪-৮৪৫ সাল) বর্ণনার সংক্ষিপ্তসার:

“জিবরাইল এসে মুহাম্মদকে সতর্ক করে দিয়েছিল” এই বলে যে, তিনি যেন রাতে তাঁর বিছানায় শয়ন না করেন।

কারণ?  

কুরাইশরা তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। তাঁকে জানানো হয়েছিল যে, প্রতিটা কুরাইশ গোত্রের মধ্য থেকে ‘হৃষ্ট-পুষ্ট’-সবল-সুঠাম বলিষ্ঠ জোয়ানরা মুহাম্মদের বাড়ির দরজার সামনে ‘মুহাম্মদের’ ঘুমের অপেক্ষায় আছে! মুহাম্মদ ঘুমালে তারা ঘরে ঢুকে একযোগে তাঁকে আক্রমণ ও হত্যা করবে!

মুহাম্মদ এই সংবাদ জানার পর লক্ষ্য করেন যে, সেই রাতে কুরাইশরা তাঁর বাড়ীর চারিপাশে ঘুরাঘুরি করছে।

এমত পরিস্থিতিতে,

মুহাম্মদ তাঁর নিজের জীবন রক্ষার প্রয়োজনে কুরাইশদের ধোঁকা দেয়ার জন্য তাঁর চাচাতো ভাই আলীকে নির্দেশ দেন, যেন সে তাঁর (মুহাম্মদের) ব্যবহৃত কম্বলটি দিয়ে চোখ-মুখ ঢেকে বিছানায় শুয়ে থাকে; যাতে কুরাইশরা বিভ্রান্ত হন এই ভেবে যে মুহাম্মদ বিছানায় শুয়ে আছে। আর সেই সুযোগে মুহম্মদ নিরাপদে পলায়ন করতে পারেন। [4] [5][6]

(Then the Gabriel came to the Messenger of God and said, “Do not spend this night in the bed in which you usually sleep”.

When the first third of the night had gone past, the young men gathered at his door and waited for him to go to sleep so that they could fall upon him.

When the Messenger of God saw them there he said to Ali b Abu Talib, ‘Sleep on my bed and wrap yourself up in my green Hadrami cloak; nothing unpleasant will be fall you from them”.

The messenger of god used to sleep in that cloak when he went to bed. --- Then the messenger of God went off ---) [4] [5][6]

আলীকে এমনই বিপদজনক অবস্থায় মৃত্যুর মুখে ফেলে রেখে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ সেই রাতে তাঁর পলায়নপর্ব সম্পন্ন করেন!

মুহাম্মদের চাদর মুড়ি দিয়ে চোখ-মুখ ঢেকে মুহাম্মদের বিছানায় আলীর শুয়ে থাকায় কথিত ঘাতকদের বিভ্রান্ত করে মুহাম্মদের পলায়ন পর্ব নির্বিঘ্ন হয় সত্যি; কিন্তু সেই একই বিভ্রান্তিতে ঘাতকের হাতে মুহাম্মদের পরিবর্তে আলীর খুন হওয়ার সম্ভাবনা নিশ্চিত হয় নিঃসন্দেহে।

নিজের জীবন রক্ষার প্রয়োজনে বিভিন্ন কলা-কৌশলে অন্য একজন মানুষকে সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া কোন ব্যক্তিকে কি "অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী (৬৮:৪)", কিংবা "বিশ্ববাসীর রহমত (২১:১০৭)", কিংবা, "মানব জাতির ত্রাণকর্তা (৩৪:২৮)" ইত্যাদি বিশেষ বিশেষণে ভূষিত করা যায়? 

সেই ব্যক্তিটি কী হতে পারেন পৃথিবীর সকল মানুষের একমাত্র অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব?

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৩৮০
[2] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক:  আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৭, ইংরেজী অনুবাদ: W. Montogomery Watt and M.V. McDonald, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা (Leiden) ১৪০৩-১৪০৪

[3] Ibid মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, পৃষ্ঠা- ৩৭৭

[4] Ibid মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, পৃষ্ঠা- ২২২

[5] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক:  আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৬, ইংরেজী অনুবাদ: W. Montogomery Watt and M.V. McDonald, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, Albany, ১৯৮৮; ISBN 0-88706-707-7; পৃষ্ঠা (Leiden) ১২২০-১২৩৩ http://books.google.com/books?id=taeamiOj2nYC&printsec=frontcover&source=gbs_ge_summary_r&cad=0#v=onepage&q&f=false

[6] মুহাম্মদ ইবনে সা'দ (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ) - লেখক: “কিতাব আল-তাবাকাত আল-কাবির”, অনুবাদ - এস মইনুল হক, প্রকাশক- কিতাব ভবন, নয়া দিল্লি, সাল ২০০৯ (3rd Reprint). ISBN 81-7151-127-9 (set). ভলুউম ১, পৃষ্ঠা ২৬৩-২৬৪
http://kitaabun.com/shopping3/product_info.php?products_id=4170

মডারেট খচ্চরেরা






আদিবাসীরা কি দেশী মুছলিমদের গনিমতের মাল?

লিখেছেন জুলিয়াস সিজার

১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিন রাঙামাটির নানিয়াচরে আদিবাসীদের ওপরে সাম্প্রদায়িক হামলা হলো। প্রায় ৬০টি বাড়িঘর এবং দোকান একেবারে শেষ করে দেওয়া হলো।

শুধু একবার ভেবে দেখুন। এই প্রচণ্ড শীতের দিনে পাহাড়ে এই ঘরহীন মানুষগুলো কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন। পাহাড়ে সেনাবাহিনী ক্যাম্প আছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক ব্যবস্থা আছে। এত বিরাট একটা হামলা হলো। কোথায় ছিল সেনাবাহিনী? কোথায় প্রশাসন? এই পাহাড়িদের অপরাধ কী? কিছুদিন পর পর পাহাড়ি মেয়েরা ধর্ষিত এবং খুন হয়। ধর্ষকদের নামের আগের পিছে মোহাম্মদ থাকে। তবুও তারা মুসলিম নয়! একদল আসবে আপনাকে জ্ঞান দিতে: ধর্ষকের কোনো ধর্ম নেই, হেনতেন বহুকিছু!

অবশ্যই এসব ধর্মীয় নিপীড়ন এবং অত্যাচার। এখানে মাথার আগাকাটা মুসলমান ছাড়া আর কেউ থাকতে পারবে না। শ্লোগান - "বাঁচতে হলে কাটতে হবে।"

বাংলাদেশে নির্বাচন হলে অমুসলিমেরা নির্যাতিত হবে। রাজাকারের রায় হলেও নির্যাতিত হবে। রায় কার্যকর হলেও নির্যাতিত হবে। ফেইসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে গুজব ছড়ালেও নির্যাতিত হবে।

কিন্তু আপনি কিছু বলতে পারবেন না। লিখতে পারবেন না। আপনাকে তাদের সাথে গলা মেলাতে হবে। বলতে হবে:

"ইহা সহী ইসলাম নহে। ইসলাম শান্তির ধর্ম!"

প্রতিবার সাম্প্রদায়িক হামলা হয় দেশের নানা প্রান্তে। কিছু লোক টাকা পয়সা সংগ্রহ করে ত্রাণ পাঠায়। তাঁদেরকে আমার শ্রদ্ধা এবং ধন্যবাদ। কিন্তু এর প্রতিকার কী? কয়জন অপরাধী শাস্তি পেয়েছে? সাঈদির রায়ের পর সারাদেশে পুরো একমাস টানা সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে। কয়জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামি লীগ? নির্বাচনের পরে মালোপাড়া, ঋষিপল্লী, নীলফামারী, গাইবান্ধা, সাতকানিয়া আরো নানা জায়গায় হামলা হলো, তার জন্য কয়জন শাস্তি পেয়েছে?

রামু, পাবনার সাঁথিয়া, বরিশালের চর কাউইয়া - আর কয়টির এলাকার নাম জানতে চান?

কী ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামি লীগ সরকার? মানলাম, বিএনপি-জামাত নির্যাতন করে। আওয়ামি লীগের দায়িত্ব কী?

নিজেদের মৌলবাদী দেশ একটা। এর মাঝে আর একদল আছে, কোথাও মুসলমান মরলে মানবতাবাদী হয়ে যাবে। হ্যাশট্যাগ দেবে। সারা পৃথিবীতে মুসলমান জঙ্গিরা যখন নির্বিচারে অমুসলিমদের বর্বরভাবে হত্যা করবে, নারী নির্যাতন করবে তখন আপনি তাদের খুঁজেও পাবেন না। কবি তখন নীরব!

এই তো সম্ভবত পরশু দিন ইরাকে আইএস জঙ্গিরা ১৫০জন খ্রিষ্টান মেয়েকে শিরচ্ছেদ করেছে একসাথে। হ্যাঁ, একসাথে ১৫০ জন! ব্যাপার না, ম্যান! ইহা সহী ইসলাম নহে! তবে নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকির ফাঁসি চাই। আইএস দীর্ঘজীবী হোক!

অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, আমি মুসলিম- বা ইসলামবিদ্বেষী কি না। সভ্য পৃথিবীতে বসবাস করার অযোগ্য সারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টিকারী বর্বর দোপেয়ে জানোয়ারদের প্রতি বিদ্বেষ দেখানোর রুচি আমার নেই।

মুসা নবীর কেরামতি



মধ্যরাতের ভিডিও - ০৩

শিরোনাম দেখে প্রলুব্ধ হলে ভুল করবেন। ধর্মপচানি নানাবিধ ভিডিওর লিংক ছোট্ট বর্ণনাসহ প্রকাশ করা হবে এই সিরিজে, যা (অনিয়মিতভাবে) ঢাকা সময় রাত বারোটায় প্রকাশ পাবে বলেই এই নামকরণ 

১.
একেবারে চাঁছাছোলা কথার একটি গান। তাতে বলা হচ্ছে: 
Keep your Jesus off my penis
Keep your bible off my balls
...
I'll keep my penis off you
শুনে আমার বলতে ইচ্ছে করে: 
Keep your Mohammad off my penis
Keep your Quran off my balls
...
I'll keep my penis off you 
গানটিতে এক সময় খ্রিষ্টধর্মকে hypo-Christianity (hypocrisy + Christianity), বলা হয়। শুনে আমার ইচ্ছে করে ইছলাম ধর্মকে hypocrislam (hypocrisy + Islam) বলে ডাকতে মঞ্চায়।

http://youtu.be/wHjsaEK4vnw
(৩.৩৮ মিনিট)

http://youtu.be/_FMS0ZRqcNY
(৪.৫২ মিনিট)


২.
মুছলিম ভাইয়েরা, পর্ন দেখার আগে চোদ্দবার ভাইবেন! মিসরে পর্ন দেখলে গাজায় কোনও ধরনের বিপর্যয় বা দুর্যোগ হয়... অর্থাৎ এক দল মুছলিমরা পর্ন দেখলে অন্য মুছলিমদের ওপর নেমে আসে গজব...
http://youtu.be/CglmjJVb7jE
(২.৫৮)

৩.
পর্ন বিষয়ে খ্যাতনামা খ্রিষ্টধর্মবাজের মন্তব্য এরকম: প্রেমিক পর্নাসক্ত হলে তাকে প্রেমিকার ত্যাগ করা উচিত, তবে স্ত্রীর প্রতি অবিশ্বস্ত হলেও স্বামীকে ছেড়ে যাওয়া উচিত নয়, কারণ ছেলেদের একটু-আধটু আলুর দোষ থাকেই
(২.০৯ মিনিট)

৪.
জনপ্রিয় অ-নে-কগুলো গানের ছোট ছোট অংশ ব্যবহার করে বলা হয়েছে যিশুর জন্মকাহিনী। শুরু হয়েছে কুমারী মেরির গর্ভধারণ থেকে। খুবই মজাদার ভিডিও। বানিয়েছে যারা, তাদের নামটাও লক্ষণীয় - Four Screws Loose.
http://youtu.be/YG4aD7o_Pmw
(৫.০১ মিনিট)

৫.
ইছলামী আত্মঘাতী বোমারু মানেই দাড়িয়াল ও পায়জামা-পাঞ্জাবি বা আলখেল্লা জাতীয় পোশাক পরিহিত হবে, এমন কোনও কথা নেই। রীতিমতো স্যুটেড-বুটেড নির্দাড়ি জঙ্গি কীভাবে ৭২ হুরির পথে এগিয়ে গেল, দেখুন সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও-সহ বানানো রিপোর্টে।
http://youtu.be/vwrlGQy5SFI
(৩.২৪ মিনিট)

২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

নামাজরঙ্গ - ৪০


'আল্লাহু আকবর' - কুৎসিততম স্লোগান

লিখেছেন অপ্রিয় ভাষ্য

১.
আজ 'আল্লাহু আকবর' মানে আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের কথা মনে আসে না।
'আল্লাহু আকবর' মানে আল্লাকে মহান বলে মনে হয় না।
'আল্লাহু আকবর' মানে আল্লাহকে আর দয়ালু মনে হয় না।

'আল্লাহু আকবর' মানে আজ চোখের সামনে ভেসে উঠে বীভৎস লাশ
মুণ্ডু কাটা গলা দিয়ে রক্তের ফিনকি
গুলিতে ঝাঁঝরা অজস্র শিশুর বুক
সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে নিরীহ মানুষদের মহানন্দে খুন করা!
বোমা হামলায় বিদগ্ধ নগরী
একপাল উগ্র ধর্মান্ধের গণহত্যার উৎসব!
রক্তের বন্যাধারায় সিক্ত মৃত্তিকা!
আর হাসতে হাসতে সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা......

২.
'আল্লাহু আকবর' শব্দবন্ধটা শুনলে আঁতকে উঠি! প্রচণ্ড রকম ভয় পাই, গা শিউরে উঠে! 
এই শব্দবন্ধটা উচ্চারিত হবার সাথে সাথে কত জীবন্ত মানুষ লাশ হয়ে যায়, মুহূর্তেই কতো শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। 
এই শব্দবন্ধটা উচ্চারিত করেই পেশোয়ারে ১৩২ জন কোমলমতি শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকিস্তানের ইসলামিক জঙ্গিগোষ্টী। 
এই শব্দবন্ধ উচ্চারণ করে প্রতিদিন আইসিসের জঙ্গিরা মানুষ ধরে ধরে জবাই করছে। 
এই শব্দবন্ধ উচ্চারণ করেই একসাথে ১৫০ যৌনজিহাদী নারীকে (তারা জঙ্গিদের বিয়ে করতে চায়নি বলে) হত্যা করে আইসিস জঙ্গিরা। 
এই শব্দবন্ধ উচ্চারণ করে সৌদি আরবে নিয়মিত শিরোচ্ছেদ করা হয়। 
এই শব্দবন্ধ উচ্চারণ করে কোরবানিতে বীভৎসভাবে লক্ষ লক্ষ পশুকে জবাই করার হয়।

শুনেছি আল্লা শ্রেষ্ঠ, আল্লা মহান, আল্লা দয়ালু, আল্লা অসীম করুণাময়! এবং আল্লা সবক্ষেত্রে বিরাজমান। তো যারা আল্লার নাম ভাঙিয়ে এতো এতো এতো হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, আল্লার নামে এতো জঘন্য অপরাধ করছে, তারপরও আল্লা নির্লজ্জের মতো চুপ থাকে কী করে? আল্লার কি উচিত নয় তাদের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ করা? আল্লা তো দেখি কিছুই করে না। আল্লা কি তাহলে এতোই নির্জীব? এতোই অপদার্থ? কিছু একটা বলো, প্রিয় মডারেটরা!

'আল্লাহু আকবর শব্দটি একটি ভয়ংকর অমানবিক শব্দবন্ধ! এই শব্দবন্ধ দিয়ে অনেক রক্তের ইতিহাস তৈরি হয়েছে, আর না! আইন পাশ করে এই শব্দবন্ধটাকে পুরো পৃথিবীতে নিষিদ্ধ করা উচিত! 

সেই সাথে অশান্তির প্রতীক ইসলামকেও...

দ্বীনবানের দীন বাণী - ০৮


বুঝতেই পারছেন, ফাকিস্তানের স্কুলশিশুহত্যা তাণ্ডব সম্পূর্ণভাবেই সুন্নত ও ছহীহ ইছলামসম্মত। এবং ঠিক এ কারণেই ফাকিস্তানের ইসলামাবাদের লাল মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আজিজ তালেবানের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানকে ‘অনৈছলামিক’ বলে ঘোষণা করেছে। তার মতে, তালেবানের ওপর বিমান হামলার প্রতিশোধ নিতেই পেশোয়ারে স্কুলে ১৩৩ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

ইউরুফিয় সভ্যতা কেনো মাইনব!

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

হা হা হা! আমার শুদু হাসি ফায়, যখন দিখি নাস্তেকরা মুসলিমদিগকে অফদস্ত কোইত্তেই মূলত নবীজির বহুগামিতা লিয়ে কতা বলে অথবা নবীজির বাইল্য বিবাহ লিয়ে কতা বলে অথবা তারা আমাদের চুক্ষের উফর শাহাদাৎ আংগুল তুলি যখন বলে, তোরা এমুন এক আরব লুকের ধর্ম ফালন করিস, মইধ্যপ্রাচ্যের যেই লুকটা (সাল্লাল্লাহি ওয়া সাল্লাম) তার পূত্রের ওয়াইফকে শাদি করে, তখন নাস্তেকরা মূলত আমাগের ঈমানি শক্তির তেজ কমাইতেই এমন প্রসঙ্গ আনি ফেলে, কেননা তারাও জানে মইধ্যযুগে এইগুলান ঘটা অসম্ভব সিলো না।

কয়দিনই বা হইল এদেশ থিকা বাইল্য বিবাহ উতখাত হই হই করতেসে!

আর তাসাড়া, আমিরিকান বা ইউরুফিয়ান সমাজ বেবোস্থার আইন দ্বারা তমরা নাস্তেকরা যুদি মইধ্যপ্রাচ্য সমাজ বেবোস্থা বিচার খরো অথবা যেমন, ধরো বলো, শিশুবিবাহ বেআইনি - সেই ইউরুফিয় সভ্যতার আইনের কতা আমরা কেনো মাইনব!

যুদি বলো, ফলিগমি বা বহুগামিতাককে কটু দৃষ্টিতে দিখা হয়, তখন দেকতে হবে - কোন দেশের লুকেরা দেখে কটু দৃষ্টির চশমা দিয়া! যুদি সে চশমা মেইড বাই ওয়েস্টার্ন কান্ট্রি হয়, তবে সে গ্লাস পারা দিয়া ভাঙ্গি ফেইলব।

অতএব আমাদিগকে সবকিসু মইধ্যপ্রাচ্যের চশমা দিয়া দেকতে হবে!

হায় রে নাস্তেকরা, সেই মইধ্য যুগের জিবন বেবোস্থাকে এই একুবিংশ শতাব্দির জিবন বেবোস্তার আইন দ্বারা বিচার-আসার করে!

নাস্তেকরা যুদি ধর্ম উতখাত করতে কার্যকর কিসু করতে সাইতো, তবে তারা নিম্নক্ত বিষয়ের দিকে নজর দিত:

- নারী উষ্কানি। নারীদেরকে আত্মনির্ভিরশীল হবার উস্কানি। তাদেরকে অনুধাবন কোইত্তে শিখানো যে, পুরুশ সমাজ বেবোস্থায় ধর্ম দ্বারা তাদের জিবন যে ফ্রেইম এ আবেষ্টিত, সে ফ্রেইমে নারীকে দ্বিতিয় শ্রেনির মানশ হিসেবে গন্য করা হয়। অথস সৃষ্টির মানব-মানবি দুই ই সমান মানুষ।

- হিজড়াদের উস্কানি। হিজড়াদের উস্কানি দেতে হবে এই বলি, আল্লাহর দুনিয়ায় তগো জায়গা নাই, হারামজাদারা, থুক্কু... তগোকে হারামজাদা বোইলব নাকি হারামজাদি বোইলব সেইটা এক দিগদারী! যে পবিত্র কোরানে তদের লিঙ্গের বেফারে আল্লাহ কিসু বলেন নাই, অর্থাৎ পবিত্র কোরানে ত আল্লাহপাক পুরুশদের সাতে কতা বোইলচেন এবং পুরুশদিগকে মিডিয়া বানায়ে নারীদের কানে কথা ফৌঁসিয়েসেন - নারিদের কী কোইত্তে হবে না হবে, সেই দিক নির্দেশনার বেফারে, কিন্তুক হিজরা লিঙ্গের বেফারে ত কিসু বলেন নাই। হিজড়াদের হিজাব করাইতে হবে নাকি টাকনার উফরে ফাজামা পরাতে হবে, এ জাতিয় দিক নির্দেশনা নাই।

যেখানে আল্লাহপাক হিজড়া লিঙ্গের অস্তিত্ব কোরানে স্থান দেন নাই, সেখানে তরা হিজড়ারা ত অনাকাংখিত উনার দুনিয়ায়! এমনকি তদের অস্তিত্বই এক প্রকার কোরান অবমাননা ,কারণ তদের জন্ম, অস্তিত্বের বেফারে কথা না বলা ফ্রমান করে কোরানের অজ্ঞতা ।

সুতরাং হিজড়াদের ফাঁসি সাই! হিহিহি হিজড়া পট্টি দৌড় দিখার মত হইবে!

হাঁ নাস্তেকেরা, নবী অবমাননা না করি এই দুইটা জাতকে উস্কানি দিয়া দেখো কী হয়! নবী অবমাননায় কাঁদে আমাগের মন। প্লিজ আর অবমাননা করি অ না।

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

ইছলামী ক্রিছমাছ

ইছলামে ক্রিসমাস উদযাপনের রীতি থাকলে...



দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ৩০

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

৮৮.
পাকিস্তানে বাচ্চা মারে তালিবানরা, আর পাকিরা দোষ দেয় ভারতের। না জানি কবে এই পাকিরা পাকিস্তানে প্রতিটা বাচ্চার জন্মের জন্য ভারতকে দায়ী করে!

৮৯.
ওরা যখন ‘আল্লাহু আকবর’ বলে গুলি চালিয়েছিল, তখন শিশুগুলোও কি ‘আল্লাহু আকবর’ বলছিল?

৯০.
লাইব্রেরি এবং মসজিদ - দুইটা করতেই টাকা লাগে। একটা দেয় পশ্চিমারা, আরেকটা দেয় আরবেরা।

ক্ষান্তিবিহীন শান্তি প্রসার




নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ৪৫

লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ৮৯:
মুসলিমরা অমুসলিমদের দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে তাদের বাক-স্বাধীনতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা সেকুলারিজমের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়; শরীয়া আইন প্রবর্তনের কথা বলে।

দাঁতভাঙা জবাব:
এইসব ব্যক্তি-স্বাধীনতা, বাক-স্বাধীনতা, সেকুলারিজম ইসলামের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য। যে কোনো অবস্থাতেই একজন মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব হচ্ছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জ্বিহাদ করা।


কটূক্তি ৯০:
অমুসলিমরা তাদের দেশে ইসলাম-শরীয়া প্রসার নিষিদ্ধ করলে মুসলিমরা আপত্তি জানায় কেন?

দাঁতভাঙা জবাব:
দেখুন নিজ ধর্ম পালন করা, প্রচার করা ব্যক্তি-স্বাধীনতা আর বাক-স্বাধীনতার অংশ। ইহুদী-নাসারারা বলে, তাদের দেশে সবাই স্বাধীন, তাহলে মুসলিমরা দ্বীনের প্রসার ঘটাতে পারবে না কেন?

* এবারের দাঁতভাঙা কার্টেসি পিনাকী লেভেলের সুশীলরা...

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১৩১



কে বলে ইসলামে বিজ্ঞান নাই: জীববিদ্যা

লিখেছেন শান্তনু আদিব

এরপরে আমাদের আলোচনার বিষয় ইসলামের আলোকে জীববিদ্যা বা বায়ুলজি। সাথে হালকা সাইকুলজিও থাকিবে। 

তথ্য ১:
সঙ্গম কালে ইনশাল্লাহ বা আল্লা চাহে তো বলিলে পুত্র সন্তান জন্ম নিবে।
(Sahih Bukhari 4:52:74)
এতে কী সুবিধা হবে, বলেন দিখি ভাইসাবেরা? আল্লার রাস্তায় জিহাদি পাওয়া যাইবে গণ্ডায় গণ্ডায়।

তথ্য ২:
মায়ের পেতে সন্তান প্রথম ৪০ দিন বীর্য হিসাবে থাকে, তার পরের ৪০ দিন রক্তের জমাট গোলা হিসাবে থাকে তার পরের ৪০ দিন মাংসপিণ্ড হিসাবে থাকে।
(Sahih Bukhari 4:54:430)
দ্বীনের নবী আসলেই একজন গাইনী বিশেষজ্ঞ ছিলেন।

তথ্য ৩:
গর্ভ ধারণের ৮০ দিন পড়ে গর্ভের শিশু পুরুষ না মহিলা তা নির্ধারিত হয়।
(Sahih Bukhari 8:77:594)
আর নাস্তিক বিজ্ঞানীরা বলে বেড়ায়, গর্ভধারণের সময় নাকি ছেলে বাচ্চা না মেয়ে বাচ্চা, তা নির্ধারিত হয়ে যায়। যতসব মূর্খ বিজ্ঞানীর দল। আপনারাই বলেন, আল্লা-রাসুলের থেকে বেশি কি কারো পক্ষে জানা সম্ভব?

তথ্য ৪:
কেহই জানে না গর্ভস্থ শিশু ছেলে না মেয়ে।
(Sahih Bukhari 2:17:149)
আলট্রাসাউন্ড টেকনোলজি আসলে শয়তানের হাতিয়ার। ইমান আকিদা থেকে দুরে সরানোর জন্য নাস্তিক বিজ্ঞানীরা এসব বানিয়েছে।

তথ্য ৫:
জন্মের পরে শিশু কাঁদে যদি শয়তান এসে তাকে স্পর্শ করে।
(Sahih Bukhari 4:54:506)
জন্মের পড়ে আমি কান্দি নাই দেইখা যে ডাক্তার আমার পাছায় থাবড়া মাইরা কান্দাইছিল, সেইটা ছিল আসল শয়তান।

তথ্য ৬:
জন্মদাগ হয় অভিশাপ থেকে, জাদু টোনা থেকে।
(Sahih Bukhari 7:71:635)
আল্লা-খোদার নাম নেয়ার পরেও এই অবস্থা কেনে হয়?? জবাব দাও হে রাব্বুল আলামিন।

তথ্য ৭:
হাই তোলা শয়তানের কারসাজি। আর কেউ যদি হাই তোলার সময় শব্দ করে শয়তান নাকি খিকখিক করে হাসে।
(Sahih Bukhari 4:54:509)
ঘুম পাড়ানি মাসিপিসিরা কি তাইলে আসলে শয়তান? :O

তথ্য ৮:
বেশি ঘুমের কারণ শয়তান যদি কানে হিসু করে।
(Sahih Bukhari 2:21:245)
এই জন্যই অলস মানুষগুলা শয়তান হয়। এ তো দেখি বায়ুলজির সাথে সাইকুলজি!

তথ্য ৯:
অমুসলিমদের অন্ত্র(intestine) সাতটি আর মুসলিমদের একটি।
(Sahih Muslim 23:5113)
এ থেকে প্রমাণিত যে, অমুসলিমেরা মানুষ নহে। তাই তাদের কতল করিলে কোনো গুনাহ হইবে না।

তথ্য ১০:
মহিলাদের বুদ্ধি কম।
(Sahih Bukhari 3:48:826)
যে জন্য তাহাদের সাক্ষীর ভ্যালু অর্ধেক। কিন্তু বেটি মানুষের বুদ্ধি কম হইলে আমি এতগুলা ছ্যাঁকা খাইলাম কেমনে? তাইলে কি আমার বুদ্ধি বেটি মাইনষের থেইকাও কম?

চিত্রপঞ্চক - ১০৩

সিলেট বাণিজ্য মেলা, ২০১৪ (পাঠিয়েছেন প্রথা বিরোধী)

রাশিয়া এখন একটি ধর্মদুর্গত দেশ (ছবি পাঠিয়েছেন রাশিয়া-প্রবাসী মোকাম্মেল)

এক ছাগু এক গরুর বেহেশত নসিব কামনা করে এক গাধার নিকট আবেদন করছে (মন্তব্য: অরুন্ধতী চৌধুরী)

আল্যার কী কুদরত!

নুডলমাস - Flying Spaghetti Monster-এর জন্মলগ্ন

দুঃশব্দের শহর

লিখেছেন সেক্যুলার ফ্রাইডে

ছেলেবেলা থেকেই শুনছি, ঢাকা হচ্ছে মসজিদের নগরী; অদ্ভুত এক খেলো গর্বও লুকিয়ে আছে এই নামকরণটিতে, যদিও আদতে আজ এই ঢাকা মূলত শব্দসন্ত্রাস আর নির্মম শব্দতাণ্ডবেরও শহর।

ভোর হতে না হতেই ঢাকার আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে ভেসে বেড়ায় ৯০-১০০ ডেসিবেলের লাউডস্পিকারে কর্কশ এক বিজাতীয় শব্দ, যার ত্রিমুখী, চতুর্মুখী, পঞ্চমুখী আক্রমণে ছেয়ে যায় নগরীর প্রতিটি গৃহকোণ...
আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাহ , [আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই]
আশহাদু আল্লামুহাম্মাদার রাসুল্লাহ, [আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (স) আল্লাহর প্রেরিত দূত]
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, [আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই]
এবং তা চলে দিনভর; একবার নয়, দু'বার নয়, পাঁচ-পাঁচ বার।

নির্লজ্জ মুমিন মুসলমানেরা প্রায়শঃই অযৌক্তিক একটি দাবি করে: ইসলাম হল শান্তির ধর্ম, ইসলাম কোনো ধর্মকে ছোট করে দেখে না,যার যার ধর্ম তার তার, ইত্যাদি ইত্যাদি; ইসলামে কোরআন ও হাদীসে পরধর্ম সহিষ্ণুতার শিক্ষা আছে - এমন মজাদার কথাও তাঁরা বলে থাকেন; অথচ দিনভর পাঁচ বার চেঁচিয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বিষোদগার করে চলাকে তাঁদের গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়।

ঢাকার প্রায় শতভাগ মানুষই, সেই সাথে অন্যান্য শহরগুলোর নাগরিকেরাও শব্দদূষণের কারণে নানা রোগে ভুগছেন। রাজধানীর প্রায় ১২ ভাগ নগরবাসী মাথাব্যথা ও চোখে পানিপড়া, ১৮ ভাগ অবসাদ, ১৫ ভাগ অনিদ্রা, ২৮ ভাগ বদমেজাজ, ২৬ ভাগ কানে কম শোনা এবং তিন ভাগ লোক অন্যান্য রোগে ভুগছেন, সেটাও বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকেরা বলছেন, ১৫ বছর পর এই মহানগরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ভাগ লোক তাদের শ্রবণশক্তি হারাবে বা শ্রবণপ্রতিবন্ধী হবে। গবেষণাপত্রগুলো প্রামাণ্য উদাহরণ উপস্থাপন করছে, এমনকি সরকার রীতিমত নীতিমালা প্রণয়ন করে এটা স্পষ্ট করেছে যে, গবেষকদের এই দাবীগুলো সঠিক, দেশে শব্দদূষণ আছে এবং তার প্রতিকারও প্রয়োজন; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শব্দদূষণ রোধে নীতিমালা থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ নেই। শব্দদূষণ বিধিমালাটি মোবাইল কোর্ট আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও দূষণ রোধে কার্যকর কোনো ভূমিকা আজও দৃশ্যমান নয়। পুলিশের কাছে গেলে পাওয়া যায় শব্দ মাপার যন্ত্র না-থাকার অজুহাত।

শব্দদূষণ বিধিমালা ২০০৬ নামের এই বিধিমালার মূল কথা: মানুষের কানের সহনীয় মাত্রা ৪৫ ডেসিবল। সে কারণেই নীরব এলাকায় শব্দের গ্রহণযোগ্য মাত্রা দিনের বেলায় (ছয়টা-নয়টা) ৪৫ ডেসিবল, রাতে (নয়টা থেকে সকাল ছয়টা) ৩৫ ডেসিবল। একইভাবে দিনে আবাসিক এলাকায় ৫০ ডেসিবল ও রাতে ৪০ ডেসিবল। মিশ্রণ এলাকায় (আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা হিসেবে একত্রে ব্যবহৃত এলাকা) দিনে ৬০ ডেসিবল, রাতে ৫০ ডেসিবল, বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৭০ ডেসিবল, রাতে ৬০ ডেসিবল, শিল্প এলাকায় দিনে ৭৫ ডেসিবল, রাতে ৭০ ডেসিবল।

রাজধানীতে ব্যবহৃত যানবাহন থেকে উৎসারিত শব্দ ৯৫ ডেসিবেল, মাইক্রোফোনের শব্দ ৯০-১০০ ডেসিবেল, কারখানার শব্দ ৮০-৯০ ডেসিবেল, হোটেল ও সিনেমা হলের শব্দ ৭৫-৯০ ডেসিবেল, উৎসব অনুষ্ঠানের শব্দ ৮৫-৯০ ডেসিবেল, বেবিট্যাক্সি ও মোটরসাইকেলের শব্দ ৮৭-৯২ ডেসিবেল, বাস-ট্রাকের শব্দ ৯২-৯৪ ডেসিবেল পর্যন্ত হয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা মসজিদের খুব কাছে থাকেন, তাদের জন্য মাইক্রোফোনের ৯০-১০০ ডেসিবেল মাত্রার শব্দ খুবই বিপজ্জনক। বিশ্বজুড়ে মাইক বাজিয়ে আজান দেয়া তাই একে একে নিষিদ্ধ হচ্ছে।

বাংলাদেশে পরধর্মের প্রতি অসংবেদনশীল এবং বোধশূন্য। অনুভূতিহীন ও অসাড় চৈতন্যের মুমিন মুসলমানেরা শুধুমাত্র তাঁদের ধর্মানুভুতির নামে দেশবাসীর, এমনকি শিশুদের যে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করে চলেছে, তার কি কোনো প্রতিকার নেই?

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

হা-হা-হাদিস – ১১৮

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing

http://www.nowdownload.ch/dl/da441c35c51a0

ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ০১

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ) 

১.
- ভূগোলের ইছলামী নাম কী?
- ভূ-সমতল।

২. 
নবীজি নাকি তার উম্মতদিগের উদ্দেশ্যে বলেছেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীন দেশে যাও।

আমার কাফের মনে এই বিষয়ে একটা প্রশ্ন জাগে। তা হলো, কোরানের উপরে তো আর কোনো জ্ঞান-বিজ্ঞান নেই। চীন দেশে গিয়ে কী জ্ঞান অর্জনের কথা বলেছেন নবীজি? চীনের জ্ঞান কি কোরানের জ্ঞানের চেয়ে বেশি উচ্চমার্গের? নবীজি একটি কাফের দেশের কাছে কোরান মজিদ তথা এর লেখক আল্লাকে হেয় করলেন কেন? নাকি তখন কোরানের উপর আল্লাত লানৎ পড়ে সব জ্ঞান কোরান থেকে চীনে হিযরত করেছিল?

৩. 
আব্রাহামিক ধর্মগুলোর উদ্ভাবকেরা বেশ আনন্দিত ও গর্বিত চিত্তে প্রচার করেছিল যে, তাদের পূর্বপুরুষ স্বর্গ হতে বিতাড়িত একটি লোক ছিল। এ সকল ধর্মে অন্ধবিশ্বাসীরাও বিশ্বাস করে পুলকিত হয়, তাদের পূর্বতম পুরুষ একজন স্বর্গ-বহিষ্কৃত লোক। বেকুব আর কাকে বলে!

৪.
পয়গম্বর ও অবতারগণ আসলে নাস্তিক ছিল। তারা যদি স্রষ্টা ও পরকাল অথবা দুটির একটিও বিশ্বাস করতো, তাহলে জীবনভর এতো অনন্ত অপকর্ম করতে পারতো না, ওই দুটি জিনিসের দোহাই দিয়ে।

৫. 
পরিবেশ আবহাওয়া খাদ্যাভাব প্রভৃতি কারণে পৃথিবীর অনেক প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, অনেকে বিলুপ্তির পথে। বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে, ডাইনোসর, ডো ডো বার্ড, পয়গম্বর, অবতার প্রভৃতি। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে, পেসেঞ্জার পিজন, উলি ম্যাথাম, য়াল্ল্যা, ঈশ্বর, ভগবান প্রভৃতি।

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৭৪


ধর্মকারীর একেবারে আদিযুগে আশেকে রাসূল একটি ছড়া লিখেছিলেন:

মোনাজাতে বসে মমিন বেজার মুখে বলে ওঠে, আল্লা
সময় থাকিতে ঠিক করে নিও তোমার ঐ দাঁড়িপাল্লা
ইনসাফ তুমি করোনি মোটেও, বিবেচনা নাই কুনু
চারখানি বিবি মঞ্জুর করে দিলে একখানি নুনু

সেই পোস্টে আমি ছড়া দিয়ে মন্তব্য করেছিলাম:

যতোগুলো বিবি ততোগুলো নুনু, যেতো যদি আশা পুরে
কতোগুলো নুনু শোভা পেতো, আহা, নবীজির দেহ জুড়ে

ছড়াদুটোর কথা মনে পড়লো নিচের কার্টুনটা দেখে। সরাসরি প্রতিফলন নয় যদিও...

নবীজির ফ্যান্নুনু

কোরান কুইজ – ৫২

নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৬২: ক্রিসমাসের প্রাক্কালে মাতা মেরি বিষয়ক প্রশ্ন - কতোজন ফেরেশতা মেরির সঙ্গে বাতচিত করেছিল?

১. একজন
২. একাধিক

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।
.
.
.
.
.
.
.

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪

গরুপূজারি গাধাগুলো - ১০০

গরুপূজারিদের তেষ্টা মেটাতে, শরীর সুস্থ রাখতে গোমাতার মূত্রকে বাণিজ্যিক উপায়ে বাজারজাত করা হয়েছে অনেক আগেই।


এবারে বাজারে আসছে গোমূত্র ও গোবিষ্ঠা ব্যবহার করে বানানো প্রসাধনী। এতোদিন ধরে গোমাতার পুণ্যবর্জ্য গরুপূজারিরা গলাধঃকরণের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে ঢুকিয়েছে। এবারে এসেছে শরীরের বাইরে প্রয়োগ করার সুযোগ। এবার তারা নির্বাসিত সুবাসিত বাহিরে অন্তরে।
(লিংক: সংহিতা)

খুব সম্ভব, প্রসাধনীর উপকারিতার ল্যাব টেস্ট চলছে

মিসরের ৮৬৬ জন নাস্তিক ও আস্তিকীয় মূত্রসমুদ্র

ধর্ম মানেই ব্যবসা, ধর্ম মানেই নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা। ফলে যতো সুশীলতার ভানই তারা করুক না কেন, এক ধর্ম সব সময়ই অন্য ধর্মের প্রবল শত্রু। ইতিহাসে সংঘটিত অগণ্য ধর্মযুদ্ধই এর প্রমাণ। অবশ্য শুধু ধর্মে-ধর্মে নয়, একই ধর্মের দু'টি ভিন্ন গোত্রের মধ্যেও যুদ্ধ ও সহিংসতার নিদর্শন আছে বর্তমান সময়েও।

সমস্ত ধর্মের ঐক্য - এটা সম্পূর্ণভাবেই অলীক একটি ধারণা। তত্ত্বগতভাবে সম্ভবপর হলেও বাস্তবায়ন একেবারেই অবাস্তব। 

না, ভুল হলো। একটি বিষয়ে ধর্মগুলোর ঐক্য কিন্তু রীতিমতো সম্ভব। সেটা হচ্ছে: 'নাস্তিক ঠেকাও/হটাও/খেদাও' উদ্যোগ। এ ব্যাপারে ধর্মগুলোর গলাগলির উদাহরণ বিরল নয়। 

এই যেমন, মিসরে মুছলিম ও খ্রিষ্টান ধর্মগুরুরা নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবার ঘোষণা দিয়েছে। সে দেশে তরুণ-যুবকদের মধ্যে নাস্তিক্যবাদের ক্রমবর্ধমান প্রবণতায় তারা এতোটাই আতঙ্কিত যে, ধর্মীয় ভেদাভেদ পাশে ঠেলে কমন শত্রু নাস্তিকদের উত্থান রোধ করতে তারা একাট্টা হয়েছে।

এদিকে আরেকটি সংবাদে দেখা যাচ্ছে, মিসরে নাস্তিকদের সংখ্যা সাকুল্যে ৮৬৬ জন! সমগ্র আরব জাহানের দেশগুলোর মধ্যে মিসরেই সবচেয়ে বেশি নাস্তিক। ৩২৫ জন নাস্তিক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ইয়েমেনে নাস্তিক আছে ৩২ জন! 

এগুলো মনগড়া কোনও সংখ্যা নয়, বরং সরকারী উদ্যোগে নাস্তিকশুমারীর ফল বলে দাবি করা হয়েছে। এবং হাস্যকর এই ফলটিই খাওয়ানো হচ্ছে সরকারীভাবে।

হিসেব কষলে দেখা যায়, মিসরে পুরো জনসংখ্যার শতকরা ০.০০১ জন নাস্তিক। আরও বোধগম্যভাবে বললে - প্রতি এক লাখে একজন নাস্তিক। কী বিপুল সংখ্যা! ধর্মবাজদের ভীত হয়ে ওঠারই কথা! মিসরে প্রবল পরাক্রমশালী ইছলাম (শতকরা ৯০ জন) এককভাবে নাস্তিক্যবাদ রোধ করতে পারবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় বলেই আলিঙ্গনে জড়িয়েছে খ্রিষ্টধর্মকে (শতকরা ৯ জন)।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে আসা যাক। 

এখানে নাস্তিকদের সংখ্যা বিষয়ে আস্তিকদের প্রায়ই বলতে শোনা যায়: "আমরা সবাই মিলে মুতে দিলে নাস্তিকেরা ভেসে যাবে।" মেনে নিলাম। তাদের দাবি অনুযায়ী, নাস্তিকদের সংখ্যা ধর্তব্যের মধ্যেই পড়ে না। কথা সত্য। বাস্তবতাও সেটাই বলে। 

কিন্তু আস্তিকীয় মূত্রধারায় না ডুবিয়ে এই অঙ্গুলিমেয়, গৌণ, ক্ষমতাহীন নাস্তিকদের পুঁচকে ও ঐক্যবদ্ধতাহীন অসংগঠিত দল বিষয়ে আস্তিকদের বিরামহীন শিরঃপীড়া, হাম্বা-ম্যা-ম্যা হম্বিতম্বি ও উৎখাতের উচ্চকণ্ঠ দাবি থেকে প্রমাণিত হয়: বিশ্বাসীরা ভয় পায় নাস্তিকদের সংখ্যাকে নয়, তাদের প্রচারিত সত্যকে। 



কারণ সত্যকে মূত্রসমুদ্রে নিমজ্জিত করা যায় না। 

কী কথা গাধার সনে!

ধর্মকারী প্রকাশিত আরও একটি কুফরী কিতাব: মহা-ম্যাডের গাধা।

ইছলামের নবী একবার এক গাধার সাথে কিছু বাতচিত করসিল। না, হাইসেন না। সমগোত্রীয়রা একে অপরের কথা বুঝবে, তাতে অবাক হওনের কিছু নাই। এবং তারচে' বড়ো কথা, এই কাহিনী কাফেরদের মনগড়া নয়, ছহীহ ইছলামী সূত্র থিকা নেওয়া।

অনুবাদকর্ম আর ফটোমাস্তানি করসেন নিরলস ধর্মপোন্দক দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১.৬ মেগাবাইট

https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOMXBCRTlIck50aGc/view?usp=sharing

http://www.nowdownload.ch/dl/f6caee7ec4095

(একটি ঘোষণা:
অনেকের চোখে না-ও পড়ে থাকতে পারে - ধর্মকারী প্রকাশিত সমস্ত কুফরী কিতাব একটি পাতায় জড়ো করে সেটি লটকে দেয়া হয়েছে ওপরের ব্যানারের ঠিক নিচে। মোবাইল থেকে দেখতে চাইলে ব্যানারের নিচে ডানদিকের নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করতে হবে।)

নিচে অনলাইনে পাঠযোগ্য ভার্শন:

মৃত বিধাতাদের সমাধিস্থল

যে কোনও ধর্মবিশ্বাসীই অন্য ধর্মগুলোর বিধাতাদের বিশ্বাস করে না অর্থাৎ সেই বিধাতাগুলোর ক্ষেত্রে সে নাস্তিক; আর আমরা, নাস্তিকেরা, ওইসব বিধাতার পাশাপাশি অবিশ্বাস করি আরও একটি বিধাতায়। এমন একটি কথা বলেছিলেন রিচার্ড ডকিন্স।

পৃথিবীর ইতিহাসে স্থান, কাল ও গোত্রভেদে কতো বিচিত্র ধরনের ভগবানেশ্বরাল্লাহ ও দেব-দেবীর উদ্ভব হয়েছে মানুষের উর্বর মস্তিষ্ক থেকে, তার ইয়ত্তা নেই। Names of Gods and Godesses নামের সাইটে শত-সহস্র ভগবানেশ্বরাল্লাহ ও দেব-দেবীর ফিরিস্তি পাওয়া যাবে - বর্ণনাসহ। God checker নামের সাইটটিও চমৎকার। চাইকি উইকির তালিকাতেও চোখ বুলিয়ে আসা যায়।

আস্তিক ভাইদের কাছে একটি সহজ কোচ্চেন: এই শত-সহস্র বিধাতার ভিড়ে ঠিক আপনার বিধাতাটিই কেন সত্য এবং বাকিগুলো ভ্রান্ত, তার একটি সরল, বোধগম্য ও গ্রহণযোগ্য যুক্তি দিতে পারবেন?

সুস্থমস্তিষ্ক ও চিন্তাক্ষম কোনও ব্যক্তি নির্দিষ্ট কোনও এক বিধাতার ওপরে বিশ্বাস স্থাপন করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে, জানতে বড়ো সাধ হয়।

বিধাতা-তালিকা দেখে আরও একটি ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে ওঠে, সিংহভাগ বিধাতা এখন মৃত। এক সময় যাদের মনে করা হতো সর্বশক্তিমান, সর্বক্ষমতাবান, তারা এখন মরে ভূত!

তাদের পরিণতির করুণ ইতিহাস থেকে যে-ব্যাপারটি স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়ে ওঠে, তা হচ্ছে: বর্তমানেরগুলোও নিশ্চিতভাবেই পটল তুলবে একটা সময়ে। অর্থাৎ অতীতের বিধাতা যেহেতু বর্তমানের মিথ, তাই বর্তমানের বিধাতা - ভবিষ্যতের মিথ। এবং সকলেই জানে, মিথ ও মিথ্যার ভেতরে তফাত কি খুব বেশি?

যে-কারণে এই প্রসঙ্গের উত্থাপন: শোচনীয়ভাবে মৃত এই বিধাতাগুলোর প্রতীকী সমাধিস্থল বানানো হয়েছিল গত বছর আমেরিকার জর্জিয়ায়। পরে সেটি হয়ে ওঠে ভ্রাম্যমাণ। সেই বিধাতা-সমাধিস্থলের কিছু ছবি:





আরও ১১টি ছবি এখানে