১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

ব্লগার থাবা বাবা নিহত

ব্লগার থাবা বাবা ওরফে রাজীব হায়দারকে নৃশংসভাবে হত্যা করল জামাত-শিবির। আজ রাত্রে তাঁর মিরপুরের বাড়ির সামনে তাঁর গলাকাটা লাশ ফেলে রেখে যায় তারা। 

এর কিছুদিন আগেই জামাতি ব্লগ সোনারবাংলাদেশে শাহবাগ আন্দোলনের পিছনের মানুষদের চিনে নিন (পুরো পাতার স্ক্রিনশট এখানেবলে থাবা বাবার পরিচয় এবং ধর্মকারীতে তিনি কেমন ঘৃণ্য নাস্তিকীয় কাজকর্ম করে বেড়ান তা স্ক্রিনশটসহ পোস্ট দেওয়া হয়েছিল। আর এখন নানা টিভিতে ব্রেকিং নিউজ হিসেবে উঠে আসছে তাঁর মৃত্যুর খবর।

আর পিছু হটার সুযোগ নেই। যুদ্ধ চলবে। 

৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

মুখে আমাদের হাসি নাই > রাজাকারদের ফাঁসি চাই

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ধর্মকারীর কাজ আপাতত কয়েকদিনের জন্য স্থগিত রাখা হলো। ধর্মকারীর পক্ষ থেকে আমরা সকল রাজাকারের ফাঁসির সোচ্চার দাবি করছি।

* নতুন পোস্ট দেয়া আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে বটে, তবে ধর্মকারীতে ইতোমধ্যে প্রকাশিত প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পোস্টের সবগুলো আপনি নিশ্চয়ই দেখেননি। ব্লগের ডানদিকের কলামে 'গুদামঘর' বা 'ট্যাগ' নামের মডিউল ব্যবহার করে পুরনো ও সুস্বাদু কাসুন্দি ঘেঁটে দেখতে পারেন কিন্তু।

৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

ইসলামী ইতরামি: এক কম কুড়ি

১.
ইছলাম ক্রমশ মানবিক হয়ে উঠছে। যে কোনও ধরনের চুরির অভিযোগে চোরের হাত কব্জি থেকে কেটে ফেলার বিধান কোরানেই আছে। তবে ইরানে চোরের হাত না কেটে আঙুল কাটা হবে। মানবিকতার পথে এক কদম। তারপর দেখুন দ্বিতীয় কদম: এই আঙুল কাটার কাজ কোনও জল্লাদকে দিয়ে করানোর মতো বর্বরতা থেকেও সরে এসেছে ইরান। এই কাজটি করার জন্য ইছলামী বিগ্যানীরা আবিষ্কার করেছে অঙ্গুলিকর্তক যন্ত্র। এই যন্ত্র দিয়ে আঙুল কাটার উদাহরণসহ ছবিও প্রকাশ করেছে ইরানের অফিসিয়াল প্রেস এজেন্সি।

২.
মালিতে একটি অমূল্য পাঠাগার ধ্বংস করেছে ইছলামীরা। রিচার্ড ডকিন্স টুইটারে এই ঘটনাকে ইছলামী বর্বরদের কাজ বলায় মুছলিমদের ধর্মানুনুভূতি বেতা পেয়েছে। 

৩.
অনেক ইছলামী দেশে প্রচলিত নারী-খতনা প্রথা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু নারীরা স্বস্তিতে থাকবে, পূর্ণাঙ্গ যৌনতৃপ্তি পাবে, ইছলামী পুরুষেরা তা মেনে নেবে কেন! বৃহত্তম মুছলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার ইছলামীরা সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে। আরেক দল ইছলামবাজ বলছে, নারী-খতনা নাকি মানবাধিকার!

৪.
'আল্লাহ' বা অন্য কোনও আরবি শব্দয়ুক্ত যতো বাইবেল আছে, সব জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলার দাবি তোলা হয়েছে মালয়েশিয়ায়।

৫.
তার নবী নয় বছর বয়সী মেয়েকে শয্যাসঙ্গী করেছে, তাই সে ভাবতেই পারেনি তেরো বছরের মেয়ের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা আইনবিরুদ্ধ। আসামী নিজেই বলেছে, ইছলামী কায়দায় পাওয়া শিক্ষার কারণে সে জানতো না, তেরো বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে যৌনসঙ্গম আইনত দণ্ডনীয়।
(লিংক: ধ্রুবনীল)

৬.
খ্যাতনামা চৌদি ধর্মপ্রচারক নিজের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করেছিল। তার বিচারের ফল: অল্প কিছুদিন কারাবাসের পর মেয়ের মাকে 'ব্লাড মানি' দিতে হবে। ইছলামী আইন অনুসারে, সন্তান হত্যার কারণে পিতার এবং স্ত্রী হত্যার কারণে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে না। ছহীহ ইছলামী বিচার!

৭.
কাতারের বালক বিদ্যালয়গুলো শিক্ষিকাহীন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিশ্চিতভাবেই কামমত্ত ইছলামী মস্তিষ্কপ্রসূত একটি সিদ্ধান্ত।

৮.
নিজ গৃহে পরবাসী। মুছলিম অভিবাসীদের আলাদা হয়ে গোষ্ঠীবদ্ধ থাকার প্রবণতায় অদি বাসিন্দাদের কেমন অনুভূতি হয়, সে বিষয়ে এক লন্ডনবাসীর লেখা নিবন্ধ।
(লিংক: ধ্রুবনীল)

৯.
ইছলাম যাদেরকে শস্যক্ষেত্র বলে মনে করে, সেই নারীরা সমঅধিকার চাইলে ইছলামীরা মানবে কেন? শস্যক্ষেত্র আর পুরুষের অধিকার কি সমান হতে পারে কখনও? পারে না। সে কথাই বলেছে এক ইছলামবাজ। তার ভাষায়, নারী-পুরুষের সমতা প্রকৃতিবিরুদ্ধ।

১০.
ফেসবুকে ইছলামকে অপমান করার অভিযোগে একজনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

১১.
মুছলিম-মুছলিম ভাই-ভাই। ইরাকে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলা। বিয়াল্লিশজন নিহত।

১২.
ভারতের কাশ্মীরে মেয়েদের একটি সঙ্গীতদল ভেঙে গেছে, কারণ শীর্ষস্থানীয় এক ইছলামবাজ তাদের আচরণকে অনৈসলামিক আখ্যা দিয়েছে। নবীজি নিজে গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র পছন্দ করতো না - অনেক হাদিস থেকেই এ কথা জানা যায়। এই ইছলামবাজ তাই ছহীহ কাজটিই করেছে।

১৩.
মমিনদের ঈমানদণ্ড এতো স্পর্শকাতর (বা 'স্পর্শের জন্য কাতর'-ও বলা চলে) যে, একেবারে খুদে, শিশুবালিকাদর্শনেও তাদের কামভাব জাগ্রত হয় বলে বোধ হয়। তাই এক চৌদি ইছলামবাজ (এবং নির্ঘাত কামাতুর) ফতোয়া দিয়েছে শিশুবালিকাদেরও ঢাকতে হবে বোরখা নামের বস্তা দিয়ে।

১৪.
ইছলামী দেশগুলোয় বসবাসকারী ইয়োরোপীয় বা আমেরিকান মেয়েরা যদি মিনি-স্কার্ট পরে অফিস করার অধিকার দাবি করে, সেটা কি মঞ্জুর হবে? তা হবে না বটে, তবে মুছলিমরা কিন্তু ভিনদেশে গিয়ে কর্মস্থলে হিজাব পরার অধিকার দাবি জানাতে কুণ্ঠিত হয় না।

১৫.
গত জানয়ারি মাসে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইছলামের অবদান:
আক্রমণ: ১৯৩ বার
নিহত: ৯৩১ জন
গুরুতরভাবে আহত: ১৪৮০ জন।

১৬.
ইছলামে সমকামিতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হলেও আরব দেশগুলোর ধনবান সমকামী বা উভকামী পুরুষেরা অর্থের বিনিময়ে কেনীয় পুরুষদের ব্যবহার করছে 'রক্ষিত' হিসেবে।

১৭.
সিরিয়ায় যুদ্ধের সুযোগে মুতাহ্ বিবাহের (ইছলামী মোড়কে ছহীহ দেহব্যবসা) বাজার জমে উঠেছে। বাদ পড়ছে না অপ্রাপ্তবয়স্কা বালিকারাও।

১৮.
ফ্লোরিডার এক মসজিদের যুবক দলের নেতা চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ধারণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত। চোদ্দ বছর বয়সী এক বালকের স্বমেহন করার দৃশ্য সে নিজে ভিডিও করেছে।

১৯.
মুছলিমরা তাদের যাবতীয় অপকর্ম ও ব্যর্থতার দায় ইহুদিদের ওপরে চাপাতে বড়োই পারদর্শী। মুছলিমদের কলুষিত রেপুটেশনের জন্য দায়ী ইহুদি-নিয়ন্ত্রিত প্রচারমাধ্যম, বলেছে দুই ইছলামবাজ। তা তো বটেই! মুছলিমদের ইতরামির সমস্ত খবরই ইহুদিদের মস্তিষ্কজাত। ওপরের কোনও খবরই সত্য নয়, সব ইহুদিদের ষড়যন্ত্র।

চিত্রপঞ্চক - ৪৫

শেষের ছবিটা একটু ইয়ে-টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা! 
(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৬০

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

২৯৬.
জেনানা যদি বেপর্দা হইয়া মহানবীর সামনে দিয়া
রঙ্গ কইরা হাঁইট্টা যায়;
নবীর ঈমান জাইগ্যা যায়।
জাগনা ঈমানরে ঘুম পাড়াইতে নবী তাই যয়নাবের কাছে ছুইট্টা যায়।

২৯৭.
- 'আল্লাহর কোনও আকার নাই' - এই বাক্যটি ছহী বানানে লিখো।
- ছহীহ বানান এইরূপ: 'অল্লহর কেনও অকর নই।'

২৯৮.
হে আল্লাপাক, আপনি কোরানপাকে বারবার বলেছেন যে, আপনি একটি লিঙ্গহীন ক্লীব। কিন্তু যে সকল পথভ্রষ্ট আপনার বাণীর ইংরেজী অনুবাদ করেছে, তারা আপনার অনুমতি ছাড়াই নিজেদের বুদ্ধি ও ইচ্ছানুযায়ী সার্জারি করিয়ে আপনাকে পুরুষ বানিয়ে ছেড়েছে। আপনার লিঙ্গহীনতার সাথে এত্ত বড় বিদ্রূপ! আর আপনি কোনোই প্রতিশোধ নিলেন না তাদের ওপর! আপনি লিঙ্গহীন, তাই ইংরেজী গ্রামার অনুযায়ী আপনার সর্বনাম হওয়া উচিত It. আর ওরা আপনার লিঙ্গহীনতার সুযোগ নিয়ে চরম ঠাট্টা করল আপনার সাথে! He বানিয়ে দিলো আপনাকে! এ কেমন প্রহসন! হে প্রতিশোধ গ্রহণকারী, আপনি প্রতিশোধ নিন। সেই সব ভ্রষ্টদের উদ্দেশ্যে শুধু একটিবার "হও" বলুন। লানত পড়ুক তাদের উপর।

২৯৯.
আল্লাহ নিজেকে নিজে সর্বশক্তিমান পালোয়ান ঘোষণা দিয়েছেন কেন? তিনি কি কুস্তি খেলতে ইচ্ছুক?

৩০০.
দয়াময়ে কয়, পালিতপুত্র পুত্র নয়।
শান্তিময় বিধানে পালকপিতা ও পালিতপুত্র পরস্পরের পুংসতীন হয়।
(এ ক্ষেত্রে নবীজি ও যায়েদের পুংসতীন সম্পর্কের উদাহরণ দেয়া যায়)

ধর্মের অন্তর-বাহির

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

থাবার থাবড়া - ০১

লিখেছেন থাবা বাবা 

১. 
মাছের তেলে মাছ ভাজা...
মাদ্রাসাগুলো চলে ভিক্ষের দানে, তার ছাত্ররা সেখানে ভিক্ষে করা শেখে। আর তারপর তারাই আবার ভিক্ষে করে মাদ্রাসার জন্য টাকা তোলে, আর সেই সব মাদ্রাসায় আবারও ভিক্ষুক তৈরী হয়! সেই ভিক্ষুক ছাত্রেরা আবার ভিক্ষে করে নতুন মাদ্রাসা বানায় নতুন নতুন ভিক্ষুক উৎপাদনের জন্য... এই চক্র চলতেই থাকে!

২.
সিনেমা আর টিভির মতো আধুনিক মিডিয়া যখন ধর্মের মতো পচে-গলে দুর্গন্ধ ছড়ানো একটা বিষয়কে সযত্নে লালন করে, তখন মনে হয় প্রযুক্তির চাট্টিবাট্টি গোল করে ফেলে দিয়ে প্রস্তর যুগে ফিরে যাই!

৩.
আল্লা নাকি জোড়া মিলায় নারী-পুরুষ পৃথিবীতে পাঠাইছে... কারণ স্বামীর পাঁজরের হাড় দিয়েই স্ত্রীকে বানানো হয়েছে। একজনের পাঁজরের হাড়ে তৈরি স্ত্রী যাতে অন্যের হাতে না যায়, তাই আল্লা জোড়া মিলিয়েই পাঠায়। কিন্তু একসাথে ৪ খানা স্ত্রী রাখার মানে কী তাহলে? পুরুষের পাঁজরে হাড্ডি ৪ খানা কম, নাকি জোর-যার-মুল্লুক-তার নিয়মে অন্যের হাড় দখল করে খাবার ভেস্তী পারমিশান?

৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

কুরানে বিগ্যান (পর্ব-২৫): মুহাম্মদের মোজেজা তত্ত্ব - তিন

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪

প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ছিলেন অভূতপূর্ব অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী। এ বিশ্বাস যে শুধুই এক ভিত্তিহীন অসত্য অতিকথন (Only a Myth), তা অতি সহজেই প্রমাণিত হয় মুহাম্মদের ব্যক্তি-মানস-জীবনী (Psycho-biography) গ্রন্থের পর্যালোচনায়। ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল হলো এই গ্রন্থটি (কুরান); এই সেই গ্রন্থ যে গ্রন্থের প্রণেতা ও প্রবক্তা স্বয়ং মুহাম্মদ (আল্লাহ) এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এই দলিলেরই আলোকে কুরাইশ/অবিশ্বাসীদের সম্পূর্ণ যৌক্তিক দাবি ও চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুহাম্মদের অপ্রাসঙ্গিক জবাব, হুমকি, শাসানী, তাচ্ছিল্য ও ভীতি প্রদর্শনের আংশিক আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। কুরাইশ/অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে তার নবুয়তের সাক্ষ্য রূপে আরও যে সমস্ত প্রমাণ হাজির করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তা ছিল নিম্নরূপ: 

বিপন্ন স্বজনেরা

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

মুছলিম-মুছলিম ভাই-ভাই

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

ইসলামোরফোসিস - ০৭

লিখেছেন কৌশিক

৮.
আল্লাহর রহমতে দিনের শুরুতে জিহাদী জোশ ভর করে এখন। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, তিনি আমাকে মনুষ্যজাতির মধ্যে শ্রেষ্ঠ উম্মতের ঘরে পয়দা করেছেন। কারণ নবীয়ে করিমের উম্মত ছাড়া আর পৃথিবীর সব মানুষ কুকুরের চেয়েও অধম। নবীয়ে করিমের উম্মত হিশেবে আমি অভিজাত, পৃথিবীর সমস্ত মানুষের শান্তি কেবল আমিই এনে দিতে পারি। এজন্য আল্লাহর রাস্তায় কোশেষ করা আবশ্যক। আমাদের মাদ্রাসার জিহাদী হুজুর বলেন, ধর্মযুদ্ধে কাফেরের গলা কাটা তরবারি কাল কেয়ামতের ময়দানে ফকর করবে। হুজুরে পাকের উম্মত ছাড়া সমস্ত মানুষ পশুর জীবন যাপন করে। এদের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ জিহাদ করার জন্য বলেছেন। 

সবচেয়ে বড় জেহাদ হচ্ছে নফসের সাথে। জেহাদে আকবর। নিজের নফসের বিরুদ্ধাচারণ করতে হবে। নফস তো সবসময় চাইবেই জেনা করতে, মদ খেতে। কিন্তু এগুলা না করা মানে হচ্ছে জেহাদ। এই জেহাদে কাবেল হবার পরে অস্ত্র ধরতে হবে। সমস্ত বিশ্বের মানুষ তো আসলে অজ্ঞ। তাদেরকে বোঝাতে হবে - যতক্ষণ পর্যন্ত তারা না বোঝে। মানে তাদের অন্য কোন মত থাকলে চলবে না। কারণ সেটা তো ধ্বংষের। সেজন্য যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা বোঝে ততক্ষণ পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। না বুঝে যাবে কোথায়! একদিন তারা ঠিকই বুঝবে, ইসলাম কত শান্তি নিয়ে এসেছে তাদের জন্য - হায়, আর তারা এই শান্তি থেকে এতদিন দূরে ছিল! 

আমি সারাদিন কত অন্যায় দেখি। কিন্তু এরা তো আমার দ্বীনি ভাই। এদের সাথে জেহাদ করা যাবে না। জেহাদ করতে হবে বেদ্বীনের সাথে। আমি সেজন্য কোনো অমুসলমানের খারাপ কাজ খুঁজতে থাকি। কিন্তু তাদের দেখলে তো বোঝা যায় না। কেবর হিন্দু নারীদের সিঁদুর দেখলে বোঝা যায় তারা কাফের। আমি সেজন্য এমন এক নারীর কোনো অন্যায় কাজ দেখলেই এরপরে প্রতিবাদ করবো। প্রয়োজন শক্তি প্রয়োগ করবো। না হলে মনে মনে ঘৃণা করবো। 

আল্লাহ আমাদের জিহাদ করার তৌফিক দান করুন। সমস্ত কাফেরদের বুঝিয়ে শুনিয়ে হেদায়েত দেবার ব্যবস্থা করে দিক, নইলে সবার গর্দানে আমার তরবারি মোবারক প্রয়োগ করার তৌফিক দান করুন।

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ১১

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০১ (ঊনিশটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০২ (তিনটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৩ (পাঁচটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৪ (চারটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৫ (চারটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৬ (চারটি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৭ (দু'টি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৮ (দু'টি ছবি)
যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৯ (দু'টি ছবি)

ইছলামী সৈনিকের বাংলা বর্ণমালা

লিখেছেন হিমালয় গাঙ্গুলী

ক - কামের জ্বরে ভোগা ছহিহ
খ - খেজুর গাছে ধরে ওহী
গ - গাঁজাখুরি লিমিট ছাড়া
ঘ - ঘোমটা খোলো মেশিন খাড়া
ঙ - বাঙলা ভাইয়ের লম্বা দাড়ি, আসুন সবাই সাঁটাই তাড়ি।


চ - চান্সে পুটু মারাবি?
ছ - ছাগু সম্রাট ফারাবি?
জ - জেনা কর ছহিহ মতে
ঝ - ঝামেলা নেই গনিমতে
ঞ - মিঞা বাড়ির আইন, ধর্ষিতারে চড়াও শুলে, একশ দোররা ফাইন।


ট - টাকনুর উপর প্যান্ট উঠায়
ঠ - ঠেকাও মেশিন সব ফু্টায়
ড - ডিম থেরাপির শক্ত ডিম
ঢ - ঢাকনা দেওয়া চৌদি টিম।
ণ - (এই অক্ষর দিয়ে অর্থবহ কিছু হল না। এটি একটি মালাউন অক্ষর, সংস্কৃততে এই অক্ষরের ব্যবহার বেশি।)



(চলবে)

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৭৭

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

লিংকিন পার্ক - ৬৮

১.
সরকারী অর্থে পরিচালিত 'সামাজিক জীবনে ধর্মের ভূমিকা' নামক গবেষণায় দেখা গেছে, ধর্মবিশ্বাসীরা একই ধর্মানুসারীদের প্রতি সাহায্যপরায়ণ বা নিঃস্বার্থ হয়তো হতে পারে, তবে ধর্ম সামগ্রিকভাবে সমস্ত মানুষের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল হতে সহায়তা করে না। আরেকটি গবেষণার ফলাফল: নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদীদের চেয়ে ধার্মিকেরা কম সহানুভূতিশীল। 

২.
গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে বলে ধর্ষণের শিকার এক মেয়েকে ক্যাথলিকদের পরিচালিত দু'টি হাসপাতাল সাহায্য  করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

৩. 
এই ধরনের খবর পড়লে মনটা ভালো হয় যায়। ধর্মের গোঁড়ামি ত্যাগ করে ইসরায়েলে এক মুসলিম আর এক ইহুদির 'সুমিষ্ট ও সুস্বাদু' যৌথ ব্যবসাপ্রকল্প সফলভাবে সমৃদ্ধি লাভ করে চলেছে। আইসক্রিম পার্লার খুলেছে তারা।

৪. 
ডানপন্থী খ্রিষ্টান সংগঠনের সমকামবিরোধী মহিলা আইনজীবী শিশু পর্নোগ্রাফির অভিযোগে ধরা পড়েছে। এমনকি সে তার নিজের চোদ্দ বছর বয়সী কন্যার সঙ্গে দুই পুরুষের যৌনসঙ্গমের দৃশ্যের ভিডিও করেছে একাধিকবার। এবং মোবাইলের ভিডিওতে ধারণ করেছে নিজের কন্যার সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপনের দৃশ্য। 

৫.
ধর্মমনাদের বড়ো একটি অংশ নিজেদের ঈমানদণ্ড নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এবং তারা মনে করে, ধর্ষণের পেছনে সব সময়ই মেয়েদের উস্কানি, ইঙ্গিত বা পরোক্ষ আমন্ত্রণ থাকে। যেভাবেই হোক, ধর্ষণের দায়ভার তারা মেয়েদের ওপরে চাপিয়ে দিতে ব্যগ্র। মেয়েদের পোশাক, আচরণ ইত্যাদি কারণে ধর্ষণ ঘটে বলে যারা দাবি করে, তাদের উদ্দেশে বাংলায় লেখা একটি বিধ্বংসী পোস্ট। 

৬. 
(লিংক: সুনন্দ পাত্র)

৭.
ধর্মযাজকদের দ্বারা ধর্ষিত শিশুদের পক্ষ চার্চ কখনওই নেয় না। বরং চার্চের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে যে কোনও অপকর্ম সাধনে দ্বিধা করে না ধর্মবাজেরা। এই ঘটনাগুলো সযত্নে গোপন রাখা হয়, ধর্ষকদের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়। লস এঞ্জেলেসের চার্চও সেটার ব্যতিক্রম নয়। 

৮.
আমেরিকার অ্যারিজোনায় রিপাবলিকান দলের ধর্মপীড়িত মস্তিষ্কজাত প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে সেখানে নাস্তিকদের উচ্চশিক্ষা লাভের পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। 

৯.
ক্যাথলিক চার্চ গর্ভপাতের বিরোধী, কারণ তারা মনে করে প্রতিটি বীর্যকণাই পবিত্র। তবে ঠ্যালায় পড়লে তারা সাত মাসের ভ্রূণকেও জীবন বলে মানতে রাজি হয় না। সংবাদের বিশদ বিশ্লেষণ।
(লিংক: Turna Ember Bornofhatred Exitium)

১০.
পঙ্গু মহিলাকে ধর্ষণ করে জেল খাটা ধর্মযাজক আবার ফিরে গিছে চার্চে। তার আগের দায়িত্বে। 

১১.
শ্রদ্ধাভাজন এক ইহুদি ধর্মবাজের ১০৩ বছরের জেল হয়েছে। কারণটা বৈচিত্র্যহীন - ধর্মবাজদের চিরাচরিত শিশুকামিতা। 

১২.
ভ্যাটিকান শিশুকামীদের সবচেয়ে বড়ো সংগঠনই শুধু নয়, বিপুল সম্পত্তির অধিকারী একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খলনায়ক মুসোলিনির লক্ষ-কোটি ডলার ব্যবহার করে বিশাল প্রতিপত্তির মালিক হয়েছে ভ্যাটিকান। আবারও নিশ্চিত হোন, ধর্মব্যবসার চেয়ে লাভজনক ও ঝুঁকিহীন কোনও ব্যবসা নেই।

১৩.
ঊনিশ বছর বয়সী এক তরুণ আমেরিকার লুজিয়ানার সৃষ্টিতত্ত্ববাদীদের জীবন নরকে পরিণত করে দিচ্ছেন। 

১৪.

ইসলামে বর্বরতা: নারী-অধ্যায় - ২১

লিখেছেন আবুল কাশেম

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০

ক্রীতদাসীদের সাথে সহবাস

এই বিষয়টাও আলোচনা করা দরকার। এর আগে আমরা দেখেছি, মুসলিমরা কেমন স্বাচ্ছন্দ্যে যুদ্ধে লব্ধ বন্দিনীদের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে। এই ‘হালাল’ পদ্ধতিতে মুসলিমদের অগাধ যৌনক্ষুধার নিবৃত্তি না হলে তার ব্যবস্থাও ইসলামে আছে। দাসপ্রথা ইসলামে সর্বদাই আছে এবং থাকবে। আপনি গুগল ঘেঁটে দেখবেন যে, অনেক বিশাল বিশাল ইসলামী আলেমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছেন যে, আজও ইসলামে দাস-দাসীর বেচাকেনা চলতে পারে। এইভাবে কোনো ক্রীতদাসী কিনে তার সাথে সহবাস করা একেবারে ‘হালাল’।

আসুন, এবার আমরা ইসলামী বই ঘেঁটে কিছু মজার ব্যাপার জেনে নেই।
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২.২৩.৯০:
ইয়াহিয়া—মালিক—নাফি থেকে। ইয়াহিয়া বললেন যে আবদুল্লাহ ইবনে উমরের ক্রীতদাসীরা তাঁর পা ধৌত করতো এবং তাঁর কাছে খেজুর পাতার তৈরি এক মাদুর নিয়ে আসত। সে সময় তারা ঋতুমতী ছিল।
মালিককে জিজ্ঞাসা করা হল কোন এক ব্যক্তি গোসল করার আগেই কি তার সব ক্রীতদাসীদের সাথে যুগপৎ সহবাস করতে পারবে? তিনি (অর্থাৎ মালিক) উত্তর দিলেন যে গোসল ছাড়াই পরপর দুইজন ক্রীতদাসীর সাথে সহবাসে কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু যখন কোন স্বাধীন স্ত্রীর সাথে সহবাসের দিন থাকবে সেদিন অন্য আর এক স্বাধীন স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম করা যাবে না। কিন্তু এক ক্রীতদাসীর সাথে যৌন সঙ্গমের পর সাথে সাথে অন্য ক্রীতদাসীর সাথে সহবাস করা আপত্তিকর নয়—যদিও তখন লোকটি জুনুব (সহবাসের পর তার কাপড়ে অথবা দেহে বীর্য ও অন্যান্য কিছু লেগে থাকা)।
এরপর মালিককে জিজ্ঞাসা করা হল। এক ব্যক্তি সঙ্গম করল এবং জুনুব হয়ে গেল। তার কাছে পানি আনা হল গোসলের জন্য। সে ভুলে গেল গোসল করতে। পানি উত্তপ্ত না শীতল তা জনার জন্যে সে তার আঙ্গুল ডুবিয়ে দিল পানির মাঝে।” মালিক উত্তর দিলেন: “তার আঙ্গুলে যদি কোন ময়লা না থাকে তবে আমার মনে হয় না ঐ পানিকে দুষিত বলা যাবে।”
নিচের হাদিসে আমরা জানব যে, খলীফা উমর দ্বারা নিষিদ্ধ করার আগে কী জঘন্য কায়দায় এক ক্রীতদাসী ও তার কন্যার সাথে যুগপৎ সহবাস করা হত। ঐ ধরনের সহবাস করা যায় দুই ক্রীতদাসীর সাথে, যারা সহোদরা ভগ্নী।
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৮.১৪.৩৩:
ইয়াহিয়া—মালিক—ইবনে শিহাব—ওবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ—ইবনে উতবা ইবনে মাসুদ—তাঁর পিতা থেকে। ইয়াহিয়া বর্ণনা করলেন: উমর আল খাত্তাবকে জিজ্ঞাসা করা হল: এক ব্যক্তির কাছে এক ক্রীতদাসী ও ক্রীতদাসীর কন্যা আছে। এখন ঐ ব্যক্তি কি পারবে ক্রীতদাসী ও তার তার কন্যার সাথে পরপর সহবাস করতে? উমর বললেন: “আমি এ রকম করা পছন্দ করি না।” এর পরে উমর এই প্রথা নিষিদ্ধ করে দিলেন।
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৮.১৪.৩৪:
ইয়াহিয়া—মালিক—ইবনে শিহাব—কাবিসা ইবনে দুবায়েব থেকে।
ইয়াহিয়া বর্ণনা করলেন:
এক ব্যক্তি উসমানকে জিজ্ঞাসা করল: এক ব্যক্তির কাছে দুই সহোদরা বোন আছে ক্রীতদাসী হিসাবে। ঐ ব্যক্তি কি এই দুই ভগিনীদের সাথে যুগপৎ সহবাস করতে পারবে? উসমান উত্তর দিলেন: “এক আয়াতে বলা হয়েছে এই প্রথা হালাল; অন্য আয়াতে বলা হয়েছে হারাম। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভাবে সহবাসের পক্ষপাতী নই।” ব্যক্তিটি উসমান থেকে বিদায় নিলো। তার পর সে রসুলুল্লাহর এক সাহাবির সাথে দেখা করল এবং ঐ একই প্রশ্ন রাখল। সাহাবি উত্তর দিলেন: “ আমার জানা মতে কেউ যদি এমন সহবাস করে তবে তাকে আমি দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিব।”
ইবনে শিহাব বললেন: “আমার মনে হয় উনি (সাহাবি) ছিলেন আলী ইবনে আবু তালিব।”
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৮.১৫.৩৮:
ইয়াহিয়া—মালিক—ইবরাহিম ইবনে আবি আবলা—আবদ আল মালিক ইবনে মারোয়ান থেকে।
ইয়াহিয়া বর্ণনা করলেন:
ইবনে মারোয়ান তাঁর এক বন্ধুকে এক ক্রীতদাসী দিলেন। পরে ইবনে মারোয়ান বন্ধুকে ক্রীতদাসী সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলেন। বন্ধু উত্তর দিলেন: আমি চাচ্ছিলাম ক্রীত দাসীকে আমার ছেলের হাতে দিবো যাতে ছেলেটি তার সাথে যেমন খুশী তাই করতে পারে।” আবদ আল মালিক বললেন: “মারোয়ান আপনার চাইতে অনেক বিবেকবান ছিলেন। তিনি তাঁর এক ক্রীতদাসী তাঁর ছেলেকে দিলেন এবং বললেন: “তুমি এই দাসীর ধারে কাছে যাবে না, কেননা আমি তার উন্মুক্ত পা দেখেছি।”
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৯.১৭.৫১:
ইয়াহিয়া—মালিক—নাফি থেকে।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর বললেন:
কোন ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দেয়, তবে তালাকের ভার থাকে ক্রীতদাসের হাতে। এ ব্যাপারে কারো কোন কিছু বলার অধিকার থাকবে না। এক ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাসের কন্যা অথবা তার ক্রীতদাসীর কন্যা নিয়ে নেয় তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।
মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৯.৩২.৯৯:
ইয়াহিয়া—মালিক—দামরা ইবনে সাইদ আল মাজনি—আল হাজ্জাজ ইবনে আমর ইবনে গাজিয়া থেকে:
উনি (অর্থাৎ আল হাজ্জাজ) জায়েদ ইবনে সাবিতের সাথে বসে ছিলেন। এই সময় ইয়ামান থেকে ইবনে ফাহদ আসলেন। ইবনে ফাহদ বললেন: “আবু সাইদ! আমার কাছে ক্রীতদাসী আছে। আমার কোন স্ত্রীই এই ক্রীতদাসীদের মত উপভোগ্য নয়। আমার স্ত্রীর কেউই এমন তৃপ্তিদায়ক নয় যে আমি তাদের সাথে সন্তান উৎপাদন করতে চাই। তা হলে কি আমি আমার স্ত্রীদের সাথে আজল করতে পারি?” জায়েদ ইবনে সাবিত উত্তর দিলেন: “হে হাজ্জাজ, আপনি আপনার অভিমত জানান।” আমি (অর্থাৎ হাজ্জাজ) বললাম: “আল্লাহ্‌ আপনাকে ক্ষমা করুন। আমরা আপনার সাথে বসি আপনার কাছে কিছু শিক্ষার জন্যে।” তিনি (অর্থাৎ জায়েদ) বললেন: “আপনার মতামত জানান।” আমি বললাম: “ঐ ক্রীতদাসী হচ্ছে তোমার ময়দান। তুমি চাইলে সেখানে পানি ঢাল অথবা তৃষ্ণার্ত রাখ। আমি এইই শুনেছি জায়েদের কাছ থেকে।” জায়েদ বললেন; “উনি সত্যি বলেছেন।”
(চলবে)

আমাদের আত্মীয়েরা – ৫৭

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

হা-হা-হাদিস – ৮০

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
ইছলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান বিধায় যৌনাঙ্গও তার এখতিয়ারভুক্ত। ফলে মুছলিমদের শয্যায় ও বাথরুমেও ইছলাম অনিবার্যভাবে উপস্থিত। যেমন, ইছলামী আইন অনুসারে - দণ্ডায়মান অবস্থায় এস্তেনজা এস্তেমাল করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, সে কথা সকলেই জানে। কিন্তু ইছলামের নবী কি এই প্রথা মেনে চলতো? না, দুটো হাদিস থেকে স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, নবীজি খাড়ায়া খাড়ায়াও মুততো। 

Narated By Hudhaifa:
I saw Allah's Apostle coming (or the Prophet came) to the dumps of some people and urinated there while standing.
Narated By Abu Wail:
Abu Musa Al-Ash'ari used to lay great stress on the question of urination and he used to say, "If anyone from Bani Israel happened to soil his clothes with urine, he used to cut that portion away." Hearing that, Hudhaifa said to Abu Wail, "I wish he (Abu Musa) didn't (lay great stress on that matter)." Hudhaifa added, "Allah's Apostle went to the dumps of some people and urinated while standing."

স্ক্রিনশট সংকলন - ০৭

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

নবীজির পরে বানরের মেরাজ

নবীজি যেমন মেরাজে গিয়ে নিরাপদে ও সশরীরে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করেছিল, ঠিক সেই ধাঁচেই যেন ইছলামী বিগ্যানীরা এক বানরকে মহাশূন্যে পাঠায় এবং আবার তাকে ফেরতও নিয়ে আসে। কিন্তু এই ছহীহ ইছলামী সাফল্য প্রকৃতপক্ষে নবীজির মেরাজ-এর মতোই অলৌকিক ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিশদ পড়ুন। 

এ বিষয়ে আল্লামা শয়তান-এর সৌজন্যে পাওয়া একটি স্লাইড শোর ভূমিকায় লেখা হয়েছে: "ইরানের নিজস্ব বিবৃতি অনুযায়ী, সেদেশ একটি বানরকে যাত্রী করে মহাশূন্যে রকেট পাঠিয়েছে এবং সেটিকে আবার নিরাপদে পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে এসেছে। কিন্তু ব্যাপারটায় একটা গোলমাল আছে।"

কী গোলমাল, দেখে নিন।

নিত্য নবীরে স্মরি – ১১৩

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

আল-কুরান পড়ুন, নিজে হাসুন, অন্যদেরও হাসান - ০৭

লিখেছেন সাদিয়া সুমি
আল কোরআন ২২:১৮
তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সিজদা করে যা কিছু আছে আসমানে, যা কিছু আছে জমিনে, সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, পর্বতমালা, বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং মানুষের মধ্যে অনেকে...
বুঝলাম, ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়াও আল্লাহকে সিজদা করে। তবে কেউ দেখেছেন কি?
এমন মজার চুটকি আল-কুরান ছাড়া আর কৈ পাইবেন? 
আল-কুরান পড়ুন, নিজে হাসুন, অন্যদেরও হাসান।

আল কোরআন ৪:৫৬
যারা আমার আয়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে, অবশ্যই আমি তাদের আগুনে জ্বালাব, যখন তাদের চামড়া জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আমি তা পাল্টে দেব অন্য চামড়া দিয়ে যাতে তারা শাস্তি আস্বাদন করে।
বর্বর আল্লাপাকের নিষ্ঠুর শাস্তির নমুনা দেখুন। 
সৃষ্টিকর্তার এমন নৃশংস হুমকি আল-কুরান ছাড়া আর কৈ পাইবেন? 
আল-কুরান পড়ুন, নিজ হাসুন, অন্যদেরও হাসান।

আল কোরআন ১৮:৩১
জান্নাত, যার পাদদেশে প্রবাহিত হয় নহরসমূহ, তাদেরকে সেখানে পরানো হবে স্বর্ণের কঙ্কন এবং মিহি ও পুরু রেশমের সবুজ পোষাক ও তারা সেথায় হেলান দিয়ে সুসজ্জিত পালঙ্কের উপর উপবিষ্ট থাকবে।
আল্লাপাক মানুষকে বেহেশতের জলসাঘররূপী লোভনীয় বর্ণনা দিচ্ছেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে: বেহেশতে এসি, টিভি, ওভেন, ফ্রীজ, ল্যাপটপ এবং ফেসবুক - এগুলো কি থাকবে না? আল-কুরানে এসবের কথা নেই কেন? নাকি আল্লাপাক ওগুলোর নামই শোনেননি জীবনে?
এমন মজার চুটকি আল-কুরান ছাড়া আর কৈ পাইবেন? 
আল-কুরান পড়ুন, নিজে হাসুন, অন্যদেরও হাসান।

আল কোরআন ১৯:৮৬
আমি পাপীদেরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাব।
আল্লা আসলেই খুব রসিক লোক। তিনি নিজেই পাপীদেরকে জাহান্নামে তাড়িয়ে নিয়ে যাবেন!
এমন মজার চুটকি আল-কুরান ছাড়া আর কৈ পাইবেন? 
আল-কুরান পড়ুন, নিজে হাসুন, অন্যদেরকেও হাসান।

আল কোরআন ১৭:৮৬
যদি আমি ইচ্ছে করতাম তবে যে ওহী আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি তা অবশ্যই ছিনিয়ে নিতে পারতাম, তখন আমাকে মোকাবিলা করার জন্য আপনি কোন সাহায্যকারীও পেতেন না।
এইবার বুঝুন আল্লা কত হীনমন্যতায় ভোগেন! এই ফানি কথাগুলো তার না বললে কি চলত না?
এমন মজার চুটকি আল-কুরান ছাড়া আর কৈ পাইবেন? 
আল-কুরান পড়ুন, নিজে হাসুন, অন্যদেরও হাসান।

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৮৬

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

ইয়োরোপে ইছলামপ্রেম

ভিনদেশীরা ইছলাম ও প্রবাসী বা অভিবাসী মুছলিমদের কতোটা পছন্দ করে? 

১. 
শতকরা চুয়াত্তরজন ফরাসী মনে করে, ইছলাম একটি অসহিষ্ণু ধর্ম এবং তা তাদের সমাজের জন্য সঙ্গতিপূর্ণ নয়। শতকরা আশিজন মনে করে, ইছলাম তার দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদের ওপরে চাপিয়ে দিতে চায়। সব মুছলিম মৌলবাদী নয়, তবে মৌলবাদীর সংখ্যা তাদের ভেতরে প্রচুর - এমন মনে করে শতকরা চুয়াল্লিশজন। 

২.
জার্মান সমাজের জন্য ইছলাম সঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করে মাত্র ঊনিশ শতাংশ জার্মান। শতকরা ছেচল্লিশজন মনে করে, জার্মানিতে বড্ডো বেশি মুছলিম। আর শতকরা তিরিশজন সন্ত্রাসবাদী জাতীয় আক্রমণের সম্ভাবনায় উদ্বিগ্ন। 

৩.
ব্রিটিশ জীবনযাত্রার সঙ্গে মুছলিমরা সঙ্গতিপূর্ণ - এ কথা মনে করে শতকরা চব্বিশ শতাংশ ব্রিটিশ। আর প্রায় অর্ধেক ব্রিটিশ মনে করে, মুছলিমরা ব্রিটিশ সমাজে বসবাসের উপযুক্ত নয়। সাতাত্তর শতাংশের মত, পশ্চিমা সভ্যতার জন্য ইছলাম হুমকি। 

ছাগুর নানাবিধ খাদ্য

নেট থেকে পাওয়া এই ছবি দেখে মনে হলো, ছবিটাকে কেউ পচাবে না, তা হতেই পারে না। গুগল ইমেজ সার্চ করে পাওয়া গেল একটা কোলাজ-পোস্টার। পোস্টারটিতে ব্যবহৃত কথা অনুবাদ না করে পাল্টে দেয়া হয়েছে। পোস্টারটা কিন্তু ইয়ে-টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কইরা  

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

ধর্মবিদ্রূপানন্দ - ০৭

লিখেছেন Mosammot Rinee Khatun

১৯.
হাসরের ময়দানে সূর্য কাফির মুশরেকদের মাথার এক হাত ওপরে থাকবে। সেটা মাথাপিছু একটা সূর্য না সবার জন্য একটা সূর্য? যদি সূর্য মাথাপিছু একটা হয়, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি একটা সূর্যই সবার জন্য হয় তাহলে একখান কুশ্ছেন আছে। কোন গোলাকার বস্তুর পৃষ্ঠদেশ হতে সমতলে অবস্থিত বিভিন্ন বিন্দুর দূরত্ব অসমান। সেই সূর্যের ঘর্মসৃষ্ট পানি হবে সত্তুর হাত, কিন্তু সাড়ে তিনহাতি মানুষ ডুবে যাবে না।

২০.
যেখানে আল্লাহ 'হও' বললে সবকিছু হয়ে যায়, সেখানে বিশেষ কার্যসিদ্ধির জন্য মাত্র তিনটা ফু দেয়ার জন্য ইস্রাফিল ফেরেস্তাকে শিঙ্গা নিয়ে যুগযুগান্তর সদা প্রস্তুত অবস্থায় দাঁড় করিয়ে রাখাটা ক্ষমতার 'মিতব্যয়ী' ব্যবহার এবং আল্লাহর বিশাল বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক।

২১.
ইসলাম ধর্ম অনেক মত-পথ-তরিকায় বিভক্ত। যেমন - সুন্নি, শিয়া, কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি। প্রতিটি তরিকাপন্থীই নিজেরটা সহিহ পন্থা ও বাকিগুলো ভ্রান্ত পথ বা বেদাত মনে করে।
আবার তারা এটাও মানে, মুসলমানরা ভাই-ভাই। মসজিদ-মাজার পবিত্র স্থান। এখানে মৃত্যুবরণ করলে সরাসরি বেহেস্তে লাভ। তাই দ্বীনি ভাইয়েরা নিজের জীবন উৎসর্গ করে অন্যান্য ফিৎনার ভাইদের বেহেস্তে প্রেরণের মহান ব্রত নিয়েছেন। মসজিদ, মাজার ও ধর্মসভায় আত্মঘাতী হামলায় নিজের সঙ্গে আরও ৫০-১০০ জন বিদায়াতী ভাইকে বেহেস্তে নিয়ে ইসলামী ভ্রাতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন।

বদবায়ু বিষয়ে বেদ্বীন-বরাহের বাসনা

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

লুক্স লিখিত সুসমাচার - ২৭

লিখেছেন লুক্স

২৫৬.
ইসলামী মৌলবাদীরা যেভাবে দামী দামী মসজিদে বোমা ফুটাইতেছে, তাতে মোহাম্মদের যুগের মতো কলাপাতা, তালপাতা দিয়া মসজিদ বানানো উচিত। হায়াত-মৌত আল্লার হাতে। এতে বোমায় মানুষ মারা গেলেও মুসলমানদের সম্পদ রক্ষা হবে।

২৫৭.
কাফের বিজ্ঞানীদের সব গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারই প্রথমে ইসলামে হারাম থাকে। পরে তা হালাল হয়ে যায়। 
বড়দের কাছে শুনেছিলাম মাইক আবিষ্কারের প্রথম দিকে ইসলাম তা হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছিল। অথচ কিছুদিন পরই আযান দেয়ার জন্য আর ওয়াজ করার জন্য মাইক ইসলামের সবচেয়ে জরুরি নিয়ামত হয়ে পড়ে, হোক সে কাফেরদের আবিষ্কার।
ছোটবেলায় মক্তবের হুজুর আর আরবী শিক্ষক টিভি দেখতে নিষেধ করতেন, টিভি দেখলে নাকি চোখের গুনাহ হয়। আর এখন ইসলামী অনুষ্ঠান ছাড়া দেশের কোনো টিভি চ্যনেলই চিন্তা করা যায় না। শুধু ইসলাম প্রচার করার জন্য অসংখ্য টিভি চ্যানেল রয়েছে পৃথিবীর প্রায় সব ইসলামিক দেশেই।
দেশে প্রথম ইন্টারনেট আসার পর দেখতাম বাবা-মা তাদের সন্তানদের ইন্টারনেট ব্যবহারে ভয় পেতেন। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে নাকি ছেলেমেয়েরা খারাপ হয়ে যেতে পারে। আর এখন ইন্টারনেটই হচ্ছে মোল্লাদের ইসলাম প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
চলচ্চিত্রও ইসলামে এক সময় হারাম ছিল, এখন তাও হালাল। সৌদি আরবও তাদের প্রথম চলচ্চিত্রটি বানিয়ে ফেলেছে কিছুদিন আগেই।
কাফেরদের আবিষ্কার সব হারাম যেভাবে ইসলামে হালাল হয়ে যাচ্ছে, তাতে একসময় আর ইসলামে হারাম বলে কিছু থাকবে না। হালাল মদ আর হালাল শুকরের মাংস গোপনে উপভোগ করতে আমি অনেক মুসলমানকেই দেখেছি।

২৫৮.
মুসলমানগো মোনাজাত শুনলে মনে হয় যেন আল্লাহ একটা ব্যাক্কল, আল্লাহ কিছুই বোঝে না। 
আল্লাহ কারে কী করবো, কারে রাখবো আর কারে মারবো, কারে ধ্বংস করবো আর কারে শান্তিতে রাখবো - সবকিছুই আল্লাহরে শিখায় দিতে হয়!

২৫৯.
আল্লাহ ধর্মের বিরুদ্ধে লিখেছেন, আমরাও ধর্মের বিরুদ্ধে লিখি।
আল্লাহ নাস্তিক ছিলেন, আমরাও নাস্তিক।
আমরা সবাই এক একজন আল্লাহ।

২৬০.
পৃথিবীর সব উন্নয়নশীল দেশের মানুষই ইংল্যান্ড আমেরিকায় ইমিগ্রান্ট হয়ে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখে। এ প্রজন্মের চীনা তরুণ এবং একজন উপমহাদেশীয় মুসলমান তরুণদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে - চীনা তরুণরা ধর্মনিরপেক্ষ সমাজে আধুনিক জীবনযাপন করে এবং উপমহাদেশীয় একটা বিশাল সংখ্যক মুসলমান তরুণ জিহাদী খাতায় নাম লিখিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গ করে।

২৬১.
একটি জাতিকে মধ্যযুগীয় সময়ে আটকে রাখার জন্য ইসলামী সমাজব্যবস্হা আর মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্হাই যথেষ্ট।

২৬২.
''মাধ্যমিক স্তরের ধর্মশিক্ষা'' বইটিতে একটি মজার কথা বলা আছে, “আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, হিংস্র প্রাণীর দেহে এমন সব জীবাণূ আছে, যা মানুষের দেহের জন্য ক্ষতিকর, কাজেই তা আমাদের জন্য হালাল হতে পারে না। এছাড়া হারাম খেলে মন্দ অভ্যাস ও অসচ্চরিত্রতা সৃষ্টি হয়, ইবাদাতে আগ্রহ থাকে না এবং দুয়া কবুল হয় না”(পৃঃ ৪৪)।
কোন গবেষণায় এই যুগান্তকারী ফলাফল পাওয়া গিয়েছে, তার রেফারেন্স দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি এই বইয়ের লেখকেরা। এখান থেকে আমি শিখেছি - গুজব ছড়ানোর প্রক্রিয়াটা বিজ্ঞান দ্বারা অনুমোদিত।

২৬৩.
কোরান সত্য, কারণ কোরানের ওমুক আয়াতে বলা হয়েছে কোরান সত্য। তাহলে আর আলোচনা করার কোনোই মানে হয় না।

২৬৪.
বাংলাদেশের মুসলমানরা কয়দিন পর পর কোরান খতম দেয়। খতমের পর মাইনষেরে জিলাপি খাওয়ায়। মাগার বাংলায় কোরান পড়ে না। ভাইলোগ, বাংলায় কোরান পড়েন, জিলাপি আমি খাওয়ামু।

২৬৫.
একজন ক্যান্সারচিকিৎসক যদি ক্যান্সারের চিকিৎসাই না করেন, সেটাকে যেমন আপনারা মেনে নিতে পারেন না, তেমনি একজন নাস্তিক ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কথা বলে না - সেটাও আমি মেনে নিতে পারি না। ধর্মান্ধতার চেয়ে বড় ক্যান্সার আর নাই।

প্রচারে বিঘ্ন – ৩২

পুলাপান বদের বদ! শান্তিমতোন ধর্মপ্রচারও করতে দেয় না।

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

নব্য মুসলিমস

লিখেছেন আইসিস 

আজকের লেখার মূল বিষয় হলো নব্য মুসলিমস। বিষয় অবতারণার পেছনে দায়ী তিনটি ঘটনা। 

প্রথমটি হলো, আমার পরিচিত এক ছোটো ভাই - অত্যন্ত মেধাবী। যুক্তরাষ্ট্রের এক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে বৃত্তি নিয়ে পড়েছে। প্রেমে পড়েছিলো এক মেয়ের। সম্পর্ক টেকেনি। তাই দেশে গিয়ে এক হিজাবধারীকে বিবাহ করেছে। হানিমুনের ছবি দেখে হাসবো না কাঁদবো, বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সমুদ্র প্রান্তরে নেংটুপুটুদের মাঝে টাইটস পড়া হিজাবী বউ। 

দ্বিতীয়টি হলো, আমার আরেক মামাতো বোন। মা, বড়ো বোন বেশ ফ্যাশনেবল। পারিবারিক ছবিতে দেখলাম নাসারা পোষাক পরিহিত মা-বোনের মাঝে হিজাব পরিহিত তার শালীন চেহারা। অনাবৃত মুখ যদিও পুরোটাই মেকাপ চর্চিত (ইসলামে পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, এমন কিছু করা বারণ বলেই জানতাম); ওর মাকে জিজ্ঞেস করায় বললো, স্কুল থেকে জ্ঞান আহরণ করে এসেছে। 

তৃতীয়টি হলো, আমার স্কুলের পুরনো একটি ভিডিও। আমার ব্যাচের ছবিতে কাউকে মাথায় 'টোপর' দিতে দেখিনি। অথচ বসুন্ধরা সিটি মলের ২০১৩ সালের এক ভিডিওতে ১০ টা মেয়ের মাঝে দেখলাম  ৪ টা মেয়ের মাথায় কাপড়। 

ধর্মকারীতে নতুন নতুন লেখকদের আগমন আমাকে যেমন আশান্বিত করে, তেমন এই ঘটনাগুলো আমাকে ব্যথিত করে। 

আমার নিজস্ব ব্যাখ্যা হলো - ইন্টারনেটের যুগে তথ্যপ্রযুক্তি খুব সহজলভ্য। সারা বিশ্ব এখন একই তালে ছুটছে। সেই সময় সবাই চায় একটা দলভুক্ত হতে। মুসলিম দলভুক্ত হতে তেমন কোনো স্কিল লাগে না। ভালো অংক জানতে হয় না, বিতর্ক করতে জানতে হয় না। খালি মানুষজনকে ঘৃণার চোখে দেখতে পারলেই চলে।

আর মুসলিম এক্সট্রিমিস্টদের ডোনেশনে প্রত্যেক স্কুলে আছে তাদের বেশ ভালো নেট ওয়ার্ক। এই সুযোগে আমার মামাতো বোনের মতো পরিবারের অজান্তেই অনেকেই এদের ফাঁদে পা দিচ্ছে। ব্যাংক বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনাকারী নাফিসের হাতেখড়ি স্কুল থেকেই হয়েছে। 

শ্রদ্ধা আদায়ে ধর্মীয় টুপির ভূমিকা

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

ধর্মীয় টুপি-বাতিকগ্রস্ততাকে ব্যঙ্গ করা একটি অতীব মজাদার সংবাদ ও তার বিশ্লেষণমূলক পোস্ট: হোলি ড্রাইভিং লাইসেন্স। অবশ্যপাঠ্য।

আ-কারহীনের অকর কণ্ড

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

শুনেছ তোমরা! আকাশেতে নাকি এক মহাবুড়ো থাকে,
তার নাকি কোনো হাত নেই!

তাহলে সে রোজ খাবার সময় কীভাবে যে ভাত মাখে!

খিদেও তো তার পায় না শুনেছি সারাটাদিন না খেলে?

তার নাকি কোনো চোখও নেই!
তাহলে কীভাবে চোখ বোঁজে বলো ঘুমটি তাহার পেলে?
তার নাকি কোনো পাও নেই!
তাহলে চললে ভূঁয়ের ওপরে কোন অঙ্গ তার ঠেকে?
তার নাকি কান-চোখও নেই!
তাহলে কীভাবে সব শোনে সে ও কীভাবে বা সব দ্যাখে?
তার নাকি কোনো মাথা নেই!
বিশ্রাম নিতে আরশের 'পরে শোয় তবে বলো কী দিয়ে?
তার নাকি কোনো আ-কারই নেই!
আ-কারহীনের অকর কণ্ড দেখি মোরা সকলে গিয়ে!


সমবন্টন

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

৩১ জানুয়ারী, ২০১৩

যুক্তির কাঠগড়ায় কুরান-হাদিস - ০৩

লিখেছেন রাইট হার্ট

যুক্তি - ৭

ধরুন, আপনার কোনো এক সন্তান আপনাকে বাবা বলে স্বীকার করে না অর্থাৎ তার পিতৃপরিচয় সে দেয় না। এখন আপনি কী করবেন? 

- আপনি কি অন্য সন্তানদের নির্দেশ দেবেন তাকে হত্যা করতে? 
- অতঃপর তার সম্পত্তি আর স্ত্রী-কন্যা নিজেদের মাঝে ভাগ করে নিতে? 
- কিংবা মেয়ে হলে দাসী বানিয়ে ধর্ষণ করতে আর ছেলে হলে দাস বানিয়ে ব্যবহার করতে?

'আল্লাহ' নামক সৃষ্টিকর্তা মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছেন যারা অবিশ্বাসী অর্থাৎ যারা তার অস্তিত্বে বিশ্বাস আনবে না, তাদের 
- হত্যা করতে (কোরান ২:১৯১, ৪:৮৯, ৯:৫, ৪৭.৪), 
- তার সম্পত্তি আর স্ত্রী-কন্যাদের গনিমতের মাল হিসেবে নিজেদের মাঝ ভাগ করে নিতে (কোরান ৪৮:২০, ৮:৪১, ৪:২৪), 
- মেয়েদের দাসী বানিয়ে ধর্ষন করতে (কোরান ৪:৩, ২৩:৫-৬, ৭০:২৯-৩০), 
- ছেলেদের দাস বানিয়ে ব্যাবহার করতে (কোরান ১৬:৭১, ১৬:৭৫) !

এখন বলুন, কে বেশি স্নেহশীল এবং নীতিবান? - আপনি নাকি আপনার আল্লাহ? 

যুক্তি - ৮

ধরুন, আপনার জানা মতে আমি একজন দয়ালু, নীতিসম্পন্ন এবং জ্ঞানী ব্যক্তি! কিন্তু আমি আপনাকে জানালাম যে, কিছু মূহুর্ত আগে আমি আমার মামার সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্চাটিকে মেরে ফেলেছি! এখন কি আর আমাকে আপনার দয়ালু মনে হচ্ছে? কিংবা নীতি বোধ সম্পন্ন জ্ঞানী কেউ ? উত্তরটা সম্ভবত 'না'।

এবার আসল আলোচনায় আসা যাক । কুরান অনুসারে:

১. আল্লাহ দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান ~ ২১:৮৩
২. তার ইচ্ছেয় এই দুনিয়ার যাবতিয় কিছু ঘটে থাকে ~ ৭৬:৩০-৩১
৩. তার ইচ্ছে ব্যাতিত কেউ মরতে পারে না ~ ৩:১৪৫
৪. তার কাছে কোন বিষয়ে প্রার্থনা করলে তা তিনি কবুল করে নেন ~ ২:১৮৬

এবার ধরা যাক, কোনো এক টেররিস্ট অ্যাটাকে বহু লোক মারা গেল। এখন আপনার মতে কি তারা সবাই গুনাহগার ছিল? কেউই কি সৎ, নীতিবান বা নিরীহ ছিল না? যেসব শিশুরা মারা গেল তারা? মনে রাখতে হবে, ইসলাম পুনর্জন্মের পাপ জাতীয় ধারনায় বিশ্বাস করে না যে,এটা মানতে হবে আল্লাহ পূর্ব-পাপে তাদের এমন সাজা দিলেন। যেহেতু তার ইচ্ছে ব্যতিত কিছু ঘটে না এবং তার ইচ্ছে ব্যতিত কেউ মরতেও পারে না, তাই এটা ধারণা করা যায় সহজেই যে, টেররিস্ট অ্যাটাক ঘটানো এবং নিরপরাধ মানুষ মারা দুটোই তার কর্ম। এছাড়া, মৃত্যু মুহুর্তে সবারই বেঁচে থাকার প্রতি আকুতি থাকার কারণেই আল্লাহর প্রতি সে ভক্তিভরে প্রার্থনা জানাবেই। কিন্তু যেহেতু তার মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে হলই, সেক্ষেত্রে বলা যায়, প্রার্থনা করলেই আল্লাহ তা পূরণ করেন না ।

সুতরাং ওপরোক্ত বক্তব্য অনুসারে, (২+৩) is not equal to ১ or ৪ ~~ সিম্পুল ম্যাথ! 

বিঃ দ্রঃ কোনো মুমিন যদি এই বলিয়া নিজের অজ্ঞতা ঢাকতে বা আবালতা প্রকাশ করতে চান যে, আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা করার জন্যেই এমন অনেককিছু করেন, যা আমাদের বোধগম্য নয়, তাহলে আমি বলবো ~ আপনার আল্লাহ সর্বশক্তিমান বা সর্বদ্রষ্টা নন, যেহেতু পরীক্ষার ফল কী হবে, তা তাঁর জানা নেই। 

এক জোড়া পোস্টার - ৩৪

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক) 

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৫৫

পাঠিয়েছেন সায়ন

১৫৭.
বাসর রাতে ৯ বছর বয়সী বিবি আয়েসা নবী করিম মোহাম্মদ (সঃ) কে জিজ্ঞেস করল,”শয়তান, দোজখ আর বেহেস্তের সুখ কোথায় পাওয়া যায়, আর কীভাবে পাওয়া যায়?”
মোহাম্মদ (সঃ) উত্তর দিলেন, “আমার দুই পায়ের মাঝে তুমি শয়তানকে পাবে। তোমার দুই পায়ের মাঝে পাবে দোজখ। আর যদি তুমি দোজখে শয়তানকে বন্দি করতে পার, তবেই তুমি পাবে বেহেস্তের সুখের অনুভূতি।" 

১৫৮.
রাস্তার মধ্যে এক লোকের হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলো। চোখ মেলে দেখলো, সে এক হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। জানতে পারলো, কিছুক্ষণ আগেই তার বড়সড় এক বাইপাস সার্জারি হয়েছে। কিছুক্ষণ পর লোকটার কাছে এক যাজিকা এলেন হাতে একটা লম্বাটে কাগজ নিয়ে।
“এটা একটা মিশনারী হাসপাতাল, জনাব।” বললেন যাজিকা। “যদিও এটা চালাতে রোগীদের কাছ থেকেও কিছু টাকা নেয়া হয়। আপনার কাছে কি এই অপারেশনের ব্যয়ভার বহন করার মত যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আছে?”
লোকটা অসহায়ের মত তাকিয়ে মাথা ঝাঁকিয়ে জবাব দিল, "নেই।"
“এখানে হয়তো নেই, কিন্তু ব্যাঙ্কে তো আছে?”
এবারও লোকটার একই উত্তর: "নেই।"
“হুম,” বললেন যাজিকা। “তবে আপনার কি কোনো স্বাস্থ্যবীমা করা আছে?”
লোকটা আবারও না-বোধক মাথা নাড়লো।
“বড়ই সমস্যা দেখছি। তো এই অপারেশনের বিল শোধ করার মত কোনো সামর্থ্যবান আত্মীয় কি আপনার আছে?”
লোকটা এবার ক্ষীণকণ্ঠে বললো, “আত্মীয় বলতে আছে শুধুমাত্র আমার এক বোন।”
“তার কি আপনার অপারেশনের খরচ বহন করার টাকা আছে? সে কী করে?”
“কী আর করবে! সে দেখতে এতই বিশ্রী যে, কোনো ছেলে তাকে বিয়েই করছিল না। তাই সে হয়ে গেল এক ক্যাথলিক চার্চের যাজিকা।”
ইজ্জতে লাগলো উপস্থিত যাজিকাটার। “আপনি কি জানেন, একেকটা যাজিকার পতিভাগ্য কীরূপ? প্রত্যেকটা যাজিকা হলেন স্বয়ং ঈশ্বরের স্ত্রী।”
লোকটা চটপট বললো, “ঠিকাছে। অপারেশনের বিলটা তাহলে আমার দুলাভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দিন।”
© ঐশ

১৫৯.
একদা রাতে নবীজী হযরত মুহাম্মদ হেরা গুহায় বসে ধ্যান করছিলেন। হঠাত তিনি দেখলেন এক পেষল, ইয়া বড় ষণ্ডামার্কা সুদর্শন যুবাপুরুষ তার সামনে দাঁড়িয়ে। নবীজী যুবককে বললেন, "হে মহামহিম, নিশ্চয়ই আপনি ফেরেস্তা জিব্রাইল হবেন।" 
যুবক উত্তর করলো- "না, আমি জিব্রাইল না।" 
নবীজী বললেন, "কিন্তু এই গুহায় তো কেউ ছিলো না আর আমি ছাড়া। কীভাবে আপনি এখানে আসলেন? অবশ্যই আপনি অশরীরী কেউ। আমার ধ্যানে তুষ্ট হয়ে আমার মনোবাঞ্ছা পুরণের লক্ষ্যে আপনি এই গুহায় এসেছেন। অবশ্যই আপনি ফেরেস্তা জিব্রাইল। নিজেকে আর লুকিয়ে রাখবেন না। এইবার দয়া করে আমার মনোবাঞ্ছা পুরণ করুন।" 
যুবক বললো তখন, "আচ্ছা, ঠিকাছে। আমিই ফেরেস্তা জিব্রাইল। এইবার বলো, কী তোমার মনোবাঞ্ছা।" হযরত বললেন, "আমার মনোবাঞ্ছা হচ্ছে, আমি পৃথিবীর তামাম সুদর্শন নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধের সঙ্গে যৌনসঙ্গম করতে চাই; পৃথিবীতে যতো টাকা-পয়সা-ধন-দৌলত আছে এর সব চাই; এবং চাই সর্বোপরি ক্ষমতা যাতে আমি যা খুশি তাই-ই করতে পারি।" 
জিব্রাইল বললেন, "আচ্ছা ঠিকাছে তোমার মনোবাঞ্ছা পুরণ করা হলো। তোমার মনোবাঞ্ছাগুলো কাল সকালে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু এক শর্তে। শর্তটা হচ্ছে - সারারাত আমাকে তোমার পু* মারতে দিতে হবে।" 
প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেলেন নবীজি কিন্তু পরিশেষে ভেবেচিন্তে দেখলেন, ফেরেস্তা মানুষ, তারপর আবার সুদর্শনও বটে; ক্ষতি নেই কোনো একে একরাত আমার পু* মারতে দিলে। রাজি হলেন আমাদের নবীজি এবং তেল-টেল মেরে একদম রেডি হয়ে বসলেন। সারারাত তুমুল পু* মারামারি করে ক্লান্ত হয়ে গুহাতেই ঘুমিয়ে পড়লেন তাঁরা। 
সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে হযরত বললো, 'সকাল তো হয়েছে, এইবার আমার মনোবাঞ্ছা বাস্তবায়িত করুন।"
জিব্রাইল আড়মোরা ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বললো, "বয়স কতো হইছে তোমার?" 
নবীজী বললেন, "আজ্ঞে হুজুর চল্লিশ বছর।" 
হাসতে হাসতে বললো তখন জিব্রাইল, "চল্লিশ বছর বয়স হইছে তোমার, এখনও তুমি মিয়া ফেরেস্তায় বিশ্বাস করো?" 
[বি.দ্র.- ঐতিহাসিকদের ধারণা এই যুবকটির নাম আবু জেহেল।] 

* সবগুলোই বড়বাবুদের কৌতুক: ছোটবাবুরা খেলতে যাও নামের ফেসবুক পেজ থেকে। 

চিত্রপঞ্চক - ৪৪

শেষের ছবিটা একটু ইয়ে-টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা! 

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৭২

১.
সংশয়বাদী তাকেই বলে, ঈশ্বরের আইডি কার্ড দেখতে চায় যে।
(সংগৃহীত ও অনূদিত)

২.
অসংখ্য প্রহরীর পরিবর্তে মাত্র কয়েকটি সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপন করে বিশাল সুপারমার্কেটের সমস্ত কর্মকাণ্ড রেকর্ড করে রাখা যায়, অথচ সর্বশক্তিমান আল্যাফাক তার সৃষ্ট মানুষদের ওপর নজর রাখতে নিয়োগ করেছে কেরামান-কাতেবীন নামের তেরো-চোদ্দ বিলিয়ন ফেরেশতা।

৩.
ধর্মবিশ্বাসীদের অতীত- ও বর্তমান আচরণ দেখে এ কথাই মনে হয়: ধর্মবিশ্বাসীদের কাছে ধর্মীয় স্বাধীনতার মানে - ধর্মের নামে যা ইচ্ছে তা-ই করার স্বাধীনতা।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৭৬

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

৩০ জানুয়ারী, ২০১৩

ধর্মগ্রস্তরা

অনেক সময়ই ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে অপ্রকৃতিস্থতা বা বিকারগ্রস্ততার পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। দক্ষিণ ভারতে হিন্দুদের এই রিচ্যুয়ালটি দেখে সেই ধারণাটিই জোরদার হলো। 

তেত্রিশ সেকেন্ডের অ-ইউটিউব ভিডিও। 

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৪৬

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

(পূর্ণাকারে দেখতে বা ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

Astrology is Still Bullshit নামের ফেসবুক পেজ থেকে।

ইসলামোরফোসিস - ০৬

লিখেছেন কৌশিক

৭.
সাতদিন পরপর নখ ও অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা সুন্নত বলে আমি এখন অনেক ফুরফুরে। হাদিসে আছে, চল্লিশ দিন অতিক্রম হওয়া হারাম। বৃহস্পতিবার নখ কাটলে বেশী মর্তবা। কারণ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত মানে হচ্ছে শুক্রবারের রাত। সোবহানাল্লাহ! দিনের আগে রাত চলে আসার বিধান রেখেছে মহান পাক পরওয়ারদেগার। এই রাতে ফেরেশতারা খোদার সমীপে সেজদায় অবনত হয়। তবে অবশ্যই দিবাভাগে এসব কর্তন সমাপ্ত করা উচিত। 

কিউ টিভিতে কোরানিক মতে নখ কর্তন দেখে এক অমুসলিম ইমান এনেছে বলে বয়ান শুনেছিলাম রাস্তায় লাগানো মাইকে। হুজুর বলছিল, দ্যাখ বেদ্বীন, ইসলাম হচ্ছে কমপ্লিট কোড অফ লাইফ! কেমনে নখ কাটতে হবে, তাও শিখিয়ে দিয়েছেন আমাদের নবীয়ে কারীম! শুনে রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে গর্বে আবার বুক ভরে ওঠে। দুই কিলোমিটারব্যাপী রাস্তায় পঞ্চাশ মিটার পরপর মাইক ফিট করা। কোথায় ওয়াজ হয় জানি না। কিন্তু পুরো এলাকাবাসী, মুসলমান, কাফের, কীটপতঙ্গ, স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়ারা, হাসপাতালের রোগীরা সবাই মাশাল্লা সে দ্বীনি কথা শুনতে পাচ্ছিল। এটা অমুসলমান কাফেরদের হেদায়েতের পথ সুগম করে। তারপরে তারা যখন জানবে ইসলামের কী ফজিলত, ডান হাতের তর্জনী থেকে থেকে নখ কেটে ক্রমশ বাম হাতের তর্জনী পর্যন্ত কাটার নিয়ম - তারা বিমুগ্ধ হয়ে যাবে। হুজুর বলছিলো, এসবই সায়েন্টিফিক, আল্লাহর নবী হচ্ছে সাইন্টিস্টদের সাইন্টিন্স্ট! সোবহানুতায়ালা আজিজ! 

আমাদের কিউ টিভির একজন বুর্জুগানে দ্বীন বলেছেন, ইসলামের এসব নানা সায়েন্সের কথা মানুষজনকে বেশী বেশী বলতে হবে। কারণ শয়তান কাফেরদের দিলে একটা সিল লাগিয়ে দেয়। হেদায়েত আসে কান, চোখ দিয়ে। হযরত মুসা আঃ এর উম্মতেরা ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। তারা যখন কান চোখ বন্ধ করে রাখতো নবীর কথা শোনা থেকে তখন তারা গোমরাহ হয়ে গেল। এজন্য মাইক লাগিয়ে পুরো এলাকায় শোনাতে হবে কমপ্লিট কোড অব লাইফের কথা। 

আল্লাহ জাল্লা শানুহ এভাবে আমাদের মধ্যে দ্বীনের প্রতি জজবাত তৈরী করে দেবে এবং একসময় সমস্ত মানুষ দ্বীন কবুল করে দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি অর্জন করবে।

স্ক্রিনশট সংকলন - ০৬

ব্রিটেনের অন্যতম প্রভাবশালী ইছলামবাজ 'আম-জাম চোদরী'-র টুইটার থেকে:
(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক

ভ্যাটিকানের পোপের টুইটার থেকে:
(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

লুলপুরুষ আদম

(ছবি দেখা না গেলে বিকল্প লিংক)

২৯ জানুয়ারী, ২০১৩

ইসলামে বর্বরতা: নারী-অধ্যায় - ২০

লিখেছেন আবুল কাশেম


যুদ্ধবন্দিনীদের কী অবস্থা?

ইসলামী আইন অনুযায়ী, যে সব কাফের যুদ্ধবন্দিনী ইসলামী সৈন্যদের হাতে বাধা পড়বে, তাদের সাথে ইসলামী সৈন্যরা অবাধ যৌনসঙ্গম করতে পারবে। নবীজির সময় থেকেই এই ব্যবস্থা চলে আসছে। নবীজি নিজেও এই কর্ম করেছেন এবং তাঁর সেনাবাহিনীর সদস্যদেরকেও এই কর্ম করতে আদেশ দিয়েছেন। উদাহরণ দেওয়া যাক এক সুন্দরী ইহুদি তরুণী রিহানার। সে অন্য এক ইহুদি ছেলের সাথে বিবাহিতা ছিল। রসুলুল্লাহ বনি কুরায়যা ইহুদিদের আবাসস্থল আক্রমণ করে তাদের ওপর লুটতরাজ চালান এবং তাদেরকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করেন। এই আত্মসমর্পিত ইহুদিদের প্রতি তিনি তাঁর সুহৃদ সা’দ বিন মুয়াযের বিচারের রায় অনুযায়ী আদেশ দেন সমস্ত প্রাপ্ত বয়স্ক ইহুদি পুরুষদের গলা কেটে হত্যা করার আর ইহুদি মহিলা ও শিশুদের ক্রীতদাসের বাজারে বিক্রি করার। নবীজির আদেশ যথাযথ পালন করা হল কিন্তু এই বন্দিনীদের মাঝে তিনি অপূর্ব সুন্দরী যৌনাবেদনময়ী তরুণী রিহানাকে দেখে তার সাথে সহবাস করার জন্যে ব্যাকুল হয়ে উঠেন। তাই রিহানাকে ক্রীতদাসের বাজারে না পাঠিয়ে নবীজি তাকে তুলে নেন আপন বিছানায়। পরে নবীজি রিহানাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়ে তাকে বিবাহের পরামর্শ দিলে রিহানা তা করতে অস্বীকার করে। তাই রিহানা তার জীবন কাটায় রসুলুল্লাহর বিছানায় তাঁর যৌনদাসী হিসেবে। এছাড়াও ইসলামের ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি যে, নবীজি নিজে তাঁর দুই জামাতা আলী ও উসমানকে উপহার দিয়েছেন সুন্দরী যুদ্ধবন্দিনীদের, যেন তারা ঐ বন্দিনীদেরকে অতিরিক্ত যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই হল নবীজির নৈতিক চরিত্রের উদাহরণ—যার উদাহরণ ইসলামী চিন্তাবিদরা আমাদেরকে বলেন অনুসরণ করতে।

এরপরেও জুয়েইরার কথা এসে যায়। নবীজি এই অপূর্ব সুন্দরী, বিবাহিতা, অল্প বয়স্কা ইহুদি মেয়েটিকে বনী মুস্তালিকের যুদ্ধে পেয়ে যান যুদ্ধবন্দিনী হিসেবে। আরও পেয়েছেন সফিয়াকে খাইবারের যুদ্ধবন্দিনী হিসেবে। এইসব বিষয়ে বেশ কিছু লেখা পড়া যেতে পারে বিভিন্ন জায়গায়। ইসলামী পণ্ডিতেরা এই সব ঘটনায় শুধু দেখেন নবীজির মাহাত্ম্য। তাঁরা বলেন, দেখুন রসুলুল্লাহ কত মহান, উদার, এবং করুণাময় ছিলেন। তিনি ঐ সব অসহায় যুদ্ধবন্দিনীদের বিবাহ করে তাদেরকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছেন। অনেক ইসলামী বিশারদ এই বলেন যে, ঐ সব মহিলারা, যাদের স্বামী, ভ্রাতা ও পিতাদের নবীজি হত্যা করেছেন, তারা নাকি নবীজিকে দেখা মাত্র তাঁর প্রেমে পড়ে হাবুডুবু খেতে থাকে। তাই ঐ যুদ্ধ-বন্দিনীদের অনুরোধেই রসুলুল্লাহ তাদেরকে বিবাহ করেন।

কী অপূর্ব কথা আমার শুনছি এই সব ইসলামী মিথ্যাচারীদের কাছ থেকে।

নবীজির এহেন আচরণকে অনৈতিক, নোংরা, জঘন্য ও বর্বরোচিত বলা ছাড়া আর কোনো ভাষা আমরা পাই না।

এই যুগে অনেক উচ্চশিক্ষিত মুসলিম পণ্ডিতেরা বলেন যে, যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সহবাসের নিয়ম নবীজির সময় ছিল—এখন তা করা যাবে না। কী মিথ্যা কথা-ই না তাঁরা বলে যাচ্ছেন। কারণ কোরান, হাদিস মুসলিমদেরকে পরিষ্কার বলে দিচ্ছে যে, মোহাম্মদের উদাহরণ প্রত্যেক মুসলিমের অনুসরণ করা বাধ্যবাধকতামূলক। তিনি যেমনভাবে গোসল করেছেন, যেমনভাবে পানি পান করেছেন, যেমনভাবে মলমূত্র ত্যাগ করেছেন, যেমনভাবে নারীদেহ উপভোগ করেছেন—এই সব কিছুই মুসলিমদের অনুকরণ করতে হবে। তাই নবীজি যেমনভাবে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সহবাস করেছেন, আজকের সমস্ত মুসলিমদের জন্যও তা অবশ্য করণীয়।

রসুলুল্লাহর উদাহরণ থেকে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা যে আজও ফরজ, তার সব চাইতে প্রকৃষ্ট প্রমাণ পাই আমরা বাংলাদেশেই। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী ইসলামী সৈন্যরা বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়। এই গণহত্যায় প্রায় তিরিশ লাখ নিরীহ বাঙালি প্রাণ হারায়। এছাড়াও পাকিস্তানী জাওয়ান আমাদের দেশের অগণিত মহিলাদের (তার সংখ্যা হবে আড়াই লক্ষের মত) যুদ্ধবন্দিনী হিসাবে (গনিমতের মাল) ধরে নিয়ে যায়, যৌনউৎপীড়ন চালায় এবং অনেককে যৌনসঙ্গমের পর হত্যা করে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধঅপরাধ বিধি অনুযায়ী এ এক বিশাল অপরাধ এবং এর বিচারে দোষীরা মৃত্যুদণ্ড পেতে পারে। কিন্তু হায়! ইসলামী আইন কী বলছে? ঐ সব ইসলামী সৈন্যরা কোনো অপরাধই করেনি। ওরা যে নবিজীর উদাহরণ পালন করেছে মাত্র।

এখন দেখুন, হাদিস কী বলেছে এ ব্যাপারে।
সুনান আবু দাউদ, বই ১১ হাদিস ২১৫০:
আবু সাইদ আল খুদরি বর্ণনা করলেন: হুনাইন যুদ্ধের সময় আল্লাহ্‌র রসুল আওতাসে এক অভিযান চালালেন। মুসলিম সৈন্যরা তাদের শত্রুকে মোকাবেলা করল এবং তাদেরকে পরাজিত করল। তারা অনেক যুদ্ধবন্দিনী পেল। যুদ্ধবন্দিনীদের কাফের স্বামীরা একই স্থানে থাকার দরুন রসুলুল্লাহর অনেক সাহাবি তাদের হাতে গচ্ছিত বন্দিনী কাফের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করতে বিব্রত বোধ করলেন। 
এই সময় আল্লাহ্‌ নাজেল করলেন কোরানের আয়াত ৪:২৪:
এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়—এটা তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তাদের স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য—ব্যভিচারের জন্যে নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ্‌ হবে না। যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সু-বিজ্ঞ, রহস্য-বিদ।
এই আয়াতের মানে পরিষ্কার—মুসলিম সৈন্যরা তাদের হাতে পাওয়া গনিমতের মাল, তথা যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে অবাধ সহবাস করতে পারবে—এমনকি যখন ঐ সব ‘মালের’ কাফের স্বামীরাও আশেপাশে থাকবে।

দেখা যাক এই হাদিসটা।
সহিহ মুসলিম বই ৮, হাদিস ৩৪৩২
আবু সাইদ আল খুদরি বর্ণনা করলেন:
হুনায়েন যুদ্ধের সময় আল্লাহ্‌র রসুল আওতাসে এক সৈন্যদল পাঠালেন। তারা শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে তাদের পরাজিত করল। এরপর মুসলিম সৈন্যরা যুদ্ধবন্দি নিলো। মহিলা বন্দিদের সাথে তাদের পৌত্তলিক স্বামীরাও ছিল। নবীজির সাহাবিরা ঐ মহিলাদের সাথে তাদের স্বামীর সামনে সহবাস করতে নারাজ থাকলেন। 
এই সময় আল্লাহ পাঠিয়ে দিলেন এই আয়াত: 
এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়—এটা তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র হুকুম। (৪:২৪)
অনেকেই হয়ত ভাববেন, এই ধরনের যৌনক্রিয়া হয়ত শুধুমাত্র সাধারণ ইসলামী সৈনিকদের মাঝেই সীমিত ছিল। কেননা এরা অনেক দিন যুদ্ধে থাকার কারণে সহবাসের জন্য অধীর হয়ে উঠেছিল। ইসলামের যেসব বড় বড় রত্ন আছেন, তাঁরা কোনোভাবেই এই ধরনের বর্বরোচিত কর্ম করতে পারেন না। কিন্তু দেখুন নিচের হাদিসটা। এই হাদিসে আমরা জানতে পারছি যে, রসুলুল্লাহ তাঁর জামাতা আলীকে যুদ্ধবন্দিনী উপহার দিলেন যৌনউপভোগ করার জন্যে। এই সময় আলী রসুলুল্লাহর কন্যা ফাতেমার সাথে বিবাহিত ছিলেন। কিন্তু তাতে কী আসে যায়? কেউ যখন এই নোংরা ব্যাপারটি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, তখন নবীজি এমনও বললেন যে, আলী এর চাইতেও বেশী (অর্থাৎ যৌনসম্ভোগ) পাবার অধিকার রাখে। এই হচ্ছে রসুলুল্লাহর নৈতিক চরিত্রের উদাহরণ।
সহিহ বোখারি, ভলুম ৫ বই ৫৯ হাদিস ৬৩৭:
বুরায়দা বর্ণনা করলেন:
রসুলুল্লাহ আলীকে খালেদের কাছে পাঠালেন খুমুস (যুদ্ধে লব্ধ মাল) নিয়ে আসার জন্যে। আমি আলীকে ঘৃণা করতাম। সে সময় আলী গোসলে ছিলেন (এক যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে সহবাস করার পর); আমি খালেদকে বললাম: আপনি কি তাকে দেখলেন (অর্থাৎ আলীকে)? আমরা নবীজির কাছে পৌঁছিলে তাঁকে এ ব্যাপারে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: “হে বুরায়দা, তুমি কি আলীকে ঘৃণা কর?” আমি বললাম: “জী হ্যাঁ”; তিনি বললেন: “তুমি তাকে ঘৃণা করছ, তবে সে তো ঐ খুমুস থেকে আরও বেশী পাবার যোগ্য।”
এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, কোনো যুদ্ধবন্দিনী যদি গর্ভবতী থাকে কিংবা জিহাদিদের সাথে সহবাস করার ফলে গর্ভবতী হয়ে পড়ে, তবে তার কী হবে? এ ব্যাপারে ইসলামের উত্তর আছে। নবীজি যুদ্ধ বন্দিনী ধরার পর সেগুলো তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের মাঝে বিতরণ করে দিতেন—নিজের জন্যে খাসা ‘মাল’টি রেখে। জিহাদিরা সাধারণতঃ তাদের স্ব স্ব ভাগে পড়া ‘মালের’ সাথে সহবাস করে ঐ ‘মাল’টি মদিনার অথবা নিকটবর্তী ক্রীতদাসের বাজারে বিক্রি করে নগদ টাকা নিয়ে নিত। ‘মাল’ কুৎসিত, বৃদ্ধা, মোটা, রুগ্‌ণা থাকলে অনেক কম দাম পেত। আর ‘মাল’ যদি গর্ভবতী হত তো সেই মালের প্রায় কোন মূল্যই থাকত না। তাই জিহাদিরা এমনভাবে তাদের স্ব স্ব ‘মালের’ সাথে যৌনসংযোগ করতো, যেন ‘মাল’ গর্ভবতী না হয়ে যায়। সেই যুগে তো আধুনিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। তাই জিহাদিদের জন্যে একটি পথই খোলা ছিল—তা ছিল ‘আজল’; এই আরবি শব্দের সঠিক বাংলা কি জানা নাই। তবে এর সরাসরি মানে হচ্ছে যোনির বাইরে বীর্যপাত করা। অর্থাৎ চরম পুলকের (orgasm) মুহূর্তে পুংলিঙ্গ যোনির বাইরে এনে বীর্যপাত ঘটান। অনেক জিহাদি আবার এইভাবে অতীব যৌন সুখ উপভোগ করতে পছন্দ করত। কেননা তারা সহজে তাদের স্ত্রীর সাথে এইভাবে যৌন উপভোগ করতে পারত না—ইসলামী আইন বলে যে, স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ‘আ্জল’ করা যাবেনা। শুধুমাত্র ক্রীতদাসী অথবা যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে ‘আজল’ করা যাবে কোনো অনুমতি ছাড়াই। আজকের দিনেও এই ইসলামী আইন বলবত থাকছে।

এ ব্যাপারে দেখা যাক কিছু হাদিস।
সহিহ্‌ বোখারী ভলুম ৫ বই ৫৯ হাদিস ৪৫৯:
ইবনে মুহাইরিয বর্ণনা করেছেন:
আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং আবু সাইদ আল খুদরিকে দেখলাম। আমি তাঁর পাশে বসে পড়লাম। তাঁকে আজল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। আবু সাইদ বললেন: “আমরা আল্লাহ্‌র রসুলের সাথে বনি মুস্তালিকের যুদ্ধে গেলাম। আমরা আরব যুদ্ধবন্দিনী পেলাম। আমাদের জন্যে কৌমার্য (celibacy) পালন করা অসাধ্য হয়ে উঠেছিল। তাই আমরা চাইলাম সহবাস করতে। সত্যিই আমরা আজল করতে ভালবাসতাম। তাই আমরা যখন আজল করার সিদ্ধান্ত নিলাম তখন চিন্তা করলাম: “রসুলুল্লাহ আমাদের সাথে আছেন, এমতাবস্থায় আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা না করে কি ভাবে আজল করি?” আমরা তাঁকে আজলের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি উত্তর দিলেন: “তোমাদের জন্যে উত্তম হবে এটা না করা কেননা যা জন্ম হবার তা হবেই।"
সহিহ্‌ বোখারি ভলুম ৭ বই ৬২ হাদিস ১৩৭:
আবু সাইদ আল খুদরি বর্ণনা করলেন:
এক জিহাদে আমরা শত্রুপক্ষের নারী বন্দি পেলাম। তারা আমাদের হাতে আসলে আমরা তাদের সাথে আজল করে সহবাস করলাম। এরপর আমরা রসুলুল্লাহকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: “তাই নাকি! তোমরা কি এরূপ করে থাক?” রসুলুল্লাহ তিনবার এই প্রশ্ন করলেন, এবং বললেন: “আখেরাত পর্যন্ত যত লোক সৃষ্টি হবে তাদের প্রত্যেকটি অবশ্য জন্মলাভ করবে।”
বলা বাহুল্য, ইসলামের এহেন নৈতিক নিম্নতায় অনেক শিক্ষিত ইসলামী বিশারদরা লজ্জিত হয়ে থাকেন। তাই ইসলামের লজ্জা চাপা দেবার জন্যে অনেক কিছুও বলে থাকেন—যেমন: আমাদের এসব দেখতে হবে স্থান, কাল, ও প্রসঙ্গ ভেদে। অনেকেই বলেন ইসলামকে ভুল বোঝা হচ্ছে, ইসলাম বুঝতে হলে প্রচুর পড়াশোনা করা দরকার, এই ব্যাপারে ইসলামের পণ্ডিতদের সাথে আলোচনা করা দরকার…এই সব কত বিচিত্র যুক্তি। অনেকে এমনও যুক্তি দেখান যে, ঐ সব বন্দিনীদেরও যৌনক্ষুধার নিবৃত্তি হচ্ছে—তাই মন্দ কী! যখন প্রশ্ন করা হয়—আজকের দিনেও কি ঐ ইসলামী প্রথা মানা যাবে কি না, তখন তাঁরা প্রশ্নটা এড়িয়ে যেতে পছন্দ করেন—হয়ত বা বলবেন: “দেখুন, এ ব্যাপারে ইসলামে ন্যায়সঙ্গত নিয়ম কানুন আছে। তাই ইসলাম যা করবে, তা ভালোর জন্যেই করবে।”

এ ব্যাপারে এক ইসলামী মওলানাকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর পরিষ্কার উত্তর হল, আজকের দিনেও ঐ ইসলামী নিয়ম প্রযোজ্য এবং আজকেও যদি ইসলামী জিহাদিরা কাফের রমণী লাভ করে যুদ্ধবন্দিনী হিসাবে তবে তারা বিনা বাধায় ঐ রমণীদের সাথে সহবাস করতে পারবে।

এই প্রশ্নের উত্তর এই ওয়েব সাইটের  দেওয়া হয়েছিল এই পাতায়। ওয়েব সাইটটি সচল থাকলেও সেই পাতাটি, বোধ করি, এখন অচল। 

এখন আমাদের কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গেল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সৈন্যেরা কেন তাদের বাঙালি নারী যুদ্ধবন্দীদের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি, বিন্দুমাত্র তাদের বিবেক বিচলিত হয়নি—এ সব তো ইসলামে সিদ্ধ। আর তা ছাড়াও বেশীরভাগ বাঙালিরা তো আসল মুসলমান নয়। তাই তাদের রমণীদের সাথে যদি পাকিস্তানি ইসলামী সৈন্যরা সহবাস করে, তবে তো ঐ সৈন্যরা এক বিশেষ অনুগ্রহ করছে। আর এর ফলে যদি কোন বাচ্চা পয়দা হয় তা তো আল্লাহ্‌ পাকের অশেষ অবদান। সেই শিশু হবে খাঁটি মুসলিম।

(চলবে)