৩১ মার্চ, ২০১৪

এক জোড়া পোস্টার



নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ০৭

লিখেছেন ওয়াশিকুর বাবু

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ১৩:
মুসলমানরা চোদ্দশ বছর পূর্বের জীবনবিধানে ফিরে যাওয়ার কথা বলে। যা আজকের যুগে অচল।

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যাবস্থা। এখানে সব সমস্যার সমাধান দেওয়া আছে।


কটূক্তি ১৪:
কিন্তু মুসলমানরা ঠিকই বিধর্মীদের প্রবর্তিত আধুনিক জীবনযাপনের সুফল ভোগ করে...

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, ইসলাম নমনীয় ধর্ম। এখানে পরিবর্তনের সুযোগ আছে...

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

উপ্রে আল্যা, নিচে নবী

পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা



হা-হা-হাদিস – ৮৭

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
মমিন মুছলিম ভাইয়েরা, মনে রাইখেন, দেবদারু গাছ হইলো গিয়া আপনাগো শত্রু। এই গাছ বুক টান কইরা খাড়াইয়া থাকে। মাথা নোয়ায় না। বেয়াদ্দপের বেয়াদ্দপ! কারণ কী, জানেন? দেবদারু গাছ হইলো কাফের গাছ! জ্বী না, এইটা আমার কথা না। এইটা বলসে নবীজি। এবং সে আরও বলসে, আপনেরা, মমিনেরা, হইলেন গিয়া শস্যক্ষেত্রের নরম ডগার মতোন।

কিন্তু এইটা তো ঠিক বুঝলাম না! 'শস্যক্ষেত্রের নরম ডগা' বলিতে কবি নবী কী বুঝাইতে চাহিয়াছেন? আমরা তো জানি, শস্যক্ষেত্রের ইসলামী মানে হইলো নারী। তাইলে নারীর নরম ডগা মানে কী?... একটা উত্তর অবশ্য ঘুরতেসে মাথায়... আপনেরা বুচ্চেন?

মুহাম্মাদ ইবন সিনান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমানদার শস্যক্ষেতের নরম ডগার মত। জোরে বাতাস এলেই তার পাতা ঝুঁকে পড়ে। যখন বাতাস থেমে যায়, তখন আবার স্হির হয়ে যায়। ঈমানদারদেরকে বালা-মূসিবত দ্বারা এভাবেই ঝুঁকিয়ে রাখা হয়। আর কাফেরের উদাহরণ দেবদারু গাছ, যা একেবারেই কঠিন ও সোজা হয়। যদ্দরুন আল্লাহ যখন ইচ্ছা করেন সেটিকে মুলসহ উপড়ে ফেলেন।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৮৭



নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৭০

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৩৪৬.
চৌদ্দ বিবি হই হই,
বদ নবীজি গেল কই?

৩৪৭.
কিছু কিছু নির্বোধ বলে থাকে, আল্ল্যাপাকের সৃষ্ট প্রাণী কুকুর নাকি নাপাক। তারা কি জানে যে, তারা প্রকারান্তরে আল্ল্যাপাককেই নাপাক বলছে? আল্ল্যাপাকই সবকিছু বানিয়েছেন। কুকুরদেরও তিনিই বানিয়েছেন। তিনি নিজে পাক হয়ে কি নাপাক জিনিস বানিয়েছেন? হে আল্ল্যাপাক, আপনার পাকহাতে সৃষ্ট প্রাণীকে নাপাক বলে যারা আপনাকেই নাপাক বলে আপনার চরম অপমান করে তাদের উপর ঠাডা মারুন।

৩৪৮.
ইব্রাহিম আঃ তার পুত্রকে জবাই করতে নিয়ে গিয়েছিল পাহাড়ে। মুসা আঃ আল্ল্যাকে দেখেছিল পাহাড়ে। মহাবদ সঃ নবুয়াত পেয়েছিল পাহাড়ে। এই সকল ঘটনা কেবল জনবিরল পাহাড়ে কেন ঘটত? লোকালয়ে কেন ঘটত না?

৩৪৯.
প্রশ্ন: নবী-রছুল হতে কী কী যোগ্যতার প্রয়োজন?

উত্তর: 
১. মেষ পালক হতে হবে;
২. নিরক্ষর হতে হবে;
৩. মিথ্যুক, প্রতারক, ভণ্ড, লম্পট, গুণ্ডা, পিশাচ, খুনি, লোভী ইত্যাদি হতে হবে;
৪. অকথন কথন পটায়ক ও অঘটন ঘটন পটায়ক হতে হবে;
৫. স্বীয় স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তাৎক্ষণিক রূপকথা রচনায় দক্ষ হতে হবে;
৬. ইঁদুর, বেজি, গুইসাপ ইত্যাদি ইতর প্রাণীর মত গুহায় বাসের অভ্যাস থাকতে হবে,
৭. মৃগী রোগী হতে হবে...

এই রকম কিছু গুণ থাকলে নবী হওয়া কোনো ব্যাপারই না।

৩৫০.
- বাংলাদেশে কেরামুন ও কাতেবিনের সংখ্যা কত?
- বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি। প্রতিটি মানুষের ডান কাঁধে একজন করে কেরামুন ও বাম কাঁধে একজন করে কাতেবিন থাকে। তাই বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬ কোটি কেরামুন ও ১৬ কোটি কাতেবিন রয়েছে। মানুষের চেয়ে ফেরেশতার সংখ্যা বেশি। যাই কই?

৩০ মার্চ, ২০১৪

চিকিৎসার বিনিময়ে সুস্বাস্থ্যের দোয়া


ক্রিকেট একটি হারাম খেলা!

লিখেছেন নিলয় নীল

গত ২৫ শে মার্চ বাংলা নিউজে কণ্ঠশিল্পী আরেফিন রুমির একটা সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় “বাংলাদেশের আল্লাহ খোদার নাম নিয়ে খেলা উচিত” শিরোনামে। মতিকণ্ঠ স্টাইলে শিরোনাম দেখে নিউজের মধ্যে গিয়ে আরও অবাক হলাম, আল্লাহার নাম নিয়ে খেলা প্রসঙ্গে আরেফিন রুমি বলেছেন:
বাংলাদেশের আর একটি সমস্যা হলো মুসলিম দেশ হওয়া সত্বেও আমরা ইবাদত করি না। অন্যান্য দেশ যেমন পাকিস্তানিরা যেমনই হোক না কেন মাঠেই তারা নামাজ পড়ে। কিন্তু বাংলাদেশ ইবাদত না করে খেলাটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। আমি মনে করি মুসলমান জাতি হিসেবে বাংলাদেশের আল্লাহ খোদার নাম নিয়ে খেলা উচিত। 
যা বুঝলাম, আরেফিন রুমি প্রতি ওয়াকথু নামাজ পড়ার দিকে গুরুত্ব আরোপ করেছেন এবং মাঠে বসেই পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের মতো নামাজ পড়তে উৎসাহিত করছেন। রুমির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেক গুঞ্জন আছে। যেমন তার ওয়েস্টার্ন লাইফস্টাইল, বিয়ের সংখ্যা, মেয়ে ঘটিত ব্যপার প্রভৃতি। তবে কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তুলে করে এই রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হালকা করতে চাচ্ছি না। কিন্তু যুক্তিবাদী মনে তারপরও কিছু প্রশ্ন চলে আসে। যেমন: 
- অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ভারত বা শ্রীলংকার মতো দলগুলো আল্লাহ-খোদার নাম না নিয়েও এতো ভালো খেলে কীভাবে? 
- যদি প্রতিপক্ষ দুই দলই আল্লাহ খোদার নাম নেয়, তাহলে আল্লাহ কোন পক্ষে যাবে? যেমন আফগানিস্তান ও পাকিস্তান যদি আল্লাহ-খোদার নাম নিয়ে শুরু করে তাহলে আল্লাহ কী করবে? 
- বাংলাদেশ মুসলিম দেশ হবার পরেও আল্লাহ-খোদার নাম না নেয়ার ফলে ভালো ফলাফল করতে পারছে না! তার মানে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কি কোন দলের সাথে হারে না? 
এসব প্রশ্ন নাহয় রুমির জন্য। তবে আমার মন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, যখন হুজুর ও ধার্মিকদের ক্রিকেটের প্রতি আকর্ষণ দেখি। ২০ বছর আগেও বাংলাদেশে মোল্লারা ক্রিকেট বুঝতো না বললেই চলে, জাগতিক এইসব দিকে নজর না দিয়ে তারা পরকালের উন্নয়নে ব্যস্ত থাকতো। কিন্তু ইদানীং পাকিস্তানকে সাপোর্ট করতে গিয়ে একদল নব্য মোল্লাদের আবির্ভাব হয়েছে, যারা ক্রিকেটের মতো শয়তানী খেলায় নষ্ট করছে সময়। ক্রিকেটকে 'ওয়েস্ট অফ টাইম' আমি বলিনি, বলেছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামিক ব্যক্তিত্ব জাকির নায়েক। অধিকাংশ ইসলামী চিন্তাবিদ ক্রিকেটকে হারাম বললেও জাকির নায়েক টেকনিক্যালি ব্যপারটি এড়িয়ে গিয়ে ওয়েস্ট অফ টাইম এবং না দেখা/খেলাই উচিত বলেছেন। জাকির নায়েকের ভিডিও লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=3WR5Gqp9zMw

তবে জাকির নায়েক ব্যাপারটি এড়িয়ে গেলেও অনেক ইসলামিক চিন্তাবিদ এটিকে এড়িয়ে যাননি। আমরা এখন এই বিষয়টা নিয়েই আলোচনা করবো। ইসলামে একটি বড় বিতর্ক হলো - ক্রিকেট খেলা বা দেখা কি হারাম? প্রশ্নটা সম্পর্কে অধিকাংশ ইসলামী চিন্তাবিদের মন্তব্য হলো - অবশ্যই এটি হারাম। ক্রিকেট যে একটি হারাম খেলা, এই বিষয়ে তারা প্রচুর যুক্তিও দিয়েছেন, যা অগ্রাহ্য করার মতো নয়। নিম্নে তাদের যুক্তিগুলো আমি আমার ভাষায় সাজালাম, এগুলো পড়ে পাঠকই সিদ্ধান্ত নেবেন - ক্রিকেট খেলা হালাল নাকি হারাম। 

বাণী পীড়ন্তনী (ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য)


পাঠিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন

সাধের লাউ ও একটি হাদিস

লিখেছেন এম এস নিলয়

বোতল উদ্ভাবিত হবার হাজার বছর আগে থেকেই লাউয়ের খোল থেকে তৈরি পাত্র পানি পরিবহনের ও ঠাণ্ডা রাখার কাজে ব্যবহার করে আসছে বুদ্ধিমান মানব সমাজ।

কিন্তু ঠাণ্ডা পানি খেয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখলে ইসলামের প্রচার হবে কীভাবে?

এ কারণেই ইসলামে শুকনো লাউয়ের খোলের ঠাণ্ডা পানি খাওয়া নিষিদ্ধ।

কে জানে, হয়তো তখন ফ্রিজ আবিষ্কার হলে ফ্রিজের পানি খাওয়াও নিষিদ্ধ হত

আজকালকার মুসলিম ফটোগ্রাফারা যেমন বলে থাকেন, "ছবি আঁকা হারাম; কিন্তু ছবি তোলা হারাম নয়। দুটি আলাদা জিনিস"।

সেভাবেই হয়তো আজকালকার মডারেট মুসলিমদের ঠাণ্ডা পানি খাওয়া নিষেধ দেখালে বলবে, "লাউয়ের খোলের ঠাণ্ডা পানি খাওয়া নিষেধ; কিন্তু ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি খাওয়া নিষেধ নয়; দুটি আলাদা জিনিস"

লাউয়ের খোল

হাদিসে বলা হয়েছে:
তিনি তাদেরকে চারটি জিনিস থেকে পানি পান করতে নিষেধ করলেন। তা হল: সবুজ কলসী, শুকনো লাউয়ের খোল, খেজুর গাছের গুঁড়ি থেকে তৈরীকৃত পাত্র এবং আলকাতরার পালিশকৃত পাত্র।

ধর্ম ক্যান বিজ্ঞানের উপ্রে চ্যাতা



* ১৫৪৩ সাল ও বিজ্ঞান

ধর্মপচানি পংক্তিমালা - ০৫

লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

১৩.
ইন্দ্র নামে দেবতাদের রাজা, বুদ্ধিতে সে একেবারেই হোঁদল মালটা বেজায় লুচ্চা এবং ভীরু। কোঁতকা দেখে পালিয়ে যেত, আসত ছুটে দেখলে মদের বোতল ঈমানী জোশ এতই ছিল টেলিস্কোপে মারত উঁকি কেবল পার পায়নি তারই আপন গুরু।

নোট: হিন্দু মুমিনেরা মাইন্ড খাইয়েন না। লুইচ্চামির জন্য ইন্দ্রের পুজো বন্ধ কইরা দেওয়া হইছে, এইটা শাস্ত্রে লেখা আছে। বেশি মাথা গরম হৈলে একখান পুরাণ শরীফ এর মলাট ছিঁড়ে হাওয়া খান।

১৪.
আল্লা মোমিনদের জন্য কেমন রিজিক এর ব্যবস্থা করেছে, তা দেখে হাসি পায়। কাফের ভারত, বুদ্ধু চীন, জংলী আমেরিকায় তিন ফসলী জমি আর পবিত্র আরবে কেবল বালি আর কাঁটাগাছ।

১৫.
স্বর্গে সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, জনসেবক ইত্যাদির কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ সেখানে যা আছে, চিরকাল তাইই থাকবে। পরিবর্তনের সম্ভাবনা শূন্য।

স্বর্গে অফুরন্ত মদের ফোয়ারা আর হূর পরী আছে। এইগুলিই যাঁদের পরম লক্ষ্য - তাঁরা ঈ ধরণের অমানুষ হয়ে থাকেন, তা আশা করি সকলেই জানেন।। তাঁরা সেখানে গিয়ে সেগুলির উপযুক্ত ব্যবহার করুন। কোনো সত্যিকারের মানুষ কোনোদিনই স্বর্গে যেতে পারবে না, আর পারলেও টিকতে পারবে না।

যেখানে সাত দিনও টিকতে পারবেন না, সেখানে পোস্টিং পাবার জন্য বস-কে তেল দিয়ে লাভ কী? তার চেয়ে নাস্তিক হোন, মানুষ হোন।

২৯ মার্চ, ২০১৪

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৫৩



মানবপ্রেমই মানবধর্ম

লিখেছেন তানিশা মুমু

আমি বহুবার বহু স্থানে বলেছি যে, ধর্ম মানে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নয়। ধর্ম হচ্ছে একটি সত্তা বা স্বকীয়তা। আমার ভেতরে যে গুণটি না থাকলে আমি মানুষই না, সেটাই আমার ধর্ম। আমার ভেতরে মনুষ্যত্ব না থাকলে আমি মানুষই না; অতএব মানুষের ধর্ম মনুষ্যত্ব। সেরকমই: আগুনের ধর্ম দহন, পশুর ধর্ম পশুত্ব, বায়ুর ধর্ম শোষত্ব। এমনি প্রত্যেকটি বস্তুর নির্দিষ্ট একটি ধর্ম রয়েছে। 

মুসলমানরা যেহেতু নিজেদেরকে মুসলমান ভাবেন, সেহেতু তারা মানুষ নন। অনেকে গর্বের সাথে বলে আমি হিন্দু; ওরা সত্যিই হিন্দু - মানুষ নয়। শুধু ইসলামই নয়; পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মই মানবতার সাথে সাংঘর্ষিক। যে ধর্মমত নিজেকে প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষকে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয় তা কখনই মানুষের ধর্ম হতে পারে না। সেটি অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ধর্ম।

ধর্মগ্রন্থগুলো সবসময় বলে যে, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এই সেরা জীব সে একদিনে হয়নি; বিবর্তনের এ বহমান ধারায় মানুষকে অনেক রিক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। বন্য আদিমতা থেকে তাই মানুষ আজ বিজ্ঞানময়। বিজ্ঞানের এ অগ্রযাত্রায় ধার্মিকদের বা স্রষ্টার কোনো অবদান নেই। মানুষের জ্ঞান ও ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতার জন্যই মানুষ অন্যান্য প্রাণী থেকে অভিন্ন। বিবেক-বিবেচনায় তার মধ্যে রয়েছে মনুষ্যত্ব, মানবতাবোধ, মূল্যবোধ ও পরোপকারের এক মহান শিক্ষা। 

মানুষকে তাচ্ছিল্য করে কোন মহৎ কাজের প্রত্যাশা করা নিষ্ফল কামনা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষকে ঘৃণা করে উপাসনালয়ে হাজিরা দেওয়া বা বাতি জ্বালানো কপটতা বৈ আর কি। যুগে যুগে যত মহামানবের আগমন ঘটেছে, তাঁরা সকলেই মানুষকে ভালবেসেছেন। মানুষের দুঃখে দুঃখী হয়েছেন; সুখে হয়েছেন সুখী, নিজের ক্ষুধা চেপে রেখে অসহায় মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করেছেন। অসহায় শিশুদের কোলে তুলে চোখের অশ্রু মুছে ললাটে বার বার চুমু খেয়েছেন। এসব মহৎ লোকেরা ভেবেছেন যে, মানবপ্রেমই হচ্ছে শ্রেষ্ঠপ্রেম। তাই এর মিল রয়েছে চন্ডীদাসের কবিতায়:
“শুন হে মানুষ ভাই 
সবার উপরে মানুষ সত্য 
তাহার উপরে নাই।”

নিত্য নবীরে স্মরি – ১২৩

পাঠিয়েছেন সায়ন


পাঁচ ফোড়ন - ০৩

লিখেছেন সাদিয়া সুমি

১১.
৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ হইতে বাক্যবাগীশ ঈশ্বর হঠাৎ করিয়া বাকরুদ্ধ হইয়া গেলেন ।
তিনি কি স্ট্রোক করিয়া পক্ষাঘাতগ্রস্ত হইয়া পড়িলেন? নাকি কন্ঠনালী ক্যান্সারে আক্রান্ত হইয়াছেন ?
তাঁহার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সবিশেষ জানিতে আগ্রহ প্রকাশ করিতেছি ।

১২.
কোরবানী এবং জাকাত সমাজে ধনী-দরিদ্র বৈষম্যকে অধিকতর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

১৩.
সাত আসমানের ওপর তার আরস। সেই আরসে আছে বিশাল একটি সিংহাসন। আর সেই সিংহাসনে উপবিষ্ট এক প্রকৃত বাদশাহ, দোজাহানের মালিক। বস্তুতপক্ষে আল্লাহকে কল্পনা করা হয়েছে একজন মানুষের মত করে। কারণ কুকুর-বেড়াল তো আর সিংহাসনে বসে না, মানুষই বসে। যদি তিনি মানুষের মতই দেখতে হন, মুখ দিয়ে আরবীতে কথা বলতে পারেন, তবে সেই আল্লাহ আর একজন মানুষের মধ্যে প্রার্থক্য কী? তাকে মানুষতূল্য করা কি শিরক নয়? এই শিরকের অপরাধে কোরআন লেখক আল্লাহকে কি দোজখে পাঠান উচিত নয়?

১৪.
আল্লাপাক মানুষ তৈরি করেছেন তার এবাদত করার জন্য! আর ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস তৈরি করেছেন কী জন্য?

১৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে অলস, অসভ্য, অশিক্ষিত এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী হচ্ছে মুসলমান!
হারানো দিনের ঐতিহ্য নিয়ে এরা বেশ আনন্দেই আছে!
বোধ করি, সামনে এগুনোর কোনো অভিপ্রায়ও এদের নেই!
এই বিজ্ঞানের যুগেও তারা আশা করে, আল্লা তাদের রক্ষার্থে আবাবিল বহর পাঠাবেন এবং তিনিই তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা করবেন!

পিস টিভি ও তার দর্শকেরা

একটি বিদেশী পোস্টারের আইডিয়া অনুসরণে

২৮ মার্চ, ২০১৪

চিত্রপঞ্চক - ৫৪

পূর্ণাকারে দেখতে ছবিগুলোর ওপরে ক্লিক করতে হবে।

মুসলিম জাহানেও ফ্লাইং স্প্যাগেটি মনস্টার নামের ঈশ্বর!

সাইনবোর্ডে লেখা: অর্থোডক্স চার্চ (পাঠিয়েছেন মোকাম্মেল)

 ঈশ্বর কী উৎপাটন করতেসিল তখন?

নাস্তিকেরা বদ, আবারও প্রমাণিত 

সহাবস্থান

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৭৭

১. 
আল্যার লীলা বোঝা ভার - আফ্রিকার শিশুদের সে অনাহারে রেখেছে, অথচ মানুষদের যৌনজীবন বিষয়ে তার বিপুল উৎসাহ ও মনোযোগ!

২.
ঈশ্বরের নিঃশর্ত ভালোবাসা পাওয়া যায় কিছু শর্তসাপেক্ষে।

৩. 
'কী সব বালছাল বলেন!' শুনে সত্যিকারের ধর্মবিশ্বাসীরা আহত বোধ করে না, বরং পরবর্তীতে আরও একগাদা বল্দার্গু নিয়ে সহাস্যমুখে হাজির হয়।

(সবগুলোই সংগৃহীত ও অনূদিত)

জাঙ্গিয়াহীন যিশু

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে।


তুই হালা নাস্তিক

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

- আল্যায় সব পারে। 
- আল্যায় শুয়ার খাইতে পারে?
- তুই হালা নাস্তিক।

- আল্যার সব আছে।
- আল্যার শিবলিঙ্গ আছে?
- তুই হালা নাস্তিক।

- আল্যা সর্বত্র আছে।
- আল্যায় বিষ্ঠাতে আছে?
- তুই হালা নাস্তিক।

- কোরানে সব আছে।
- কোরানে চটি আছে?
- তুই হালা নাস্তিক।

- আল্যায় প্রশ্ন করতে না করছে।
- আপনি কেমন আছেন?
- তুই হালা নাস্তিক।

কাসুন্দিমন্থন - ০৭

(ধর্মকারীর নতুন পাঠকদের কথা ভেবে নির্বাচিত কিছু পুরনো পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করা হবে এই সিরিজে)


১. প্যালেস্টাইনী অ্যালার্ম-ঘড়ি

জনপ্রিয় কার্টুন-সিরিজ 'ফ্যামিলি গাই' থেকে নেয়া চোদ্দ সেকেন্ডের একটি অংশ।

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/X7_0NoRHOEM

প্রথম প্রকাশ: ১৯.১১.০৯

২. ধর্মমুক্ত শৈশব চাই

শৈশবেই শিশুদের মনে ধর্ম-বিষয়ক নানান কুসংস্কার ও ভীতি এমনভাবে ঢুকিয়ে দেয়া হয় যে, তাদের অধিকাংশই মৃত্যু অবধি বেরিয়ে আসতে পারে না সেই ঘোর থেকে। বড়ো হয়ে মেধা, পড়াশোনা ও বিবেচনাবোধের ভিত্তিতে নিজের পছন্দের পথ বেছে নেয়ার অধিকার থেকে শিশুকে বঞ্চিত করার এই অনিষ্টকর রীতি পরিহার করা আবশ্যক। শিশুকে ধর্মমুক্ত রাখুন। তার মস্তিষ্ক-প্রক্ষালন প্রক্রিয়া সম্পূণরূপে ত্যাজ্য - হোক তা ধর্মের সপক্ষে কিংবা বিপক্ষে।


প্রথম প্রকাশ: ০৩.১২.০৯

খতনা - একটি খতরনাক প্রথা


২৭ মার্চ, ২০১৪

লুক্স লিখিত সুসমাচার - ৩৭

লিখেছেন লুক্স

৩৪১.
যেখানে পৃথিবীর সব মুসলমান ভাই ভাই, সেখানে জামাতে ইসলামের সঙ্গে আল কায়দার সম্পর্ক আছে কি না, এটা তদন্ত করা হাস্যকর।

৩৪২.
ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠাইলেই আগে আমি যারে তারে লিস্টে অ্যাড করতাম। ভাবতাম, যুক্তির চর্চা করি, আমার লেখা অন্যরা পড়ুক, আলোচনা করুক, অসুবিধা কী! সারা রাত ধার্মিকদের সাথে ধর্মের অসংগতি আর ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ নিয়ে তর্ক করতাম। একবার প্রোফাইলে গোলাপ ফুলের ছবি নিয়া পোস্টে এসে যাতাবাজি শুরু করলো সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশের নোয়াখালী অঞ্চলের এক কঠিন মুসলমান। কথা নাই বার্তা নাই আমার পোষ্টে হঠাৎ করে হুমায়ুন আজাদ স্যাররে গালাগালি শুরু করলো। জিগাইলাম, ভাই, আপনে প্রসঙ্গ ছাড়াই হুমায়ুন আজাদ স্যাররে এখানে টেনে আনলেন কেন? আর ওনাকে গালাগালিই বা করছেন কেন? ভদ্রলোকে কইলো, নাস্তিক হুমায়ুন আজাদই তোরে নাস্তিক বানাইছে, তোর অবস্থাও হুমায়ুন আজাদের মতোই হবে। তারপর জিগাইলাম, ভাই, সত্যি করে বলেন তো হুমায়ুন আজাদ স্যারের কোন বইটা আপনি পড়েছেন? বেডায় কইলো, কোনো নাস্তিকের লেখা বই আমি পড়ি না, হুমায়ুন আজাদের কোনো বইও আমি পড়ি নাই। উপলব্ধি হলো, আমিনীরা দেশে ভালোই আফিম চাষ করে রেখে গেছে। ''তসলিমা নাসরিনের কোনো লেখা আমি পড়ি নাই, তবুও তার ফাঁসি চাই।''

৩৪৩.
আপনার ধর্মগ্রন্থ যদি মধ্যযুগীয়, বর্বর আর হিংস্র হয়, তাহলে সে গ্রন্থকে বুকে ধারণ করে আপনি ভালো মানুষ হবেন কীভাবে? মানুষকে সভ্য আর মানবিক দেখতে হলে আগে ধর্ম আর ধর্মগ্রন্থকে নির্মূল করতেই হবে, অন্য কোনো উপায় নাই।

৩৪৪.
সভ্য পৃথিবীর দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ; যে কোনো ধর্মের, যে কোনো বর্ণের, যে কোনো লিঙ্গের, যে কোনো দেশের, যদি একজন আরেকজনকে ভালোবাসে বা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়, আমাদের তাতে অসুবিধা কোথায়?

৩৪৫.
ইউরোপে বহুবিবাহ অনেক আগে থেকেই নিষেধ। এখানে একজন নারী বা পুরুষের জন্য একই সময়ে একাধিক বিয়ে করা অসম্ভব। কিন্তু পুরুষের জন্য আরব দেশগুলো এখনো বহুবিবাহের মতো মধ্যযুগীয় নোংরা সংস্কৃতির স্বর্গ। আরবের ধনী মুসলমানরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউরোপে আসেন। আমি নিশ্চিত হয়েই বলছি, কখনো কখনো তারা সাথে নিয়ে আসেন একাধিক স্ত্রী। একজন মুসলিম পুরুষ যখন হাঁটেন, তার পেছন পেছন হাঁটেন দুই জন বা তিন জন বোরখা পরা স্ত্রী -এ দৃশ্য আমি এখানে প্রায়ই দেখি। ইউরোপিয়ানদের এতে কোনো অসুবিধা হয় না। কিন্তু দুই জন ইউরোপিয়ান স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা অথবা সমকামী যুগল যখন ভালোবেসে দুজন দুজনের হাত ধরে হাঁটেন, মুসলমানদের তাতে খুবই সমস্যা হয়। তারা বাঁকা চোখে তাকান, গালাগালি করেন, কখনো কখনো মুসলমানরা ইউরোপিয়ানদের হেদায়েত করার দায়িত্বটাও নেন।

৩৪৬.
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, নারী নির্যাতন মামলার ৮০ শতাংশই মিথ্যা মামলা। ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ যথার্থই বলেছেন। তবে তিনি হিসাবে ভুল করেছেন। জনসংখ্যার ৯০% মুসলমানের দেশে নারী নির্যাতন মামলার ৯০ শতাংশই মিথ্যা মামলা হবার কথা। হেফাজতী মুসলিম রাষ্ট্রে নারী নির্যাতন বলে কিছু নেই। নারীকে তার স্বামী, বাবা বা ভাই পিটাবে, গৃহপরিচারিকাকে তার প্রভু উপভোগ করবে, ঘরে বন্দি করে রাখবে, দুই ফুটাওয়ালা বস্তায় ঠুকিয়ে রাখবে - এসব নারী নির্যাতন নয়, নারীর প্রাপ্য অধিকার।

৩৪৭.
সভ্য পৃথিবীতে সবচেয়ে অসভ্য, দুঃখজনক আর হাস্যকর ঘটনা হচ্ছে, যখন একজন শিক্ষিত নারী ইসলামী আইন আর মদিনা সনদের পক্ষে কথা বলেন।

৩৪৮.
আমার দাদী বলতেন, তুই নাস্তিক বুঝলাম; কিন্তু জুম্মার নামাজটা পড়লে অসুবিধা কী?
বেশ কিছু হিন্দু নাস্তিক পেলাম, যারা নিজেদের মুক্তমনা আর প্রগতিশীল দাবী করে আবার শিবপুজাও করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে - শিবলিঙ্গ কোনো সাধারণ লিঙ্গ নয়, এই লিঙ্গে জড়িয়ে আছে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর জ্ঞান। 
আমরা এই শত কোটি প্রগতিশীল মূর্তিপূজারী আর হিন্দু মুক্তমনা দিয়ে কী করবো?

৩৪৯.
বছর দশেক আগে বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাজানো একটা পিতলের উটের মূর্তি দেখে টেবা খাইয়া গেছিলাম। অফিসে এক কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, উট কি বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে? 
কর্মচারী খুব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন, অবশ্যই করে।
আমি জিঙ্গেস করলাম, মরুভূমির উট কীভাবে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে?
তিনি বললেন, করবে না কেন? এটা তো আমাদের আড়ং থেকে কেনা।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম, এম্বাসেডর সাহেব কি এ কথা জানেন?
তিনি বললেন, জানেন।

৩৫০.
মানুষ নাস্তিকের মতো জীবনযাপন করতে ভয় পায় না, কিন্তু নিজেকে নাস্তিক ঘোষণা করতে ভয় পায়। আর এখানেই প্রগতিশীল আন্দোলন ধরা খাইয়া বইসা রইছে।

দুষ্টু যাজিকারা - ০৬



ফাল দিয়া ওঠা কথা - ০১

লিখেছেন ওয়াশিকুর বাবু

১.
বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করলে ইসলামের পিলার নড়বড়ে হয়ে যায়। এই পিলার আবার ইট, বালু, সিমেন্ট দিয়ে মেরামত করা যায় না। রক্ত প্রয়োজন হয়। নাস্তিক, মুরতাদদের রক্ত...

২. 
বিশ্বাসীদের দাবী নাস্তিকরা শুধু বেছে বেছে ধর্মগ্রন্থগুলোর নেতিবাচক বাণীগুলো তুলে ধরে, অথচ অনেক ভাল ভাল কথা আছে, তা তাদের চোখে পড়ে না।

কিন্তু ধর্মগ্রন্থগুলোতে ভাল ভাল কথা লেখা থাকলেও বাস্তবে এগুলোর উপযোগিতা কী? একজন ব্যক্তি যদি ভাল কাজ করতে চায়, তার জন্য তাঁকে ধর্মগ্রন্থের রেফারেন্স দেখাতে হয় না; স্রষ্টার দোহাই দেওয়া ছাড়াই যে কোনো ভাল কাজ করা যায়।

অপরদিকে কোন পুরুষ যদি একাধিক বিয়ে করতে চায়, দাসী সহবত করতে চায়, পালক পুত্রের বধূকে বিয়ে করতে চায় অথবা সমাজের প্রতাপশালী একটি অংশ যদি আরেকটি অংশকে নিম্নবর্ণের অস্পৃশ্য হিসেবে আখ্যায়িত করতে চায়, কাউকে ডাইনী বলে পুড়িয়ে মারতে চায়, তাহলে তার বা তাদের জন্য ধর্মগ্রন্থই সবচেয়ে বড় সহায়।

৩.
বিপক্ষ মতকে অসম্মান প্রদর্শনের জন্য যদি হত্যা বৈধ হত, তাহলে মুসলিম সম্প্রদায় বলতে কিছু থাকত না। 

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৮৯


হরর হাদিস - ০৯

নবীজি ছিলো দয়ার আধার। মাঝেমধ্যে তাকে কঠিন হতে হতো বটে, কিন্তু তখনও মানবতাবোধ তাকে ছেড়ে যেতো না।

মানবতার দৃষ্টান্ত নম্বর এক: 
একদিন এক মহিলা নবীজির কাছে এসে বললো, আমি পাপ করেছি। আমি পরপুরুষ গমন করেছি। আমাকে পাপমুক্ত করুন। পরনারীগমন- ও বিবাহবহির্ভুত সম্পর্কস্থাপনপটু নবীজি তাকে ক্ষমা করলো না। পরদিন মহিলা এসে জানালো, আমি গর্ভধারণ করেছি। নবী তখন বললো, তাহলে তুমি সন্তানজন্মদান পর্যন্ত অপেক্ষা করো। 

মানবতার দৃষ্টান্ত নম্বর দুই:
সন্তানের জন্ম হবার পর তাকে পুরনো ছিন্ন কাপড়ে জড়িয়ে মহিলা এলো নবীজির কাছে। নবীজি তাকে বললো, এখন চলে যাও, তাকে বুকের দুধ খাওয়াতে থাকো। বুকের দুধ খাওয়ার অভ্যাস যখন তার থাকবে না, তখন আমার কাছে এসো। 

মানবতার দৃষ্টান্ত নম্বর তিন:
সন্তান মাতৃদুগ্ধের অভ্যেস ত্যাগ করলে মহিলাটি আবার দেখা করলো নবীজির সঙ্গে। সন্তানের হাতে ছিলো তখন এক টুকরো রুটি। সেটি দেখিয়ে মহিলা জানালো, শিশুটি বুকের দুধ খাবার অভ্যেস ত্যাগ করেছে। এখন সে খাদ্য খেতে পারে। নবীজি তখন শিশুটির দায়িত্ব দিলো বিশ্বস্ত এক ব্যক্তিকে। 

মানবতার দৃষ্টান্ত নম্বর চার:
এর পর নবীজি মহিলাটির শাস্তি ঘোষণা করলো। তাকে বুক পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে তার প্রতি পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার হুকুম দিলো নবীজি। খালিদ নামের এক ব্যক্তি মহিলাটিকে লক্ষ্য করে এক খণ্ড পাথর সবেগে ছুঁড়ে মারলে রক্ত ছিটকে এসে পড়লো তার নিজের মুখে। তখন সে মহিলাকে গালিগালাজ করতে শুরু করলো। সেটা শুনে মানবতাবাদী নবী বললো, খালিদ, তার সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করো। 

মানবতার দৃষ্টান্ত নম্বর পাঁচ:
পাথর ছুঁড়ে মহিলাটিকে হত্যা করার পর নবীজি তার জন্য প্রার্থনা করলো আল্লাহপাকের কাছে ও তাকে সমাধিস্থ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করলো। 

ওপরোক্ত ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়, নবীর মোর দয়ার খনি। 


আমার বোরখা-ফেটিশ – ৮৬



২৬ মার্চ, ২০১৪

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৬৯

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৩৪১.
- শস্যক্ষেত্র খাদিজা ছাড়া আর কোনো শস্যক্ষেত্রে লাঙল নবীজি কোনো শস্য উৎপাদন করতে পারেননি কেন?
- একদা মূত্র মোবারক ত্যাগ করে নবীজি কুলুখ করার জন্য ঢিলা খুঁজতে লাগলেন বাটি চালান দিয়ে। কিন্তু হায়! মরুভূমির বালুতে তিনি ঢিলা পাইবেন কোথায়? কুলুখ না করিলেও লাঙল পাক হইবেক না। তাই তিনি ঢিলা ও অন্য কোনো গতি না দেখিয়া উত্তপ্ত বালুতে স্বীয় লাঙলখানা গুঁজিয়া দিয়া কুলুখ করিতে আরম্ভ করিলেন। তাহার কুলুখরত লাঙলখানা তপ্ত বালুতে ছ্যাঁৎ ছ্যাঁৎ করিয়া পুড়িয়া কাবাব হইয়া গেল। এবং উহার উৎপাদন ক্ষমতা বিনষ্ট হইয়া গেল চির জনমের তরে। তাই তিনি খাদিজা ব্যতীত আর কোনো শস্যক্ষেত্রে কোনো শস্য উৎপাদন করিতে পারেননি।

৩৪২.
আল্লার লিঙ্গ চুম্বন করা ও শিবের লিঙ্গে দুধ ঢালার মধ্যে যতটুকু পার্থক্য; হিন্দু ও মুছলিম ধর্মের মধ্যে প্রধান পার্থক্যও ততটুকু।

৩৪৩.
এক সপ্তাহ আগে পবিত্র ওমরাহ হজ্জ্বব্রত পালন করে পবিত্র হয়ে এলাম। আমি আল্লার ঘরের চারদিক প্রদক্ষিণ করতে করতে লাব্বাইক লাব্বাইক বলে বলে চেঁচাচ্ছিলাম। চেঁচাতে চেঁচাতে ক্লান্ত হয়ে আল্লার ঘরের দেয়ালে কান পেতে একটু দাঁড়ালাম। ভেতর থেকে অস্পষ্ট ফিস ফিস আওয়াজ আসছিল। ভাল শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমি তাৎক্ষণিকভাবে 'কানে শুনিবার দোয়া' পড়ে ফেললাম। সাথে সাথেই ফল পেলাম দোয়ার কুদরতের। স্পষ্ট শুনতে পেলেম, আল্লা কাতরস্বরে গুনগুন করে গাইছেন, হারে রে রে রে রে, আমায় ছেড়ে দেরে দে রে... যেমন ছাড়া বনের পাখি, পথের কুকুর মনের আনন্দে রে।

৩৪৪.
নাস্তিকদের নির্ধর্মানুভূতিতে যারা আঘাত দেয়, তাদের pussy cae.

৩৪৫.
ইছলামি পরিভাষায় পূর্ব পুরুষের ধর্মত্যাগীদেরকে মুরতাদ বলে। নবীজি বলেছেন, মুরতাদদের একমাত্র শাস্তি হচ্ছে কতল। নবীজি তার পূর্ব পুরুষদের পৌত্তলিক ধর্ম ত্যাগ করে নিজে একটি ধর্ম চালু করেছিলেন। তিনিও একজন মুরতাদ। এবং নবীর বিধান অনুযায়ী তাঁকে কতল করা ফরজ। তিনি যেহেতু খেজুর তুলেছেন, তাই তার প্রেতাত্মাকে কতল করা ফরজে মোয়াক্কাদা।

ধর্মকর্ম কার্টুনে

অনুবাদ: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন

অনুবাদ: তরী

বৌদ্ধশাস্ত্রে পুরুষতন্ত্র: নারীরা হল উন্মুক্ত মলের মতো দুর্গন্ধযুক্ত - ০৮

লিখেছেন নিলয় নীল 


এবার আমরা আলোচনা করবো বৌদ্ধশাস্ত্রের ৬২ নম্বর জাতক, যার নাম অন্ধভূত জাতক। এই জাতকের বর্তমান বস্তুতে শাস্তা এক উৎকণ্ঠিত ভিক্ষুর উদ্দেশ্যে বলেন, “রমণীরা নিতান্তই অরক্ষণীয়া। পুরাকালে জনৈক পণ্ডিত কোন রমণীকে তাহার ভূমিষ্ঠ হইবার সময় অবধি রক্ষণাবেক্ষণ করেও সৎপথে রাখিতে পারেন নি।” এই জাতকের অতীত বস্তুতে আমরা জানতে পাই, বোধিসত্ত্ব ছিলেন রাজা যিনি তার পুরোহিতের সাথে দ্যূতক্রিয়া করতেন। এই ক্রিয়ায় তিনি একটি মন্ত্র পাঠ করতেন এবং পুরোহিত প্রতিবারেই হেরে যেতো। মন্ত্রটার গাথা হল নিম্নরূপ:
যাহার স্বভাব যেই, সেই মতে চলে সেই
কি সাধ্য কাহার, করে প্রকৃতি লঙ্ঘন?
বনভূমি পায় যথা, তরুরাজি জন্মে তথা,
আঁকা বাঁকা পথে সদা নারীর গমন।
পাপাচার পরায়ণ, জানিবে রমণীগণ
স্বভাব তাদের এই, নাহিক সংশয়।
যখনই সুবিধা পায়, কুপথে ছুটিয়া যায়
ধম্মে মতি তাহার কভু নাহি হয়। 
প্রতিদিন হারতে হারতে পুরোহিত বুঝতে পারলো চরিত্র দোষ হয়নি এমন একজন নারী সংগ্রহ করতে পারলেই এই মন্ত্রের ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। এজন্য সে সদ্যভূমিষ্ঠ কন্যা সংগ্রহ করে লালন পালন করতে লাগলো এবং মেয়েটি যৌবনে পদার্পণ করলে পুরোহিত তাকে নিজেই বিয়ে করলো। পরে একদিন রাজার সঙ্গে দ্যূতক্রিয়ায় প্রবিত্ত হয়ে পুরোহিত জিতে গেলো। রাজা মন্ত্র পাঠ করলেও জিততে না পেরে বুঝল যে, পুরোহিতের গৃহে নিশ্চয়ই এমন কোন নারী আছে, যে পতি ব্যতীত অপর কোনো পুরুষে আসক্ত হয়নি। রাজার অনুমান সত্য হওয়ায় নারীটিকে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে চরিত্রভ্রষ্ট করলো রাজা। 

এরপর আবার দ্যূতক্রিয়ায় হেরে গেলো পুরোহিত। তখন পুরোহিত বুঝতে পারলো যে, ইতিমধ্যেই তার রমণীর পবিত্রতা নষ্ট হয়েছে। তখন রাজা বলেন “রমণীদের নিজের কুক্ষির অভ্যন্তরে রাখিয়া নিয়ত সঙ্গে লইয়া বেড়াইলেও রক্ষা করা অসম্ভব। জগতে বোধহয় এমন স্ত্রী নেই, যে স্বামীভিন্ন পুরুষান্তরের সংসর্গে আসে নাই।“ রাজার বক্তব্য জানার পর পুরোহিত তার স্ত্রীকে প্রশ্ন করে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে অবগত হতে পারে না, বরং নারীটি তার চারিত্রিক বিশুদ্ধতা প্রমাণের জন্য অগ্নিপরীক্ষা দিতেও প্রস্তুত হয়। এদিকে পরিচারিকার মাধ্যমে নারীটি পূর্বেই ধূর্তকে সংবাদ প্রদান করে এবং অগ্নিতে প্রবেশের পূর্বেই ধূর্ত নারীটির হাত ধরে ফেলে। নারীটি তখন ঝাপ না দিয়ে দাবী করে যে, এই ধরার মাধ্যমেই তার সতীত্ব নষ্ট হয়েছে। কিন্তু ব্রাহ্মণ বুঝতে পারে সবই নারীটির কৌশল এবং এজন্য সে নারীটিকে প্রহারের পরে বিতাড়িত করে। জাতকের শেষাংশে রাজারুপী বোধিসত্তের নারী সম্পর্কিত নির্দেশনা উচ্চারিত হয় এভাবে:
নারীর স্বভাব এই দেখিবারে পাই,
চৌরী, বহুবুদ্ধি তারা; সত্যজ্ঞান নাই।
জলমধ্যে যাতায়াত করে মৎস্যগণ
কে পারে তাদের পথ করিতে দর্শন?
রমণী হৃদয় ভাব তেমতি দুর্জ্ঞেয়
মিথ্যা তারা সত্য বানায়, সত্য করে হেয়।
নিত্য নব তৃণ খোঁজে গাভীগণ যথা
কামিনী নতুন বর নিত্য চায় তথা।
ভুজঙ্গিনী খলতায় মানে পরাজয়,
চাপল্যে বালুকা ভয়ে দূরে সরে যায়।
পুরুষ চরিত্র জ্ঞানে অদ্বিতীয়া নারী,
নখদর্পণেতে আছে সংসার তাহারি।
(চলবে)

আমাদের আত্মীয়েরা – ৬০


চুরি-করা চটিকাব্য

পাঠিয়েছেন এম এস নিলয়

বেবি;

কাছে আসো

তোমায় আদর করি

আমার ঠোঁটে তোমার ঠোঁট চেপে ধরি

তোমার ঠোঁট,

যেখান থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় মধু গলানো দুধ ঝরে

কাছে আসো

তোমায় আদর করি

তোমার বুকে আমার বুক চেপে ধরি

তোমার বুক,

যেখান থেকে কস্তুরির মিষ্টি গন্ধ বহে

কাছে আসো

তোমায় আদর করি

তোমার নরম শরীরে হাত বুলাই

তোমার শরীর,

যে শরীর হরিণছানার মতন মোলায়েম

তুমি কাছে এসো

তোমায় সারা রাত ধরে আদর করি।

ডিসক্লেইমার:

কবিতাটি আমার লেখা নয়, তবে আমার সঙ্কলিত

কবিতাটি নবী সলোমনের (কোরআনে যাকে সোলায়মান উল্লেখ করা হয়েছে) লেখা

কবিতাটি ঈশ্বরের লেখা বাইবেল নামক গ্রন্থের পরমগীত নামক অধ্যায় হইতে সঙ্কলিত হইয়াছে

তবে এলোমেলো ভাবে লেখা আকর্ষণীয় লাইনগুলা সুবিন্যস্ত ভাবে আমার সাজানো

আশা করি, নবী সোলায়মান বা ঈশ্বর তার কপিরাইট করা কবিতার উপরে কি-বোর্ড চালানোর অপরাধে আমারে নরকের আগুনে পুড়াবেন না  

মমিনীকরণ প্রক্রিয়া


পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা

২৫ মার্চ, ২০১৪

ধর্মপচানি পংক্তিমালা - ০৪

লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

১০. 
যে কেতাব পড়িয়া মানুষ পরমাণু বোমাকে পেনিসিলিন বলিয়া বিশ্বাস করে, প্রচার করে এবং প্রমাণ চাহিলে নিজে খাইয়া প্রমাণ দেখায় না, বরং খাইয়া দেখিতে বলে, সেই কেতাবকে ধর্মগ্রন্থ বলা হয়।

১১.
ধর্ম এমনই একখানা সংস্থা, যেখানে নিজের ডিউটি ১১০% সঠিক করার পরেও 'মালিক' এর চরণে তৈল দেওয়া লাগে। এছাড়া বেতনও বাড়ে না, পদোন্নতিও হয় না। স্বর্গে পোস্টিংও পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে ডিউটি না করলেও কেবলমাত্র 'মালিক' এর চরণে তৈল দিলেও পদোন্নতি এবং স্বর্গে পোস্টিং পাওয়া যায়।

অতএব হে মুমিন বান্দা! তোমরা কেনই বা সঠিকভাবে নিজের ডিউটি পালন করবে?

১২.
'কেহ যদি তোমার চোগা কাড়িয়া লইতে চায়, তবে তোমার চাপকানও তাহাকে দাও।'

'যে বস্তু দেখিয়া মনে লোভের উদয় হইবে, তাহার দিকে দ্বিতীয়বার ফিরিয়া চাহিবে না। যদি আপন দৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণ করিতে না পারো তবে চক্ষু উৎপাটিত করিয়া ফেলিও।'

যীশুর এইসব উপদেশ মেনে চলার মত খ্রিষ্টান কেউ থাকলে/দেখলে/শুনলে আওয়াজ দিয়েন একটুক। সহি ধর্ম কী জিনিস, একবার দেখি।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৫২



যুগের চাহিদায় সংস্কার

লিখেছেন তানিশা তানঝিন মুমু

দু’হাজার বছর আগে মানুষ রিক্সায় ওঠেনি, সেখানে আজ বিমানে ভ্রমণ। আর বিমানে ভ্রমণের মাধ্যমে জীবন চলার পথ সহজ হয়েছে। পঞ্চাশ বছর আগে ডায়রিয়াকে জ্বীন-পরীর আছর বলা হত, কিন্তু গবেষণার ফলে দেখা গেছে যে, তা জীবাণুর আক্রমণ এবং গবেষণা করে এর প্রতিকারের জন্য ঔষধ তৈরি করা হল। 

গবেষণার মাধ্যমে আরোগ্য লাভের জন্য যে ঔষধ তৈরি করা হল তা যদি গ্রহণ না করা হয়, তবে তো রোগী মারা যাবে। তাহলে গবেষণার মাধ্যমে যে সংস্কার হল এবং ঔষধ তৈরি হল, তা কি গ্রহণ করব না? অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। এই সংস্কারকে যারা আগে গ্রহণ করেছে তারাই এগিয়ে চলেছে। 

সুতরাং সংস্কার ছাড়া জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র-ব্যবস্থা পরিচালিত হতে পারে না। সংস্কারবিহীন জীবন ও সমাজ মৃতদেহের মতই অচল। তাই সকল কিছুর সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। সহস্রাব্দের পরিক্রমায় আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রভাবে মানুষের মন-মেজাজ এবং শারীরিক চাহিদারও পরিবর্তন হয়েছে। পুরাতন যুগে মানুষ যে জিনিস ব্যবহার করত, মনের চাহিদায় সে জিনিস  আজ অকেজো, মন নতুনত্বের দিকে যাচ্ছে। নতুন চাহিদার জন্য তাকে যোগানও দিতে হচ্ছে। মনের নতুন চাহিদাকে পুরাতনের মাল ম্যাটেরিয়ালস বা ধ্যান-ধারণা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়, নতুন কিছু গ্রহণ করতেই হবে। নইলে নতুন চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। 

বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ফলে নতুন চাহিদায় মানুষের রোগ নিরাময়ের জন্য এখন প্রয়োজন হচ্ছে উন্নতমানের ঔষধ - এমনকি অ্যান্টিবায়োটিক, সেখানে যদি পূর্বকালের ঝাড়-ফুঁক দেয়া হয়, তাহলে আরোগ্য লাভ তো হবেই না, বরং রোগী মারা যাবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, পূর্বে সংস্কারের অভাবে রোগী মারা যেত এখন সংস্কারের ফলে রোগী আরোগ্য লাভ করছে। সুতরাং সব বিষয়ের জন্য আমাদের সংস্কারের প্রয়োজন। এই সংস্কারেরই আরেক নাম আধুনিকতা বা বিজ্ঞানমনস্কতা।

বেকনহীনতায় কে বাঁচিতে চায়...