৩১ আগস্ট, ২০১৪

আবু জাহেলীয় তালিম সমগ্র - ১৬

লিখেছেন আবু জাহেল (Version 2)

৮৬.
রোগ, শোক আর মৃত্যু যন্ত্রণা দিয়ে বান্দার ঈমান পরীক্ষা করা আর কাউকে গুলি করার পর মারা যাওয়ার পূর্বে জিজ্ঞেস করা "তুই কি আমাকে এখনো ভালবাসিস?" একই কথা!

৮৭.
আল্লাহ ওরফে মহাবদ হইলো একটা মিথ্যুক!  সুরা লোকমানে হেতে কইছে কোথায় কখন বৃষ্টি হইবো, মায়ের গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ কী হইবো, হেতে ছাড়া আর কেউ জানে না!  অথচ বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন মানুষ জানে কোথায় কখন বৃষ্টি হবে, এমনকি মানুষ কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি ঘটাতেও পারছে! ভবিষ্যতে দেখা যাবে মানুষই নির্ধারণ করবে কোথায় কখন বৃষ্টি হবে! আর এখন তো মানুষ জন্মের আগেই জানে সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে! ভবিষ্যতে হয়তো মানুষই তার সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করবে!

কুরআন মিথ্যা - বহু আগেই প্রমাণিত হয়েছে। তবে মুমিনরা তাতে সন্দেহ করতে পারবে না! কারণ কুরআনের শুরুতেই বলা আছে কুরআন এমন একখান কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই! এতএব কুরআন মিথ্যা হওয়া অসম্ভব!

(রেফারেন্স: সুরা লোকমান, আয়াত ৩৪)

৮৮.
কতিপয় মুমিন আমাকে বলে, "আবু জাহেল" মানে মূর্খের পিতা, আর এজন্য আমি নাকি মূর্খের মতো কথা বলি!

মুহাম্মকের সবচেয়ে পেয়ারা দোস্ত ছিল আবু বকর! মানে গরুর আব্বা!! আমি তো অন্তত মানুষের পিতা হতে পেরেছি! কিন্তু তারা তো গরুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ!

৮৯.
ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের পর কতিপয় মুমিন তাদের প্রোফাইল ফটো পরিবর্তন করেছিল, অনেক ফটো আপলোড করেছিল, অনেক মায়াকান্না কেঁদেছিলো!

কিন্তু সিরিয়ায় ৭শ জন হত্যার পরেও কারো কোনো অনুভূতিই দেখতে পেলাম না! মনে হয় কেউ শুনেই নাই!! 

৯০.
পৃথিবীতে যতোদিন ধর্ম বিলীন না হচ্ছে, ততোদিন সংঘাত, রক্তপাত থাকবেই!

নামাজরঙ্গ - ২৯

ইতালির ভেনিসে কোনও মসজিদ নেই। তাই স্থানীয় মুসলিমদের রাস্তায় নামাজ সেরে নেবার অনুমতি দিয়েছে ইতালীয় সরকার।


ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকলেও তার সাথে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের কোনো সম্পর্ক নেই

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

সূরা কামারের ৪টা আয়াত। হুবহু এক। মনে হচ্ছে কোন মাতাল বা পাগলের প্রলাপ, একই কথা বার বার বিড়বিড় করছে।
আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ১৭] 
আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার ৫৪ : ২২] 
আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ৩২]
আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার, ৫৪ : ৪০]
অনেকে তর্কের খাতিরে বলেন, যেসব আয়াত বার বার বলা হয়েছে সেগুলার উপর নাকি বাড়তি জোর দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, আমরা এখানে বাড়তি জোর দিলাম এবং তাতে বুঝলাম, কোরান খুব সহজ সরল ভাবেই নাজিল হয়েছে এবং এসব নিয়ে অযথা না বোঝার বা বাড়তি চিন্তার কিছু নাই।

এই আয়াতের আরেকটা বাংলা অনুবাদ দেখি:
বুঝার ও মনে রাখার জন্য কুর-আনকে আমি অবশ্যই সহজ করেছি (৫১৪৩)। এরপরে এমন কেউ আছ কি যে উপদেশ গ্রহণ করবে ?
[সূরা কামার, ৫৪ : ১৭] 
কোনো সন্দেহ নাই, আল্লায় নিজেই বুঝার ও মনে রাখার জন্য কোরানকে সহজ করে দিয়েছে। এরপর অন্যের কাছ থেকে উপদেশ বা পাঠ নিয়ে এটা আলাদা ভাবে বোঝার কিছু নাই, অর্থাৎ অক্ষর জ্ঞান থাকলে নিজে পড়লেই কোরান বুঝতে পারার কথা।

তারপরও আসেন, এই আয়াতের একটা তাফসির দেখি: 
৫১৪৩) মানুষের জীবন দর্শন ও আধ্যাত্মিক জীবনের এক সুস্পষ্ট চিত্র আল্‌ - কোরাণ। যে জীবন বিধান মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনকে সমৃদ্ধির পথে ইহকালে ও পরকালে শান্তির পথে পরিচালিত করবে, কোরাণে তা সমৃদ্ধ ভাষাতে সহজ সরল ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেন সাধারণ মানুষের তা বোধগম্য হয়। আধ্যাত্মিক শান্তি ও প্রশান্তি লাভের উপায় বর্ণনা করা হয়েছে কোরাণের পাতায় পাতায়। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌র এ এক অসীম করুণা সাধারণ মানুষের জন্য। না হলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পথের দিশা অন্বেষণ করে ফিরতো অন্ধের মত। এর পরেও কোরাণ থেকে পথের দিশা সন্ধান করে না কোন মূর্খ ?
মন্তব্য: আরবীতে কোরাণ পাঠের সাথে সাথে মাতৃভাষাতে কোরাণ পাঠ প্রয়োজন যেনো আল্লাহ্‌র দেয়া পথ নির্দ্দেশকে হৃদয়ের মাঝে বুঝতে পারে ও অনুসরণ করতে পারে।
[এখানে একটা ব্যাপার লক্ষনীয়, কোরানকে যে জীবনবিধান বলা হয়েছে, সেটা আসলে "দর্শন ও আধ্যাত্মিক" জীবনের সুস্পষ্ট চিত্র। এই কথাটা মানতে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো আপত্তি নাই। অর্থাৎ কেউ কোরানকে দর্শন এবং আধ্যাত্মিকভাবে নিলে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এখানের দর্শন এবং আধ্যাত্মিকতা একান্তই ব্যক্তিগত উপলব্ধির বিষয়। অর্থাৎ কোরান বা ধর্ম মানেই ব্যক্তিগত বিষয়। এসবকে আক্ষরিক অর্থে নিয়ে সেই মতে জীবনবিধান সাজালেই সমস্যা। এবং বাস্তবে তাই হচ্ছে। যেমন, কোথাও বলা আছে- জিহাদ করো বা বিধর্মীদের কোতল করো - এটাকে দর্শন বা আধ্যাত্মিক ভাবে না নিয়ে আক্ষরিক অর্থে নিয়ে বিধর্মীদের কোতল করার জন্য তাদের উপর হামলে পড়ছে বলেই দুনিয়ায় ইসলাম আজ অশান্তির ধর্ম।
যা হোক, দর্শনগতভাবে এটা ভিন্ন আলোচনা।]

প্রসঙ্গে আসি। আয়াতে বলা হয়েছে বোঝার এবং মনে রাখার সুবিধার্থে আল্লায় নিজেই কোরান সহজভাবে নাজিল করেছে এবং সেটা বুঝতে অন্য কারো সাহায্য বা উপদেশ নেয়ার দরকার নাই।

এবার দেখি:
আলিফ লাম মীম।
[সূরা বাকারা, ২:১]
আলিফ্‌ লাম্‌ মিম্‌ - এই তিনটি অক্ষর সূরা বাকারা এবং আরও ৩, ২৯, ৩০, ৩১ এবং ৩২ এই সূরাগুলির (মোট সংখ্যা ৬) প্রারম্ভে স্থাপন করা হয়েছে।

এবং, 
আলিফ-লাম-রা।
[ সূরা ইব্রাহীম, ১৪:১]
এই আয়াতগুলোর প্রকৃত অর্থ কেউ বুঝে না। এর মানে জানেন একমাত্র আল্লা। অর্থাৎ আল্লার আগের জোর দিয়ে বলা কথাগুলা এখানে মিথ্যা হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ আল্লায় স্ববিরোধী কথা বলছে কোরানে। একবার বলছে কোরান বোঝা সহজ, আবার আরেক জায়গায় এমন কঠিন করা হয়েছে যে, দুনিয়া কোন মানুষ আজ অবধি এর মানে বুঝতে পারেনি।

কোরানের বর্ণিত আল্লা যদি সত্যই "ঈশ্বর" হয়ে থাকত, তাহলে তার এরকম ভুল হওয়ার কথা নয়। এ থেকে বোঝা যায়, কোরান মানুষের লেখা। আর মানুষ মাত্রই ভুল হয়।

আল্লা/ঈশ্বর আছে কি নাই, সেই তর্কে যাচ্ছি না, এবং এই তর্কটাই অবান্তর। তবে এটা স্পষ্ট যে ধর্মগ্রন্থগুলা কোনো ঈশ্বরের লেখা নয়, এগুলা মানুষেরই তৈরি এবং আসলেই ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকলেও তার সাথে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত ঈশ্বরের কোনো সম্পর্ক নেই।

বলে অক্ষম দেবতা > "তোমায় কীভাবে দেবো তা?"


চিন্তা-প্রতিচিন্তা - ১১

লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

৩১.
হে আল্যাপাক, আপনার অস্তিত্ব প্রমাণে কি শুধু গাছের পাতায়, গরুর পাছায় নিজের নাম লিখাইলেই হইবো? পারলে আমারে দুই ঘন্টার ভিত্রে খতম কইরা দেখান যে, আপনে বাস্তবে আছেন। 

এতে কইরা আপনার অস্তিত্বেরও প্রমাণ হইলো, আপনার একটা শত্রুও ধংস হইলো। এবং বোনাস হিসাবে আপনার দলে আরো গুটিকয়েক বেধর্মি ছাগলও জুটলো। এক ঢিলে তিন পাখি।

এমন চান্স ফেরাউনেও হয়তো আপনারে দেয় নাই। এমন চান্স মিস কইরেন না। অফার কিন্তু সীমিত সময়ের জন্য।

৩২.
আস্তিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন:

আপনারা বলেন যে, আল্লার হুকুম ছাড়া গাছের একটা পাতাও নড়ে না, কিন্তু একটা নিরীহ মেয়ে যখন ধর্ষিতা হয়, তখন সে কার হুকুমে ধর্ষিতা হয়? যখন একটা মানুষকে খুন করা হয়, তখন না হয় শয়তান সেই খুনিদের প্ররোচনা দেয়, কিন্তু সেই মানুষটার জান কবজ করতে আজরাইলকে কে হুকুম দেয়? হয়তো চোর-ডাকাতেরা শয়তানের প্ররোচনায় চুরি করে, কিন্তু সেই চোর ডাকাতের রুটি-রুজি নির্ধারণ করে রেখেছিলো কে?

এইগুলা সব যদি আল্লার হুকুমেই হয়ে থাকে, তাহলে চোর/ডাকাত/খুনি/ধর্ষক/শয়তানের অপরাধ কী? এরা তো আল্লাহর হুকুম আর আদেশ পালন করেছে মাত্র!

৩৩.
যেদিন সারা বিশ্ব বস্তাপচা সব ধর্ম ঝেঁটিয়ে মুক্তচিন্তার বাসিন্দা হবে; সেইদিনও কিছু মুমিন গলা খিচ্চা বলবে:
পৃথিবীর সব বড় বড় নাস্তিকেরা মুসলমান ছিলো!

৩০ আগস্ট, ২০১৪

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫৮



ধর্মবিদ্রূপানন্দ - ০৯

লিখেছেন Mosammot Rinee Khatun

২৫.
পড়! (পতিত হও, fall down, not to study or not to say one's lessons) তোমার প্রভুর নামে, 
অতল, অন্ধকার বিশ্বাসের গহ্বরে!

২৬.
যারা নিজেদের মডারেট মুসলমান পরিচয় দেয়, তারা মুনাফিক। ইসলামের মূল ভিত্তি কোরআন, যা ১৪০০ বৎসর আদি ও অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। নিজেদের মডারেট পরিচয় দেয়ার আগে বলেন, কবে, কোথায়, কখন ও কার দ্বারা কোরআন মডারেট করা হয়েছে। নিজেদের মডারেট বলা যাবে কি না - এ সম্পর্কিত হাদিস-কোরআনের রেফারেন্স দেখাতে পারবেন? 

পারবেন না, কারণ কোরানে স্পষ্ট বলা আছে: 
তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? যারা এরূপ করে পার্থিব জীবনে দূগর্তি ছাড়া তাদের আর কোনই পথ নেই। কিয়ামতের দিন তাদের কঠোরতম শাস্তির দিকে পৌঁছে দেয়া হবে।
( সূরা বাকারা: ৮৫-৮৬)
অতএব যা-ই তালেবানী ইসলাম, সহিহ ইসলাম।

২৭.
ঘুম পারানি খালা ফুফু মোদের বাড়ি যেও
বোরকা ভরে খেজুর দেব অজু করে খেও

ইছলাম প্রলোভনের ধর্ম

এটা স্রেফ কার্টুন নয়; ইছলামীরা শিশুদের বহুবার ব্যবহার করেছে আত্মঘাতী বোমারু হিসেবে

বেহেশতের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা!


জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে দশ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ছেচল্লিশ হাজার তিনশো কোটি কিলোমিটার দীর্ঘ একটি অতিকায় অ্যালকোহল-মেঘের সন্ধান পেয়েছেন, যাতে রয়েছে সেই পরিমাণ অ্যালকোহল, যা চারশো ট্রিুলয়ন ট্রিলিয়ন পাইন্ট বিয়ারে ব্যবহার করা যাবে!

অর্থাৎ

এই অ্যালকোহল-ভাণ্ড ব্যবহার করে আগামী এক বিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীর প্রতিটি বাসিন্দাকে প্রতিদিন তিন লক্ষ পাইন্ট বিয়ার সরবরাহ করা যাবে! (কপাল চাপড়ানোর ইমো এবং এক পর্যায়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার ইমো!)

খুব চমৎকারভাবে নির্মিত ভিডিওতে বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।


ওপরের পোস্টার ও ভিডিওর সন্ধান পাওয়া গেছে Secular Friday-র সৌজন্যে, যিনি মন্তব্য করেছেন:
আহ!! কি মধুর সুসংবাদ, এটাই কি তবে ধর্মগ্রন্থে প্রচারিত বেহেশতের ঠিকানা?
অবস্থাদৃষ্টে সেটাই মনে হচ্ছে। হয়তো এই সেই সুরার নহর, যার বর্ণনা আছে কোরানে। এখন আমরা অপেক্ষা করবো, কবে বিজ্ঞানীরা হুরিদের সন্ধান পাবেন। 

অফটপিক

হঠাৎ করেই মনে পড়লো অনেক আগে শোনা একটি গানের কথা, যাতে ব্যবহার করা হয়েছিল Ten Thousand Lightyears Away বাক্যটি। 

গানটি খুঁজে বের করতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, গানটির নাম Future World, সেটি গেয়েছিল ৭০-৮০ দশকে সাড়া জাগানো গ্রুপ Boney M এবং তাদের সেই অ্যালবামের নামই ছিলো: Ten Thousand Lightyears.

গানটি শুনতে আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করুন। এবং লিরিকস এখানে

প্রচারে বিঘ্ন অথবা ধর্মপ্রচারক ও ধর্মপচারকেরা – ৩৮



কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৭): আসমা বিনতে মারওয়ান কে খুন - তাঁর সন্তানকে স্তন্যপান অবস্থায়! ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – বিশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হুকুম ও অনুমোদনক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর এক অনুসারী কী ভাবে ১২০ বছর বয়েসি ইহুদি কবি আবু আফাক-কে সন্ত্রাসী কায়দায় রাতের অন্ধকারে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলেন, তার বর্ণনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

এই খুনের পর মুহাম্মদ আসমা-বিনতে মারওয়ান নামক এক পাঁচ সন্তানের জননীকে খুন করার আদেশ জারি করেন। এক মুহাম্মদ অনুসারী রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত নিরস্ত্র এই জননীকে নৃশংসভাবে খুন করেন। ঘাতক যখন এই জননীকে খুন করেন, তখন এই হতভাগ্য মা তাঁর এক সন্তানকে বুকের দুধ পান করাচ্ছিলেন।

খুন করার পর প্রত্যুষে এই খুনি তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর সাথে সকালের নামাজ (ফজর) আদায় করেন এবং নবীকে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা পেশ করেন। প্রিয় অনুসারীর সাফল্যে মুহাম্মদ আনন্দিত হন। তিনি তাঁকে সাহায্য করার জন্য এই ঘাতকের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর এই কর্ম দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে “বসির (চক্ষুস্মান) নামক উপাধি” প্রদানে সম্মানিত করেন।

আদি বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিক মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ সাল) ও মুহাম্মদ ইবনে সা'দের (৭৮৪-৮৪৫ খৃষ্টাব্দ) বর্ণনায় ঘটনা টি ছিল নিম্নরূপ:

পাঁচ সন্তানের মা আসমা-বিনতে মারওয়ান কে খুন

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বর্ণনা:

'তিনি [আসমা-বিনতে মারওয়ান] ছিলেন বানু উমাইয়া বিন জায়েদ গোত্রের। আবু আফাক-কে হত্যার পর তিনি তাঁর বিদ্বেষ প্রকাশ করেন।

আবদুল্লাহ বিন হারিথ বিন আল-ফাদায়েল < তাঁর পিতা বলেছেন যে, তিনি বানু খাতমা গোত্রের ইয়াজিদ বিন জায়েদ নামক এক ব্যক্তিকে বিবাহ করেন। ইসলাম ও তার অনুসারীদের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেছেন:
আমি ঘৃণা করি বানু মালিক ও নাবিত
এবং আউফ ও বানু খাজরায গোত্রদের।
তোমারা মান্য করো এক বিদেশীকে কেউ নয় যে তোমাদের
নয় সে কেউ মুরাদ বা মাধহিজের। [1]
কি ভালো আশা কর তোমরা তার কাছে যে করে নেতাদের খুন
ক্ষুধার্ত মানবের অপেক্ষা রাঁধুনির মাংসের ঝোলে যেমন?
নাই কি কোনও গর্বিত জন যে পারে করতে তারে আক্রমণ অতর্কিতে
ছিন্ন করতে আশা তাদের যারা করে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা সেই জন হতে?
আল্লাহর নবী যখন তাঁর কথাগুলো জানতে পান, তখন তিনি বলেন, "কে পারে. যে আমাকে মারওয়ান কন্যার হাত থেকে পরিত্রাণ দেবে?"

উমায়ের বিন আদি আল-খাতমি তাঁর সাথেই ছিলেন এবং এই কথাটি শোনেন। সেই একই রাত্রে তিনি তার বাড়িতে যান এবং তাকে হত্যা করেন। পরের দিন সকালে তিনি আল্লাহর নবীর কাছে আসেন এবং তিনি কী করেছেন তা তাঁকে খুলে বলেন।

তিনি [মুহাম্মদ] বলেন, "হে উমায়ের, তুমি আল্লাহ ও তার নবীকে সাহায্য করেছ!" 

যখন তিনি [উমায়ের] জানতে চান যে, এই কর্মের ফলে তার কোনো অমঙ্গলের সম্ভাবনা আছে কি না, আল্লাহর নবী বলেন,

"তার জন্য কোনো ছাগলও ঢুসান করবে না [‘two goats won't butt their heads about her’]"।

অতঃপর উমায়ের তাঁর লোকজনদের কাছে প্রত্যাবর্তন করেন।

মারওয়ান কন্যার খুনের ঘটনায় সেইদিন বানু খাতমা গোত্রের লোকজনদের মধ্যে বিশাল মানসিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর ছিল পাঁচটি পুত্র সন্তান। উমায়ের আল্লাহর নবীর কাছ থেকে ফিরে তাদের কাছে যান এবং বলেন, "হে খাতমার বংশধর, আমি মারওয়ান কন্যাকে খুন করেছি। তোমরা পারলে আমাকে ঠেকাও; আমাকে অপেক্ষায় রেখো না।"

ঐ দিনটিই ছিল প্রথম যেদিন বানু খাতমা গোত্রের লোকদের মধ্যে ইসলাম ক্ষমতাবান হয়েছিল; তার আগে যারা মুসলমান হয়েছিলেন, তাঁরা তাদের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতেন। তাদের মধ্যে প্রথম যাঁরা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁরা হলেন উমায়ের বিন আদি যাকে বলা হতো "পাঠক", এবং আবদুল্লাহ বিন আউস ও খুজেইমা বিন থাবিত।

মারওয়ান পুত্রী খুন হওয়ার পরের দিন বানু খাতমা গোত্রের লোকেরা মুসলামানিত্ব বরণ করেন কারণ তাঁরা ইসলামের ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।’ [2]  

>>> ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার পিছনে "তরবারির গুরুত্ব যে কত বিশাল" তার সাক্ষ্য হয়ে আছে কুরান, সিরাত ও হাদিসের এ সকল প্রাণবন্ত বর্ণনা!

মুহাম্মদ বিন সা'দের বর্ণনা:

‘তারপর (সংঘটিত হয়) আসমা বিনতে মারওয়ানের ওপর উমায়ের ইবনে আদি ইবনে খারাশাহ আল-খাতমির হামলা (Sariyyah); সেটি ছিল আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হউক, হিজরতের ১৯তম মাসের প্রারম্ভে যখন রমজান মাসের পাঁচ রাত্রি অবশিষ্ট।

আসমা ছিল ইয়াজিদ ইবনে জায়েদ ইবনে হিসন আল-খাতমির স্ত্রী। সে ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর কটূক্তি করতো, নবীকে পীড়া দিত এবং (লোকজনদের) নবীর বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতো। সে কবিতা লিখেছিল।

উমায়ের বিন আদি এক রাতে তার কাছে আসেন এবং তার বাড়িতে ঢুকে পড়েন। তার সন্তানরা তার আশেপাশেই ঘুমচ্ছিল। সে তার সন্তানের একজনকে স্তন পান করাচ্ছিল। তিনি [উমায়ের] ছিলেন অন্ধ তাই তাঁর হাত দিয়ে তিনি তাকে খোঁজেন এবং তার সন্তানদের তার কাছ থেকে আলাদা করেন। তিনি তাঁর তরবারি তার বুকের মধ্যে জোরে ঢুকিয়ে দেন যতক্ষণ না তা তার পিঠ পর্যন্ত পৌঁছে। 

তারপর তিনি আল্লাহর নবীর, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, সাথে মদিনায় সকালের নামাজ আদায় করেন।

আল্লাহর নবী, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, তাঁকে বলেন, "তুমি কি মারওয়ান পুত্রীকে হত্যা করেছ?"

তিনি বলেন, "হ্যাঁ। আমার আরও কিছু কি করতে হবে?"

তিনি বলেন, "না। তার জন্যে দুটো ছাগল গুঁতা মারবে (No. Two goats will butt together about her) না।" এই বাক্যটি আল্লাহর নবীর, তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হউক, কাছ থেকে প্রথম শোনা যায়।

আল্লাহর নবী, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হউক, উমায়ের কে “বসির (চক্ষুস্মান)” নামে অভিহিত করেন। [3]

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে মূল ইংরেজি অনুবাদের অংশটিও সংযুক্ত করছি – অনুবাদ, লেখক।]

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৮৪

বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম


২৯ আগস্ট, ২০১৪

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৫৮

১৬৬. 
ভারতীয় বলিউডের বিপুল সাফল্যে উদ্দীপ্ত হয়ে ফাকিস্তানও রপ্তানিযোগ্য বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য একটি স্টুডিও খুলেছে। স্টুডিওটির নাম রাখা হয়েছে: 7th Century Fox.

১৬৭. 
- আপনি ইছলাম গ্রহণ করতে চান?
- হ্যাঁ। 
- আপনি কি বিশ্বাস করেন, আল্যা ছাড়া আর কোনও উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ তার প্রেরিত পুেরুষ?
- হ্যাঁ। 
- আপনি দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে প্রস্তুত?
- প্রস্তুত! প্রস্তুত! শুধু নামাজ কেন, সবকিছুই করতে প্রস্তুত, শুধু বলুন, আমি এখন নয় বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো তো?

১৬৮.
যারা কোরানকে টয়েলট পেপার হিসেবে ব্যবহার করতে বলে, আমি তাদের পক্ষে নেই। কারণ বল্দার্গু (বুলশিট) দিয়ে পাছা মোছাটা নির্বুদ্ধিতা।

ইছলামের বর্তমান স্বরূপ


ইসলামী সংস্কার ও তার বৈগ্যানিক কার্যকারণ - ০২

লিখেছেন শ্মশান বাসী

আসুন, ইসলামের কিছু সংস্কার নিয়ে কথা বলি। তবে আগেই বলে রাখি, এগুলোতে কোরান-হাদিসের কোনো সমর্থন আছে কি না, আমার জানা নেই। তবে মুর্খ মুমিনের দল এসব শ্রদ্ধার সাথে পালন করে, কারণ স্থানীয় হুজুরেরা এভাবেই শিক্ষা দেয়।

৩.
শুয়োর কে কখনো শুয়োর নামে ডাকা যাবে না, এতে নাকি চল্লিশ দিন মুখ নাপাক থাকে হুজুরদের বয়ান। শুয়োরকে জঙ্গি বা মেথর বাড়ির খাসি নামে ডাকে। 
এর যৌক্তিকতা কতটুকু জানি না। 

৪.
যদি ঘরের বৌ কুরান-হাদিস না জানে, তাইলে নাকি বাপ-বেটায় গু অর্থাৎ মানুষের মল খায়। ওয়াজে হুজররেরা প্রায়ই বলে। ব্যাখ্যা জানতে চাইলে বলে, যদি ঘরের বউয়ের কোরান-হাদিসের শিক্ষা না থাকে, তবে নাকি টয়লেট করার পর ঢিলা না নিয়া শুধু পানি দিয়া ধৌত করে ফেলে, এতে নাকি হয় না। হাতে নাকি মল লেগে থাকে, আর রান্নাবান্নার সময় তা খাবারে মিশে যায়, আর তা সমস্ত পরিবারে খায়। 

সাবান বা ছাই দিয়ে হাত ধোয়ার পরে কীভাবে মল হাতে লেগে থাকে, তা বলতে পারি না। তবে এটা বুঝতে পারছি না, মহিলাদের শৌচকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোরান-হাদিস জানার কী সম্পর্ক। এগুলোকে কি সংস্কার বলবো না কুসংস্কার বলবো, বুঝতে পারছি না।

হা-হা-হাদিস – ১০১

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

ইসলাম, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও বনলতা সেন

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

আজ যখন সবাই জানি গেল “মসজিদ” শব্দের অর্থ নতজানু হওয়ার স্থান, প্রার্থনার স্থান বা যেখানে মানশ সেজদা গাড়ে। অথবা "মসজিদ” শব্দটার অর্থ যখন দাঁড়াই যাচ্ছে স্মৃতি অর্ঘ্য দিবার শহিদ মিনার, তখন লোকেরা চিন্তা করে যে, প্রার্থনাই যখন মূখ্য তখন মন্দির কি আর গির্জা কি অথবা মসজিদ হোক শিব মন্দির হোক না কেনো ‘নাওয়াইতুয়ান….' বলিয়া নিয়ত বেন্ধে খাড়াই যাওয়াই আসল বেফার। হোকনা তা ইহুদিধর্মস্রষ্টা “YHWH” এর উপাশনালয় কিংবা খোদাপূত্র যিশুর গিইরজা। এই মসজিদ হতে ফারে সাঁই বাবার মাজার বা মাইজ ভান্ডারির মাজার।

তাই কি নবী মোহাম্মদ (সাঃ) এক ইহুদি বাদশাহর তৈয়ারি স্বর্নালংকার রাখার ও ঈশ্বর YHWH এর জন্য পশুবলির ঘরে নামাজ ফডি নিলেন!

king solomon এর ঘর, house of forest তিন হাজার বছর পূর্বের ইসরাইলিদের প্রার্থনালয়টির নাম, যেটি ইসলামিক ইতিহাসে আসি পরিবর্তিত হয়া হয় “মসজিদ আল আকসা”।

অবশ্য এইরকম আজকাল ঘটিই থাকে। যেমন আমরা দিখি, বাংলাদেশে সরকার ফরিবর্তনের প্রতি পাঁস বছর অন্তর অন্তর এয়ারফোট, স্টুডিয়ামগুলির নাম ফাল্টি যায়। হেহেহে...

এখন ফরবর্তি লাইনগুলা আগের লাইনগুলা থিকা বেশি মনযগ দিয়া ফডতে হবে!

ফথম কথা হইছে ইহুদি solomon-এর temple-এর বেফারে প্রত্নতাত্ত্বিকগন কুনো বাস্তবিক প্রমান নিকি খুঁজি ফান নাই, কেবল এই বেফারে বাইবেলেই বলা আছে। এই আলোচনাটা অবশ্য ভিন্ন। তাই আমরা অন্য ফথে আলচনা কোইরব।

অর্থাত আমরা বিশ্বাস কোইরব যে, হাঁ solomon temple আছিলো। এবং সেটাকে দ্বিতিয়বারের মতন ধ্বংশ করা হয় খোদাপূত্র jesus-এর মৃত্যুর ৭০ বছর ফরে খৃস্টানদদের দ্বারা। এখানে খিয়াল কোইত্তে হবে যে, আমি বলেসি “jesus এর মৃত্যু।” এইটা বলার কারনটা যারা জানেন না তাদের জন্য বলি, জিসাস এর অনুসারি খৃস্টানরা আমাদিগকে জানায় যে, তাদের প্রফেট ক্রুশবিদ্ধ হই নির্মমভাবে মরি যান। সেটা ইহুদিরাও জানে, তাই তারাও এমন কথার সমর্থন দিয়া থাকে।

অর্থাত দুই প্রাচিন ধর্মনুসারিরা চাক্ষুস প্রমান পাইয়া বলে, যিশু মারাই যান।

অন্যদিকে, যিশুর প্রয়াতের ছয় শ বছর ফর নতুন এক ইতিহাসে আমাগের নবিজি দাবি করেন, যিশু মরেন নাই। যিশুরা মরেন না। তিনারা চতুর্থ আসমানে বিরাজ করেন!

নবিজির নব্য ইতিহাস পড়ি হাছাই মজা লাগে! হিহিহি...

যাই হক, মনযগ দিয়া পড়ার মতন লেখা লেখার কথা বলি আফনাদিগকে, যিশুর গল্পের দিকে লিয়ে যাবার জন্য দুক্কিত।

ধ্বংশ হই যাবার ৬০০ বছর পর দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় solomon temple এরাবিয়ান পৌরাণিক কাহিনিতে মর্জাদা লাভ করে। আর নবিজি এই পৌরনিক কাহিনিটি সংকলন করি ইসলামের ইতিহাসে যুক্ত করি দেন।

নবিজি হয়ত তেমনভাবে ফডতে বা লিখতে ফাইত্তেন না, কেবল সাক্ষর প্রদান ছাড়া। এমনটাই আমরা ইতিহাস পড়ি জাইনতে ফারি। কিন্তুক ইতিহাসে ত আমরা এমুন কুনো তথ্য ফাই না যে, নবিজি বধির ছিলেন! অবশ্যই নবিজি কানে শুনতেন এবং প্রতিবেশি জেরুজালেম অঞ্চলের দূরবর্তি অতিতের solomon temple-এর পৌরনিক কাহিনির বংশপরম্পরায় চর্চিত ইতিহাস শুনেন। অতঃপর শুনা কাহিনি ও বুদ্ধির বলে ইহুদিদের প্রার্থনালয়টার নাম আরবিয় তরিকায় ডাকলেন, মসজিদ আল-আকসা। যুদিও ততদিনে সেখানে মসজিদ বা অন্য কিসুর আলামত সিলো না। চির নির্যাতিত ইসরাইলবাসি আজও তিন বেলা প্রার্থনা করি যায় তাদের রাজা solomon-এর তৈয়ারি বিল্ডিংটার জন্য।

রহস্যের বেফার হইছে, নবিজি নিজ দেশ ছাড়ি নাকি ইহুদি-খৃস্টানদের দেশের পাহাড়ি জংগল ঘিরা এই জায়গাকে এয়ারপোর্ট বানান। তারপর সেখান থিকা মেঘ পেরিয়ে পৃথিবি ছাড়িয়া অচিন রাইজ্যের উদ্দিশ্যে উড্ডয়ন করি বিশ্ব ইতিহাসের খাতায় সর্বপ্রথম নভোচারী হিসাবে নাম লিখান।

নভোচারী নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্তুযান ‘বোরাক’ রাজা solomon এর house of forest of Lebanon-কে এয়ারফোট বানান এবং আদর করি একে ডাকলেন ‘মসজিদ আল আকসা।’ এইটা অবশ্য ৬২২ সালের দিকের ঘটনা। তারফর মুসলিমরা জেরুজালেম ভুমি দখল করার ফর আন্দাজে রাজা solomon-এর বিল্ডিং অনুমান করি একটা মসজিদ বানাই ফেলে। তখন থিকাই ইহুদি ইতিহাস নিজেদের আয়ত্তে নিয়া নিজেরা জায়গাটা ভুগ করি আইশতেসি। আর বেচারা চির নির্যাতিত ইহুদি তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ভুলুন্ঠিত হইতে দেখি কান্দি মরে।

ইসলামিক কাহিনি অনুযায়ি, নবিজির আল আকসা ভ্রমন গল্পের সৃস্টি রাইতে হযরত আদম থিকা ইসা নবি পর্যন্ত সকল নবীগন, অর্থাত, ১ লক্ষ চব্বিশ হাজার নবিগন ,নবী মোহাম্মদের (সাঃ) সাথে নামাজ ফডেন।

নবিজির এই মিরাজ গল্প দিয়াই বিজ্ঞানি আইনস্টাইন শিক্ষা লাভ করেন।এবং সবাইকে জানাই দেন নবিজির উর্ধাকাশে জানোয়ার নিয়া ভ্রমনই হইল গিয়া রেলেটিভিটি তত্ত্বের বেফার স্যাফার।

ঐদিকে বিশ্বসাহিত্যিক কাফকা ও গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজেরা খুঁজি পান নতুন সাহিত্য “ম্যাজিক রিয়েলিজম।” এমনকি বাংগালি কবি জীবনানন্দ সুরিয়েলিজম করেন “বনলতা সেন” লিখে ফেলি। কেননা কুরান গভেষনা ও অধ্যয়ন করি বিজ্ঞানি ও সাহিত্যিকেরা জানতে ফারেন, মিরাজ রাইতে সাদা পোষাক আবৃত ১ লক্ষ ২৪ হাজার লাশ কবর ফুঁড়ে বাহির হইছিল। এবং তারা নিজ নিজ ধর্ম ছাড়ি মুসলিম হইয়া দুই রাকাত নফল নামাজ ফডেসিলো সে রাইতে, আর লক্ষাধিক লাশদিগের নামাজের ইকতাদা কারাসিলেন আমাগেরই নবী, নভোচারী ও ‘Theory of Relativity”-র জনক হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহি ওয়া সাল্লাম।

এই যে মরা মানুশ জিন্দা হই কাতারে কাতারে নামাজ ফডে – এইটা কি ম্যাজিক-রিয়েলিজম না??

আবার, সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে ফডা ১২৪০০০ মরা লাশের নিউট্রন গুলা মানব গঠনে মিলিত হয়, আর সেই থিওরি এপ্লাই করা হয় “টার্মিনেটর” সিনেমার গুন্ডার আবির্ভাবে। আমরা দিখি টার্মিনেটর গুন্ডা নিউট্রন বা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কনা থিকা দেহ অবয়ব লাভ করে।

এখানে উল্লেখ্য যারা মনে করেন ইহুদি, খৃস্টান ও ইসলাম ধর্ম এক আক্বিদার, তারা ভুলের ভিতর আছেন। কেননা এই তিন ধর্মের ভিতকার বৈশিষ্ট ভিন্ন, তাদের নিজ নিজ ধর্ম গ্রন্থে বর্নিত সৃষ্টিকর্তার রুপ ভিন্ন।

আফনি google এ গিয়া শুদু লেখেন differences between allah and YHWH অথবা Difference Between Judaism and Islam.

“masjid” শব্দটা নিয়া ঘাঁটলে, আমরা জানি যাই, আসলে আমাদের মুসলিমদের দাবিমতে, কুরান যে বিশুদ্ধ আরবি ভাষায় নাজিল হইছিল বলা হয় এবং গর্ভে বুক চাপড়ানি হয়, সেটা ছলনা! এটা কেবল নিজেকে নিজে বুঝ দেয়া। কেননা এই masjid শব্দ aramic ভাষার masgid থিকা আইশচে! অর্থাত মুলত সংমিশ্রিত ভাষায় আরবি কোরান লিখিত, বিশুদ্ধ আরবি ভাষায় নয়। এবং সর্বপ্রথম কুরান লেখা হয় দোঁ-আঁচলা ভাষায়।

ম্যাজিক-রিয়েলিজম-এর ম্যাজিক বাদ দিয়া রিয়েল কথা কথা ত এমুন- ভিন্ন ধর্ম ইহুদি রাজা solomon এর house of forest of Lebanon ধ্বংশ হইয়া যাওয়ার শতাব্দির ফর শতাব্দি জায়গাটা হই ফডে শুকর ভেড়া কুকুরের চারনভূমি। জায়গা আর ফবিত্র থাকে না। তাহলে অপবিত্র একটা যায়গাকে “মসজিদ” ডাকা যায় না।

সুতরাং, নবিজি কখনোই ইহুদি রাজার স্বর্নরোপ্যের গুদামাগার এর পরিত্যক্ত শকুন শুকরের চারনভূমিকে নিয়া কুনো গল্প রচনা করেন নাই। বরং এটাই যুক্তিসংগত যে, যখন সেখানে ৬৯১ সনে মালিকের দ্বারা একটি মসজিদ ঘর বানানি হয়,তার নাম রাখা হয় মসজিদ আল আকসা। তারফর সেটা খুবই গুফনে আরবিতে অনুবাদিত কোরান শরিফে ঢুকানি হয়।

ডাকাত ও ঈশ্বরের পার্থক্য


২৮ আগস্ট, ২০১৪

বাহ্ কুরান, বাহ্

লিখেছেন শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল

আল কোরান পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, কিন্তু বেগানা নারী-পুরুষ চ্যাট করা যাবে কি না, সেই বিধান বাল কুরানে নাই।

আল কোরান পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, কিন্তু ধর্ষণ আর অবাধ যৌনাচারের পার্থক্য কী, অপরাধের মাত্রার পার্থক্য কী, দোষ কার, তার পার্থক্য বাল কুরানে নাই।

আল কোরান পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, কিন্তু 'নুনু কাইটা মুছলমান বানানোর স্বাস্থ্যকর' তো দূরের কথা, কোনো উল্লেখই বাল কুরানে নাই।

আল কোরান পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, নামাজ কয় ওয়াক্ত আর কখন কীভাবে পড়তে হয়, সেই উল্লেখও এই বইয়ে নাই।

আসলেই, 
আল কোরান পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান।

কারণ যে যেমনে খুশি ইন্টারপ্রেট কইরা কোরান পইড়াই বোকো হারাম স্কুল ছাত্রীগো রেপ করে, কোরান পইড়াই ইসিস বিধর্মী মারে, আবার সেই কোরান পড়া বাংলার কলেজের পুলাপাইন ডেটিং মাইরা বেড়ায়।

বাহ্ কুরান, বাহ্।

চিত্রপঞ্চক - ৮৬

অতঃপর তোমরা আল্লাহর কোন শক্তিকে অস্বীকার করিবে?
পাঠিয়েছেন: টোস্টার

ধর্মের মূল্যহ্রাস

বিশ্বে শিশুকামীদের বৃহত্তম সংগঠন ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের সামনে শিশুর এমন প্রতিক্রিয়াই তো স্বাভাবিক
পাঠিয়েছেন: রাজু হালদার

এই ছবির পেছনের ঘটনা সম্পর্কে কেউ কি জানেন কিছু?

ফ্লাইং স্প্যাগেটি মনস্টার-ই একমাত্র ঈশ্বর, যিনি দেখা দিয়েছেন সশরীরে

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ১০৩

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৫১১.
গাভী হিন্দুদের জন্মদাত্রী, ষাঁড় তাদের জন্মদাতা, এঁড়েবাছুর তাদের ভ্রাতা, বকনাবাছুর তাদের ভগ্নী। তাই তারা গরুর মাংস খায় না। তেমনি শূকরও কি মুছলমানদের অতি নিকটাত্মীয়? আব্বা? আম্মা? এ জন্যই কি ওরা শূকরের মাংস খায় না?

৫১২.
অনেকেই অভিযোগ করে থাকে, আল্যাকে ডেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না, বিপদে আপদে তার কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে কখনো পাওয়া যায় না, দুর্ভিক্ষের সময় খাবার পাওয়া যায় না, ইত্যাদি। আল্যাকে কাবাঘরে চিরগৃহবন্দী করে রেখে তার কাছে সাহায্য চাওয়া ও তাকে ডাকাডাকি করা তো চূড়ান্ত ব্যঙ্গাত্মক ব্যাপার। আল্যা নিজে অসহায়ভাবে বন্দী থেকে অন্য কাউকে কীভাবে সাহায্য সহযোগিতা করবেন? কোন অপরাধে তাকে বন্দি করে রাখা হলো? তাকে কি কোনোদিন মুক্তি দেয়া হবে না? আল্ল্যার কি কোনো মানবাধিকার নেই?

৫১‌৩.
প্রকৃত ইতিহাস ও সময় কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করে না।
তাই তো মহাবদসহ অন্যান্য ধর্মপ্রবর্তক বদেরা ইতিহাস থেকে কখনো মরে না।

৫১৪.
য়াল্যা যখন মাটি দিয়ে আদমকে বানিয়েছিল, তখন আদমের বয়েস যেন কত ছিল? য়াল্যার নিজের বয়েস কত ছিল? তার বর্তমান বয়েস কত?

৫১৫.


মহাবদ নবীজির পরিবার ছিল একটি ফুটবল টীমের মতন। ১১খানা বিবি ছিল খেলোয়াড়, আর নবীজি ছিল তাদের ফুটবল। নবীজিকে নিয়ে তারা দিনরাত লাথালাথি, কাড়াকাড়ি, কামড়াকামড়ি, খামচাখামচি করতো। বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সময় বেচারি নবীজির করুণ জীবনের কথা খুব মনে পড়ছিল। ১১খানা বিবির ২২খানা ঠেঙের উষ্টালাথি খাওয়া কি সহজ কথা?

দুষ্টু যাজিকারা - ১৬



কাসুন্দিমন্থন - ৩৪

১. ভুয়া ভগবানেশ্বরাল্লাহ

চার বছর আগে বিশ্বকাপের সময়কার দুটো পোস্ট একত্রে: 

# ব্রাজিলের সেই বিখ্যাত যিশুমূর্তিটিকে ব্রাজিল-হল্যান্ড খেলার প্রাক্কালে সবুজ ও হলুদ আলো ফেলে ব্রাজিলিয়ান বানিয়ে ফেলা হয়েছিল।



কী লাভটা হলো এতে? অলৌকিক শক্তি মাঠে নেমে এসে খেলে দিলো ব্রাজিলের হয়ে? যা হলো, তা হচ্ছে, ভগবানেশ্বরাল্লাহর সারশূন্যতা আবারও প্রমাণিত হলো। এইসব ভকিচকিতে মানুষ কীভাবে এখনও বিশ্বাস রাখে, ভেবে বিস্ময়ের ঘোর কাটে না।

# আর্জেন্টিনা-জার্মানি খেলার আগের দিন ম্যারোডোনা বলেছিলেন, "ঈশ্বর আমাদের ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে দেবেন নিশ্চয়ই।" ঈশ্বরের হাত দিয়ে গোল করা ব্যক্তি তিনি! তাঁর সাথে ঈশ্বরের বিশেষ যোগাযোগ থাকার কথা। তাহলে এ কী হলো! ঈশ্বর তাঁর হাত-পা বা শরীরের অন্য কোনও অঙ্গ ব্যবহার করে কিংবা তাঁর অপরিসীম ক্ষমতার প্রয়োগ করেও কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করতে পারলেন না আর্জেন্টিনা দলকে!

প্রথম প্রকাশ: ০৩.০৭.১০ ও ০৪.০৭.২০১০

২. নাস্তিক যদি ভুল হয়?

প্রায়ই একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় নাস্তিকদের: ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিষয়ে আপনার ধারণা যদি ভুল হয়ে থাকে, তাহলে?

এই প্রশ্নের অভূতপূর্ব একটি জবাব দিয়েছেন ইউটিউবার Theoretical Bullshit. মুগ্ধ হয়ে শোনার মতো। "ঈশ্বর-খ্রিষ্টধর্ম"-এর জায়গায় "আল্লাহ-ইসলাম" বসিয়ে দিলে প্রায় পুরোটাই আমার মনের কথা।

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/iClejS8vWjo

প্রথম প্রকাশ: ২৩.০৫.২০১০

মধ্যপ্রাচ্য, কোথায় যাচ্ছো


ফটোমাস্তানি: দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

২৭ আগস্ট, ২০১৪

একটি ঘোষণা

ধর্মকারীকে গালিগালাজ করতে মঞ্চায়, কিন্তু তেমন কমেন্ট পাঠালে প্রকাশিত হয় না বলে যাঁদের আক্ষেপ, তাঁদের জন্য খোলা হয়েছে ধর্মকারীর গণতান্ত্রিক শাখা, যা সম্পূর্ণভাবে মন্তব্য-মডারেশনমুক্ত। ওই শাখায় যুক্ত করা হয়েছে ফেসবুক কমেন্টবক্স। ধর্মকারীর ওপরে আপনার ক্রোধ, ক্ষোভ, বিরাগ, বিদ্বেষ, হতাশা বা অন্য যে কোনও অনুভূতি খিস্তি, গালি, হুমকি বা অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ করুন। 

বিবর্তন কি বিশ্বাসের বিষয়?

লিখেছেন অ্যাডমিনযুক্তি

প্রশ্ন: ডারউইনিয়ান বিবর্তন কি বিশ্বাসের বিষয়?

উত্তর: (১) ডারউইনিয়ান বিবর্তন নিখাদ বিজ্ঞান। এটা জীববিজ্ঞানের অংশ। যুক্তি/বিজ্ঞান, কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের বিষয় না। বিজ্ঞান প্রমাণের বিষয়। আমরা কখনো কি বলি, টেবিলে রাখা এক গ্লাস পানিতে আপনি বিশ্বাস করেন কি? প্রাণীদেহের শিরা-উপশিরা দিয়ে যে রক্ত সংবহন হচ্ছে, আমরা কি কাউকে এই দেহের ভিতর রক্ত পরিচালন ক্রিয়া কাউকে বিশ্বাস করতে বলি? উদ্ভিদের শরীরে খাদ্য উৎপন্ন হয় সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। এই সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া কিন্তু কখনো কাউকে বিশ্বাস করতে বলি না। বরং এটা এই জগতের প্রমাণিত বিষয়। উদ্ভিদের খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে এটা একটা ফ্যাক্ট। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে পৃথিবী। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে চাঁদ। এই যে প্রদক্ষিণরত অবস্থা এটা কি কাউকে বিশ্বাস করতে হয়? শরীরে কোষ বিভাজনের ফলে প্রাণী কিংবা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটে। কোষ বিভাজনের বিষয়টি কাউকে বিশ্বাস করতে হয় না। এটা বাস্তব ঘটনাবলী। অর্থাৎ যা প্রমাণিত, যার ইম্পিরিক্যাল এভিড্যান্স আছে, তাকে আমাদের বিশ্বাস করতে হয় না। বিশ্বাস কেবল সম্পর্কিত অপ্রমাণিত বিষয়ের সাথে। তথাকথিত "গায়েবী" বিষয়ের সাথ। যাদের আদতে কোনো অস্তিত্ব নেই। যেমন ভূত-প্রেত-জিন-পরী-ঈশ্বর-ভগবান-আল্লাহ--হেন তেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

(২) একুশ শতকের পদার্থবিজ্ঞান এখন সেই সতের শতকের নিউটনের যুগে আটকে নেই। বিজ্ঞানের এই শাখা এখন অনেক অনেক সমৃদ্ধ। আইনস্টাইনের পদার্থবিজ্ঞান ছাড়িয়ে এই বিদ্যা এখন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের যুগে প্রবেশ করছে। তেমনি আজ থেকে প্রায় দুই শত বছর আগের লুই পাস্তুরের সময়কার ভাইরোলজিও বর্তমানে সময়ে অনেক অনেক উন্নত। বিজ্ঞানের যে কোনো শাখাই বলেন, গত দেড়-দুইশ বছরে এতো বেশি উন্নত হয়েছে, এতো বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে যে, এখন আর সেই শুরুর দিককার সময়কার তথ্য দিয়ে বিচার করা যায় না। ঠিক তেমনি বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানও ডারউইনের যুগে আটকে নেই। মেন্ডেল, জেবিএস হ্যালডেন, জুলিয়ান হাক্সলি, থিওডোর ডবজানস্কি, আর্নেস্ট মায়ার, রোনাল্ড ফিশার প্রমুখ খ্যাতিমান বিজ্ঞানীদের হাত ধরে বিজ্ঞানের এই শাখাটি সর্বোতভাবে প্রমাণিত এটা বায়োলজিক্যাল সায়েন্স। একইসাথে ন্যাচারাল সিলেকশন থিওরি অজস্রভাবে প্রমাণিত।

তাই ডারউইনিয়ান বিবর্তনকে কেউ বিশ্বাস করে কি করে না, এইটা জানার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এই ধরনের প্রশ্ন করাটাই কেমন যেন বোকার মতো শোনায়। আজকের ভ্যাক্সিশনের এই যুগে এখন কেউ যদি বলে আমি ভ্যাক্সিনের কার্যকরিতায় বিশ্বাস করি না, পানি পড়া, তাবিজ পড়া, বান মারা, তেল পড়ায় বরং বিশ্বাস করি; তাহলে এটা যেমন শোনাবে, ঠিক তেমনি আজকের যুগে বিবর্তন কেউ বিশ্বাস করে কি, করে না প্রশ্নটা তেমনি শোনাবে!

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১১৪



নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ৩৬

লিখেছেন ওয়াশিকুর বাবু

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ৭১:
মুসলিমরা দাবি করে, বিজ্ঞানীরা নাকি কোরান থেকে সূত্র নিয়ে অনেক কিছু আবিষ্কার করেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী এমন কোনো তথ্য দিয়েছেন বলা জানা যায়নি। আর পুরো কোরান ঘেঁটে কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না।

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, ইহুদী-নাসারা বিজ্ঞানীরা কখনোই স্বীকার করবে না যে, তারা কোরান থেকে জ্ঞান আহরণ করে। তাহলে তাদের চৌর্যবৃত্তি ধরা পড়ে যাবে। আর পবিত্র কোরআন বিজ্ঞানের বই নয় যে, সরাসরি তত্ত্ব দেওয়া থাকবে। তবে অনেক আবিষ্কারের ইঙ্গিত দেওয়া আছে, যেগুলো কাজে লাগিয়েছে বিজ্ঞানীরা।


কটূক্তি ৭২:
এ ধরনের ইঙ্গিতপূর্ণ বাণী তো অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও আছে। যেগুলোর বিভিন্ন অর্থ দাঁড় করানো যায় এবং চাইলে বিজ্ঞানের সাথেও মেলানো যায়। তাহলে তো এটাও দাবি করা যায়, বিজ্ঞানীরা এসব গ্রন্থ থেকেই আবিষ্কার করেছে।

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, গোঁজামিল দিয়ে বিজ্ঞানের সাথে মেলালেই তাকে বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ বলা যায় না। কোন বিজ্ঞানী কি বলেছে যে, তারা এসব গ্রন্থ থেকে আবিষ্কার করেছে? কোনো প্রমাণ আছে এর পক্ষে?

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

নামাজরঙ্গ - ২৮

ছবি কৃতজ্ঞতা: দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

কোরানের বাংলা অনুবাদে ভুল আছে - কথাটা ভুল নয়

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

চিপায় পড়লে 'কোরানের বাংলা অনুবাদে ভুল আছে'- এমন ম্যা ম্যা করতে বকরিদের জুড়ি নাই। তবে কথা কিন্তু একেবারে মিথ্যা না। বাংলা অনুবাদে প্রচুর ভুল আছে। তবে গ্যারান্টি দিয়া বলছি - এই ভুলগুলা ইচ্ছাকৃত! সত্যিকারের অনুবাদ হলে বাংলাদেশে কোরান পড়ুয়াদের অর্ধেক এতদিনে নাস্তিক হয়ে যেত। অনুবাদে এই ভুল করা করা হয়েছে কোরানের ভুলগুলাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য।

যেমন ধরুন, সূরা ওয়াকিআ'র ৫৭ নাম্বার আয়াত:
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ
Nahnu khalaqnakum falawla tusaddiqoona
(056.057)
কুরআন শরীফ ডট অর্গ-এ এর বাংলা অনুবাদ হলো:
আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না। 
আবার ঠিক নিচেই তার ইংরেজী অনুবাদ হলো:
We created you, then why do you believe not?

কোরান অ্যাণ্ড তাফসির নামক ওয়েবসাইটে বাংলা অনুবাদ:
আমিই তোমাদের সৃষ্টি করেছি ; তবে কেন তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করছো না?

আওয়ার হলি কোরআন নামক ওয়েবসাইটে বাংলা অনুবাদ:
আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না। 

সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য চারটি ইংরেজি অনুবাদ:
YUSUFALI: It is We Who have created you: why will ye not witness the Truth?
PICKTHAL: We created you. Will ye then admit the truth?
SHAKIR: We have created you, why do you not then assent?
KHALIFA: We have created you, if you could only believe!

গুগল ট্রানস্লেটরের অনুবাদ: 
We have created you Without you believe
প্রিন্ট মিডিয়া অর্থাৎ ছাপাকৃত কোরানের অনুবাদের রেফারেন্স দিলাম না। কারো লাগলে হাতের কাছে যেটা আছে, সেটা দেখে নিলেই চলবে। 

অনেকেই হয়তো 'আগের আর পরের আয়াত পড়তে হবে' বলে চিল্লাবেন। তাদের জন্য: 

উল্লেখিত আয়াতের আগের আয়াতের বাংলা অনুবাদ: "কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।" 
পরের আয়াতের বাংলা অনুবাদ:"তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে।" 

দেখতেই পাচ্ছেন, এই দুই আয়াতের সাথে আলোচিত আয়াতের অর্থের কোনো সম্পর্ক নাই।

এবার বলেন তো, বাংলা অনুবাদে ভুল আছে কি না এবং সেটা কী?

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫৭



২৬ আগস্ট, ২০১৪

আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ১৫

হুমায়ুন আজাদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৬৮.
একদেবতাবাদ ও বহুদেবতাবাদের মধ্যে কোনোটি উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট নয়, যদিও এখন একদেবতাবাদকেই উৎকৃষ্ট ব'লে প্রচার করা হয়।

৬৯.
এখনকার প্রচলিত ধর্মগুলো বিশ্বসৃষ্টির তত্ত্ব ধার করেছে বিভিন্ন পুরাণ থেকে। পুরাণের বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব যেহেতু ভুল বা অবৈজ্ঞানিক, তাই পৃথিবীর ধর্মগুলোর বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্বও ভুল এবং অবৈজ্ঞানিক।

৭০.
গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝতে পারি স্বর্গনরকের কল্পনাকারীরা স্থূল, নিম্ননৈতিকতাবোধসম্পন্ন; তারা উঠতে পারে নি পার্থিব কামনাবাসনা, লালসাভীতির ওপরে, পারে নি মৃত্যুর মতো পরম নির্মম সত্যকে মেনে নিতে; তাই তৈরি করেছে মিথ্যে স্বর্গনরক।

৭১.
যারা স্বর্গনরকের কথা ভাবে নি, ভেবেছে শুধু অনিবার্য পরিণাম মৃত্যুর কথা, মনকে মিথ্যেয় ভোলায় নি, মেনে নিয়েছে সত্যকে, তাদের নৈতিক মান অনেক উন্নত। স্বর্গনরক সম্পূর্ণ বাজে কথা।

৭২.
মানুষ সত্য বলতে চেয়েছে, এবং মিথ্যা বলেছে প্রচুর, এবং মানুষ মিথ্যায় যতো বিশ্বাস করেছে, সত্যে ততো বিশ্বাস করে নি; এখনো করে না। মিথ্যার বিহ্বলকর ও সুখকর শক্তি রয়েছে, যা নেই সত্যের।

এক হাতে মোর কোরান শরীফ, আর হাতে ... - ২

কবি নজরুল লিখেছিলেন: "এক হাতে মোর বিষের বাঁশরী / আর হাতে রণতূর্য।" কী ভেবে তিনি তা লিখেছিলেন, আমার জানা নেই, তবে কেন অনেক মুসলমানের এক হাতে থাকে কোরান, আরেক হাতে অস্ত্র (যেন একটি অপরটির পরিপূরক), সেটি বেশ বুঝতে পারি। 

কোরানে যতো সহিংস, উস্কানিমূলক ও জঙ্গিবাদী আয়াত আছে (একটি পুরনো তবে খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত), তাতে কোরানের পাশে অস্ত্রের সহাবস্থান একেবারেই বেমানান তো নয়ই, বরং বলা চলে: কোরান ও অস্ত্র - মানিকজোড়, মেইড ফর ইচ আদার, এক দুজেকে লিয়ে...







চিন্তা-প্রতিচিন্তা - ১০

লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

২৮.
আল্লাহ মোহাম্মাদকে সৃষ্টি না করলে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করতেন না। কথাটা ভুল ও মিথ্যা।

আসলে মোহাম্মাদের জন্ম না হলে মোহাম্মদের কল্পনায় ইসলামিক আল্লাহর সৃষ্টি হতে পারতো না। আর ইসলামিক আল্লাহ সৃষ্টি না হলে পৃথিবীতে মুসলমানদের দ্বারা এত অশান্তির সৃষ্টি হতে পারতো না।

২৯.
হিন্দুরা শিবের লিঙ্গে দুধ ঢালে।
শিবের মুখ কি লিঙ্গে?

৩০.
আমার 'বুদ্ধ মোহাম্মাদ যীশু কৃষ্ণ' নামের জন্য অনেক মুসলিম মুমিন ভাই আমারে অনলাইনে গালি দেয়। তাদের গায়ে আগুন লাগে মোহাম্মাদের নামের সাথে যীশু কৃষ্ণকে দেখে।

যারা চার ধর্মগুরুর নামের সহাবস্থান সহ্য করতে পারে না, তারা ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের সহাবস্থান সহ্য করবে কীভাবে?

এই থেকেই বোঝা যায় ইসলাম একটি নিজেই ধর্মবিদ্বেষী ধর্ম। এবং ধর্মবিদ্বেষী ধর্মের প্রতি আমার বিদ্বেষ আছে। এতে আপনার কী সমস্যা?

আত্মরতির অ্যাত্তো ক্ষতি!



ধর্মপচানি পংক্তিমালা - ১৪

লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

৪০.
কোরানে মানুষ মারার পদ্ধতি নিয়ে গাদা গাদা লেখা থাকলেও ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আর্সেনিক, তেজস্ক্রিয়তা সহ হাজার হাজার প্রাণঘাতী সৃষ্টি সম্পর্কে কোনো কথাই বলা নেই। এসব থেকে বাঁচার কোনো পথ দেওয়া তো অনেক দূরের ব্যাপার। আকাশ, বাতাস, মেঘ, সমুদ্র এবং প্রাণ সৃষ্টি করার জন্য প্রশংসা তিনি কান মলে আদায় করতে পারেন। কিন্তু তিনিই যে ঐসব বিষাক্ত জিনিস সৃষ্টি করে আকাশ, বাতাস, নদী, সমুদ্র দূষিত করে প্রাণ ধ্বংস করেন, সে কথা গোপনীয় যুদ্ধাস্ত্রের মতই গোপন রেখেছেন। এসব দেখলে মনে হয় আল্লা মানুষ সৃষ্টি করেন নি, বরং মানুষ মারার জন্যই ধর্ম সৃষ্টি করেছেন। সম্ভবত এইসব জ্ঞান থেকে মানুষকে দূরে রাখার জন্যই আল্লা শয়তানকে তাড়িয়েছিলেন।

৪১.
গণহত্যা করা মুসলিমের প্রধান ধর্ম। বিধর্মী না পাওয়া গেলে তারা যা পাবে, তাইই মারবে। মন্দির কি গির্জা না পেলে মসজিদেই বোমা ফাটাবে।

৪২.
নাস্তিক হয়েও ধর্মের ভুল নিয়ে কথা বলব না, আর সত্যবাদী হয়েও মিথ্যাবাদীকে মিথ্যাবাদী বলব না, দুইই এক কথা। এইজন্যই প্রাচীন কালে সাধুরা মৌনী হয়ে যেতেন। সাধনার অংশ হিসাবে তাঁরা মিথ্যা বলতে পারতেন না, আবার সত্য বললে আর শান্তিতে থাকা যেত না।

এর ফল হয়েছে এই যে, তাঁরা শান্তিতে সাধনা করে কী পেয়েছিলেন বা আদৌ কিছু পেয়েছিলেন কি না, তা কারোরই জানা নেই।

যিশুশিক্ষা - ০২



২৫ আগস্ট, ২০১৪

কোরান কুইজ – ৩৭

নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৪৭: মানুষের জান কবচ করে কে?

১. একজন ফেরেশতা
২. কয়েকজন ফেরেশতা
৩. স্বয়ং আল্যা

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৮৩

বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম


ধর্মবিদ্রূপানন্দ - ০৮

লিখেছেন Mosammot Rinee Khatun

২২.
নাস্তিকরা ধর্মীয় হিংস্রতা নিয়ে থিওরি কপচায়।
ওদিকে ISIS আর তালিবানরা বহুত কষ্ট করে তা হাতেহাতে প্রমাণ করে নাস্তেকদের প্যানপ্যানানির বৈধতা দেয়।
ISIS যেভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে, নাস্তেকদের খাওয়া, মনে হয়, অচিরেই উঠে যাবে।

২৩.
মুস্লিমরা ঊষ্ট্রমূত্র গবেষণা করিয়া কত কিতাব দলিল লিখিয়াছেন।
এদিকে হেঁদুরা গোমূত্র গবেষণা করিয়া গোমূত্রের কতই না মহিমা প্রচার করিতেছে।
শুয়োর খেকো নাসারা-খেরেস্তানরা শুয়োরমূত্র নিয়ে কোনো গবেষণা করে নাই।
গুগলে সার্চ দিয়া এদতসম্পর্কিত নোটও পাইলাম না।

আসলেই ধর্মবিজ্ঞান চর্চা হয় অারবে অার ভারতে।

২৪.
একেই অঙ্গে এতো রূপ?
ইস্রাইল ফিলিস্তিনী মারলে হাহাকার! 
ISIS ইয়াজিদি, খেস্টান জবাই করে খেলাফতি প্রতিষ্ঠা করলে আলহামদুলিল্লাহ্‌, নারাই তকবির।

ঈশ্বরকে ডাকার রকমফের


বেদ্বীনবাণী - ১৮



২৪ আগস্ট, ২০১৪

কুরান একটি ফরিফূর্ন সংবিদান হলেও যেসব বিষয় বাদ পড়েসে ও এই যুগে ইনভ্যালিড মনে হচ্ছে

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

আমি আগেই বলেসি বর্তমানের কোরান খানা arabic-syriak Language থিকা শুদুমাত্র আরবীতে অনুবাদ করার ফলে বেশি কিসু বেফার খুঁজি ফাওয়া যাইতেসে না। আবার অনেক বিষয় আছে, যা যুগের চাহিদা বা এই নতুন শতাব্দিতে মানশের জিবন নির্বাহে অফ্রয়োনিয় হই ফডাতে বাতিল বলি সকলের কাসে ফরিগনিত হোসসে। যুদিও আমরা বলি থাকি যে, "কুরান একটি ফরিফূর্ন সংবিদান"; অতচ ইনভার্টেড কমার ভিতরের ডায়ালকটার সফক্ষে আজকাল দলিলের অভাব দিখা দিয়েসে। 

তাই মুসলিম উম্নাহর ফতি আহভান, আসুন এখন থেকে আমরা না বলি "কোরান একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান"।

arabic-syriak Language-এ সর্বপ্রথম লিফিবদ্দ করা অরিজিনাল আল-কুরান থিকা বর্তমানের সোদি আরবের অনুবাদিত আরবি কোরানটাতে যেসব গরমিল দিখা দিয়েসে তার লিস্ট:

- ধর্ষনের বেফারে কিসু উল্লেখ নাই। অতসো"ধর্ষন" মানব জীবনে কতইনা এক গুরুত্বফূর্ন ইস্যু।
আমার বিশ্বাস সর্বফথম লিফিবদ্দ করা যেটা হযরত উসমান ফুডিয়ে ফেলেচেন, সেটায় আল্লাহপাক নিশ্চিয় কিসু বলাসেন।

- দাসি ভক্ষনের বেফারে যে আইন নবিজি লিখেসে পবিত্র কুরানে, সেটা এই একুবিংশ শতাব্দিতে ইনভ্যালিড। কারন দাসি প্রথা ই ত এখন আর নাই। আসলে শুদুমাত্র দাসি ভক্ষনের আয়াতটি দিয়া ই এইটা স্পস্ট ফতিয়মান হয় যে, ১৪ শ বছর ফুর্বের সমাজ আর এই ২০১৪ সালের সামাজিক ফ্রেক্ষাফট বেফক পরিবর্তনের ফলে তখনকার কুনো অফরাধ হয়ত এখন আর অফরাধ না। আবার তখনকার আমলে "বাইল্যবিবাহ" মামুলি বেফার সেফার সিলো, কিন্তুক এখনকার আমলে আফনেরা জানেন বাইল্যবিবাহ অফরাধ। বাইল্য বিবাহ নিরোধ আইন ১৯২৯ সালের ৫ ধারা মুতাবেক এই অফরাধের শাস্তি কমসে কম ১ মাস।

তাইলে, আফনি ই বলুন দুটি অসামঞ্জস্য সময় ও সমাজে কি করি সেই ১৪ শ বছর আগের আইন ফ্রয়োগ হবে?
আসল কতা হইসে, অরিজিনাল কোরান যেটা উসমান (রা:) পুডিয়ে ফেলেচেন, সেটাতেই নবিজি বা আল্লাহ কিসু না কিসু বলাসেন।

- আফনারা জানেন পুরুষ ক্ষমতা সম্পন্ন সমাজের ধর্মতে সৃস্টিকর্তা পুরুশদের সাথে বাতসিত কারাসেন। মহান আল্লাহ আমাগের পুরুশদের আরাম আয়েশের কতা ভেভেছেন বেশি করি। আমরা চাইরটা বিবাহ কোইত্তে ফারি। মেয়েসেলেরা করতে ফারে না। করলে নশটা। বাংলাদেশ বেংক এর টাকা "চাহিবা মাত্র দিতে বাইধ্য", সে তরিকায় আমাগের নিজ নিজ স্ত্রীগন "খাইতে সাওয়া মাত্র দিতে বাইধ্য থাকিবে"; না দিলে সারা রাইত ফেরেশতারা গালিগালাজ করেন এসব স্ত্রিলুকদিগকে।

এই যে লক্ষ্য করা যাসসে, নারিদের বেফারে আল্লাহপাক বর্তমানের আরবি কোরানটাতে পুরুশ সমাজকে মিডিয়া হিসাবে গ্রহন করিয়া বিবিন্ন দিক নির্দেশনা দেছেন।

অর্থাত নারি-পুরুশের গারজিয়ান হিসাবে আল্লাহপাকের বক্তব্য ফাওয়া যায় এই কুরানে। কিন্তুক নর ও নারি সাডাও যে এ ফিথিবিতে আরো একটি ভিন্ন লিংগ বিশিস্টের মানুষ অবস্তান করিচ্চে, সে বেফারে আল্লাহপাক বা নবিজি যেন অজ্ঞাত!

আসলে আল্লাহপাক ত "অজ্ঞাত" হতে ফারেন না। তাই না? আমরা যুদি আল্লাহকে অজ্ঞ বলি তাহলে ত আমরা ঈমান হারা হই যাব। তাই ফতুয়া হইছে যে, আল্লাহপাক "হিজড়া" মানুষদের বেফারে জানতেন। এবং নর নারিকে যেবাবে জীবন ধারনের জন্য arabic-syriak Language-এর একটা অরিজিনাল কোরান দিয়েসিলেন, তেমনি এই কুরানটাতেই আল্লাহ হিজড়াদের হিজাব পরতে হবে নাকি টাকনুর উফরে কাফড ফরতে হবে, অথবা তাদের বিয়েসাদির বেফারে বলাসেন।

অতস হিজড়াদের এসব বিষয়ের বর্ননা আমরা বর্তমানের অনুবাদিত আরবি কুরানটাতে ফাচ্ছি না।

তাই আসুন... ফিতনা ছডানো বর্তমানের বাংলা,আরবি ও ইংরেজি কুরান সমূহ পুডিয়ে পেলি। এবং সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ করা ওরিজিনাল arabic-syriak Language এর পবিত্র কোরান খানা খুঁজি বাহির করি।

চিত্রপঞ্চক - ৮৫

বেশ্যাহেস্তের হুরিদের খদ্দের নিয়োগ কেন্দ্র

নিশ্চয়ই ঈশ্বর সমকামী

গড আর গুডের পার্থক্য
পাঠিয়েছেন আরিফুর রহমান

আস্তিক-নাস্তিকে পার্থক্য

কুকুর-যিশু