৫ জানুয়ারী, ২০১৫

ফরিসয় সংকট

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

এই ছোটোলোকের দেশে যখন অনেকেই ফরিসয় সংকটে, তখন কিসু লোক ধরিই নিল সে 'মুসলিম', আবার কিসু লোক নিজ ধর্ম বা সংষ্কৃতি 'বাংগালিত্ব'ই বাছি লইল।

বস্তুত ১২০০ সাল বা সমকালীন সময়ে অন্যের দেশ দখলকারী বা পেটের ধান্ধাকারি তুর্কি, ইরানি লোকেরা আসিয়া মইধ্যপ্রাচ্যের ধর্ম 'ইসলাম'কে এদেশের মানশের সামনে ফরিসয় করায়, তখন তাদের ধারনা আছিল না, ভবিশ্যতে তারা তাদের পরিসয় সংকটে ফড়তে যাইতেসে।

কারণ ইসলাম ধর্মের সার্থকতা এখানে যে, কেউ যখন এটি দ্বারা ফ্রভাবিত হয়, তখন সে তার এতদিনের আদি ফরিসয় হারিয়ে ফেলে।

তাই আফনি দেকবেন, ক্লাশে আফনার ফাশের সিটে বসা পায়ের টাকনার উফর পেন্ট পরা, হালকা দাড়িবিশিষ্ট, মুর্দার মতন সাদা সাদা চুখ বিশিষ্ট ছেলেটা দিনকে দিন গভীর আরব হইতে যাইতেসে। সে তার কলেজের গন্ডি ফার হইবার আগে ,নিজ ফরিসয় 'মুসলিম' বলিই স্পষ্ট খরি ফেলে।

মইধ্যপ্রাচ্যের ধর্ম দ্বারা মগজ ধুলাই খাওয়া এরার এমন ফরিসয় সংকট দেখিয়া অনেকেই মজা লয়া কয়, দেক দেক শনি শনিয়ে আশটোদিন হয় নাই আবাঙ্গালগুলা ধুতি ছাড়ছে, এখন তারা আরব হইসে হি হি...

তবে নিজ জাতের এই সংকটে ড. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন:
আমরা হিন্দু বা মুসলাম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি বাস্তব কথা।যা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ রেখে দিয়েছে যে,মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে তা ঢাকবার জো নেই।
আমি রাস্তায় ঝালমুড়ি বেচইন্যা সহিহ আক্বিদার লুক দেখেসি, দেখেসি মইধ্যপ্রাচ্যের ধর্ম ও সংষ্কৃতি দ্বারা কলজ-বার্সিটির ব্রেইন ওয়াশড সেলেপেলে, তারা কেনো এই পন্ডিতের কতা মানি লইবে! 

যখন কেউ এমন বক্তব্য দিবে, তাকে আমরা মুসলিমরা ছুঁড়ি ফেইলব। কারণ আমরা ৭২ হুর ফেতে সাই। আরবের এই ধর্মেই ত আছে এতগুলা হুর সেই অনাদিকাল থিকা জান্নাতের সিঁড়িতে গুলাপ ফুল নিয়া খাড়াই আছে। আর তাগোর পিসনে শরাবের ফেয়ালা হাতে দন্ডায়মান কিশোর গেলমান!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন