১০ জানুয়ারী, ২০১৫

ইছলামের নবী শিশুকামী ছিলো না




৯ বছর বয়সী আয়েশার সঙ্গে ছহবত করা ৫৪ বছর বয়সী ইছলামের নবীকে কোনওভাবেই শিশুকামী বলা যাবে না। কারণ:

যুক্তি ১.
অনেক মেয়েই ঋতুবতী হয় ৯ বছর বয়সে। 
অর্থাৎ 
মেয়ে ঋতুবতী হলেই তার সঙ্গে যৌনমিলন করা যায়েজ এবং সেটা শিশুকামিতা নয়।

যুক্তি ২.
সেই যুগে অনেক ইহুদিও এই বয়সী মেয়েদের বিয়ে করতো। 
অর্থাৎ 
অন্যদের কৃত অপকর্ম নবীজি পুনরাবৃত্তি করলে সেটা আর অপকর্ম থাকে না।

যুক্তি ৩.
নবীজির প্রথম স্ত্রী তার চেয়ে ২০ বছরের বড়ো ছিলো। 
অর্থাৎ 
স্ত্রী বয়সে বড়ো হলেই যে কোনও পুরুষের শিশুকামী হবার সম্ভাবনা রহিত হয়ে যায়।

যুক্তি ৪.
আয়েশা নবীকে প্রচণ্ড পছন্দ করতো। 
অর্থাৎ 
৯ বছর বয়সী মেয়ে ৫৪ বছরের স্বামীকে খুব ভালোবাসলেই স্বামীকে শিশুকামী বলা যাবে না।

যুক্তি ৫.
নবী আয়েশাকে কখনও শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেনি। 
অর্থাৎ 
কোনও ধরনের নির্যাতন না করে অপরিণতবয়স্ক বালিকার সঙ্গে যৌনমিলন ঘটানো পুরুষকে শিশুকামী বলা যাবে না।

অতএব প্রমাণিত হয় যে, ইছলামের নবী একেবারেই শিশুকামী ছিলো না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন