৪ জানুয়ারী, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ০৩

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

১১.
মুছলমান মুছলমান ভাই-ভাই। যেমন আলী ও হাছান ভাই-ভাই, আবু বকর ও মোহাম্মদ বিন আবু বকর ভাই-ভাই।

১২.
নবীজি নাকি বলেছিলেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন দেশে যেতে। কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, কোরানে তিনি যা কিছু বকবক করেছেন তার সবই অতি ভূয়া, আল্ল্যা একটা গাধা, তিনি নিজে একটি উটমূর্খ, তিনি কোরানে যত আজেবাজে গার্বেজ ঠেসে দিয়েছেন, তা পড়ে মানুষ অপজ্ঞানী ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে হলে এসব আবর্জনা বাদ দিয়ে সত্যিকারের পড়াশোনা করতে হবে। মরুভূমিতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোনো চিহ্নও ছিল না। সে তুলনায় চীন জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত ছিল। তাই নবীজি প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য কোরান, নবীজি ও আল্ল্যাকে বাদ দিয়ে চীনে যেতে বলেছেন মানুষকে। তিনি আসলেই সৎ লোক ছিলেন।

১৩.
মডারেট মুছলমানেরা য়াল্ল্যার কুরান, রাছুলের হাদিছ কিছুই মানে না। কুরান-হাদিছে যা যা আছে ওরা বলে, এসব কুরানে-হাদিছে নাই। য়াল্ল্যা ও রছুলের বাণীকে ওরা একাবারে নাই করে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে। ওরা য়াল্ল্যা, রছুল ও ইছলামের শত্রু। য়াল্লা রছুল ও ইছলামকে রক্ষা করার জন্য, এবং য়াল্ল্যা, রছুল ও ইছলামের আইন অনুযায়ী এদেরকে হত্যা করা ফরজে মোয়াক্কাদা।

১৪.
মনিরের মাথায় ভূগোল এক্কেবারে ঢোকে না। আজ ভূগোল পরীক্ষা। পরীক্ষা দিতে যাবার সময় কোরান শরিফ তিলাওয়াত করেছে কিছুক্ষণ। কোরানে অনেক ভক্তিভরে চুমু খেয়েছে। কোরানের বিশেষ বিশেষ সূরাগুলির উপরে হাত রেখে আল্লার কাছে ফরিয়াদ করেছে:
- হে আল্লা, আমাকে ভূগোল পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিয়ো। 
ফলাফলে দেখা গেল, মনির ভূগোলে অতি উত্তমভাবে ফেইল করেছে। দুঃখে অপমানে মনির বাসায় ফিরে কোরানের পাতা ছিঁড়ে ছিঁড়ে পায়ে মাড়াতে লাগলো। তার মা এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে অস্থির হয়ে পড়ল:
- কী রে হারামজাদা, কোরান পায়ে মাড়াচ্ছিস কেন? 
সে বলল:
- কোরানের সূরাগুলির উপর হাত রেখে প্রার্থনা করার পরেও ফেল করলাম। এই কোরান রেখে লাভ কী। 
তার মা ছেলের তওবা করানোর জন্য হুজুর ডেকে আনল। হুজুর বলল:
- তুমি ভাল করে পড়ালেখা কর নাই তাই ফেইল করেছ, কোরান ছিঁড়লা কোন বুঝে। 
মনির বলল:
- পড়ে পাস করতে হলে আল্লার কামটা কি? 
হুজুর বলল:
- কীসে ফেল করেছ। 
মনির বলল:
- ভূগোলে। 
হুজুর বলল:
- তোমার ত মিয়া গোড়াতেই গলদ। ভূগোল বলে কোনো সাবজেক্ট নাই আল্লার কাছে। আল্লা বলেছেন, ভূ সমতল। তুমি ভূ গোল বললে পাস করবা কেমনে?

১৫.
নবীজি বলেছেন, আমি বেশির ভাগ দোজখে অবস্থানকারীই দেখেছি মহিলা যার কারণ ছিল তাদের অকৃতজ্ঞতা। - ছহীহ বুখারী ২,১৮,১৬১

নবীজি তার আম্মু আমিনাকেও নিশ্চয় দোজখী মহিলাদের ভীড়ে দেখতে পেয়েছিলেন। কারণ তার আম্মু আমিনা ছিলেন অমুছলিম, পৌত্তলিক, য়াল্ল্যার প্রতি অকৃতজ্ঞ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন