১৪ মার্চ, ২০১৫

ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ০৯

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৪১.
নাস্তিক ব্লগার থাবা বাবা খুন হবার পর শেখ হাসিনা ও মতিয়া চৌধুরী দু'জনেরই মাতৃহৃদয় উথাল-পাথাল আহাজারি করতে লাগল। তাঁরা রাজপ্রাসাদ থেকে নেমে এসে ধুলা পাড়িয়ে থাবার বাড়িতে গেলেন। শোক করলেন বেশ করে, মতিয়া চৌধুরী মৃত থাবাকে দত্তক নিয়ে নিলেন আবেগের চোটে। বললেন, রাজীব সোনামণি আমার, তোমার রক্ত বৃথা যাবে না। তাকে মুক্তিযুদ্ধের পরে প্রথম শহীদ ঘোষণা করলেন শেখ হাসিনা। নাস্তিক লেখক ব্লগার অভিজিৎ খুন হবার পর এঁদের একজনও অভিজিতের বাড়ি গেলেন না, তাঁদের কারুর হৃদয়ে কোনো উথালি-পাথালি উঠলো না, অভিকে কেউই সোনামণি ব'লে ডাকলেন না। কারণ এঁরা বুঝে গেছেন, নাস্তিক লেখকদের নিয়ে বাণিজ্য করা যায় না।

৪২.
য়াল্ল্যা রাছুল ও তাদের চ্যালাদের বরাবরই জ্ঞানীগুণীদের এত ভয় কেন?

৪৩.
নবীজি একদা দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যেখানে পরলোকগত কবরের দুই বাসিন্দার শাস্তি হচ্ছিল। তিনি তখন দুটি সবুজ খেজুরপাতা নিয়ে কবর দুটিতে রেখে দিলেন। - ছহীহ বুখারি ২,২৩,৪৪৩

কবরে য়াল্ল্যার অরাজক শাস্তি থেকে মুক্তির উপায় হলো খেজুরপাতা। অতএব মমিন্স, ধুমসে পাপ গুনাহ করো। মরো। তারপর এক মমিনের আযাবরত কবরের ওপরে আরেক মমিন খেজুরপাতা বিছিয়ে দিয়ে আযাব ডিসমিস করে দাও। য়াল্লার কালোহাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও। বেশি করে খেজুরগাছের চাষ করো, মমিন্স। দোজখে যাবার সময় কিছু খেজুরের বিচি সাথে করে নিয়ে যেয়ো, চাষ করো ওখানে। দোজখে য়াল্লার ভিলেনি থামিয়ে দেবে খেজুরপাতা। খেজুরপাতা য়াল্লার চেয়ে শক্তিশালী। য়াল্ল্যার চেয়ে দয়ালু।

৪৪.
- তালা কয় প্রকার ও কি কি?
- অনেক প্রকারের তালা আছে। যেমন, মার্শাল-তালা, সলিড ব্র্যাস প্যাড-তালা, ওয়েদারপ্রুফ-তালা, কম্বিনেশান প্যাড-তালা, য়াল্লা-তালা ইত্যাদি।

৪৫.
বাংলাদেশে একটা কাবাঘর বানিয়ে নিলে তো দেশেই হজ করা যেত। এত লাখ লাখ টাকার অপচয় করে সৌদি আরব যাওয়া লাগতো না। যাদের মক্কায় যাবার সঙ্গতি নেই, তারাও দেশে কাবার চারদিকে ঘুরে হগ করে হাগি হতে পারতো অনায়াসে। অনেক হগপ্রাণ বিদেশীরাও হগ করতে আসত বাংলাদেশে। দেশে অনেক বৈদেশিক মূদ্রা আয় হতো। কত লাভ যে হতো, তার কোনো ইয়ত্তা নাই। তবু কেন যে একটা কাবা শরীফ বানাচ্ছে না সরকার বাংলাদেশে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন