১৬ মার্চ, ২০১৫

ছহীহসম্মত হাগা-মুতায় ঢিলা-কুলুখের ভূমিকা

লিখেছেন নিলয় নীল

ইছলামে অবিচ্ছেদ্য ও অবশ্যপালনীয় রিচ্যুয়াল ঢিলা-কুুলুখ সম্পর্কে গড়পড়তা মুছলিম একেবারেই অজ্ঞ। একবার এক মেয়েবন্ধুর ঢিলা-কুলুখ সম্পর্কে একগাদা প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আমার মস্তিষ্কের স্ক্রু-ই ঢিলা হয়ে গেছিলো!

একটি প্রশ্ন ছিলো - ঢিলা-কুলুখ মহিলাদের ব্যবহার করার কোনো বিধান আছে কি না। আমি উত্তর দিয়েছিলাম, প্রস্রাবের ক্ষেত্রে মহিলাদের ঢিলা-কুলুখ রীতি পালনের বিধান না থাকলেও পায়খানার ক্ষেত্রে রয়েছে। পায়খানার ক্ষেত্রে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহারের কথা জীবনে সে প্রথম শুনেছে বলে আমার কথা বিশ্বাসই করলো না! 

একদিন ঢিলা-কুলুখ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে যেয়ে ইসলামিক কোয়েশ্চন ডট অরগ নামে এক ওয়েবসাইটে গিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাই, যা ইছলামের স্বার্থে সকলের সাথে শেয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি।

- পায়খানার পর পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্য তিন বার ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর পেশাবের পর পুরুষ ব্যবহার করবে; মহিলাদের জন্য না করার অবকাশ আছে।

- পেশাবের পর ঢিলা-কুলুখ নিয়ে হাঁটাচলা করে, কিম্বা কাশি দিয়ে বা নড়াচড়া করে, কিংবা অভ্যাস অনুযায়ী যে কোনোভাবে পেশাবের ফোঁটা বন্ধ হয়েছে এরূপ নিশ্চিত হতে হবে। মহিলাদের জন্য এর প্রয়োজন নেই।

- প্রথম ঢিলা-কুলুখটি পেছনের দিক থেকে সামনের দিকে, দ্বিতীয়টি সামনের দিক থেকে পেছনের দিকে, তৃতীয়টি পেছন দিক থেকে সামনের দিকে এ নিয়মে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা অধিক পবিত্রতার অনুকূল। আর যদি অণ্ডকোষ ঝুলানো থাকে তাহলে প্রথমটা সামনের দিক থেকে আরম্ভ করা। মহিলাগণ সর্বদা প্রথমটা সামনের দিক থেকে শুরু করবে। সূত্র– নুরুল ইযাহ।

- হ্যাঁ, কেঁচোর মাটি দ্বারা ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করে থাকে তা সম্পূর্ণ জায়েয। কারণ কেঁচোর মাটি নাপাক নয়। সূত্র– আল-বাহরুর রায়েক।

- বাম হাত দ্বারা ঢিলা-কুলুপ ব্যবহার করবে। – ফতওয়ায়ে শামী।

আসুন, ভাই ও বোনেরা, আমরা ছহীহ ইছলামসম্মতভাবে হাগা-মুতা করে নেকি হাছিল করি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন