১৯ মার্চ, ২০১৫

আল-রাজী দিবস (The day of Al-Raji)!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব- ৭২): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – ছেচল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১

ইসলামের ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহৎ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ওহুদ যুদ্ধ কী কারণে সংঘটিত হয়েছিল;  ওহুদ যুদ্ধ যাত্রার প্রাক্কালে স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর এক-তৃতীয়াংশ অনুসারী যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে মাঝপথ থেকে কী কারণে মদিনা প্রত্যাবর্তন করেছিলেন; ওহুদ যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছার আগে পথিমধ্যেই এক অন্ধকে মুহাম্মদ অনুসারীরা কী কারণে খুন করেছিলেন; এই যুদ্ধে ইহুদিদের ভূমিকা কী ছিল; মুসলমানরা যুদ্ধের প্রথমাবস্থায় সুবিধাজনক অবস্থায় থাকার পরেও কী কারণে তাদের চরম পরাজয় ঘটেছিল; এই যুদ্ধে মুহাম্মদ নিজেও কীভাবে আক্রান্ত ও শারীরিক আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন; বহু কুরাইশের হত্যাকারী হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিব-কে ওয়াহাশি নামের এক ক্রীতদাস বর্শার আঘাতে নির্মমভাবে কীভাবে হত্যা করে কুরাইশের প্রতিশোধস্পৃহা নিবৃত্ত করেছিলেন; হিন্দ বিনতে ওতবা প্রতিশোধ স্পৃহায় মৃত হামজার পেট চিড়ে কলিজা কেটে বের করে তার কিছু অংশ কীভাবে চিবানোর চেষ্টা করেছিলেন ও তাঁর সহকারী মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে হামজা ও অন্যান্য কিছু মৃত মুহাম্মদ-অনুসারীদের কান ও নাক কেটে তা দিয়ে গলার হার, পায়ের মল ও কানের দুল তৈরি করে সেগুলো তাঁরা ওয়াহাশিকে উৎসর্গ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন; সমবয়সী চাচা হামজার এই করুণ পরিণতিতে শোকাহত মুহাম্মদ কী রূপে তাঁর মর্মবেদনা প্রকাশ ও ক্রন্দন করেছিলেন; এই যুদ্ধে মুহাম্মদের নবী গৌরব কীভাবে ধূলিস্যাৎ হয়েছিল এবং তিনি তাঁর সেই হৃতগৌরব পুনরুদ্ধারের কী কী কলা-কৌশল অবলম্বন করেছিলেন; যুদ্ধ শেষে মুহাম্মদের নির্দেশে তিন ব্যক্তিকে কী কারণে খুন করা হয়েছিল - ইত্যাদি বিষয়ের ধারাবাহিক আলোচনা গত আঠারটি পর্বে করা হয়েছে। 

ওহুদ যুদ্ধের মাস চারেক পরে (জুলাই-আগস্ট, ৬২৫ সাল) আদাল ও আল-কারা (Adal and al-Qara) গোত্রের কিছু লোক মুহাম্মদের কাছে এসে ঘোষণা দেয় যে, তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে ইসলাম গ্রহণ করেছে। তারা মুহাম্মদের কাছে অনুরোধ করে, তিনি যেন তাদের এলাকার লোকদের কুরান শিক্ষা ও ইসলামের আদেশ নিষেধ শিক্ষা দেয়ার জন্য তাঁর কিছু অনুসারীকে তাদের সঙ্গে পাঠান।

মুহাম্মদ তাঁর ছয়জন অনুসারীকে তাদের সঙ্গে পাঠান। কিন্তু পথিমধ্যে 'আল-রাজী' নামক স্থানে ঐ লোকেরা হুদায়েল (Hudhayl) গোত্রের কিছু লোককে ডেকে নিয়ে মুহাম্মদ-অনুসারীদের ওপর হামলা চালায়। তারা তাদের তিনজনকে সেখানেই খুন করে ও আল-যাহরান নামক স্থানে খুন করে আরও একজনকে।

বাকি দুইজন মুহাম্মদ অনুসারীকে তারা ধরে নিয়ে আসে মক্কায়। পিতৃহত্যার প্রতিশোধস্পৃহায় হুজায়ের বিন আবু ইহাব আল-তামিমি ও সাফওয়ান বিন উমাইয়া নামক দুই কুরাইশ তাদেরকে কিনে নিয়ে হত্যা করে।

ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ সাল), ইবনে হিশাম ও আল-তাবারীর বর্ণনা: [1][2][3]

আসিম বিন উমর বিন কাতাদা (Asim b. 'Umar b.Qatada) হইতে > মুহাম্মদ ইবনে ইশাক হইতে > জিয়াদ বিন আবদুল্লাহ আল-বাক্কাই হইতে > আবু মুহাম্মদ আবদুল মালিক বিন হিশাম: [4]

'ওহুদ যুদ্ধের পরে কিছু আদাল ও আল-কারা গোত্রবাসী আল্লাহর নবীর কাছে আসে। তারা বলে যে, তাদের কিছু লোক ইতিমধ্যেই ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তারা তাঁকে তাঁর কিছু অনুসারীকে তাদের এলাকার জনগণকে কুরান শিক্ষা ও ইসলামের আদেশ নিষেধ শিক্ষা দেয়ার জন্য তাদের সঙ্গে পাঠানোর অনুরোধ করে।

আল্লাহর নবী এই ছয়জন অনুসারীকে তাদের সঙ্গে পাঠান:

মারথাদ বিন আবু মারথাদ আল-ঘানায়ি - হামজার এক মিত্র;
খালিদ বিন আল-বুকায়ের আল-লেইথি - বানু আদি বিন কাব গোত্রের এক মিত্র;
আসিম বিন থাবিত বিন আবুল-আকলাহ - বানু আমর বিন আউফ বিন মালিক বিন আল-আউস গোত্রের এক ভাই;
খুবায়েব বিন আদি (Khubayb b. 'Adiy) - বানু জাহজাবা বিন কুলফা বিন আমর বিন আউফ গোত্রের এক ভাই;
যায়েদ বিন আল-দাথিননা বিন মুয়াবিয়া (Zayd b. al-Dathinna) - বানু বায়েদা বিন আমর বিন যুরায়েক বিন আবদু হারিথা বিন মালিক বিন ঘাদব বিন জুশাম বিন আল-খাযরাজ গোত্রের এক ভাই; এবং
আবদুল্লাহ বিন তারিক - বানু জাফর বিন আল-খাযরাজ বিন আমর বিন মালিক বিন আল-আউস গোত্রের এক মিত্র।

আল্লাহর নবী মারথাদ-কে তাদের নেতৃত্বে নিয়োগ করেন। দলটি যখন হিজাজের আল-হাদার (আসফান ও মক্কার মধ্যবর্তী একটি স্থান) উপরি ভাগের এক জেলায় অবস্থিত 'আল-রাজী' নামক স্থানে আসে, যেটি ছিল হুদায়েল গোত্রের জল-স্থান (Watering-place), তারা তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে এবং তাদের বিরুদ্ধে হুদায়েল গোত্রের (Hudhayl) কিছু লোককে ডেকে নিয়ে আসে।

যখন তারা প্রহরীবিহীন অবস্থায় মালপত্র নিয়ে বসে ছিল, তখন ঐ লোকেরা হাতে তরবারি উঁচিয়ে হঠাৎ তাদেরকে আক্রমণ করে। ফলে তারাও তরবারি নিয়ে ঐ লোকদের সাথে লড়াইয়ে প্রস্তুত হয়।

কিন্তু ঐ লোকেরা বলে যে, তাদেরকে হত্যা করার কোনো উদ্দেশ্যই তাদের নেই; উদ্দেশ্য হলো - তাদেরকে দিয়ে মক্কাবাসীদের কাছ থেকে কিছু উপার্জনের ব্যবস্থা করা। ঐ লোকেরা আল্লাহর কসম খেয়ে বলে যে, তারা তাদেরকে হত্যা করবে না।

মারথাদ, খালিদ ও আসিম বলে, "আল্লাহর কসম, আমরা কখনোই মুশরিকদের (Polytheist) কোন প্রতিশ্রুতি ও চুক্তি মেনে নেব না।" তারপর তারা ঐ লোকদের সাথে লড়াই করতে থাকে যতক্ষণে না তাদের সবাই মৃত্যুবরণ করে।

আসিম-কে হত্যার পর হুদায়েলের ঐ লোকেরা তার কল্লাটি (Head) নিয়ে গিয়ে সুলাফা বিনতে সা'দ বিনতে সুহায়েদ (Sulafa d. Sa'd d. Shuhayd)-এর কাছে বিক্রি করতে চেয়েছিল। কারণ ওহুদ যুদ্ধে যখন সে [আসিম] তাঁর দুই সন্তানকে খুন করে তখন তিনি [সুলাফা] প্রতিজ্ঞা করেন যে, যদি কখনো তিনি তার কল্লাটি পান, তবে সেই মাথার খুলিতে করে তিনি মদ্যপান করবেন; কিন্তু ভীমরুল (Hornet) তাকে রক্ষা করে।

(আল-তাবারী: সুলাফা ছিলেন আবদ আল-দার গোত্রের তালহা বিন আবি তালহার স্ত্রী, যে গোত্রটি মক্কার যুদ্ধ-ঝাণ্ডা রক্ষার দায়িত্বে। এই যুদ্ধ-ঝাণ্ডা রক্ষার দায়িত্ব পালন কালে তালহা ও তার চার ছেলে সন্তান খুন হয়।)

যখন তার লাশ ও তাদের মধ্যে ভীমরুল আসে, তারা বলে, "তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রেখে দাও, যখন ভীমরুল তাকে ছেড়ে চলে যাবে, তখন আমরা তার কল্লাটি নিতে পারবো।" কিন্তু আল্লাহ সেই পাথুরে নদী খাতে বন্যা প্রেরণ করে এবং তা আসিমের মৃতদেহ দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়।  

যায়েদ, খুবায়েব ও আবদুল্লাহ বিন তারিক ছিল দুর্বল প্রকৃতির এবং তারা জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ঐ লোকেরা তাদেরকে বন্দী করে বিক্রির জন্য মক্কার উদ্দেশে যাত্রা করে।

যখন তারা আল-যাহরান (al-Zahran) নামক স্থানে, আবদুল্লাহ তার বন্দীদশা শিথিল করে এবং তার তরবারি টেনে বের করে। কিন্তু তারা তার কাছ থেকে পিছু হঠে গিয়ে তার ওপর পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে, যতক্ষণে না তার মৃত্যু হয়।

খুবায়েব ও যায়েদ কে তারা মক্কায় ধরে নিয়ে আসে।

হুজায়ের বিন আবু ইহাব আল-তামিমি নামের বানু নওফল গোত্রের এক মিত্র, উকবা বিন আল-হারিথ বিন আমির বিন নওফলের জন্য খুবায়েব-কে ক্রয় করেন; যাতে উকবা বিন আল-হারিথ তাকে হত্যা করে তার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে পারে। আবু ইহাব ছিলেন আল-হারিথ বিন আমিরের ভাই, তারা ছিলেন একই মায়ের সন্তান।

সাফওয়ান বিন উমাইয়া তাঁর পিতা উমাইয়া বিন খালাফের খুনের প্রতিশোধস্পৃহায় যায়েদকে হত্যা করার জন্য ক্রয় করে। সাফওয়ান তাকে নিসটাস নামের তার কাছ থেকেই মুক্তিপ্রাপ্ত এক দাসের (freedman) সাথে আল-তানিমে পাঠান এবং তারা তাকে হত্যার জন্য হারাম থেকে বাহিরে নিয়ে আসে।

নিসটাস তাকে হত্যা করে।

তারপর তারা খুবায়েব-কে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করার জন্য আল-তানিমে নিয়ে আসে। কয়েক রাকাত নামাজ পড়ার জন্য সে তাদের কাছে কিছু সময়ের আবেদন করে, তারা তাতে রাজি হয়। সে দুই রাকাত চমৎকার নামাজে পড়ে এবং তারপর লোকজনদের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলে, "তোমরা হয়তো মনে করতে পার যে, আমি মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে সময় ক্ষেপণ করছি, এমনটি না হলে আমি হয়তো আরও বেশি সময় নামাজে থাকতাম।”

খুবায়েব বিন আদিই ছিল সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যে মৃত্যুর আগে দুই রাকাত নামাজের প্রথা প্রতিষ্ঠা করেছিল।

তারপর তারা তাকে কাঠের ওপর খাড়া করে ও যখন তাকে বেঁধে ফেলে তখন সে বলে, "হে আল্লাহ, আমারা তোমার নবীর বার্তা পৌঁছে দিয়েছি, সুতরাং আগামীকাল তাকে বল আমাদের কী করা হয়েছে।"

তারপর সে বলে, "হে আল্লাহ, তাদেরকে গুনে রাখ ও একে একে হত্যা কর, তাদের কাউকেই পালাতে দিও না।"

তারপর তারা তাকে হত্যা করে।

সম্মানিত মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তারা খুবায়েব-কে বন্দী অবস্থায় ধরে রাখে এবং তারপর তারা তাকে হত্যা করে।’ [5] [পর্ব-২৯]

আল-ওয়াকিদির অতিরিক্ত বর্ণনা:

'লিহায়েন (Lihyan) গোত্রের লোকেরা তাদের দলপতি সুফিয়ান বিন খালিদ আল-হুদালি-কে (Sufyan b. Khalid Al-Hudhali) হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের প্রচেষ্টায় আদাল ও আল-কারা গোত্রের ঐ লোকদের ভাড়া করে প্রশিক্ষক পাঠানোর আবেদন সহকারে পাঠায়।’
(অনুবাদ ও [**] যোগ – লেখক)

>>> আদি বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় যে বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট তা হলো, “মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ ও তাঁর অনুসারীদের আগ্রাসী নৃশংস কর্মকাণ্ডে আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বজন-হারা কুরাইশরা তাঁদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন।”

খুবায়েব বিন আদি ও যায়েদ বিন আল-দাথিননার হত্যার মূল কারণ হলো উকবা বিন আল-হারিথ ও সাফওয়ান বিন উমাইয়ার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ।

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৪২৬-৪৩৩

[2] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৭, ইংরেজী অনুবাদ: W. Montogomery Watt and M.V. McDonald, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা (Leiden) ১৪৩২-১৪৩৭

[3] “কিতাব আল-মাগাজি”- লেখক:  আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২), ed. Marsden Jones, লন্ডন ১৯৬৬, পৃষ্ঠা ৩৫৪-৩৬৩

[4] জিয়াদ বিন আবদুল্লাহ আল-বাক্কাই ছিলেন মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের ছাত্র (পর্ব-৪৪)  

[5] Ibid “সিরাত রসুল আল্লাহ, ইবনে হিশামের নোট নম্বর ৬৬৪, পৃষ্ঠা ৭৬১

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন