৪ জুন, ২০১৫

বিবর্তন: ইছলামী স্টাইল

লিখেছেন নাস্তিক দস্যু

ছোটবেলায় একবার খাম্বায়, ওয়ালে, বিভিন্ন মসজিদের দেয়ালে কতকগুলো লিফলেট দেখেছিলাম। ওখানে কিছু ছবি আর কিছু লেখা ছিল। একটা মেয়ে নাকি পবিত্র (!) কোরানকে অসম্মান করেছিল, তারপর নাকি সে বান্দর বা হনুমান টাইপের কিছু একটা হয়ে গিয়েছিল!

এ রকম অনেক আজগুবি কাহিনী ছোটবেলায় অনেক শুনেছি। যতই শুনতাম, ততই কোরানের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা বাড়ত, তার চেয়ে বেশি বাড়ত ভয়। যদি কোরানের সাথে কোনোভাবে বেয়াদবি হয়ে যায়! তবেই তো গেলাম!

একবার নাকি কোন এক বেয়াদব অযু না করে কোরান স্পর্শ করেছিল। আর যায় কোথায়! সাথে সাথেই নাকি অজগর সাপ হয়ে গিয়েছিল!

এরপর থেকে কোরান, মসজিদ, মাজার এসবের প্রতি আমার ব্যাপক ভয় কাজ করত।

কোরান পাঠের সময় একবার কোন এক ভাবে পবিত্র (???) কোরানে পা লেগে গিয়েছিল। তারপর খোদার কাছে হায়রে কী কান্নাকাটি! অনেকদিন ভয়ে ভয়ে ছিলাম। ভাবতাম, এই বুঝি ভেড়া বা অন্য কোনো প্রাণী হয়ে গেলাম!

এরপর অনেকদিন কেটে গেল। ধর্ম নিয়ে মনে বিভিন্ন প্রশ্ন জাগতে শুরু হল। একদিন ভয়ে ভয়ে কোরানের সাথে পা লাগালাম। ভয়ে ভয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে লাগলাম - গায়ে আগুন ধরে যাওয়ার। কিন্তু তেমন কিছুই হল না। এরপর এই সব পবিত্র (!!!) জিনিসের প্রতি ভয় কমে যেতে লাগল। এখন কোরানের রসালো কাহিনী বাংলায় পড়তে পড়তে হস্তমৈথুন করি।

বাংলাদেশের মানুষের সমস্যা হচ্ছে, এরা বাংলা ভাষায় কোনো নির্দেশনামা মানতে চায় না। কিন্তুক সৌদি আড়বের ভাষা, ফ্রানের নব্বীজির ভাষা, বেহেশতের ভাষা আড়বিতে বললে ভালোই কাজ হয়! সম্প্রতি যেখানে-সেখানে মুতামুতি বিষয়ক নির্দেশনা আড়বিতে দেয়া হয়েছে। এটা কিন্তু পাবলিক সতর্কতার সহিত মানিতেছে। হয়তো বা পাবলিক ভাবে, এটি না মানলে মনে হয় তারা কুকুর বা অন্য কোনো পশু হয়ে যাবে! কোরানের সাথে বেয়াদবির তো কোনো প্রশ্নই ওঠে না!

আমি বলি, কোরান দিয়ে ফুটবল খেলার চেষ্টা করুন। তারপরেই অনেক মিথ্যা কাহিনীর উদ্দেশ্য খুঁজে পাবেন।

বি.দ্র. শুয়োর-টুয়োর কিছু হয়ে গেলে চিকিৎসার খরচ আমরা দিব।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন