২২ জুলাই, ২০১৫

বিধর্মী গাছ আম গাছের বদলে খেজুর গাছরে জাতীয় গাছ করার দাবি

লিখেছেন টেলি সামাদ 

দ্বীনের নবী মুস্তফা সঃ বলেছেন, দুনিয়ায় মমিন মুসলমান গাছ থাকলে ঐ একটাই আছে, আর তা হইল খেজুর গাছ। কি, কথা বিশ্বাস হইতেছে না? এই দ্যাখেন: 
Narrated by Ibn 'Umar:
The Prophet (may the peace and blessings of Allah be upon him) said, "There is a tree among the trees which is similar to a Muslim (in goodness), and that is the date palm tree."
(Bukhari, Vol.7 (65): 359)
উয়েল, এরপরও আর কী কথা থাকতে পারে? মহানবী যা বলেছেন, তাই ফাইনাল। উনার উপ্রে কথা নাই। জোরে বলেন, সুবাহানাল্লা।

৮৫% মমিন মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। ঈমান আকিদায় দুইন্নার কুন দেশেরথে পিছায় আছি? আপনেরাই বলেন। অথচ জালিম সরকার ভারতের লগে ষড়যন্ত কইরা আমাগো ঈমানের লুঙ্গি ঢিলা কইরা দিতেছে। জাতীয় গাছ ঘোষণা করছে। তাও করছে আম গাছ নামের কোন এক বিধর্মী ইহুদী নাসারা গাছরে। এইটা উচিত হইছে? আপনেরাই কন!


দ্বীনের নবী মুস্তফা যেখানে বইলা দিছেন খেজুর গাছের মত মমিন মুসলমান গাছ আর নাই, সেইখানে এরম বিধর্মী একটা গাছরে জাতীয় বৃক্ক করন মানে সোজা মুনাফেকি করা। এইটার একটা জেহাদী ব্যাবস্থা নিতেই হবে। 

তারপর দেখেন হুজুরে পাক সঃ আরও বলেছেন, " খেজুর গাছ লাগাইলে দুইন্নায় আর কেউ ক্ষিদাপেটে থাকব না" (জুরে বলেন সুবাহানাল্লা)।


ক্ষিদা ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্বের জন্য এর থেকে ভাল সমাধান আর কী হইতারে, আপনেরাই কন!

আর এই খেজুর গাছ তো যেই সেই গাছ না স্বয়ং আল্লাহ পাক ভেহেস্ত থেইকা ডাইরেক এই গাছ দুইন্নায় পাঠাইছে।

The messenger (peace upon him) says "Honor our aunt, the palm, it was created from clay from which Allah created Adam (peace upon him) No other tree is more honorable than the palm for Allah as he created it under Mariam, the daughter of Omran.

মানে হইতেছে, আদম আঃ যেরম মানব জাতির পিতা ভেহেস্ত থেইকা ডাইরেক দুইন্নায় আইছে, খেজুর গাছও সেরম গাছ জাতির পিতা ভেহেস্ত থেইকা ডাইরেক দুইন্নায় আইছে। 

এরম একটা পবিত্র মমিন গাছরে জায়গা না দিয়া জালিম সরকার আম গাছের মত মুনাফিক মুশরিক ইহুদী-নাসারা গাছরে জাতিয় গাছ ঘোষণা দিয়া চরম নাফরমানি কাম করছে। এইটার একটা বিহিত করনই লাগব।

তাই আসেন মমিন মুসলমান ভাইয়েরা, খেজুর গাছরে নিয়া একটা জেহাদ করি। এই জালিম সরকারের মুনাফেকির দাত ভাঙ্গা জবাব দিতেই হবে।


নাড়ায় তাকবীর ... ... ... ... ... ... ... ... ...

* ৯.৩.১১ তারিখে প্রথম প্রকাশিত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন