২৫ আগস্ট, ২০১৫

analysis of কোরআন, looking for বিজ্ঞান

লিখেছেন শ্মশানবাসী

সর্বশক্তিমান আল্লাহর নামে শুরু করিলাম।

আসুন, এক আল্লাহর বিশ্বাসী হই, আসুন সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) ওপরে অবতীর্ণ হওয়া কোরআনের কথার ওপর ঈমান আনি।

কিন্তু এক আল্লাহ, এক নবী,এক গ্রন্থে ঈমান আনতে গেলে প্রথমেই অবিশ্বাস দানা বাঁধে।

গ্রন্থের সুরার সংখ্যা একশত চোদ্দটি ঠিকই আছে, কিন্তু পৃথিবী জুড়ে এর আয়াতের সংখ্যায় ভিন্নতা কেন? 
১. হযরত আয়শা (রাঃ) মতে কোরআনের আয়াতের সংখ্যা ৬৬৬৬টি।
২. হযরত ওসমান (রাঃ) মতে ৬২৫০টি।
৩. হযরত আলী (রাঃ) মতে ৬২৩৬টি।
৪. হযরত ইবনে মাসউদের মতে ৬২১৮টি।
৫. মক্কার গণনা মতে ৬২১৩টি।
৬. বসরার গণনা মতে ৬২২৬টি।
৭. ইরাকের গণনা মতে ৬২১৪টি। 
এই অবস্থাতে কোরআনে বিজ্ঞান খুঁজতে এসে আমি নিজেই বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। যেন রুগী ডাক্তারের কাছে এসে দেখতে পেল, ডাক্তার নিজেই অসুস্থ।

এক আল্লাহর এক পৃথিবী এক নবীর এক পবিত্র গ্রন্থের সুরার সংখ্যা ঠিক আছে, কিন্তু আয়াতের সংখ্যায় এত গোলমাল কেন। মজার ব্যাপার কী, জানেন? আয়শা বর্ণিত হাদিস মুসলিম বিশ্বে শতভাগ সহি বলে ধরে নেওয়া হলেও কোরআনের ক্ষেত্রে আলীর পেশকৃত ৬২৩৬ টা আয়াত বিশিষ্ট কোরআনই উপমহাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই প্রচলিত। এটা একটা রহস্যও বটে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন