১৬ আগস্ট, ২০১৫

বাংলাদেশ একটি কাফের রাষ্ট্র

লিখেছেন আনোয়ার খান

বাংলাদেশ আসলে একটি কাফের রাষ্ট্র। কারণ ইসলামী শরীয়া আইনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান বাংলাদেশে চালু নেই। যেমন:

১. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো মুসলমান ইসলাম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, এটি বাংলাদেশে চালু নেই

২. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - অন্য ধর্মের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা চালানোর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, এটি বাংলাদেশে চালু নেই

৩. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - অমুসলিমদের জিজিয়া কর দিতে হয়, কিন্তু এটি বাংলাদেশে চালু নেই

৪. ইসলামী শরীয়া আইন অনুয়ায়ী - ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা, এটি বাংলাদেশে চালু নেই

৫. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - ইসলামিক পোশাক না পরলে শাস্তির বিধান আছে, কিন্তু বাংলাদেশে এটি চালু নেই

৬. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো মানুষের মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে কার্যকর করতে হবে, কিন্তু এটি বাংলাদেশে চালু নেই

৭. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো ব্যক্তি তার কন্যা অথবা স্ত্রীকে হত্যা করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন (সৌদি আরব), কিন্তু বাংলাদেশে এটি চালু নেই

৮. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো মেয়েকে ঘর থেকে বের হতে হলে তার পিতা বা স্বামীর অনুমতি নিতে হয়, কিন্তু বাংলাদেশে এটি চালু নেই

৯. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - স্বামী মুখে 'তালাক' বললেই তালাক হয়, কিন্তু বাংলাদেশে এটি চালু নেই

১০. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - হিল্লা বিবাহের বিধান আছে, কিন্তু বাংলাদেশের আইনে এর বৈধতা নেই

১১. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - স্বামীর একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর কোনো অনুমতি নিতে হয় না, অথচ বাংলাদেশে নিতে হয়

১২. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো স্বামী তার বউকে পেটালে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়, অথচ বাংলাদেশে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ

১৩. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - বিবাহের ক্ষেত্রে কোনো বয়স সীমা নেই, অথচ বাংলাদেশে আছে

১৪. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - কোনো ধর্ষণ প্রমাণের জন্য তিন জন পুরুষ অথবা দুই জন পুরুষ ও দুই জন নারী প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য লাগে, কিন্তু বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালু নেই

১৫. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - নারী ও অমুসলিমদের জন্য রাষ্ট্রপ্রধানের পদ নিষিদ্ধ, অথচ বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয়

১৬. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - নারীদের ঘরের বাইরে গিয়ে উপার্জন করা নিষিদ্ধ, অথচ বাংলাদেশে বহু নারী ঘরের বাইরে গিয়ে উপার্জন করছে

১৭. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - দাস-দাসী ক্রয়-বিক্রয়ের বৈধতা আছে, অথচ বাংলাদেশে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ

১৮. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - গান-বাজনা শোনা হারাম, অথচ বাংলাদেশে সরকারীভাবে এর পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়

১৯. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - ছবি আঁকা, কবিতা লেখা হারাম, অথচ বাংলাদেশে এসব বৈধ

২০. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - রোজার সময় অমুসলিমরা প্রকাশ্যে খাবার খেলে তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া হয়, অথচ বাংলাদেশে এটিকে অপরাধ বলেই গণ্য করা হয় না

২১. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - হত্যার ঘটনা ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে মীমাংসা কর সম্ভব, অথচ বাংলাদেশের সরকারী আইনে এর বৈধতা নেই

২২. ইসলামী শরীয়া আইন অনুযায়ী - জন্মনিয়ন্ত্রণ হারাম, অথচ বাংলাদেশ সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য প্রচার প্রচারণা চালায়...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন