১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বনি কুরাইজা গণহত্যা – ৬: "যৌনাঙ্গের লোম গজানো সকল পুরুষকে খুন!": কুরানে বিগ্যান (পর্ব - ৯২) ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – ছেষট্টি

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯ > পর্ব ৯০ > পর্ব ৯১

বনি কুরাইজা গোত্রের লোকদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তাঁর অনুসারীরা কীভাবে মদিনার বাজারে গিয়ে গর্ত খুঁড়ে সেই গর্ত-পাশে তাঁদের ৬০০-৯০০ জন নিরস্ত্র মানুষকে দলে দলে ধরে এনে এক এক করে জবাই করে তাঁদের কাটা মুণ্ডু ও লাশ সেই গর্তে নিক্ষেপ করেছিলেন, তাঁদেরকে দলবদ্ধভাবে ধরে আনার প্রাক্কালে বনি কুরাইজার লোকেরা তাঁদের নেতা কাব বিন আসাদের কাছে কী জানতে চেয়েছিলেন, তাঁদের সেই প্রশ্নের জবাবে কাব তাঁদেরকে কী জবাব দিয়েছিলেন, সেই জবাবটি কাব ঘটনাস্থলের কোন আলামত পর্যালোচনার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছিলেন - ইত্যাদি বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

আদি উৎসের বর্ণনায় যে-বিষয়টি সুস্পষ্ট, তা হলো, বনি কুরাইজার লোকদেরকে যখন বন্দী অবস্থায় হত্যার উদ্দেশ্যে মুহাম্মদের কাছে দলে দলে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখনও পর্যন্ত তাঁরা জানতেন না, ধরে নিয়ে গিয়ে তাঁদেরকে কী করা হবে।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনার পুনরারম্ভ: [1] [2]

পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ৯১) পর:

‘ইবনে শিহাব আল-যুহরী আমাকে [মুহাম্মদ ইবনে ইশাক] বলেছেন যে, থাবিত বিন কায়েস বিন আল-শামমাস, আল-যাবির বিন বাটা আল-কুরাজির কাছে গমন করে - যার আরেক নাম আবু আবদুল রাহমান। [3]

আল-যাবির পৌত্তলিক যুগে থাবিতকে প্রাণভিক্ষা দিয়েছিলেন। আল-যাবিরের এক পুত্র আমাকে অবহিত করেছেন যে, বুয়াথ যুদ্ধের দিন তিনি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তিনি তাকে বন্দী করেছিলেন ও তারপর তার কপালের ওপরের কেশগুচ্ছ কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন। [4]

থাবিত তার (তখন তিনি ছিলেন এক বয়োবৃদ্ধ মানুষ) কাছে যায় ও তাকে জিজ্ঞাসা করে জানতে চায়, তিনি তাকে চিনতে পেরেছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, 'আমার মত একজন মানুষ তোমার মত একজন মানুষকে কেন চিনতে পারবে না?'

সে বলে, "তুমি আমার যে উপকার করেছিলে তার ঋণ আমি পরিশোধ করতে চাই।"

তিনি বলেন, "মহৎ লোকেরাই মহৎ লোকের ঋণ পরিশোধ করে।"

থাবিত আল্লাহর নবীর কাছে যায় ও তাঁকে বলে, আল-যাবির তার প্রাণভিক্ষা দিয়েছিল, সে কারণে তার সেই ঋণ তাকে সে পরিশোধ করতে চায়। আল্লাহর নবী বলেন যে, সে তার প্রাণভিক্ষা পেতে পারে। সে ফিরে এসে যখন তাকে বলে, আল্লাহর নবী তার প্রাণভিক্ষা দিয়েছেন, তিনি বলেন, "এক বয়োবৃদ্ধ মানুষ তার পরিবার ও সন্তানদের ব্যতিরেকে কেন বাঁচতে চাইবে?"

থাবিত পুনরায় আল্লাহর নবীর কাছে যায়, তিনি তাকে তার স্ত্রী ও সন্তানদের প্রাণভিক্ষার প্রতিশ্রুতি দেন। যখন সে তাকে তা বলে, তিনি বলেন, "সম্পত্তি ব্যতিরেকে হিজাজের এক পরিবার কীভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পারে?" থাবিত আল্লাহর নবীর কাছ থেকে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি আদায় করে যে, তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দেয়া হবে ও ফিরে এসে সে তাকে তা বলে।

তিনি বলেন, "হে থাবিত, কী পরিণতি হয়েছে কাব বিন আসাদ নামের ঐ লোকটির যার মুখমণ্ডলটি ছিল চীনা দর্পণের মত যার মাঝে তার গোত্রের কুমারী মেয়েরা নিজেদের দেখতে পেতো?"
সে বলে, "তাকে হত্যা করা হয়েছে।"

"এবং হুয়েই বিন আখতাব নামের মরুভূমির সর্দারের?"
"তাকে হত্যা করা হয়েছে।"

"এবং আমাদের অগ্রগামী দলের যখন আমরা আক্রান্ত হয়েছিলাম ও আযযাল বিন সামাওয়াল নামের পিছনের পাহারাদারটির যখন আমরা পলায়ন করছিলাম?"
"হত্যা করা হয়েছে।"

"এবং দুই গোষ্ঠীর?" যার মানে হলো বানু কাব বিন কুরাইজা ও বানু আমর বিন কুরাইজা।
"হত্যা করা হয়েছে।"

তিনি বলেন, "তাহলে আমি তোমাকে বলি কী, থাবিত, তোমার ওপর আমার দাবি এই যে, তুমি আমার সঙ্গে আমার লোকদের দলে যোগ দাও। কারণ তাদের সবার খুন হওয়ার পর বেঁচে থাকায় কোনো আনন্দ নেই; আমি আমার ভালবাসার মানুষগুলোর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য এক মুহূর্তও অপেক্ষা সহ্য করতে পারছি না।" [5]

অতঃপর থাবিত তার কাছে যায় ও তার কল্লা কেটে ফেলে।

যখন আবু বকর তার এ কথা, "আমার ভালবাসার মানুষগুলোর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য" শুনতে পান, তিনি বলেন, "হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, সে তাদের সাথে জাহান্নামে মিলিত হবে অনন্ত কাল অবধি।"

আল্লাহর নবী এই হুকুম জারি করেন যে, তাদের প্রত্যেকটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে যেন হত্যা করা হয়। (আল-তাবারী: 'তাদের যৌবনারম্ভ (puberty) হয়েছে এমন সবাইকেই যেন হত্যা করা হয়'।)।

আতিয়া আল-কুরাজি হইতে বর্ণিত > আবদুল মালিক বিন উমায়ের এর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শু'বা বিন আল-হাজজাজ আমাকে বলেছেন:

আল্লাহর নবী এই হুকুম জারি করেন যে, বনি কুরাইজার সকল প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে যেন হত্যা করা হয়। তখন আমি বালক ছিলাম ও তারা দেখতে পায়, আমি প্রাপ্তবয়স্ক ছিলাম না, তাই তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।

বানু আদি বিন আল-নাজজার গোত্রের আইয়ুব বিন আবদুল-রাহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আবু সা'সা নামের এক ভাই আমাকে জানিয়েছেন যে, আল-মুনধিরের মা ও সালিত বিন কায়েসের ভগ্নি সালমা বিনতে কায়েস - তিনি ছিলেন আল্লাহর নবীর খালাদের একজন, যিনি তার সাথে জেরুজালেম ও মক্কা উভয় দিকেই মুখ করে নামাজ আদায় করেছেন ও তিনি ছিলেন মহিলাদের একজন যারা তাঁর আনুগত্য গ্রহণ করেছেন - রিফাব বিন সামাওয়াল আল-কুরাজির ব্যাপারে তাঁর [আল্লাহর নবীর] কাছে সুপারিশ করে। সে [রিফাব] তাদের চিনতো ও তার শরণাপন্ন হয়েছিল। সে তাঁকে বলে যে, সে [রিফাব] তাকে কথা দিয়েছে, সে নামাজ আদায় করবে ও উটের মাংস ভক্ষণ করবে। তাই, তিনি তার সুপারিশ মঞ্জুর করেন। তার [সালমা] কল্যাণে সে প্রাণভিক্ষা পায়। [6] [7]।

সুন্নাহ আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৩৯০

‘আতিয়া আল-কুরাজি হইতে বর্ণিত:
“আমি ছিলাম বনি কুরাইজার বন্দীদের একজন। তারা (সাহাবীরা) আমাদেরকে পরীক্ষা করে। যাদের লোম গজানো (তলপেটের নীচে) শুরু হয়েছিল তাদেরকেই হত্যা করা হয়েছিল, যাদের তা হয়নি, তাদেরকে হত্যা করা হয়নি। আমি ছিলাম তাদের একজন যাদের চুল গজায়নি।' [8]

(অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ - লেখক।)

>>> আদি উৎসের বর্ণনায় যে-বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট, তা হলো, বনি কুরাইজার লোকেরা মুহাম্মদের কাছে কোনো প্রাণভিক্ষার আবেদন করেননি। এমনকি, আল-যাবির বিন বাটা আল-কুরাজি নামের এক বয়োবৃদ্ধ লোককে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের প্রাণভিক্ষা ও তাঁর সমস্ত সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া সত্ত্বেও তিনি মৃত্যুকেই বেছে নিয়েছিলেন।

একইভাবে বনি নাদির গোত্র নেতা হুয়েই বিন আখতাব ইচ্ছে করলেই তাঁর জীবন বাঁচাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে খন্দক যুদ্ধ শেষে তাঁর গোত্রের লোকদের কাছে ফিরে না গিয়ে মৃত্যু অবধারিত জেনেও, বনি কুরাইজার গোত্রের লোকেরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীকে কোনোরূপ সাহায্য না করা সত্ত্বেও, কাব বিন আসাদকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে তিনি বনি কুরাইজার লোকদের সাথে অবস্থান করেছিলেন। (পর্ব: ৮০ ও ৭৭)।

এই একই রূপ দৃশ্য আমরা দেখতে পেয়েছি বদর যুদ্ধ উপাখ্যানের বর্ণনায়। আবু আল বাখতারি বিন হিশাম ইচ্ছে করলেই তাঁর প্রাণ বাঁচাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে মৃত্যুকেই বেছে নিয়েছিলেন (পর্ব-৩২)।

কোনো কাপুরুষ ও প্রতারক কি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এমন সৎ সাহস দেখাতে পারে?

[ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় আদি উৎসের বর্ণনার বাংলা অনুবাদের সাথে মূল ইংরেজি অনুবাদের অংশটিও সংযুক্ত করছি।]

The resumption of narratives of Muhammad Ibne Ishaq (704-768 AD): [1] [2]


‘Ibn Shihab al-Zuhri told me that Thabit b. Qays b. al-Shammas had gone to al-Zabir b. Bata al-Qurazi who was Abu 'Abdu'l-Rahman. [3] Al-Zabir had spared Thabit during the pagan era. One of al-Zabir's sons told me that he had spared him on the day of Bu'ath, having captured him and cut off his forelock and then let him go. [4]

Thabit came to him (he was then an old man) and asked him if he knew him, to which he answered, 'Would a man like me not recognize a man like you?' He said, 'I want to repay you for your service to me.' He said, 'The noble repays the noble.' Thabit went to the apostle and told him that al-Zabir had spared his life and he wanted to repay him for it, and the apostle said that his life would be spared. When he returned and told him that the apostle had spared his life he said, 'What does an old man without family and without children want with life?' Thabit went again to the apostle, who promised to give him his wife and children. When he told him he said, 'How can a household in the Hijaz live without property?'

Thabit secured the apostle's promise that his property would be restored and came and told him so, and he said, 'O Thabit, what was become of him whose face was like a Chinese mirror in which the virgins of the tribe could see themselves, Ka'b b. Asad?'  'Killed,' he said. 'And what of the prince of the Desert and the Sown, Huyayy b. Akhtab?' 'Killed.' 'And what of our vanguard when we attacked and our rear guard when we fled (T. returned to the charge), 'Azzal b. Samaw'al?' 'Killed.' 'And what of the two assemblies?' meaning B. Ka'b b. Qurayza and B. 'Amr b. Qurayza. 'Killed.'

He said, 'Then I ask of you, Thabit, by my claim on you that you join me with my people, for life holds no joy now that they are dead, and I cannot bear to wait another moment to meet my loved one.' [5]So Thabit went up to him and struck off his head. When Abu Bakr heard of his words 'until I meet my loved ones' he said, 'Yes, by Allah he will meet them in hell for ever and ever'.

The apostle had ordered that every adult of theirs shoud be killed. (Al-Tabari: ‘all of them who had reached puberty should be killed).

Shu'ba b. al-Hajjaj told me from 'Abdu'l-Malik b. 'Umayr from 'Atiya al-Qurazi: The apostle had ordered that every adult of B. Qurayza should be killed. I was a lad and they found that I was not an adult and so they let me go.

Ayyub b. 'Abduu'l-Rahman b. 'Abdullah b. Abu Sa'sa'a brother of B. 'Adiy b. al-Najjar told me that Salma d. Qays, mother of al-Mundhir sister of Salit b. Qays - she was one of the maternal aunts of the apostle who had prayed with him both towards Jerusalem and towards Mecca and had sworn the allegiance of women to him - asked him for Rifa'a b. Samaw'al al-Qurazi who was a grown man who had sought refuge with her, and who used to know them. She said that he had alleged that he would pray and eat camel's flesh. So he gave him to her and she saved his life.  [6] [7]
Sunnah Abu Dawud: Hadith Number 4390

Narated by Atiyyah al-Qurazi: I was among the captives of Banu Qurayzah. They (the Companions) examined us, and those who had begun to grow hair (pubes) were killed, and those who had not were not killed. I was among those who had not grown hair. [8]

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৪৬৫-৪৬৬

[2] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৮, ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, University of California, Los Angeles, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা (Leiden) ১৪৯৫-১৪৯৭ http://books.google.com/books?id=sD8_ePcl1UoC&printsec=frontcover&source=gbs_ge_summary_r&cad=0#v=onepage&q&f=false

[3] ইবনে শিহাব আল-যুহরী (৬৭১-৭৪১/৭৪২ সাল)
‘তিনি ছিলেন ইসলামের গোড়ার দিকের 'সিরাত' সংগ্রাহকদের এক কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব’।

[4] 'বুয়াথ যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিল ৬১৭ খ্রিষ্টাব্দে মদিনার আল-আউস ও আল-খাযরায
গোত্রের মধ্যে, মুহাম্মদের মদিনা হিজরতের (৬২২ সাল) আগে। এটি সংঘটিত হয়েছিল বানু কুরাইজা ইহুদি সীমানার মধ্যে। ’

[5] এক মুহূর্ত - ‘এক বালতি পানি নালাতে দিয়ে সেই বালতি আবার ফিরিয়ে আনতে একজন মানুষের যে সময় লাগে ।’

[6] "কেবলা" –‘মুসলমানরা যে দিকটি কে সম্মুখে রেখে নামাজে আদায় করেন। গোড়ার দিকে মুহাম্মদ ইহুদিদের অনুকরণে জেরুজালেমের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতেন। কিন্তু হিজরি দুই সালে মুহাম্মদ তা পরিবর্তন করে কাবার দিকে করেন। মুহাম্মদ কুরানে তা উল্লেখ করেছেন এইভাবে: ২:১৪২- "এখন নির্বোধেরা বলবে, কিসে মুসলমানদের ফিরিয়ে দিল তাদের ঐ কেবলা থেকে, যার উপর তারা ছিল? আপনি বলুনঃ পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা সরল পথে চালান।"' অন্য কথায়, সালমার ইসলাম গ্রহণ সংঘটিত হয়েছিল কিবলা পরিবর্তনের আগে।’

[7] ইসলাম ধর্ম অনুশাসনের খাদ্যতালিকায় উটের মাংস ভক্ষণ অনুমোদিত (হালাল), কিন্তু ইহুদি ধর্ম অনুশাসনে তা নিষিদ্ধ। 

[8] সুন্নাহ আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৩৯০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন