১২ অক্টোবর, ২০১৫

বানু লিহায়েন (Lihyyan) অভিযান: আবারও শঠতার আশ্রয়!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৯৬) ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – সত্তর

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯ > পর্ব ৯০ > পর্ব ৯১ > পর্ব ৯২ > পর্ব ৯৩ > পর্ব ৯৪ > পর্ব ৯৫

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এরই স্বরচিত ব্যক্তিমানস জীবনীগ্রন্থ কুরান ও তাঁরই মতবাদ প্রচার ও প্রসারে ব্রতী নিবেদিতপ্রাণ আদি বিশিষ্ট মুসলিম স্কলারদেরই লিখিত 'সিরাত' (মুহাম্মদের জীবনীগ্রন্থ) ও হাদিসের আলোকে খন্দক যুদ্ধ ও খন্দক যুদ্ধ-পরবর্তী বনি কুরাইজা গণহত্যা উপাখ্যানের বিশদ আলোচনা গত উনিশটি পর্বে করা হয়েছে (পর্ব: ৭৬-৯৫)। 

মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা বনি কুরাইজা ইহুদি গোত্রের ওপর যে-অমানুষিক নৃশংস অভিযান ও গণহত্যা সংঘটিত করেছিলেন, সেটি ছিল হিজরি ৫ সালের জিলকদ মাস (যার শুরু হয়েছিল মার্চ ২৪, ৬২৭ সালে) ও জিলহজ মাসের প্রথমার্ধে। এই ঘটনার পর মুহাম্মদ ছয় মাসকাল মদিনায় অবস্থান করেন। তারপর তিনি বানু লিহায়েন গোত্রের লোকদের ওপর অতর্কিত হামলার উদ্দেশ্যে এক অভিযান পরিচালনা করেন।

পূর্ব-কথা:
বানু লিহায়েন গোত্রের লোকেরা তাদের দলপতি সুফিয়ান বিন খালিদ আল-হুদালি-কে হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের প্রচেষ্টায় আদাল ও আল-কারা গোত্রের লোকদের ভাড়া করে কুরান ও ইসলামের আদেশ নিষেধ শিক্ষার জন্য প্রশিক্ষক পাঠানোর আবেদন সহকারে মুহাম্মদের কাছে প্রেরণ করেন। তাদের সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুহাম্মদ তাঁর ছয়জন অনুসারীকে তাদের  সঙ্গে পাঠান। পথিমধ্যে 'আল-রাজী' নামক স্থানে ঐ লোকেরা হুদায়েল (Hudhayl) গোত্রের কিছু লোককে ডেকে নিয়ে এসে মুহাম্মদের ঐ অনুসারীদের ওপর হামলা চালায়। তারা তাদের তিনজনকে সেখানেই খুন করে ও আল-যাহরান নামক স্থানে এসে খুন করে আরও একজনকে। বাকি দু'জন মুহাম্মদ-অনুসারীকে তারা ধরে নিয়ে আসে মক্কায়। পিতৃহত্যার প্রতিশোধস্পৃহায় হুজায়ের বিন আবু ইহাব আল-তামিমি ও সাফওয়ান বিন উমাইয়া নামক দুই কুরাইশ তাদেরকে কিনে নিয়ে হত্যা করে।

অর্থাৎ মুহাম্মদ-অনুসারীদের ওপর এই অমানুষিক হামলার প্রকৃত কারণ হলো মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের আগ্রাসী নৃশংস কর্মকাণ্ডে আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ও স্বজনহারা মানুষদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অভিপ্রায় (বিস্তারিত: পর্ব ৭২)। 

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনা: [1] [2] [3]

'আল্লাহর নবী জিলহজ, মহরম, সফর ও রাবির দুই মাস [রবি-উল আওয়াল ও রবি-উস সানি] ও জুমাদি-উল আওয়াল মদিনায় অবস্থান করেন। বনি কুরাইজা বিজয়ের পরে এই ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি আল-রাজী-তে খুবায়েব বিন আদি ও তার অনুসারীদের হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার উদ্দেশ্যে বানু লিহিয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হন। তাদেরকে অতর্কিত হামলার উদ্দেশ্যে তিনি এমনভাবে যাত্রা করেন, যাতে মনে হয় যে তিনি সিরিয়ায় গমন করছেন।

তিনি মদিনার সন্নিকটে অবস্থিত সিরিয়া যাত্রা পথের ঘুরাব পাহাড়টি অতিক্রম করেন, অতঃপর 'মাহিস' (আল-ওয়াকিদি ও আল-তাবারী: 'মাখিদ') ও তারপর  'আল-বাতরা' অতিক্রম করেন। অতঃপর তিনি বাম দিকে ঘুরে অন্য পথে 'বিন' ও সুখায়েরাতুল-ইয়ামাম হয়ে বেরিয়ে আসেন; তারপরের গতিপথ মক্কা-পথের প্রধান সড়কটির পাশ দিয়ে। [4][5] [6]

তিনি 'ঘুরান' নামের বানু লিহিয়ান গোত্রের লোকদের বিচরণস্থানে পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত দ্রুতবেগে অগ্রসর হন। তিনি দেখতে পান যে লোকেরা পাহাড়ের শীর্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যখন আল্লাহর নবী সেখানে পৌঁছেন ও দেখেন যে, তাদেরকে অতর্কিত হামলার তাঁর সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তিনি বলেন, "যদি আমরা অগ্রসর হয়ে 'উসফান'-এর দিকে আসতাম, মক্কাবাসীরা মনে করতো যে, আমরা মক্কা গমনের অভিপ্রায়ে আসছি।" [7]

তাই তিনি তাঁর সঙ্গের দুই শত অশ্বারোহীদের নিয়ে বেরিয়ে আসেন ও উসফান-এ পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত যাত্রা অব্যাহত রাখেন। অতঃপর তিনি তাঁর অনুসারীদের মধ্য থেকে দুই জন অশ্বারোহীকে প্রেরণ করেন, যারা সুদূর 'কুরাল-ঘামিম' পর্যন্ত গমন করে। তারপর তিনি তাঁর দিক পরিবর্তন করেন ও মদিনায় ফিরে আসেন। [8][9]

বানু লিহিয়ান গোত্রের ওপর হামলার এই উপাখ্যানটি বর্ণিত হয়েছে আবদুল্লাহ বিন কাব বিন মালিকের কাছ হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আসিম বিন উমর বিন কাতাদা ও আবদুল্লাহ বিন আবু বকরের পক্ষ থেকে।

- অনুবাদ, টাইটেল, ও [**] যোগ - লেখক।]

>>> আদি উৎসের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় আমরায় জানতে পরি যে, বানু লিহায়েন গোত্রের লোকদেরকে প্রতারণার মাধ্যমে বিভ্রান্ত করে বিনা নোটিশে অতর্কিত হামালার উদ্দেশ্যে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা মদিনা থেকে বের হয়ে আসেন। তিনি প্রথমে যাত্রা করেন সিরিয়ার পথে, তারপর পথিমধ্যে দিক পরিবর্তন করে বানু লিহায়েন গোত্রের আবাসস্থলের দিকে রওনা হন। যখন তিনি 'ঘুরান' নামের বানু লিহায়েন গোত্রের লোকদের বিচরণস্থানে এসে পৌঁছান, তখন তিনি দেখতে পান যে, বানু লিহায়েন গোত্রের লোকেরা তাঁর অতর্কিত আক্রমণের খবর আগে থেকেই জেনে ফেলেছে ও তাঁরা পাহাড়ের শীর্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে তাঁর হামলা প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। তাঁর প্রতারণা প্রচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।

রাতের অন্ধকারে নিরীহ বাণিজ্য-ফেরত কাফেলায় হামলায় (পর্ব: ২৮-২৯), রাতের অন্ধকারে নিরস্ত্র প্রতিপক্ষ সমালোচনাকারীকে গুপ্ত-ঘাতকের মাধ্যমে খুন করায় (পর্ব: ৪৬-৫০) এবং প্রতারণা ও শঠতার আশ্রয়ে বিভিন্ন অজুহাতে দুর্বল জনপদের ওপর উপর্যুপরি হামলায় (পর্ব: ৫১-৫২ ও ৮৭-৯৫) মুহাম্মদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের পরিচয় আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি। আমরা আরও জেনেছি নির্ধারিত সম্মুখ যুদ্ধে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের চরম পরাজয় ও বিপর্যয়ের ইতিহাস (পর্ব: ৫৪-৭১ ও ৭৭-৮৬)।

এই অবস্থা পরিদর্শনের পর মুহাম্মদ, বোধ করি, অতি সহজেই বুঝতে পারেন যে, ওহুদ ও খন্দক যুদ্ধের মতই এই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে তাঁর "আল্লাহর সাহায্য পাবার সম্ভাবনা শূন্য!" তাই, তিনি পিছু হটতে বাধ্য হন। মুহাম্মদ যদি সত্যিই তাঁর দাবিকৃত "আল্লাহ ও তার ফেরেশতার সাহায্যপ্রাপ্তি" বিষয়ে (পর্ব: ৩৪) দৃঢ় বিশ্বাসী হতেন, তবে কেন তিনি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য শঠতার আশ্রয় নেবেন? কেন তিনি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবেন?

>>> জগতের প্রায় সকল মুহাম্মদ-অনুসারী মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ ছিলেন মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। উদ্দেশ্য সাধনের প্রয়োজনে তিনি অসৎ, বদমাশ ও দুর্বৃত্তদের মত প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারেন, তা তাঁরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেন না! তাঁদের এই বিশ্বাস যে ইসলামে নিবেদিতপ্রাণ লক্ষ লক্ষ মুহাম্মদ অনুসারী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতদের শত শত বছরের মিথ্যাচারের ফসল, তা আমরা জানতে পারি আদি উৎস বর্ণিত সিরাত ও হাদিসের বর্ণনায়।

আদি উৎসে এই বর্ণনাগুলো লিপিবদ্ধ হয়েছে মুহাম্মদের বুদ্ধিমত্তা ও শৌর্য-বীর্যের উদাহরণ হিসাবে। তাঁদের পক্ষে ধারণা করাও সম্ভব ছিল না যে, শত সহস্র বছর পরে এই বর্ণনাগুলো মুহাম্মদের চরিত্রের চরম নেতিবাচক অধ্যায় বলে বিবেচিত হবে। মুহাম্মদ-অনুসারীদের মধ্যে যখন থেকে এই উপলব্ধি শুরু হয়েছে, তখন থেকেই মুহাম্মদের জীবনের অসংখ্য নেতিবাচক ঘটনাগুলোকে "গোপন করা(পর্ব-৪৪) ও তা সম্ভব না হলে বিভিন্ন কসরতের মাধ্যমে তার "ন্যায্যতা প্রদান করার" প্রাণান্তকর কসরত শুরু হয়েছে। এই কর্মে মুহাম্মদ-অনুসারী এইসব পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা (অধিকাংশই না জেনে) এতই সফল যে, সাধারণ সরলপ্রাণ মুসলমানেরা এই ঘটনাগুলোর বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ। 

উদ্দেশ্য সাধনের প্রয়োজনে দুর্বৃত্তদের মতই মুহাম্মদ যে শঠতার আশ্রয় নিতেন তার প্রমাণ আমরা "ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ" অধ্যায়ের এই সত্তরটি পর্বের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের বর্ণনায় বহুবার প্রত্যক্ষ করেছি। এই অধ্যায়ের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় তা হবে আরও সুস্পষ্ট।

[ইসলামের ইতিহাসের এই বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে মূল ইংরেজি অনুবাদের প্রাসঙ্গিক অংশটিও সংযুক্ত করছি।]

‘---- six months after the conquest of Qurayza, he went out against B. Lihyan to avenge his men killed at al-Raji,' Khubayb b. 'Adiy and his companions. He made as though he was going to Syria in order to take the people by surprise. He went past Ghurab, a mountain near Medina on the road to Syria, then by Mahis, then by al-Batra'; then he turned off to the left and came out by Bin, then by Sukhayratu'l-Yamam, then the track went by the Meccan highroad. He quickened the pace until he came down to Ghuran, the haunts of B. Lihyan. [4][5][6][7]


He found that the people had been warned and taken up strong positions on the tops of the mountains. When the apostle got there and saw that he had failed to take them by surprise as he had intended, he said, 'Were we to come down to 'Usfan the Meccans would think that we intend to come to Mecca.'  So he went out with two hundred riders until he came to 'Usfan, when he sent two horsemen from his companions who went as far as Kura'u'l-Ghamim. Then he turned and went back.’ [8][9]

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

[1] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৪৮৫-৪৮৬

[2] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৮, ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, University of California, Los Angeles, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা (Leiden) ১৫০১-১৫০২ 

[3] অনুরূপ বর্ণনা (Parallal): কিতাব আল-মাগাজি”- লেখক:  আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২), ed. Marsden Jones, volume 2, লন্ডন ১৯৬৬, পৃষ্ঠা ৫৩৫-৫৩৭

[4] ‘আল-বাতরা হলো মদিনার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত, মদিনা থেকে প্রায় ১৫০ মাইল দূরবর্তী এক পাহাড়। এটি মদিনা ও তাবুকের প্রায় মধ্যস্থানে অবস্থিত’। 

[5] 'বিন - মদিনার নিকটবর্তী এক পাথুরে নদীখাত’।

[6] ‘সুখায়েরাতুল-ইয়ামাম - আল-সায়েলা ও ফারাহ-র মধ্যবর্তী এক স্থান’।

[7] 'ঘুরান হলো আমাজ ও উসফান-এর মধ্যবর্তী এক পাথুরে নদীপথ, যা সুদূর সায়ায়া নামের এক গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত’।

[8] ‘উসফান হলো মদিনা-পথের উপর অবস্থিত মক্কা থেকে ৩৩ মধ্যযুগীয় আরব মাইল (১.৮ – ২ কিলোমিটার) দূরবর্তী একটি স্থান। মক্কার উত্তর-পশ্চিমাংশে মক্কা থেকে ৫০ মাইল দূরবর্তী একটি আধুনিক শহরের নামকরণের মাধ্যমে এই নামটি সংরক্ষিত হয়েছে’।

[9] 'কুরাল-ঘামিম' -উসফান থেকে ৮ মাইল দূরে অবস্থিত মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী এক পাথুরে নদীখাত’।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন