২ নভেম্বর, ২০১৫

বানু আল-মুসতালিক হামলা - ৩: আবদুল্লাহ বিন উবাই পুত্রের আর্জি!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব- ৯৯) ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – তিয়াত্তর

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯ > পর্ব ৯০ > পর্ব ৯১ > পর্ব ৯২ > পর্ব ৯৩ > পর্ব ৯৪ > পর্ব ৯৫ > পর্ব ৯৬ > পর্ব ৯৭ > পর্ব ৯৮

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর অনুসারীদের মধ্যে ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম শারীরিক হামলা ও কলহের পরিপ্রেক্ষিতে আবদুল্লাহ বিন উবাই নামের এক বিশিষ্ট আনসার গোত্র-প্রধানের তথাকথিত মন্তব্যটি শোনার পর কোনোরূপ সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়াই ঘটনাস্থলে উপস্থিত উমর ইবনে খাত্তাবের "তৎক্ষণাৎ আবদুল্লাহ বিন উবাই-কে খুন করার পরামর্শ” মুহাম্মদ কী কারণে বাস্তবায়ন করতে রাজি হননি, ঘটনাস্থলে নিজে উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনার কোনোরূপ তদন্ত ও বিচারকাজ ছাড়াই মুহাম্মদ কতজন লোকের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, আবদুল্লাহ বিন উবাই অবশ্যই মিথ্যাবাদী ও ভণ্ড, আল্লাহর নামে মুহাম্মদ কুরানের কোন অধ্যায় রচনার মাধ্যমে তাঁর অনুসারীদের মধ্যে বিভাজন প্রক্রিয়ার জন্ম দিয়েছিলেন" - ইত্যাদি বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

আবদুল্লাহ বিন ‌উবাইয়ের পুত্র আবদুল্লাহ শুনতে পান যে, মুহাম্মদ তার পিতাকে হত্যা করতে চায়। বিষয়টি শোনার পর আবদুল্লাহ মুহাম্মদের কাছে এক বিশেষ আর্জি নিয়ে গমন করেন।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনার পুনরারম্ভ: [1] [2] [3]  

পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ৯৮) পর:

‘আবদুল্লাহ বিন ‌উবাইয়ের পুত্র আবদুল্লাহ তার পিতার এই বিষয়টি শুনতে পান।

আসিম বিন উমর বিন কাতাদা আমাকে [মুহাম্মদ ইবনে ইশাক] বলেছেন যে, আবদুল্লাহ আল্লাহর নবীর কাছে আসে ও বলে, "আমি শুনেছি যে, আপনি আবদুল্লাহ বিন উবাই সম্বন্ধে যা শুনেছেন, তার জন্য তাকে  হত্যা করতে চান। যদি আপনাকে তা করতেই হয়, তবে আপনি আমাকে তা করার হুকুম করুন, আমি তার কল্লা আপনার কাছে এনে হাজির করবো। কারণ আল-খাযরাজ গোত্রের লোকেরা জানে যে, তাদের মধ্যে এমন কোনো লোক নেই, যে তার পিতার প্রতি আমার চেয়ে বেশি কর্তব্যনিষ্ঠ। আমি ভীত এই জন্য যে, যদি আপনি তাকে হত্যা করার হুকুম অন্য কারও ওপর ন্যস্ত করেন, তবে আমার আত্মা এটা মেনে নেবে না যে, আমি তার খুনিকে লোকালয়ে চলাফেরা করতে দেখি; আমি তাকে খুন করবো। এতদনুসারে এক অবিশ্বাসীর কারণে একজন বিশ্বাসী হবে খুন, সুতরাং আমাকে যেতে হবে জাহান্নামে।"

আল্লাহর নবী বলেন, "না, তারচেয়ে বরং যতদিন সে আমাদের সাথে থাকে, এসো আমরা তার সাথে সদয় আচরণ করি।" 

তারপর এমনি ঘটনা ঘটে যে, যখনই কোনো দৈবদুর্বিপাক (misfortune) সংঘটিত হয়, তার নিজের লোকেরাই তাকে রুঢ়ভাবে ভৎর্সনা ও তিরস্কার করে। আল্লাহর নবী যখন এরূপ পরিস্থিতির খবর পান, তিনি উমরকে বলেন, "এখন তোমার কী মনে হয়, উমর? যেদিন তুমি তাকে খুন করতে চাচ্ছিলে, সেদিন যদি আমি তাকে খুন করতাম, তাহলে নেতৃস্থানীয় লোকেরা ক্রোধে ফেটে পড়তো। তাকে হত্যা করার জন্য যদি আজ আমি তাদেরকে হুকুম করি, তারা তাকে হত্যা করবে।"

উমর জবাবে বলে, "আমি জানি যে, আল্লাহর নবীর হুকুম আমার হুকুমের চেয়ে বেশী মহিমান্বিত।"

(অনুবাদ, টাইটেল, ও [**] যোগ – লেখক)

>>> আদি উৎসে বর্ণিত বানু আল-মুসতালিক হামলা উপাখ্যানের মুহাজির ও আনসার কোন্দল-পরবর্তী ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর চিন্তাধারা, বুদ্ধিমত্তা, দূরদর্শিতা ও কূট-রাজনীতির সম্যক ধারণা পাই। তাঁদের বর্ণিত ধারাবাহিক ঘটনা প্রবাহের সংক্ষিপ্তসার:

১) জাহজাহ বিন মাসুদ নামের এক মুহাজির সিনান বিন ওয়াবার আল-জুহানি নামের এক আনসার ধাক্কা মেরে (ইবনে ইশাক) / পাছায় লাথি মেরে (ইমাম বুখারী) পানির পাশ থেকে হটিয়ে দেয় ও লড়াইয়ে জড়িত হয়ে তাদের নিজ নিজ পক্ষকে চিৎকার করে সাহায্যের আহ্বান করে। 

২) দাবি করা হয়েছে যে, এই ঘটনাটি শোনার পর মদিনার আল-খাযরাজ গোত্র-প্রধান রাগান্বিত হয়ে মন্তব্য করেছেন, “আমরা যদি মদিনায় প্রত্যাবর্তন করি, তবে সেখান থেকে সবল অবশ্যই দুর্বলকে বহিষ্কৃত করবে - তোমরা নিজেরাই যা করেছ, তার ফল হলো এই। তোমরা তোমাদের দেশে তাদের অধিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছ ও তোমাদের সম্পদের ভাগ তাদেরকে দিয়েছ; যদি তোমরা তোমাদের সম্পদের ভাগ তাদেরকে না দিতে, তবে তারা হয়তো অন্যত্র গমন করতো [ইবনে ইশাক] (আল্লাহর রসূলের সাহচর্যে যারা আছে তাদের জন্যে ব্যয় করো না। পরিণামে তারা আপনা-আপনি সরে যাবে [৬৩:৭-৮])" - যে দাবী আবদুল্লাহ  বিন উবাই অস্বীকার করেছিলেন।

(--“By Allah when we return to Medina the stronger will drive out the weaker”. Then he went to his people who were there and said: “This is what you have done to yourselves. You have let them occupy your country, and you have divided your property among them. Had you but kept your property from them they would have gone elsewhere.”)

৩) যায়েদ বিন আরকাম নামক এক অল্পবয়স্ক বালকের মাধ্যমে মুহাম্মদ এই ঘটনাটি শুনতে পান, তখন তার সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রিয় অনুসারী উমর। কোনোরূপ সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়াই উমর মুহাম্মদকে অনুরোধ করেন যে, তিনি যেন আবদুল্লাহ বিন উবাই-কে খুন করেন; মুহাম্মদ, উমরের ঐ অভিপ্রায় বাস্তবায়ন করেননি এই ভেবে যে, "লোকেরা তাঁকে অনুসারী হত্যার অপবাদ দেবে!" মুহাম্মদ উমরের এই গর্হিত অভিপ্রায়ের কোনোরূপ প্রতিবাদ করেননি!

শুধু কি ভবিষ্যৎ লোকনিন্দার সম্ভাবনা হেতু মুহাম্মদ উমরের পরামর্শ বাস্তবায়ন করেননি, নাকি আরও কিছু কারণ? 

আদি উৎসের বর্ণনায় আমরা আরও জেনেছি যে, ঐ সময়টিতে আবদুল্লাহ বিন উবাই ছিলেন তাঁর লোকদের (আনসার) কাছে "এক মহান ব্যক্তি", তাঁরা ছিলেন তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল ও তাঁরা মুহাম্মদের রোষ থেকে তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন (পর্ব: ৯৮); আর ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় আমরা জানতে পারি যে, তীক্ষ্ণবুদ্ধির মুহাম্মদ তা নিজেও উপলব্ধি করেছিলেন। তিনি জানতেন যে, ঐ মুহূর্তে যদি তিনি আবদুল্লাহ বিন  উবাইকে খুন করেন, আবদুল্লাহর লোক ও আদি মদিনা-বাসী নেতৃস্থানীয় লোকেরা (আনসার)  ক্রোধে ফেটে পড়বে। উপায়?

৪) মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ ছিলেন "ঠাণ্ডা মস্তকে পরিকল্পনাকারী", তিনি উমরের মত অসহিষ্ণু ছিলেন না। তিনি তাঁর আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে সম্পূর্ণ সুরা মুনাফিকুন হাজির করলেন, যেখানে তিনি আবদুল্লাহ বিন উবাই ও তার সাথে সমমনা লোকদেরকে "মিথ্যাবাদী-ভণ্ড (মুনাফিক)" নামে চিত্রায়িত করলেন। আল্লাহর নামে তাদের বিরুদ্ধে করলেন বিষোদগার, হুমকি শাসানী ও ভীতি প্রদর্শন এবং নিজেই নিজের ভূয়সী প্রশংসা ("আল্লাহ জানেন যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।" (কুরান: ৬৩:১)।

বিশ্বাসী-মানসে সকল ঐশী বাণীই পবিত্র, পালিত হয় তা পরম বিশ্বাসে। আল্লাহ নিজে যেখানে সাক্ষ্য দেয় "মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী", সেখানে বিশ্বাসী-মানস কোনোরূপ বিচার-বিবেচনা, সাক্ষ্য-প্রমাণের প্রয়োজন বোধ করে না। বিভাজন হলো শুরু, সিংহভাগ মুহাম্মদ-অনুসারী জানলেন যে, আবদুল্লাহ বিন উবাই অবশ্যই মিথ্যাবাদী ও ভণ্ড, তারা তাকে হেয় ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা শুরু করলো এবং পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছলো যে, আবদুল্লাহ বিন উবাইয়ের লোকেরাই তাকে হত্যা করতে চায়।

মুহাম্মদের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা হলো সফল, তিনি উৎফুল্ল। উৎফুল্ল মুহাম্মদ তাঁর প্রিয় অনুসারী উমর ইবনে খাত্তাব-কে ডেকে জানালেন, "সেদিন যদি আমি তাকে খুন করতাম, তাহলে নেতৃস্থানীয় লোকেরা ক্রোধে ফেটে পড়তো। তাকে হত্যা করার জন্য যদি আজ আমি তাদেরকে হুকুম করি, তারা তাকে হত্যা করবে।" মুক্তচিন্তার পাঠকরা নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর "সুরা মুনাফিকুন" হাজির করার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল?

আদি উৎসের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় আমরা আরও জানতে পারি যে, ‘আবদুল্লাহ বিন উবাইয়ের পুত্র আবদুল্লাহ তার পিতার এই বিষয়টি শোনার পর নিজ হাতে তার জন্মদাতা পিতাকে খুন করার অভিপ্রায় জানিয়ে মুহাম্মদের কাছে আর্জি করেছিলেন। ইসলাম নামক ভাবাদর্শের (Ideology) প্রকৃত স্বরূপ এই ঘটনাটির মধ্যে অত্যন্ত স্পষ্ট।

অবিশ্বাসীর সঙ্গে এক বিশ্বাসীর মনোভাব কেমন হওয়া উচিত, হোক না সে সেই বিশ্বাসীর পিতা-মাতা বা একান্ত নিকটাত্মীয় - তার আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে (পর্ব: ৩১-৩২); আমরা আরও জেনেছি ‘অবিশ্বাসীদের খাতিরে কোনো বিশ্বাসী অপর কোনো বিশ্বাসীকে কখনোই হত্যা করতে পারবে না; একই ভাবে কোনো বিশ্বাসী অপর কোন বিশ্বাসীর বিরুদ্ধে কোনো অবিশ্বাসীকে কখনোই সাহায্য করতে পারবে না (পর্ব: ৫৩)।" [4] [5]

তাই, মুহাম্মদের মতবাদে চরম বিশ্বাসী আবদুল্লাহ বিন উবাই পুত্র আবদুল্লাহ, "তার পিতার কল্লা কেটে” মুহাম্মদের কাছে এনে হাজির করার অনুমতি প্রার্থনা করেছিলেন। এক অবিশ্বাসীর কারণে একজন বিশ্বাসীকে খুন করলে তাকে যেতে হবে জাহান্নামে, এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয়ে তিনি তার পিতাকে খুন করাকেই শ্রেয় মনে করেছিলেন।

স্বঘোষিত আখেরি নবী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য সাধনের প্রয়োজনে কীরূপ প্রতারণা ও কুট-কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করতেন, তা আদি বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা তাঁদের বর্ণনায় বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন। খন্দক যুদ্ধের প্রাক্কালে তিনি কী কারণে ঘাতাফান গোত্রের দলপতি ইউয়েনা বিন হিসন কে "ঘুষ প্রদানের" সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন (পর্ব: ৮১) এবং নুইয়াম বিন মাসুদ বিন আমির-কে "প্রতারণার উদ্দেশ্যে" কুরাইশ ও বনি কুরাইজা গোত্রের লোকদের নিকট পাঠিয়েছিলেন (পর্ব: ৮৫), তার আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। তাঁর নীতি ছিল, "উদ্দেশ্য সাধনের প্রয়োজনে যা কিছু করা দরকার, তার সবই বৈধ" (পর্ব: ৭০)! আদি উৎসে বর্ণিত এই বর্ণনা তাঁর এই নীতিরই আর একটি উদাহরণ মাত্র। "ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ" শিরোনামের পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের বর্ণনায় মুহাম্মদের এ সব কর্মকাণ্ডের আরও অনেক উদাহরণ পাঠকরা জানতে পারবেন।

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:

 [1] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৪৯১-৪৯২


[2] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খৃষ্টাব্দ), ভলুউম ৮, ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, University of California, Los Angeles, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা (Leiden) ১৫১৪- ১৫১৫ http://books.google.com/books?id=sD8_ePcl1UoC&printsec=frontcover&source=gbs_ge_summary_r&cad=0#v=onepage&q&f=false

[3] অনুরূপ বর্ণনা (Parallal):  কিতাব আল-মাগাজি”- লেখক:  আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২), ed. Marsden Jones, লন্ডন ১৯৬৬; ভলুম ২, পৃষ্ঠা ৪২০-৪২১

ইংরেজি অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail and Abdul Kader Tayob; Simultaneously published in the USA and Canada in 2011 by Routledge: 2 Park square, Milton park , Abington, Oxon, OX14 4RN and 711 Third Avenue, New York, NY 10017; ISBN: 978-0-415-86485-5 (pbk); পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬

[4] সহি বুখারী ভলুম ৯, বই ৮৩, হাদিস নম্বর ৫০
Narrated Abu Juhaifa: I asked 'Ali "Do you have anything Divine literature besides what is in the Qur'an?" Or, as Uyaina once said, "Apart from what the people have?" 'Ali said, "By Him Who made the grain split (germinate) and created the soul, we have nothing except what is in the Quran and the ability (gift) of understanding Allah's Book which He may endow a man, with and what is written in this sheet of paper." I asked, "What is on this paper?" He replied, "The legal regulations of Diya (Blood-money) and the (ransom for) releasing of the captives, and the judgment that no Muslim should be killed in Qisas (equality in punishment) for killing a Kafir (disbeliever)." http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/hadith/bukhari/083-sbt.php#009.083.050
অনুরূপ হাদিস:
সহি বুখারী ভলুম ১, বই ৩, হাদিস নম্বর ১১১
সুন্নাহ আবু দাউদ- বই ৩৯, হাদিস নম্বর ৪৫১৫

[5] Blood money- “Qisas and Diyya”:

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন