১০ নভেম্বর, ২০১৫

একটি সর্বজনীন উৎসবের প্রস্তাব

লিখেছেন মহিন উদ্দীন আহামেদ

আমরা, শান্তিপ্রিয় মুসলমানরা, শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিমা ভাঙচুর থেকে শুরু করে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর দখল, হালালভাবে গনিমতের মাল দখল, ভক্ষণ ও ধর্ষণ করে নবীর সুন্নত এবং ঈমান আমলের ওপর জোর দিতে চাই।

এক্ষেত্রে সরকার আরো একটু আন্তরিক ও পৃষ্ঠপোষকতা করলে কাজগুলো আরো সহজ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো। আশা করি, সরকার দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণের চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারটা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করবেন।

সেক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের কাছে আমার তথা সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লী ভাইয়ের কিছু দাবি নিচে পেশ করলাম। 
  • সংখ্যালঘুদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সংসদে বিল পাশ।
  • সকল বিধর্মীকে জিজিয়া করের ন্যায় আলাদা করের আওতাধীন করা।
  • সংখ্যালঘুদের বসবাসের জন্য আলাদা কলোনি গড়ে তোলা।
  • নির্বিঘ্নে নবীর সুন্নত পালন করার জন্য মূর্তি ভাঙাকে সর্বজনীন উৎসব বলে ঘোষণা করা।
  • কোন দিন কোন সংখ্যালঘুর বাড়িতে কীভাবে হামলা করা হবে, তার একটা রুটিন প্রস্তুত করে আগে থেকেই কর্মপদ্ধতি ঠিক করে নিয়ে নিকটস্থ থানায় জানিয়ে দেওয়া।
  • জাতীয় পর্যায়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন কমিটি এবং র‍্যাবের ন্যায় আলাদা স্কোয়াড গঠন করা।
  • সর্বোচ্চ সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী দল বা ব্যক্তিকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা। 
  • এবং সর্বোপরি সংখ্যালঘু নির্যাতন উৎসবে সকল ধর্মের সকল বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে এই মহান উৎসবকে একটি সর্বজনীন উৎসবে রূপান্তরিত করা।
আশা করি, সরকার আমাদের এই প্রাণের দাবিতে একাত্মতা প্রকাশ করে দুনিয়া এবং আখেরাতের অশেষ নেকী হাসিল করবেন।

ফি আমানিল্লাহ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন